All posts by jitu

বাঙ্গরায় মধ্যরাতের পুলিশের অভিযান: ইয়াবাসহ চার যুবক আটক

বাঙ্গরায় মধ্যরাতের পুলিশের অভিযান: ইয়াবাসহ চার যুবক আটক

মাহবুব আলম আরিফ, মুরাদনগর:

কুমিল্লার মুরাদনগরে মধ্যরাতের মাদক বিরোধী অভিযানে ইয়াবাসহ চার যুবককে আটক করেছে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ।

সোমবার (৪ এপ্রিল) দিবা গত মধ্যরাতে উপজেলার রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়নের তেমুরিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।

আটকৃতরা হলেন, উপজেলার রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়নের সরেরপাড় গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে রমিজ (২১), রামচন্দ্রপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে ইমন মিয়া (২১), একই গ্রামের হিরা মিয়ার ছেলে সম্রাট (১৮) ও পার্শ্ববর্তী হোমনা উপজেলার শোভারামপুর গ্রামের মৃত কালাম মিয়ার ছেলে মো: হযরত আলী (৩১)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওসি মো: শফিউল আলমের নির্দেশনায় বাঙ্গরা বাজার থানার এসআই সাজ্জাদ উল করিম ও এএসআই আল আমিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ রামচন্দ্রপুর (উত্তর) ইউনিয়নের তেমুরিয়া এলাকার জাহেদ আলী মার্কেট সংলগ্ন আমির কারওয়াশের সামনে অভিযান চালায়। এ সময় সন্দেহভাজন চার যুবককে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তাদের কাছ থেকে পৃথকভাবে সর্বমোট ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, তেমুরিয়া ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ছোট ছোট গ্রুপে মাদক বেচাকেনা চলে আসছে। নিয়মিত এ ধরনের মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনার দাবি তাদের।

এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শফিউল আলম বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান কঠোর। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং কোনো অবস্থাতেই মাদক ব্যবসায়ীদের ছাড় দেওয়া হবে না।

মুরাদনগরে ২ কেজি গাঁজাসহ দুই সহোদর ভাই গ্রেপ্তার

মুরাদনগরে ২ কেজি গাঁজাসহ দুই সহোদর ভাই গ্রেপ্তার

মাহবুব আলম আরিফ, মুরাদনগর:

কুমিল্লার মুরাদনগরে অভিযান চালিয়ে ২ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই সহোদর ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৪ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা সদরের উত্তরপাড়া এলাকায় তারু মিয়ার বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মুরাদনগর উপজেলা সদরের উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা তারু মিয়ার বড় ছেলে শাহ আলম (২১) ও ছোট ছেলে শুক্কুর আলী (১৯)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর নির্দেশনায় সেকেন্ড অফিসার এসআই আবদুল্লাহ আল মাসুদ, এসআই রাজু বড়ুয়া, এএসআই কুসুম বড়ুয়া ও এএসআই কাজী সুলতানসহ সঙ্গীও ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং দুই ভাইকে আটক করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, তারু মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তারা মাঝে মাঝে গ্রেপ্তার হলেও জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় একই কার্যক্রম চালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী মাদক নির্মূলে প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানান।

মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং মঙ্গলবার তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হবে।
তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। এ ব্যাপারে কোনো আপস নেই। একই সঙ্গে তিনি সচেতন নাগরিকদের মাদকের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

হোমনায় পরিবারের অভিযোগে মাদকসেবী ছেলেকে ৫ মাসের কারাদণ্ড

রাসেল আহমেদ, হোমনা:

কুমিল্লার হোমনায় পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মো. স্বপন (২৯) নামের এক মাদকসেবী যুবককে ৫ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।

সে চান্দেরচর ইউনিয়নের তাতুয়াকান্দি গ্রামের মোঃ জালাল মিয়ার ছেলে।

সোমবার (০৪ মে) উপজেলার চান্দেরচর ইউনিয়নের তাতুয়াকান্দি গ্রামে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট আহম্মেদ মোফাচ্ছের ।

মোবাইল কোর্ট সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন করে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পরিবার ও এলাকার লোকজনের সঙ্গে বিরক্তিকর আচরণ করে আসছিলেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন জিনিসপত্র বিক্রি করে সেই অর্থ দিয়ে মাদক সেবন করতেন। নেশার টাকার জন্য পরিবারে নানা রকম অশান্তি করতেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তার পরিবার তাকে আটকে রেখে প্রশাসনকে খবর দেয়।

পরে ঘটনাস্থলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয় এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দোষী সাব্যস্ত করে ৫ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহমেদ মোফাচ্ছের বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যহত থাকবে।

কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন ফাহিম শাহরিয়ার ঈশান

স্টাফ রিপোর্টার।। 

কুমিল্লা জেলার জাতীয়তাবাদী রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ আতুড়ঘর হিসেবে পরিচিত ধর্মপুর বড়বাড়ি। দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চল থেকেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর বহু প্রথিতযশা, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতার উত্থান ঘটেছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন ফাহিম শাহরিয়ার ঈশান।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে তাকে বিবেচনা করা হয়েছে। রাজনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ পরিবারে বেড়ে ওঠা ঈশান মরহুম জসিমউদ্দিনের পুত্র। জসিমউদ্দিন কুমিল্লা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন। এছাড়াও তিনি কুমিল্লা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি, কুমিল্লা শহর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

অন্যদিকে, ঈশানের চাচা মরহুম আলাউদ্দিন আহমেদ কুমিল্লা জেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি কুমিল্লা জেলা যুবদলের সফল সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং দলের আদর্শে অনুপ্রাণিত তরুণ নেতৃত্বই আগামী দিনে বিএনপির রাজনীতিকে আরও গতিশীল করবে। ফাহিম শাহরিয়ার ঈশানের মতো নতুন প্রজন্মের নেতাদের এগিয়ে আসা সেই সম্ভাবনাকেই আরও দৃঢ় করছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শে উজ্জীবিত এই প্রজন্ম সংগঠনের পতাকা সমুন্নত রেখে আগামীর নেতৃত্ব গড়ে তুলতে দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কুমিল্লায় মামা-ভাগিনার ঝগড়া থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকালে উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের মিরপুর এলাকার সরকার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। মামা-ভাগিনার ঝগড়া থামাতে গিয়ে স্বামীর লাথিতে গুরুতর আহত হন পারভীন বেগম (৫০) নামের ওই নারী। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মো. নাসিরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নাসিরের ভাগিনা ইয়াসিন (১৬) পেশায় একজন রংমিস্ত্রি। বেশ কিছুদিন ধরে কাজে না যাওয়াকে কেন্দ্র করে রোববার সকাল ৮টার দিকে মামা-ভাগিনার মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে নাসির ভাগিনাকে মারধর করতে উদ্যত হন। এ সময় পারভীন বেগম ঝগড়া থামাতে ও ভাগিনাকে রক্ষা করতে মাঝখানে দাঁড়িয়ে বাধা দেন।

অভিযোগ রয়েছে, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নাসির স্ত্রীর তলপেটে জোরে লাথি মারেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অচেতন হয়ে যান। স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি মো. ফারুক হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিহতের ছোট ভাই মো. বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে রোববার রাতে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত মোটারসাইকেল আরোহী

ডেস্ক রিপোর্ট:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেলের আরোহী মো. সাইফুল ইসলাম (২৬) নিহত হয়েছেন।

আজ সোমবার (৪ মে) সকালে উপজেলার বুড়িশ্বর এলাকার একটি সড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত সাইফুল উপজেলার ধরমণ্ডল গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।

নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহেনূর ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তিনি জানায়, মোটরসাইকেলে আরোহীসহ তিনজন ছিলেন। চালক এলোপাথারিভাবে চালাচ্ছিলেন। একপর্যায়ে অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি হলে ৩ জনই আহত হন। মারা যান একজন। অটোরিকশাটি খাদে পড়ে যায়।

কুমিল্লায় সস্ত্রীক ছিনতাইয়ের শিকার বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানির কর্মকর্তা

ডেস্ক রিপোর্ট:

এবার কুমিল্লায় সস্ত্রীক ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির সহকারী ব্যবস্থাপক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। আজ সোমবার দুপুরে তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রোববার রাতে এ ঘটনায় ওই কর্মকর্তা কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানির কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানায়, রোববার ভোরে সিলেট থেকে ট্রেনযোগে তিনি সস্ত্রীক কুমিল্লায় পৌঁছান। এ সময় রেলওয়ে স্টেশন থেকে একটি সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে বাখরাবাদ এলাকার ভাড়া বাসার উদ্দেশে রওনা হন। অটোরিকশাটি বালুতুপা কালভার্টের কাছে পৌঁছলে একটি পিকআপযোগে চারজন ছিনতাইকারী তাদের গাড়ি গতিরোধ করে। তারা অস্ত্রের মুখে হত্যার হুমকি দিয়ে সঙ্গে থাকা নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেয়। ছিনতাইকারীরা প্রায় চার লাখ ১১ হাজার টাকার মালামাল লুটে নেয়।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তৌহিদুল আনোয়ার জানান, বাখরাবাদ কর্মকর্তার অভিযোগটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ এপ্রিল রাতে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকায় কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীকে হত্যার পর মালামাল ছিনতাই করা হয়। বুলেটের ৮ দিন পর ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন বাখরাবাদ কর্মকর্তা মামুন।

কসবায় ৯০ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি

ডেস্ক রিপোর্ট:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কসবায় বিজিবির অভিযানে প্রায় ৯০ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়েছে। এ সময় পাচারকাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপও আটক করা হয়।

সোমবার (৪ মে) সকালে উপজেলার মাদলা এলাকা থেকে এসব পণ্য উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি- ৬০ সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল এস এম শরিফুল ইসলাম জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কসবা উপজেলার মাদলা বিওপির টহলদল চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় একটি পিকভ্যানে করে পাচারের সময় ওষুধ, কসমেটিক্স, শাড়ি ও থ্রি-পিস জব্দ করা হয়। এসব পণ্যের মূল্য ৮৮ লাখ ৩৫ হাজার ৮০০ টাকা।
জব্দ করা পণ্য কাস্টমসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

দাউদকান্দিতে গাঁজা-ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৫ কেজি গাঁজা ও ৫২ পিস ইয়াবাসহ চার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ।

আজ সোমবার (৪ এপ্রিল) ভোররাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গোমতী টোলপ্লাজায় ১৫ কেজি গাঁজাসহ দুজন ও একই উপজেলা মহাসড়কের পাশে মোহাম্মদপুর গ্রাম থেকে ৫২ পিস ইয়াবাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মাদারীপুর জেলার সদর উপজেলার কালিকাপুর গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে মো. রানা ব্যাপারী (৩৮), পটুয়াখালী জেলার মির্জাপুর থানার সুলতানপুর গ্রামের নান্না মিয়ার ছেলে মো. সজিব (৩১), দাউদকান্দি উপজেলা মোহাম্মদপুর গ্রামের শহীদুল মিয়ার ছেলে মো. সুজন (২৬) ও একই উপজেলার মৃত আবদুল হামিদের ছেলে মো. বাবুল (৩৫)। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়েরের পর সোমবার বিকেলে কুমিল্লা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের সূত্রে জানা যায়, বিশেষ অভিযান চালিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার গোমতী সেতুর টোলপ্লাজায় একটি পিকআপ গাড়ি থেকে ২৫ কেজি গাঁজাসহ রানা বেপারী ও সজিব—এ দুজনকে আটক করা হয়। অপরদিকে দাউদকান্দি উপজেলা মহাসড়কের পাশ মোহাম্মদপুর গ্রামে ইয়াবা বিক্রির সময় সুজন ও বাবুলকে ৫২ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

দাউদকান্দি মডেল থানা ওসি মো. আবদুল বারী জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৫ কেজি গাঁজা ও ৫২ পিস ইয়াবাসহ ৪ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়েরের পর কুমিল্লা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

কুমিল্লায় র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ইয়াবা, গাঁজা ও মদসহ গ্রেফতার ৮

কুমিল্লায় র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ইয়াবা, গাঁজা ও মদসহ গ্রেফতার ৮

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১১)। গ্রেফতারদের মধ্যে মাদক ব্যবসায়ী, হত্যা মামলার আসামী ও চুরি মামলার আসামী রয়েছে।

র‌্যাব জানায়, রোববার (৩ মে) সন্ধ্যায় কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার চকবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. সাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়া (৫০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১ হাজার ৯৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

একই দিন রাতে কোতয়ালী থানার ফৌজদারী ও কান্দিরপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে চুরি মামলার দুই আসামী—মো. শফিউল বাশার ওরফে সবুজ (২৯) এবং শফিকুল ইসলাম ওরফে শফিক (২৭)—কে গ্রেফতার করা হয়।

এছাড়া বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় পৃথক অভিযানে হত্যা মামলার আসামী টিপু (৩২) কে আটক করে র‌্যাব।

অন্যদিকে ৪ মে রাতে সদর দক্ষিণ মডেল থানার উত্তর রামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।

তারা হলেন—মো. সোহেল শেখ (৩৯), মো. হাসানুর রহমান শেখ (৩৭), মো. আফজাল হোসেন (৪৮) এবং মো. রাহুল শেখ (২১)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০ কেজি গাঁজা, ২ বোতল বিদেশি মদ এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়।

র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবা, গাঁজা ও মদ সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছিল।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। র‌্যাব-১১ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।