All posts by jitu

ঘরের মাঠে জয় পেতে ব্যর্থ মেসিদের মায়ামি

ঘরের মাঠে জয় পেতে ব্যর্থ মেসিদের মায়ামি

ডেস্ক রিপোর্ট:

লিওনেল মেসি আর ইন্টার মায়ামি যেভাবে ছুটছিল, তাকে রূপকথা ছাড়া অন্য কিছু বলার সাধ্য ছিল কই। একের পর এক ম্যাচে নিজের ঝলক দেখিয়েছেন মেসি। তাতে ইন্টার মায়ামিও ছুটেছে জয়ের পথে। লিগস কাপে শিরোপা, ইউএস ওপেন কাপের ফাইনাল সবমিলিয়ে শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। সেই জয়ের ধারায় এবার লাগাম টেনে ধরলো ন্যাশভিল।

ফ্লোরিডার ড্রাইভ পিংক স্টেডিয়ামে ঘরের মাঠে এদিন জয় পেতে ব্যর্থ হয়েছে লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামি। দারুণ অ্যাটাকিং ফুটবল খেলেও গোলশুন্য ড্র দিয়েই ম্যাচ শেষ করতে হয়েছে তাদের।

পুরো ম্যাচে বেশিরভাগ সময়েই লাগাম নিজেদের কাছেই রেখেছিল টাটা মার্টিনোর শিষ্যরা। কিন্তু ন্যাশভিল ছিল সতর্ক। কদিন আগেই লিগস কাপের ফাইনালে মায়ামির কাছে হেরেছিল তারা। সেবারেও অবশ্য ৯০ মিনিটের খেলা ড্রতেই শেষ হয়। এবারেও দেখা গেল তেমন ফল।

এদিন ম্যাচের আগে নিজেদের সদ্য জয় করা লিগ কাপের শিরোপা সমর্থকদের সামনে নিয়ে আসে মায়ামির খেলোয়াড়রা। প্রত্যাশা ছিল এমন দিন জয় দিয়ে স্মরণীয় করে রাখা। কিন্তু তার আর হলো না। নিজেদের কনফারেন্সের শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ন্যাশভিল এসসির বিপক্ষে ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে মায়ামি। আর যুক্তরাষ্ট্রের প্রথমবারের মত জয় পেতে ব্যর্থ হলেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার মেসি।

পুরো ম্যাচেই নিজেদের জমাট রক্ষণের আস্থা রেখেছিল ন্যাশভিল। তাতে ফলও এসেছে। পুরো ম্যাচে গোটা ছয়েক শট নিয়েও গোল করতে পারেননি মেসি। প্রতিবারই আটকেছেন ন্যাশভিল রক্ষণের কাছে। অবশ্য শুধু মেসিই না। এদিন পুরো মায়ামির আক্রমণকেই প্রতিহত করেছেন লুকাস ম্যাকনটন-জ্যাক মাহেররা।

পুরো ম্যাচে ১৩ টি শট নিয়েছে মায়ামি। বল দখলে ছিল ৬৯ শতাংশ সময়। এমনকি পাসও খেলেছে বিপক্ষ দলের প্রায় তিনগুণ। কিন্তু ন্যাশভিলের প্রতিরোধের দেয়ালের সামনে এসব পরিসংখ্যান একেবারেই কাজে আসেনি মায়ামির।

এই ম্যাচের পর অবশ্য নিজের দলকে নিয়ে আরও কিছুটা ভাবনায় পড়তে হবে মায়ামি কোচ মার্টিনোকে। মেসির অফফর্মের দিনে তার দলের জয় নিয়ে ফেরা বেশ কঠিন, সেই অবস্থার উন্নতি নিশ্চয়ই চাইবেন তিনি।

এই ড্রয়ের পর এমএলএসের প্লে-অফের খেলার আশা কার্যত শেষ হয়ে গেল মেসির ইন্টার মায়ামির। ইস্টার্ন কনফারেন্সে ২৪ ম্যাচ শেষে ২২ পয়েন্ট নিয়ে ১৪তম স্থানে আছে তারা। প্লে-অফ খেলতে অন্তত নবম স্থানে যেতে হবে তাদের। নয়ে থাকা শিকাগো ২৬ ম্যাচে পেয়েছে ৩২ পয়েন্ট। আর সমান ম্যাচে ন্যাশভিলের সংগ্রহ ৩৯।

তারা চায় এমন একটা সরকার আসুক যারা তাদের পদলেহন করবে: প্রধানমন্ত্রী

তারা চায় এমন একটা সরকার আসুক যারা তাদের পদলেহন করবে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

কয়েকটি দেশ বন্ধু হলে শত্রু লাগে না, মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তারা চায়, বাংলাদেশে এমন সরকার আসুক, যারা তাদের পদলেহন করবে।

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বুধবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে কেউ কেউ চায়, এখানে এমন একটা সরকার আসুক যারা তাদের পদলেহন করবে।

তিনি আরো জানায়, বড় দেশ মোড়লিপনা সব জায়গায় করে থাকে। এরা যাদের বন্ধু হয়, তাদের তো আর শত্রু লাগে না। ইউক্রেন বন্ধু হয়েছিল, আজ ইউক্রেনের অবস্থাটা কী দাঁড়িয়েছে?’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানকার (ইউক্রেন) মেয়েরা, বাচ্চারা আজকে কষ্ট পাচ্ছে। এমনই বন্ধুত্ব, সেই বন্ধুত্বের কারণে তাদের দেশও শেষ এবং সেখানে নারী-শিশু, তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে।

নাম উল্লেখ না করে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে তৎপর দেশগুলোকে ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী কিছু আছে, কয়েকটি দেশ, তারা নাকি খালি গণতন্ত্র খুঁজে বেড়ায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ আমাদের শুনতে হয়, তারা গণতন্ত্রের খোঁজ করে, ভোটের অধিকার খোঁজ করে। এই ভোটের যে অবস্থা ছিল, সেটা তো তারা দেখেনি। এরা দেখতেও পারে, জানতেও পারে।

তিনি জানান, মানবাধিকার, গুম-খুনের কথা বলে। আমার বাবা-মায়ের হত্যাকারী সেই খুনি রাশেদ এখনও আমেরিকায়। বার বার অনুরোধ করি যে তাকে ফেরত দেন, কারণ আমার দেশের বিচার ব্যবস্থায় সে সাজাপ্রাপ্ত। সেখানে তাদের হাত দেওয়ার কী অধিকার আছে? এই খুনিকে তারা লালনপালন করে কেন? আরেকজন নূর, সেই নূর তো এখন কানাডায়। তাদের তারা ফেরত দেয় না।

বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে আওয়ামী লীগের অবদানের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগেরই উদ্যোগে আমরা মহাজোট করি। আমাদেরই প্রস্তাব ছিল ছবিসহ ভোটার তালিকা, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, নির্বাচন স্বচ্ছ করা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইন করে নির্বাচন কমিশন আমরা করেছি। নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করে দেওয়া হয়েছে অর্থনৈতিকভাবে।

নির্বাচন ও গণতন্ত্র বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও জানান, নির্বাচনকে স্বচ্ছ করা, জনগণের ভোটের অধিকার, ভাতের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেছে আওয়ামী লীগ। রক্ত দিয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। রক্ত দিয়েই এই অধিকার আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি।

রাজধানীর ৪ টি মানি এক্সচেঞ্জে এনএসআই ও বিএফআইইউ-এর অভিযান

স্টাফ রিপোর্টার:
রাজধানীর দৈনিক বাংলা মোড় ও গুলশানে চারটি মানি এক্সচেঞ্জে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও বাংলাদেশ ফাইনান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট বিএফআইইউ। অভিযানে প্রায় দুই লাখ মার্কিন ও কানাডিয়ান ডলার এবং ৩৮ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় হুন্ডির কারবারে জড়িত একাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, বুধবার দৈনিক বাংলা মোড়ে আরএস ভবনের দ্বিতীয় তলায় নিহন মানি এক্সচেঞ্জে অভিযান পরিচালনা চালায় এনএসআই ও বিএফআইইউ চালায়।

অভিযানে এক লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার যা বাংলােদশী টাকায় ১ কোটি ৯০ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা, ৩০ হাজার কানাডিয়ান ডলার যা বাংলােদশী টাকায় ২৬ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা আরও কিছু বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও টাকা পাওয়া গেছে।
এনএসআই ও বিএফআইইউয়ের অভিযানে হুন্ডির ক্যারিয়ার মিরাজুল ইসলামের কাছ থেকে নগদ ৩৮ লাখ ১৮ হাজার টাকাও পাওয়া গেছে। এই টাকা মানি এক্সচেঞ্জের মালিক শহীদের কাছে জমা দিতে এসেছিল মিরাজ। এ সময় তাকে তাকে হাতেনাতে ধরা হয়।

এভাবে শহীদ হুন্ডির কারাবার চালিয়ে আসছিল বলে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা জানতে পেরেছেন। মালয়েশিয়াতে বসবাস করা গোপাল এই অর্থের মূল হোতা বলেও জানতে পেরেছেন তারা।

সূত্রমতে, মন্টু নামে এক ব্যক্তি মতিঝিল ও পল্টন এলাকার সব মানি এক্সচেঞ্জে বিদেশি মুদ্রা সরবরাহ করার একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। মন্টুর চক্রের সদস্য ওমর ফারুক নিহন মানি এক্সচেঞ্জে অর্থ সরবরাহ দিতে এসে ডলারসহ আটক হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, মন্টুর বাসা থেকে প্রতিদিন মানি এক্সচেঞ্জগুলোতে বিদেশি মুদ্রা সরবরাহ করা হয়। সন্ধ্যায় মন্টুর নয়া পল্টনের বাসায় সারাদিনের লেনদেন শেষে টাকা ও ডলার পৌঁছে দেওয়া হয়।

এদিকে বুধবার সকালে গুলশান-১-এর নাভানা টাওয়ারে সাব মানি এক্সচেঞ্জ ও লর্ডস মানি এক্সচেঞ্জ এবং গুলশান ২ এর ল্যান্ডমার্ক টাওয়ারে মেট্রো মানি এক্সচেঞ্জে অভিযান পরিচালন চালায় এনএসআই ও বিএফআইইউ।

লর্ডস মানি এক্সচেঞ্জে নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে ডলার কেনা-বেচা এবং নিয়ম বহির্ভূতভাবে না মেনে ডলার বিক্রির অনিয়ম পাওয়া যায়। পরবর্তীতে নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনার জন্য মালিকদের সতর্ক করে দিয়েছেন এনএসআই ও বিএফআইইউয়ের কর্মকর্তারা।

অভিযানে নাভানা টাওয়ারের পেছনে শিহাব, মিরাজ, লিটন, তুষার, জিল্লুর, মিন্টু ও রাজিব নামের ব্যক্তিরা ব্যাগে করে বিদেশি মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় করে সন্ধান পেয়েছে এনএসআই ও বিএফআইইউ কর্মকর্তারা।

এদিকে মেট্রো মানি এক্সচেঞ্জে অভিযান চালিয়ে ১৫ থেকে ১৬ লাখ ছেড়া টাকা, অতিরিক্ত দামে ডলার বিক্রির অনিয়ম পেয়েছে এনএসআই ও বিএফআইইউ।

চৌদ্দগ্রামে ৫১ কেজি গাঁজাসহ আটক ১

 

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ৫১ কেজি গাঁজা সহ মো: হোসাইন প্রকাশ ইমাম হোসাইন (২০) নামে চিহিৃত এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

আটককৃত ইমাম হোসাইন উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের বাবুচি শুভপুর (আদর্শগ্রাম) এর নজরুল ইসলামের ছেলে। এ সময় একই এলাকার হিরো মিয়ার ছেলে শহিদুল (২২) ও ধন মিয়ার ছেলে মো: হোসেন (১৯) নামে তার দুই সহযোগি পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ত্রিনাথ সাহা।

জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে এগারটায় চৌদ্দগ্রাম থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স সহ উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের বাবুচি শুভপুর (আদর্শগ্রাম) এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে নজরুল ইসলামের ছেলে ইমাম হোসাইন এর বাড়ীর উঠানের মোটর ঘর থেকে ৫১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। এ সময় ইমাম হোসাইনকে আটক করে পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে শহীদুল ও মো: হোসেন নামে ইমাম হোসাইনের অপর দুই সহযোগি কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে আটককৃত ইমাম হোসাইন ও পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়। বুধবার দুপুরে আটককৃত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ত্রিনাথ সাহা বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাবুচি এলাকা থেকে ৫১ কেজি গাঁজা সহ ১ মাদক ব্যবসাীয়কে আটক করা হয়েছে। এ সময় তার অপর দুই সহযোগি পালিয়ে যায়। আটককৃত ও পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের শেষে বুধবার দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

কুবিতে জাতীয় শোক দিবস-২০২৩ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদ একাংশের আলোচনা সভা

 

চাঁদনী আক্তার, কুবি :

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস-২০২৩ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদ (কামাল-মাহবুব) অংশের উদ্যেগে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

৩০ আগস্ট (বুধবার) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের সেমিনার কক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়।

বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ড. মো. আমান মাহবুবের সঞ্চালনায় ও সভাপতি অধ্যাপক ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে সহ-সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ মাকসুদুল করিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ রাজু ও ফয়জুল ইসলাম ফিরোজ, কোষাধ্যক্ষ মো: আবু বকর সিদ্দিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো: কামরুল হাসান, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক সোহরাব হোসাইন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক তারিন বিনতে এনাম, কার্যকরী সদস্য অধ্যাপক ড. মো: আবু তাহের, অধ্যাপক ড. মো: শামিমুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী, মোহাম্মদ জুলহাস মিয়া, সাইদুল আল-আমিন ও সিনথিয়া মুমু উপস্থিত ছিলেন।

বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি.এম. মনিরুজ্জামান বলেন,এই শোকের মাসে শহীদ ও জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের সহস্রাব্দ সালাম জানায়। বঙ্গবন্ধুর স্বপরিবারকে সুস্থ মস্তিষ্কে স্বজ্ঞানে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। বাংলাদেশ পুণর্গঠনে বঙ্গবন্ধু অবদান অনস্বীকার্য। বাংলাদেশের ইতিহাসে শেখ মুজিবর রহমান এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আমরা বাঙালি জাতি শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে ঋণী। এই ঋণ পরিশোধ করার মতো নয়। যুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধু শিল্প কৃষি ও অর্থনীতিসহ সব সেক্টরে এগিয়ে নিয়ে গেছিলো। বাঙালির অধিকার রক্ষায় বঙ্গবন্ধুর অবদান ছিলো অতুলনীয়।

ব্যাবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ মকসেদুর রহমান বলেন, যিনি দেশের স্বাধীনতা এনে দিলেন, দেশের জন্য জীবন যৌবন বিসর্জন দিলেন তাকেই এ দেশের মানুষ হত্যা করেছে যা সত্যিই ন্যাক্কারজনক। বঙ্গবন্ধুর দুইটি ইচ্ছে ছিলো রাজনৈতিক মুক্তি ও অর্থনৈতিক মুক্তি। জননেত্রী শেখ হাসিনা অনেক মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। আমাদের অনেক অর্জন আছে।

পরিষদের কার্যকরী সদস্য অধ্যাপক ড. মো: আবু তাহের বলেন, জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু না হলে আমরা আজকের এই বাংলাদেশকে পেতাম না। বঙ্গবন্ধু সারাজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি বাঙালি জাতির জন্য সারা জীবন সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে এ দেশকে সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর ছিলেন। বর্তমানে প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

অধ্যাপক ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন বলেন, আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা সকল বাধা বিপত্তিকে অতিক্রম করে আজকে এখানে অংশগ্রহণ করেছেন। কারণ এটি আদর্শের বিষয়। আজকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গুলোসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জননেত্রী শেখ হাসিনা যাদেরকে দায়িত্ব পালনের জন্য দায়িত্ব দিয়েছেন
আপনাদের অনুরোধ করব আপনারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন কিনা সেটা বিচার করুন।

আপনাদেরকে প্রতিষ্ঠানের প্রধানের দায়িত্ব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানে বিভাজন করার জন্য নয়। যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী তাদেরকে প্রতিক্রিয়াশীল বানানোর জন্য আপনাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। আজকে একই আদর্শের হওয়ার কারণে বিভিন্নভাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের শিক্ষকদের দমন নিপীড়ন করা হচ্ছে।

চৌদ্দগ্রামের কাশিনগর ইউনিয়নে বসতজমি দখলের লক্ষ্যে হামলা-ভাংচুর

স্টাফ রিপোর্টার:

বসতজমি দখলের লক্ষ্যে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ যাত্রাপুর গ্রামের মুন্সী জুনাব আলীর ছেলে মোমিনুল ইসলামের বাড়িঘরে হামলা করেছে স্থানীয় বাহারুল আলম ও তার লোকজন।

এলাকার সুত্রমতে জানা যায়, মোমিনুল ইসলামদের ক্রয় কৃত সম্পত্তি জোর করে দখল করতে চাইছে একই এলাকার সফিকুর রহমানের পুত্র বাহারুল আলমের নেতৃত্বে আয়ূব আলী, কেফায়েত উল্লাহ, তৌহিদ, মাহবুবুর রহমান, রুহুল আমিন, খলিল, আবুল কালাম ও শাহীনসহ আরো অনেকে।

জানা যায়, ইউনিয়ন পর্যায়ে এ সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের বিচার করেন ইউপি চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন। বিচারে স্থানীয় স্বাক্ষ্য প্রমাণ যাচাই করে মোমিনুল ইসলামদের পক্ষে রায় দেয় কাশিনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন। কিন্তু এ রায় না মেনে বাহারুল আলমের নেতৃত্বে তার লোকজন মোমিনুলদের বাড়িঘর হামলা করে । এ সময় ফসলী জমির ফসল নষ্ট করে এবং জোর করে জায়গা জবর দখল করে নেয়। পরে তারাই আবার থানায় মামলা করে মোমিনুল ইসলামদের বিরুদ্ধে। বর্তমানে প্রাণনাশের আতংকে তারা বাড়িঘর ছেড়ে পথে পথে ঘুরছেন।

মোমিনুল ইসলাম জানান, বাহারুল আলমরা আমার প্রায় ৩৩ শতক জায়গা গায়ের জোরে দখল করার চেষ্টা করতেছে । আমাদের জমিতে আমরা যেতে পারি না। বাড়ি থেকে বের হয়ে চলাচলও করতে পারি না তাদের ভয়ে। তারা প্রশাসন , সামাজিক বিচারও মানে না। তারা আমার বাড়িতেও হামলা করে ভাংচুর করেছে।

এ বিষয়ে কাশিনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন জানান,আমি সামাজিকভাবে বসে চেষ্টা করেছি বিষয়টি মিমাংসা করার। কিন্তু বাহারুল আলম ও তার লোকজন সামাজিক বিচার মানেনি।

কুমিল্লায় সহিদ উল্লাহ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদন্ড, ১ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লা চান্দিনা উপজেলার বড়কুট ইউনিয়নের কাদুটি গ্রামের সহিদ উল্লাহ হত্যা মামলার রায়ে ৪ জনকে মৃত্যুদন্ড ও ১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অতিরিক্ত দায়রা জজ জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, হাছনেয়ারা বেগম ওরফে হাছেনা, মোঃ আমির হোসেন, পালাতক মোঃ শাহজাহান ও মোঃ মোস্তফা। মামলার রায়ে দন্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আসামী মোছাঃ খাদিজা বেগম ওরফে খোদেজাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও দশ হাজার টাকা অর্থ দন্ড, অনাদায়ে আরো  ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করা হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, ২০০৯ সালের (২১ নভেম্বর) রাতে সহিদ উল্লাহর স্ত্রী-মেয়েসহ আসামিরা সহিদ উল্লাহকে টর্চ লাইট দিয়ে চেপে, হাতে পায়ে দরে মুখে চাপ দিয়ে হত্যা করে। পরে বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দুরে ধান ক্ষেতে লাশ ফেলে আসে। ২২ নভেম্বর সকালে স্থানীয় পেরু মিয়া ধান ক্ষেতে কাজ করতে গেলে লাশ দেখে চিৎকার করলে এলাকাবাসী গিয়ে সহিদ উল্লাহর লাশ সনাক্ত করে। পরে সকাল ৯টায় চান্দিনা থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

এ ঘটনায় (২৬ নভেম্বর) নিহতের ভাই হাবিব উল্লাহ বাদী হয়ে নিহতের বউ-মেয়েসহ মোট ৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে দীর্ঘ শুনানি ও স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

চুরি করতে এসে ধরা পড়লে শাস্তি পেলেন ৮ লিটার ‘সেভেন আপ’ পান করা

চুরি করতে এসে ধরা পড়লে শাস্তি পেলেন ৮ লিটার ‘সেভেন আপ’ পান করা

ডেস্ক রিপোর্ট:

সাধারণত চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়লে চোরের কপালে জোটে বেদম মারধর। কখনো বা পিটুনিতে প্রাণও হারাতে হয় চোরকে। কিন্তু এর বিপরীত একটি ঘটনা ঘটেছে নাটোরে। চোরকে ধরে মারধর অথবা পুলিশে দেয়ার পরিবর্তে তাদের কোমল পানীয় পান করানো হয়েছে। শুক্রবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে নাটোরের প্রাণকেন্দ্র কানাইখালী মহল্লার মোটরসাইকেল পার্টস ব্যবসায়ী শিউলি অটোজের মালিক আনিছুর রহমানের বাড়িতে ওই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, স্ত্রীকে নিয়ে আনিছুর রহমান তার শ্বশুরবাড়িতে শ্বশুরের মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। বাড়িতে লোকজনের অনুপস্থিতি টের পেয়ে প্রথমে দুই চোর তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় দুই চোর বাড়ির কিছু মালামাল তাদের বস্তায় পুরে নেয়। এক পর্যায়ে চুরির ঘটনাটি দেখে ফেলেন প্রতিবেশী। তারা এসে মালামালসহ দুই চোরকে ধরে ফেলেন।

এরপর তারা আনিছুর রহমানকে ফোনে বিষয়টি জানালে তিনি দুই চোরকে মারধর না করার অনুরোধ করেন। এমনকি তাদের কোনো কিছু দিয়ে না বাধার অনুরোধও করেন। এরপর আনিছুর রহমানের মেয়েও ঘটনাটি তার বাবাকে জানালে আনিছুর বলেন তুমি চোরদের কোমল পানীয় (সেভেন আপ) পান করাও আমি আসছি। এরপর আনিছুর বাড়িতে এসে দুই চোরের প্রত্যেককে চার লিটার করে মোট আট লিটার কোমল পানীয় পান করতে বাধ্য করেন। তা না হলে তাদেরকে পুলিশে তুলে দেয়া হবে বলে জানান।

আনিসুর রহমান জানায়, যেহেতু শুক্রবার তার শ্বশুরের মৃত্যুবার্ষিকী ছিল, তাই তিনি কাউকে আঘাত করবেন না বলে জানান। তাছাড়া তিনি কাউকে মারধর করাও পছন্দ করেন না বলেই ওই অভিনব শাস্তির ব্যবস্থা করেছেন। পরে চোরদের প্রত্যেককে চার লিটার করে আট লিটার কোমল পান পানীয় পান করানোর পর ছেড়ে দেন। বিষয়টি আশেপাশের মানুষ ভিডিও করলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

কবিতা: সুন্দরী নারী

ইয়াছিন আরাফাত:

এই যে শুনুন সুন্দরী নারী,
প্রেম নয়, করব তোমায় বিয়ে,

বল না কোথায় তোমার বাড়ি?
বলে বুঝাতে পারব না ,

কতটা সুন্দর লাগতেছে তোমায়, পড়ে ঐ শাড়ি।
তোমার ঐ সৌন্দর্যে বিমোহিত হয়েছি,

নিয়েছো তুমি আমার মন কাড়ি।
দয়া করে নয়, ভালোবেসে ছেড়ে যেয়ো না,

তোমার সাথেই দিতে চাই সারাজীবন পাড়ি।
এই যে আমাকে ধরে প্রতিজ্ঞা কর,যাবা না কখনো ছাড়ি।
ভুলেও দিবা না কখনো আমার সাথে আড়ি।

লেখক: ইয়াছিন আরাফাত
অর্থনীতি বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।
সদস্য, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।