All posts by jitu

যথাযোগ্য মর্যাদায় কুমিল্লায় পালিত হয়েছে জাতীয় শোক দিবস

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে জাতীয় শোক দিবস। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন কুমিল্লার আপামর মানুষ।

আজ সকালে নগর উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার, সংরক্ষিত সংসদ সদস্য আঞ্জুম সুলতানা সীমা, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুর রহমান বাবলু, জেলা প্রশাসক খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান, পুলিশ সুপার আবদুল মান্নানসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ হাজারো সাধারণ মানুষ।

এছাড়া কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিটি মেয়র আরফানুল হক রিফাতসহ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা ।

এছাড়াও জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষে পৃথক ভাবে জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে।

১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট এই দিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল শহীদ সদস্যদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত এবং বিভিন্ন উপাসনালয় প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত

ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকন, কাতারঃ
কাতারের দোহাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস অদ্য সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গনে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৮তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করে।

কাতারে বসবাসরত বীর মুক্তিযোদ্ধা, কমিউনিটির রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যবৃন্দ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিবৃন্দসহ কমিউনিটির উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

রাষ্ট্রদূত মোঃ নজরুল ইসলাম কর্তৃক জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করণের মধ্যে দিয়ে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচীর সূচনা করা হয়। অতঃপর জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করে সম্মান জানানো হয়। পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করার পর জাতির পিতা, বঙ্গমাতা, তাদের পরিবারের নিহত সকল সদস্য ও অন্যান্য শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ তাদের পরিবারের শাহাদত বরণকারী সকল সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদদের রূহের মাগফেরাত এবং দেশের শান্তি, মঙ্গল ও উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে প্রেরিত  রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী এবং  পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানে শোকাবহ ১৫ আগস্ট এর উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র “বাঙালির কালরাত” প্রদর্শিত হয়।

রাষ্ট্রদূত  মোঃ নজরুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি বিন্ম্র শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন। এছাড়াও তিনি বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ জাতির পিতার পরিবারের নিহত সদস্য ও ঐ রাতে নিহত অন্যান্য শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও দেশ গঠনে জাতির পিতার অবিস্মরণীয় ভুমিকা সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করেন। জাতির পিতা শ্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে যে ত্যাগ স্বীকার ও অবদান রেখেছেন তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমেই প্রতিদান দেওয়া সম্ভব বলে রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন যে, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা কর্তৃক গৃহীত অসমাপ্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে দাঁড় করাতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি শোককে শক্তিতে পরিণত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের গৃহীত প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে সকলকে সহযোগিতা প্রদানের আহবান জানান।

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে কুবিতে জাতীয় শোক দিবস পালিত

 

চাঁদনী আক্তার, কুবি :
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) শোক র‌্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন করার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৮-তম শাহাদত বাষির্কী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) সকাল পৌণে ১০ টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনের নেতৃত্বে শোক র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন জাদুঘর ঘুরে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যের সামনে এসে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল, বিভাগ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, শাখা ছাত্রলীগ ও কুবি সাংবাদিক সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠন।

সকাল ১১ টায় প্রশাসনিক ভবনের ৪১১ নং কক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মোহা: হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় ও শোক দিবস কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. আহসান উল্যাহ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক,কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এতে উপস্থিত ছিলেন।

এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. বনানী বিশ্বাস ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এন এম রবিউল আউয়াল চৌধুরী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার যে ষড়যন্ত্র সেটি ১৫ই আগস্ট কিংবা তাৎক্ষণিক নয়। বরং অনেকদিন ধরেই এ ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও একাধিকবার হত্যার ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু ঘাতক গোষ্ঠী সফল হতে পারে নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একক নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজকে বহুদূর এগিয়েছে। সমগ্র পৃথিবী তার সাক্ষী।

তিনি আরও বলেন, আমরা শিক্ষক। শিক্ষক হিসেবে আমাদের প্রধান কাজ গবেষণা করা। আমরা সুবিধাভোগী হতে চাইনা। যারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন আপনাদের ষড়যন্ত্র টিকিবে না। যারা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে বাধা হবে তাদের শক্তভাবে দমন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রমোশনের জন্য গবেষণা লাগবে। কেউ নকল গবেষণা নিয়ে আসবেন না। যারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক আছেন, আপনাদের উদ্দেশ্যে বলছি এমন কোন কাজ করবেনা যার জন্য সুনাম ক্ষুন্ন হয়।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কখনো কারো কাছে মাথানত করেন নাই। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনে কোনো কালিময় অধ্যায় নাই। তার মতো এমন শাসক পৃথিবীতে আর জন্মগ্রহণ করে নাই। ১৫ আগস্ট আমাদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হওয়ার শক্তি যোগাবে। ষড়যন্ত্রকারীরা শুধু বঙ্গবন্ধুকে নয় , তারা বঙ্গবন্ধুর রক্তকে হত্যা করতে চেয়েছিলো বঙ্গবন্ধুর কন্ঠস্বরকে হত্যা করতে । যেই কারণে শিশু শেখ রাসেল থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সকল সদস্যকে তাঁরা নির্মমভাবে হত্যা করেছে। ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায় জননেত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা। কারণ তাঁরা তখন দেশে ছিলেন না । আজ এই কারণেই আমরা বঙ্গবন্ধুর রক্তকে এখনো ধারণ করতে পারছি। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি। কারণ তার করে দেওয়া এই দেশে আমরা বসবাস করতে পারছি। সবার কাছে আমার উদাত্ত আহ্বান যদি সত্যিকার অর্থে আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে থাকি। তাহলে আমাদের যার উপর যা দায়িত্ব অর্পণ করা রয়েছে তা সঠিকভাবে পালন করবো।

উল্লেখ্য, আলোচনা সভা শেষে কেন্দ্রীয় মসজিদে যোহরের নামাজের পর ‘৭৫ এর ১৫ ই আগস্টে নিহত বঙ্গবন্ধু ও তার পারিবারের সদস্যদের রূহের মাগফেরাত কামনায় দোয়ার আয়োজন করা হয়।

শোকের মাসে এহতেশামুল রুমির ব্যতিক্রমি আয়োজন, খাদ্যসামগ্রী পেলেন প্রায় ১৫০০ পরিবার

স্টাফ রিপোর্টার:

শোকাবহ আগষ্ট মাসে স্বাধীন বাংলার স্থপতি ইতিহাসের মহানায়ক বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া ) সংসদীয় আসনে দুই উপজেলার সকল আশ্রয়ণ প্রকল্পসহ অসহায় মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে খাদ্যসামগ্রী তুলে দিয়েছেন নৌকা প্রতিকের মনোনয়ন প্রত্যাশি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সহসম্পাদক এহতেশামুল হাসান ভূঁইয়া রুমি।

রবিবার (১৩  আগষ্ট) সারাদিন ব্যাপি ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয়ণ প্রকল্প ও অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে রান্না করা খাবার পৌছে দেন। পরদিন ১৪ আগষ্ট বুড়িচংয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫ শতাধিক মানুষসহ অসহায়দের মাঝে খাদ্য সামগ্রিক বিতরণ করেন তরুণ রাজনীতিবিদ এহতেশামুল হাসান ভূঁইয়া রুমি।

বিগত দীর্ঘ দিন ধরে এ আসনের দুই উপজেলার অসহায় মানুষের পাশে রুমিকে দেখা যাচ্ছে। কখনো খাবার দিয়ে, কখনো অর্থ দিয়ে। আর এই শোকের মাসে দুই দিন ধরে অসহায়-নি:স্বদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিজ হাতে খাবার পৌছে দিলেন জনপ্রিয় এই রাজনীতিবিদ।

রবিবার ১৩ আগষ্ট ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের ঝিকরা আশ্রয়ণ প্রকল্প, নন্দীবাড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প, নওয়াবাড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প, মকিমপুর আশ্রয়ণ প্রকল্প, রাণীগাছ আশ্রয়ণ প্রকল্প, সিদলাই ইউনিয়নের পোমকাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প,চান্দলা ইউনিয়নের পদুয়া , করিমপুর, তাল্লুকপাড়া, চারাধারী, রামচন্দ্রপুর, চারিপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প, শশীদল ইউনিয়নের উত্তর শশীদল, মল্লিকার, কৃষ্ণপুর, হরিমঙ্গল, আনন্দপুর, দেউস, নাগাইশ, সেনের বাজার আশ্রয়ণ প্রকল্প, দুলালপুর ইউনিয়নের গোপালনগর, বেজুরা, নাল্লা, সদর ইউনিয়নের দীর্ঘভূমি, ধান্যদৌল, নন্দীপাড়া, নাইঘর আশ্রয়ণ প্রকল্প,সাহেবাবাদ ইউনিয়নের জিরুইন, সাহেবাবাদ, নগরপাড়, টাকই আশ্রয়ণ প্রকল্প, মালাপাড়া ইউনিয়নের রামনগর, অলুয়া, মনোহরপুর এবং রামনগর আশ্রয়ণ প্রকল্পতে গিয়ে ওইখানে বসবাসরত মানুষের হাতে রান্না করা খাবার তুলে দেন এহতেশামুল হাসান ভূঁইয়া রুমি। এ সময় তাঁর সাথে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আ’লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরদিন ১৪ আগষ্ট সোমবার অঝোর বৃষ্টিতে ভিজে বুড়িচং উপজেলার সদর ইউনিয়ন, বাকশীমূল ইউনিয়ন, ষোলনল ইউনিয়ন, মোকাম ইউনিয়নের শিকারপুর আশ্রয়ন প্রকল্পের লোকজন এবং এলাকার অসহায় দু:স্থ গরীব ও রাস্তা ঘাটে ভাসমান ৫ শতাধিক মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন আগামী জাতীয় দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন প্রত্যাশী এহতেশামুল হাসান ভূঁইয়া রুমি। সোমবার দিনব্যাপী বুড়িচং উপজেলার ৪ ইউনিয়নের আশ্রয়ন প্রকল্পের অসহায় হতদরিদ্র জন মানুষের মধ্যে এ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসন থেকে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনি। এহতেশামুল হাসান ভূইয়া রুমি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সাধারণ ভোটারদের কাছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন। খাদ্য বিতরণের পাশাপাশি তিনি বুড়িচং উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকারের উন্নয়নমূলক লিফলেট বিতরণ করেন।


এহতেশামুল হাসান ভূইয়া রুমি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের দৃশ্যমান লক্ষ্য এবার স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে তারুণ্যের প্রথম ভোট স্বাধীনতার পক্ষে হোক। উন্নয়নের গণতন্ত্র শেখ হাসিনার মূলমন্ত্র ও বাংলাদেশে ২০২১ সালে দারিদ্র ও ক্ষুধামুক্ত, ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে। তিনি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মোকাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সাহেব আলী, আওয়ামী লীগ নেতা মোখলেছুর রহমান, ইউপি সদস্য মোঃ অহিদুর রহমান, মোঃ জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন, নুরুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা আক্তার হোসেন, মোঃ খোকন মিয়া, সজিব হোসেন, হাসান মাহমুদ, মহিলা সদস্য শিল্পী আক্তার প্রমুখ।

 

শোক দিবসে অজিত গুহ কলেজের উদ্দ্যোগে দোয়া মাহফিল আলোচনা সভা

মোঃ উজ্জ্বল হোসেন বিল্লাল:

১৫ ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস ও স্বাধীনতার মহান স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে ৪৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে কুমিল্লা ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ের উদ্দ্যোগে দোয়া মাহফিল,আলোচনা সভাও পুরস্কার বিতরণ অনুুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় অত্র কলেজ মিলনায়তনে উক্ত অনুুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষ ও কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হাসান ইমাম মজুমদার (ফটিক)। ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কলেজ উপাধ্যক্ষ মোস্তাক আহমদ, কলেজ শিক্ষক পারিষদের সম্পাদক আবু জাহেদ।

সহকারী অধ্যাপক নজমা আহমেদ এর সঞ্চালনায় এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন গনিত বিভাগের প্রভাষক তানিয়া আহমেদ, কলেজ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক নাসিম উদ্দিন ফয়সাল সহ কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা সহ আরো অনেকে।

অনুুষ্ঠানে সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র সৃষ্টির পিছনে বঙ্গবন্ধুর অবদান ছিল অসীম। কিভাবে এ দেশের নাম বাংলাদেশ হলো তোমরা সকলে এসবের ইতিহাস পড়বা। আর
স্মার্ট বাংলাদেশ বির্নিমানে তোমাদের সঠিক সিদ্বান্ত নিতে হবে। তোমাদের সঠিক সিদ্বান্তই একদিন এদেশ স্মার্ট বাংলাদেশ তধা আধুনিক দেশে পরিণত হবে। তোমরাই স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের হাতিয়ার।

অনুুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন,
বঙ্গবন্ধু এ দেশের নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের কথা, দেশের উন্নয়নের কথা, মানুষের অধিকার আদায়ের কথা, মানুষের নিরাপত্তার কথা সবসময় ভেবেছেন। বর্তমান বাংলাদেশ শেখ হাত ধরে এগিয়ে যাচ্ছে। এগিয়ে যাওয়ার ধারাকে ধরে রাখতে হলে এদেশে আবার ও শেখ হাসিনার প্রয়োজন। তাই আসছে আগামী জাতীয় নির্বাচনে কিভাবে শেখ হাসিনার বিজয় সুনিশ্চিত করা যায় এ বিষয়ে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

কুমিল্লায় বিজিবির উদ্যোগে ১শত পরিবারের খাদ্য বিতরণ, ৭৩০ জনকে ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন ও ১শত গরীব দুঃস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ এবং বিনামূল্যে ৭৩০ জন অসুস্থ্য মানুষকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে।

স্বাধীনতার মহান স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বিজিবি কুমিল্লা সেক্টর ও সহাবস্থিত কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করেছে।

দিবসের কর্মসূচী অনুযায়ী সেক্টর সদর মসজিদ এবং বিওপি সমূহের মসজিদে যোহর নামাজের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ শাহাদাত বরণকারী পরিবারবর্গের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এর পূর্বে সেক্টর মসজিদ এবং বিওপি সমূহে বাদ ফজর হতে কোরআন খতম করা হয়।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রিভিলি হতে রিট্রিট পর্যন্ত ব্যাটালিয়ন সদরসহ অধীনস্থ সকল বিওপিতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং বিজিবির সকল সদস্য কালো ব্যাজ পরিধান করে ।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বিজিবি কুমিল্লা সেক্টর ও ইউনিট পর্যায়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘চিরঞ্জীব বঙ্গবন্ধু’ এবং ১৯৭৪ সালের ০৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রাইফেলস এর ৩য় রিক্রুট ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজে বঙ্গবন্ধু’র দেয়া ভাষণের ভিডিওচিত্র প্রদর্শন এবং বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের উপরে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত আলোচনা সভায়  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  কুমিল্লার  সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোঃ শরিফুল ইসলাম মেরাজ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি  এবং  কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে.কর্ণেল মোহাম্মদ নজরুল ইসলামসহ কুমিল্লা স্টেশনে উপস্থিত সকল অফিসার, জুনিয়র কর্মকর্তা অন্যান্য পদবীর সৈনিক এবং অসামরিক কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর ব্যবস্থাপনায় সীমান্তবর্তী ১০০ টি গরীব, দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে শুকনা খাদ্য সামগ্রী বিতরণ এবং চৌদ্দগ্রামের বালুঝুরি এলাকায় মেডিকেল ক্যাম্পেইনে প্রায় ৭৩০ জনকে বিনামূল্যে জরুরী চিকিৎসা সেবা প্রদান ও ঔষধ বিতরণ করা হয়।

অনুশীলনে চোট মেসির, কোচ বললেন তেমন কিছু নয়

 

স্পোর্টস ডেস্কঃ

টানা ৫ ম্যাচে গোল করেছেন লিওনেল মেসি। ৮ গোল করে এরই মধ্যে নিজের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স তুলে ধরেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলে। ইন্টার মিয়ামিকে তুলে দিয়েছেন সেমিফাইনালে। কিন্তু মেসি ভক্তদের কপালে ভাঁজ। কারণ, হালকা ইনজুরিতে পড়েছেন তিনি। মেসিকে ভক্তরা দেখলেন খুঁড়িয়ে হাঁটতে। এ কারণে তারা চিন্তায় পড়ে গেলেন, মেসি সেমিফাইনাল খেলতে পারবেন তো!

আগামীকাল ভোরেই লিগস কাপের সেমিফাইনালে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের মুখোমুখি হবে মেসির ইন্টার মিয়ামি। এই ম্যাচে মাঠে নামতে পারবেন তো আর্জেন্টাইন এই তারকা, তা নিয়ে তুমুল চিন্তায় তার ভক্তরা।

সোমবার অনুশীলনে গোড়ালি মচকে গেছে মেসির। শেষের দিকে অনুশীলনেও অংশ নেননি তিনি। এরপর হাঁটার সময় দেখা গেছে মেসি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছেন। ফলে তার খেলা না খেলা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। যদিও মিয়ামির কোচ জেরার্ডো মার্টিনো উড়িয়ে দিয়েছেন সব শঙ্কা। আর্জেন্টাইন কোচ বলেছেন, মেসির ফিটনেস নিয়ে চিন্তা করার মতো কিছু নেই।

কেন চিন্তার কিছু নেই, সেটির ব্যাখ্যাও দিয়েছেন মার্তিনো, ‘আসলে কী হয়েছে, সেটি আমি দেখিনি। তবে আমার ধারণা, মারাত্মক কিছু হলে খেলোয়াড়েরা সবাই এ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ত। এখন যেহেতু এ নিয়ে কারও মন খারাপ নেই, ধরেই নেওয়া যায় কিছুই হয়নি।’

তবে কোচের ধারণার চেয়েও মেসির অবস্থা খুব বেশি গুরুতর নাকি আসলেই ছোট-খাট, তা ঠিকমত বোঝা যাচ্ছে না। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অনেক সংবাদমাধ্যমেই মেসির পা মচকানোর খবর দিয়েছে।

মেসি শেষ পর্যন্ত খেলতে না পারলে ইন্টার মিয়ামির জন্য বড় আঘাতই হবে। ২১ জুলাই অভিষেকের পর খেলা পাঁচ ম্যাচে ৮ গোল করে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার ও মেক্সিকোর লিগা-এমএক্সের ক্লাবগুলোর টুর্নামেন্ট লিগস কাপে দলকে তুলেছেন সেমিফাইনালে।

যদিও ফিলাডেলফিয়া মেসিকে বরণ করে নিতে দুই হাত বাড়িয়ে রেখেছে। ম্যাচটি হবে ফিলাডেলফিয়াতেই। সেই ম্যাচের আগে ফিলাডেলফিয়ার কোচ জিম কার্টিন দর্শকদের অনুরোধ করেছেন