All posts by jitu

বিগত সরকারের অসাধু চক্র বই ছাপাতে

বিগত সরকারের অসাধু চক্র বই ছাপাতে অসহযোগিতা করেছে: প্রেস উইং

বিগত সরকারের অসাধু চক্র বই ছাপাতে অসহযোগিতা করেছে: প্রেস উইং

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিগত সরকারের সময়ে পাঠ্যবই ছাপানোর প্রক্রিয়ায় কিছু অসাধু চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছিল। এই চক্রটি এবারও বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে এবং শুরু থেকেই ছাপানোর কাজে অসহযোগিতা করেছে। এর ফলে বই ছাপানোর কাজে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে সরকার আশা করছে, আগামীতে এই সমস্যা পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই বই ছাপা ও বিতরণের প্রক্রিয়া শেষ হবে বলে সরকার আশাবাদী।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।

পাঠ্যবই বিতরণ সম্পর্কে তিনি জানান, এ বছর শিক্ষার্থীদের মধ্যে মোট প্রায় ৪০ কোটি ১৫ লাখ ৬৭ হাজার বই বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে সোমবার (৬ জানুয়ারি) পর্যন্ত ১১ কোটি ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭১৬টি বই ছাপানো এবং বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রক্রিয়া এখনও অব্যাহত আছে।

তিনি বলেন, “পাঠ্যবই ছাপানোর প্রক্রিয়ায় কিছু জটিলতা ছিল। পূর্বে বেশিরভাগ বই ভারতের ছাপাখানা থেকে আমদানি করা হতো। তবে এবার অন্তর্বর্তী সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে সব বই দেশেই ছাপানো হবে। এ কারণে কিছুটা সময় লাগছে এবং সাময়িক অসুবিধা হচ্ছে। এই কারণে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।”

সরকারের এই পদক্ষেপের ইতিবাচক দিক সম্পর্কে তিনি বলেন, “বই ছাপানোর কাজে এবার দেশীয় ছাপাখানাগুলো যুক্ত হয়েছে। এতে ১০ থেকে ১২ লাখ শ্রমিক কাজের সুযোগ পেয়েছেন এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়েছেন।”

এছাড়া তিনি আরও জানান, পাঠ্যবইয়ের কিছু অংশ ইতোমধ্যে অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমেও তাদের প্রয়োজনীয় বই সহজেই সংগ্রহ করতে পারছে।

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আমাদের কূটনীতি হবে বাণিজ্যকেন্দ্রিক: আমীর খসরু

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আমাদের কূটনীতি হবে বাণিজ্যকেন্দ্রিক: আমীর খসরু

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আমরা যখন ক্ষমতায় আসব, তখন আমাদের কূটনীতি হবে বাণিজ্যকেন্দ্রিক। প্রতিটি মিশনকে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং প্রবাসীদের সঙ্গে সঠিক সম্পৃক্ততা রেখে তাদের অগ্রগতির প্রতিবেদন দেওয়ার দিকে মনোযোগী হতে হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে আমীর খসরু বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর অর্থনীতিতে অলিগার্কদের উত্থান ঘটিয়েছে, যার ফলে পুরো জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আওয়ামী লীগ প্রথমে প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন করেছে এবং এরপর একে একে সব জায়গা দখল করেছে। পুরো অর্থনীতি তাদের পছন্দের লোকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেওয়ার ফলে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কারণ সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি হয়নি।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি হবে গণতান্ত্রিক। গণতান্ত্রিক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠিত হলে দেশ উপকৃত হবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য উদার রাজনীতি এবং মুক্ত বাণিজ্যকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে। আমাদের যারা প্রবাসী আছেন, তাদেরও যেন সমান সুযোগ পাওয়ার সুযোগ থাকে, সেদিকে নজর দিতে হবে। বিগত সময়ে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ অনেকটা উন্নত হয়েছে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ভালো পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। ভবিষ্যতে এটি আরও ভালো হবে।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতির পুরোনো ইস্যুতে পড়ে থাকলে চলবে না। আমাদের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের যেন কখনো বৈষম্যের মুখে পড়তে না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে এই বিএনপি নেতা বলেন, বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমাদের আরও উদার হতে হবে। সমস্ত বড় সুযোগ-সুবিধা কেন শুধু পোশাক খাত পেয়েছে, আর অন্যান্য ২০টি সম্ভাবনাময় খাত তা পায়নি, সেটি গভীরভাবে বিবেচনা করতে হবে। সবার জন্য সমান সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে ব্যবসার খরচও স্বাভাবিক নিয়মে কমে আসবে।

আমীর খসরু বলেন, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড নিয়ে অনেক আলোচনা হয়, কিন্তু এত বড় তরুণ কর্মী বাহিনী যদি দক্ষ না হয়, তাহলে এ জনসংখ্যার সুবিধা কোনো কাজে আসবে না।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ ক্যাটালিস্টস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ইউকেবিসিসিআই) প্রতিনিধি দলের সদস্য রূপা হক, বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এবং প্রশাসক মো. আনোয়ার হোসেন।

আগামী জুনের মধ্যে চলচ্চিত্র নির্মাণ কাজ

আগামী জুনের মধ্যে চলচ্চিত্র নির্মাণ কাজ শেষ করতে হবে: সংস্কৃতি উপদেষ্টা

আগামী জুনের মধ্যে চলচ্চিত্র নির্মাণ কাজ শেষ করতে হবে: সংস্কৃতি উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট:

ছাত্র-জনতার জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘রিমেম্বারিং মনসুন রেভ্যুলুশন’ কর্মসূচির আওতায় ৮টি বিভাগে ৮টি মাঝারি দৈর্ঘ্যের কনটেন্ট বা ফিল্ম নির্মাণের জন্য ওয়ার্কশপ পরিচালনার জন্য ৮ চলচ্চিত্র পরিচালককে নির্বাচিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে পরিচালকদের নাম ঘোষণা করেন এ বিষয়ে গঠিত সার্চ কমিটির সদস্য সুমন রহমান।

এ সময় সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে সুমন রহমান বলেন, সার্চ কমিটির লক্ষ্য ছিল ৮ জন চলচ্চিত্রকার নির্বাচন করা, যারা ২০২৫ সালে দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে চলচ্চিত্র বিষয়ক কর্মশালা পরিচালনা করবেন এবং কর্মশালায় প্রশিক্ষিত জনবল নিয়ে আটটি চলচ্চিত্র তৈরি করবেন।

তিনি বলেন, নির্বাচিত পরিচালকরা হচ্ছেন- অনম বিশ্বাস, হুমায়রা বিলকিস, নুহাশ হুমায়ুন, শঙ্খ দাশগুপ্ত, শাহীন দিল রিয়াজ, রবিউল আলম রবি, তাসমিয়াহ আফরিন মৌ এবং মো. তাওকীর ইসলাম।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় দুটি লক্ষ্য অর্জন করতে চায় জানিয়ে সুমন রহমান বলেন, একটি হচ্ছে চলচ্চিত্র নির্মাণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে ঢাকার এবং ঢাকার বাইরের আগ্রহী তরুণ জনগোষ্ঠীর যোগাযোগ তৈরি করা এবং তাদের কর্মদক্ষতা তৈরি ও প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা। দ্বিতীয়টি হচ্ছে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাকে সরাসরি কাজে লাগানোর জন্য ও প্রশিক্ষকদের সঙ্গেই চলচ্চিত্র নির্মাণে অংশগ্রহণ করা।

তিনি বলেন, এসব কর্মশালা এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য কোনো নির্দিষ্ট ছক বেঁধে দেওয়া হয়নি। এতে করে শিল্পীরা তাদের নিজস্ব কর্মপদ্ধতি ও সৃজনশীলতার সর্বোচ্চ প্রয়োগ ঘটাতে সক্ষম হবেন এবং শৈল্পিক, রাজনৈতিক, বৈপ্লবিক এবং তারুণ্যমণ্ডিত শিল্পভাষা তৈরি করতে আরও স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করবেন, এমনটাই আমাদের বিশ্বাস।

এ সময় সংস্কৃতি উপদেষ্টা বলেন, এসব চলচ্চিত্র পরিচালকদের নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমরা শুধুমাত্র তাদের কাজের সংখ্যা নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট কাজের গভীরতা দেখার চেষ্টা করেছি। আমরা দেখেছি তাদের মধ্যে আগুনটা আছে কিনা।

ফারুকী বলেন, এই ৮ জনই জানেন তাদের দিকে বাংলাদেশ তাকিয়ে আছে। তারা যে কাজটি করবেন, সেই কাজের দিকে সবাই নজর রেখেছে। তারা এটা জানেন এবং সেই দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের নির্মাণের বিষয়ে আমরা তাদের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছি, যাতে এটি আর কোনো সরকারি কাজের মতো ব্যর্থতায় পরিণত না হয়। আমরা চাই এই চলচ্চিত্রগুলো দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করুক এবং আগামী দিনের চলচ্চিত্রের পথপ্রদর্শক হোক। সেই দিকটি তারা তাদের গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরবেন।

তিনি আরও বলেন, চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য সরকার সম্পূর্ণ আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করবে। নির্মাণ খরচ কত হবে, তা পরিচালক এবং সার্চ কমিটি মিলে সিদ্ধান্ত নেবেন। আগামী জুনের মধ্যে এ চলচ্চিত্র নির্মাণ কাজ শেষ করতে হবে বলে জানান উপদেষ্টা।

প্রতিটি বিভাগে কর্মশালার জন্য একটি গুগল ফর্ম তৈরি করা হবে, যার মাধ্যমে আবেদনকারীরা আবেদন করতে পারবেন। নির্দিষ্ট বিভাগের পরিচালকরা প্রার্থীদের নির্বাচন করবেন, এমন তথ্য দিয়েছেন সুমন রহমান।

জেন-জিদের কাছ থেকে অনেক কিছু

জেন-জিদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে: মাধুরী দীক্ষিত

জেন-জিদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে: মাধুরী দীক্ষিত

ডেস্ক রিপোর্ট:

বলিউডের সর্বশেষ নারী সুপারস্টার মাধুরী দীক্ষিত মন্তব্য করেছেন, ‘জেন-জিদের থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।’ সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলিউড ও তার ক্যারিয়ার নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি এই কথা বলেন।

মাধুরী দীক্ষিত তাঁর অভিনয় জীবনে ‘দ্য ফেম গেম’, ‘মজা মা’, এবং ‘ভুল ভুলাইয়া ৩’ সিনেমায় নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নতুনদের সঙ্গে কাজ করা মানে নতুন অভিজ্ঞতা লাভ এবং নতুন কিছু শেখা। আমি মনে করি, এই প্রজন্মের অভিনেতারা কাজের প্রতি নিবেদিত এবং তারা নিজেদের সময় খুব সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে জানে।”

বর্তমানে বলিউডে নারীকেন্দ্রিক ছবির সংখ্যা বাড়ছে এবং ছবির চিত্রনাট্যেও পুরুষের পাশাপাশি নারীকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মাধুরী দীক্ষিত বলেন, “একটা সময় ছিল যখন নারীরা সাইডলাইনে থাকতেন। তাদের ছবিতে শুধুমাত্র সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য রাখা হতো। তবে সময় বদলাচ্ছে। ৪০-৬০-এর দশকে, যখন গুরু দত্তের মতো পরিচালকেরা ছিলেন, নারীরা তাদের সিনেমায় কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। তারপর কিছু সময় পর নারীরা শুধুমাত্র সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য থাকতেন। কিন্তু ৯০-এর দশকে আবার পরিবর্তন শুরু হয়। আমি সত্যিই ভাগ্যবতী যে আমি একাধিক শক্তিশালী নারী চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছি। ছবির নির্মাণ খুব অনিশ্চিত, তবে মেয়েরা এখন ভালো ভালো চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাচ্ছে।”

মাধুরী আরও উদাহরণ দিয়ে বলেন, “‘জিগরা’ সিনেমার মতো ছবিতে, যেখানে বোন তার ভাইকে উদ্ধার করতে যাচ্ছে, তা প্রমাণ করে যে, অভিনেত্রীদের চরিত্রে কতটা পরিবর্তন এসেছে। আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে এখন কিছু পরিচালক আছেন, যারা নতুন চিন্তা এবং উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে কাজ করেন। কিন্তু এই ধরনের আরও পরিচালকের প্রয়োজন রয়েছে। আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে আরও অনেক পরিবর্তন দরকার।”

মাধুরী জানান, জেন-জিদরা তাকে খুব প্রভাবিত করেন। তিনি বলেন, “যখনই আমি জেন-জিদের সঙ্গে দেখা করি, তারা খুব স্মার্ট মনে হয়। তারা অনেক কিছু জানেন এবং তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে জানেন। সোশ্যাল মিডিয়া তাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমি তাদের থেকে অনেক কিছু শিখতে পারি। আমার ছেলে-ও অনেক কিছু জানে।”

দীর্ঘ অভিনয় জীবনে মাধুরী বড় বড় তারকাদের সঙ্গে কাজ করেছেন। যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, “এখনো কি কোনো অভিনেতার সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা আছে?” তিনি বলেন, “এখনো অনেক অভিনেতা আছেন, যাদের সঙ্গে কাজ করা হয়নি। বিশেষ করে কিছু তরুণ অভিনেতা আছেন, যারা দারুণ কাজ করছেন।”

‘জুলাই বিপ্লবে আহতদের মধ্যে প্রথমে

‘জুলাই বিপ্লবে আহতদের মধ্যে প্রথমে ১০০ জনকে পুলিশে চাকরি দেওয়া হবে’

‘জুলাই বিপ্লবে আহতদের মধ্যে প্রথমে ১০০ জনকে পুলিশে চাকরি দেওয়া হবে’

ডেস্ক রিপোর্ট:

জুলাই বিপ্লবে আহতদের মধ্যে প্রথমে ১০০ জনকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি আরও জানান, ধাপে ধাপে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও সম্প্রসারণ করা হবে।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ ও সিআইডি কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, এক হাজার শিক্ষার্থীকে ট্রাফিক ডিউটিতে নিয়োগের প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। এসব শিক্ষার্থী প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা ট্রাফিক ডিউটি করবেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, বিগত সরকারের একটি বড় সমস্যা ছিল মানিলন্ডারিং। ব্যাংক থেকে কী পরিমাণ অর্থ খোয়া গেছে, সেই রিপোর্ট দ্রুত সিআইডিকে জমা দিতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, ৫ আগস্টের পর থেকে অনেক মানুষ দেশ ত্যাগের সুযোগ পেয়েছেন। এর মূল কারণ ছিল ওই সময়ে কার্যকর কোনো সরকার না থাকা। তবে নতুন সরকার গঠনের পর যারা দেশ ছেড়েছেন, তাদের বিষয়ে গভীর তদন্ত করা হচ্ছে।

‘এইচএমপি’ ভাইরাস, এর লক্ষণ কী কী?

‘এইচএমপি’ ভাইরাস, এর লক্ষণ কী কী?

‘এইচএমপি’ ভাইরাস, এর লক্ষণ কী কী?

ডেস্ক রিপোর্ট:

কোভিড-১৯ এর পর চীনে নতুন ভাইরাস ‘এইচএমপি’ ছড়িয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে চীনের হাসপাতালগুলোতে রোগীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, যেমন ভারত, মালয়েশিয়া এবং আরও কিছু দেশে এই ভাইরাস আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এইচএমপি বা হিউম্যান মেটাপনিউমো ভাইরাস (HMPV) ফ্লু ভাইরাসের মতো উপসর্গ সৃষ্টি করে, বিশেষত শিশু ও অসুস্থ ব্যক্তিদের মধ্যে গুরুতর শ্বাসকষ্টের সমস্যা তৈরি করতে পারে।

এইচএমপি ভাইরাস আক্রান্ত হলে কী কী উপসর্গ দেখা দিতে পারে ?
এইচএমপি ভাইরাসের সঙ্গে অনেক মিল করোনার। উপসর্গও অনেকটা একই ধরনের। জ্বর, সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া, পেট খারাপ হওয়া- মূলত এ ধরনের সমস্যাই দেখা যায়। তবে রোগীর শ্বাসকষ্ট হলে তা গুরুতর অবস্থার ইঙ্গিত দেয়।

এইচএমপি ভাইরাসের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কাদের বেশি?
শিশু ও বয়স্কদের মধ্যেই এইচএমপি ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। এছাড়া যাদের ইমিউনিটি কম, কিডনির সমস্যা আছে, অ্যাজমা অথবা সিওপিডি রোগী, ক্যানসারে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে ভয়ের কারণ হতে পারে এইচএমপি ভাইরাস।

কীভাবে ছড়াচ্ছে এইচএমপি ভাইরাস?
এইচএমপভি অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাসের মতোই ছড়ায়। যার মধ্যে আছে- কাশি ও হাঁচি থেকে নিঃসরণ, হাত মেলানো বা স্পর্শ করা, সংক্রমিত স্থান স্পর্শ করা ও তারপর মুখ, নাক বা চোখ হাত দিয়ে স্পর্শ করা ইত্যাদি।

কীভাবে এর সংক্রমণ রোধ করবেন?
মাস্ক পরা, ভিড় এড়িয়ে চলা, নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখার মতো সাধারণ নিয়ম-কানুন একটু মেনে চলতে পারলেই এইচএমপি ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

সূত্র: এবিপি লাইভ/এনডিটিভি

প্রতিপক্ষকে ৫ গোলে হারিয়ে

প্রতিপক্ষকে ৫ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোতে রিয়াল

প্রতিপক্ষকে ৫ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোতে রিয়াল

ডেস্ক রিপোর্ট:

স্প্যানিশ কোপা দেল রে’র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চতুর্থ শ্রেণির দল ক্লাব দিপোর্তিভা মিনেরাকে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ। দুর্দান্ত এই জয়ের মাধ্যমে শেষ ষোলোতে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছে লস ব্লাঙ্কোসরা।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) রাতে মিনেরার ঘরের মাঠ কার্টাগোনোগায় রিয়ালের হয়ে জোড়া গোল করেন আর্দা গুলার।

ম্যাচ শুরুর পঞ্চম মিনিটেই রিয়ালের হয়ে গোল করেন উরুগুয়ের ফেডেরিকো ভালভার্দে। ৮ মিনিট পর (১৩) ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এডুয়ার্ডো কামাভিঙ্গা। বুলেট গতির দুর্দান্ত হেডে গোলটি করেন ফরাসি ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার।

গুলার ম্যাচে নিজের প্রথম গোল করেন ২৮ মিনিটে। তুর্কি অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের গোলে ৩-০ তে এগিয়ে যায় রিয়াল। গুলার নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ৮৮ মিনিটে; যা ম্যাচে রিয়ালের শেষ গোল। তার আগে ৫৫ মিনিটে সফরকারীদের হয়ে আরও একটি গোল করেন ক্রোয়েশিয়ার অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার লুকা মদ্রিচ।

রিয়ালের গোলের সংখ্যা আরও বড় হতে পারতো, যদি মিনেরার গোলরক্ষক ফ্রান মার্টিনেজ বেশ কিছু শট ঠেকিয়ে না দিতেন। ভালভার্দে ও কিলিয়ান এমবাপের অনেকগুলো শট রুখে দেন স্প্যানিশ এই গোলরক্ষক।

কুমিল্লা সেক্টর সদর দপ্তর ও ১০ বিজিবির উদ্যোগে

কুমিল্লা সেক্টর সদর দপ্তর ও ১০ বিজিবির উদ্যোগে সীমান্ত এলাকায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ

 

স্টাফ রিপোর্টার:

চলমান শীতে বিজিবি কর্তৃক বাংলাদেশের সকল সীমান্তবর্তী এলাকার গরীব, দুস্থ, অসহায় এবং শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতকালীন কম্বল বিতরণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সেক্টর সদর দপ্তর, কুমিল্লা এবং কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর ব্যবস্থাপনায় বিবিরবাজার সীমান্তবর্তী এলাকার গরীব, দুস্থ , অসহায় ও শীতার্তদের মাঝে সর্বমোট ২০০টি পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

কুমিল্লা সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোঃ রেজাউল কবির বর্ণিত স্থানে উপস্থিত থেকে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।

এই সময়ে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অন্যান্য অফিসার এবং বিজিবি সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের (১০ বিজিবি) অন্যান্য সীমান্তবর্তী এলাকাতেও এই কর্মসূচী চলমান থাকবে।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা

ডেস্ক রিপোর্ট:

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হবে মাধ্যমিক স্তরের এই পরীক্ষা। গতকাল সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত সরকারি-বেসরকারি কলেজের ছুটির তালিকায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আগামী ১০ এপ্রিল বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে এবং ৮ মে (তত্ত্বীয় পরীক্ষা) পর্যন্ত চলবে। পরীক্ষাটি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া, তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ১০ মে থেকে ১৮ মে পর্যন্ত চলবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।

তীব্র তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, নিহত ৫

তীব্র তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, নিহত ৫

তীব্র তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, নিহত ৫

ডেস্ক রিপোর্ট:

যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র শীতকালীন তুষারঝড় আঘাত হানার পর সাতটি অঙ্গরাজ্যে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির ৩০টিরও বেশি রাজ্যের প্রায় ছয় কোটির বেশি মানুষ এই তুষারঝড়ের কবলে পড়েছেন। ওয়াশিংটনের কিছু এলাকায় বরফের স্তর ১৬ ইঞ্চি পর্যন্ত জমেছে। প্রতি ঘণ্টায় সেখানে এক ইঞ্চি করে বরফ পড়ছে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত এই তুষারঝড়ে পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

জরুরি অবস্থা জারি করা অঙ্গরাজ্যগুলো হলো মেরিল্যান্ড, ভার্জিনিয়া, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া, কানসাস, মিসৌরি, কেন্টাকি এবং আরকানসাস। এই তুষারঝড়ের কারণে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে দুই হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া অন্তত ছয় হাজার ৫০০ ফ্লাইট শিডিউল ব্যাহত হয়েছে।

তুষারঝড়ের কারণে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে লাখ লাখ মানুষ বিদ্যুৎহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। দেশটির জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা বিভাগ গত রোববার সতর্কতা জারি করেছিল যে সমভূমি থেকে মধ্য আটলান্টিক পর্যন্ত তীব্র বরফপাত, তুষারঝড় এবং ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলে প্রায় ১০ কোটির বেশি মানুষ এই তুষারঝড়ের মুখোমুখি হবেন। কিছু এলাকায় এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভারী তুষারপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিবিসি জানিয়েছে, তুষারঝড়ের কারণে বিভিন্ন স্থানে রাস্তার পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে পড়েছে। মিসৌরিতে গত রোববার অন্তত ৩৬৫টি গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং অন্তত একজন নিহত হয়েছেন।

কানসাসে তুষারঝড়ের কারণে গাড়ি দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হিউসটনে প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে একটি বাসস্ট্যান্ডের সামনে একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

ভার্জিনিয়ায় সোমবার মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত অন্তত ৩০০টি গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের গাড়ি না চালানোর পরামর্শ দিয়েছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ভার্জিনিয়ায়ও অন্তত একজন গাড়ি চালকের মৃত্যু হয়েছে।