All posts by jitu

কুবিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ছাত্র-শিক্ষক দ্বন্দ্ব

কুবিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ছাত্র-শিক্ষক দ্বন্দ্ব

কুবি প্রতিনিধি:

ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার বঙ্গবন্ধু কাপ আন্ত:বিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা শেষে উপাচার্যের সামনেই এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে ২-০ গোলে আইন বিভাগকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ। তবে খেলা শেষে পক্ষপাতিত্বমূলক সিদ্ধান্তের অভিযোগ এনে রেফারির দিকে তেড়ে যান আইন বিভাগের খেলোয়াড়রা। এসময় সহকারী প্রক্টর অমিত দত্ত তাঁদেরকে থামাতে এগিয়ে গেলে তাঁর সাথে আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ধস্তাধস্তি ঘটে। এক পর্যায়ে অমিত দত্তকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন শিক্ষার্থীরা। এরপর নাজমুল হোসেন হৃদয় নামে এক শিক্ষার্থী দৌড়ে চলে যেতে লাগলে তাঁকে বাধা দেন ক্রিড়া কমিটির আহ্বায়ক ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আইনুল হক। এরপর তাঁকে মারধর করেন ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী রানা। এসময় আবারও হাতাহাতি শুরু হলে নৃবিজ্ঞান বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীও সেখানে গিয়ে যুক্ত হোন। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফুটেজও প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। সে ফুটেজে এসবের সত্যতা মিলেছে।

এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর অমিত দত্ত বলেন, ‘উদ্ধুত পরিস্থিতে প্রক্টরিয়াল বডির যে কাজ ছিল, আমি তা-ই করেছি। শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে রেফারির দিকে তেড়ে যাচ্ছিলো। আমি থামাতে গেলে তাঁরা আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। আমি দু’বার মাটিতে পড়ে গিয়েছি।’

তবে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী নাজমুল উল্টো দাবি করে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘খেলা শেষে আমি স্টেজের পাশেই ছিলাম। হুড়োহুড়ির মধ্যে অমিত স্যার আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। আমি যখন উঠি তখন আবার আমাকে ফেলে দিয়েছে। তিন জন স্যার, রানা স্যার (প্রক্টর ওমর সিদ্দিকী), অমিত স্যার, লাল শার্ট পরা আরেকজন (আইনুল হক)। তাঁরা আমার কলার চেপে ধরে। তারপর রানা স্যার আমাকে চড়-থাপ্পড় মারে। পিছন থেকে আমাকে গলা চেপে ধরে। ধাক্কা লেগে পড়ে গিয়ে আমার ব্লিডিং হয়েছে।’

আইন বিভাগের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বলেন, ‘কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে আমাদের দলের ছেলেরা হৈহুল্লোড় করে। এরপর অমিত স্যার আমাদের একজনের কলার ধরে নিচে ফেলে মারধর করে। শিক্ষকের এমন মারধর দেখে আমরা বিস্মিত হয়েছি।’

তবে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি কাউকে মারিনি। প্রক্টরিয়াল বডি নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছে।’

ক্রিড়া কমিটির আহ্বায়ক মো. আইনুল হক বলেন, ঘটনার সময় দেখলাম একটা ছেলে দৌড়াচ্ছে। তখন তার দৌড় দেখে মনে হলো কেন সে দৌড়াচ্ছে। তখন তাকে আটকানোর চেষ্টা করলাম। পরে শুনলাম ছেলেটা রেফারির সাথে উদ্ধত হয়েছে। খেলায় যারা পরাজিত হয় তাদের একটা অভিযোগ থাকে। রেফারির বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব করার অভিযোগ সত্য নয়।

সার্বিক বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি কোনো বক্তব্য দিবেন না বলে প্রতিবেদকের কল কেটে দেন।

চান্দিনায় বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন

চান্দিনায় বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন

স্টফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার চান্দিনা পৌরসভায় ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে মো. আব্দুল আউয়াল (২২) নামে একজনের বিরুদ্ধে সাবেক মালিককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১ অক্টোবর) পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম বেলাশ্বর হাড়িখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. উজ্জল হোসেন (২২) হাড়িখোলা গ্রামের মোসলেম মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত আউয়াল একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।

সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) খন্দকার আশফাকুজ্জামান।

তিনি জানান, ‘ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এই বিষয়ে উজ্জলের বাবা মো. মোসলেম উদ্দিন বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আসামিকে গ্রেফতারের অভিযান চলছে।’

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চান্দিনা পৌরসভা চার নম্বর ওয়ার্ড পশ্চিম বেলাশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশে লাইটিং ডেকোরেশনের দোকান দিয়ে এলাকায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে লাইটিং ডেকোরেশনের কাজ করতো উজ্জল। আউয়াল, উজ্জল হোসেনের সঙ্গে থেকে লাইটিং ডেকোরেশনের কাজ শিখে। পরে আউয়াল নিজে উজ্জলের দোকানের পাশে আলাদা লাইটিং ডেকোরেশনের দোকান দেয়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

এর জেরে গতকাল রবিবার রাত ৯টায় উজ্জলকে একা পেয়ে আউয়াল ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পিঠে ও ডান হাতের কব্জিতে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করলে নেওয়ার পথেই মারা যান উজ্জল।

কুবিতে ফুটবল চ্যাম্পিয়ন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ

কুবিতে ফুটবল চ্যাম্পিয়ন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ

চাঁদনী আক্তার, কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৩ এর ফাইনাল খেলায় আইন বিভাগ কে ২-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ। সোমবার (২ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

নির্ধারিত ৫০ মিনিটের ফাইনাল খেলার শুরুতেই দুই দল আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে। হাফ টাইমের আগে উভয় দলের গোল সংখ্যা শূন্য থাকলে হাফ টাইমের পরে গোলের দেখা পায় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ। ম্যাচের প্রথম গোল আসে প্রত্নত্তত্ব বিভাগের খেলোয়াড় সাকিবের পা থেকে। পরবর্তীতে ইকরাম হোসেনের গোলের মাধ্যমে গোল ব্যবধান দ্বিগুণ হয় এবং দলের জয় নিশ্চিত হয়।

খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন, রানার্স আপসহ বিজয়ীদের মঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো: আসাদুজ্জামান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ আইনুল হক, প্রক্টর(ভারপ্রাপ্ত) কাজী ওমর সিদ্দিকীসহ প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক- শিক্ষার্থীরা।

শিদলাই ইউনিয়ন স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের অথেনটিক কোচিং সেন্টারের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

শিদলাই ইউনিয়ন স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের অথেনটিক কোচিং সেন্টারের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণপাড়া প্রতিনিধি:

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শিদলাই আমির হোসেন জোবেদা ডিগ্রি কলেজে সোমবার দুপুর ২ টায় শিদলাই ইউনিয়ন স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন (SUSA) এর অথেনটিক কোচিং সেন্টারের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শিদলাই ইউনিয়ন স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের আহবায়ক নাছির আহমেদ অনিক এর সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন শিদলাই আমির হোসেন জোবেদা ডিগ্রি কলেজ এর অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনার বাংলা কলেজের অধ্যক্ষ সেলিম রেজা সৌরভ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণপাড়া স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন অব ঢাকা (বাসেড) এর প্রতিষ্ঠাতা সরকার জহিরুল হক মিঠুন, সুশসনের জন্য নাগরিক এর সভাপতি মোঃ আলমগীর খান, ডার্চ বাংলা ব্যাংক পিএলসির, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ্ ক্বাফী রতন, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম সুজন, শিদলাই দারুল ইসলাম ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার ভার প্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা রুহুল আমীন পীর, শিদলাই আশরাফ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ মমিনুল হক, জাগরন এর সভাপতি মোস্তাক আহামেদ, শিদলাই ইসলামী ব্যাংক শাখার ব্যবস্থাপনা পরিচালক গাজী জিয়াউর রহমান সরকার, ইউসুফ ইলেকট্রনিক এর স্বত্বাধিকারী আবু ইউসুফ সরকার।

উক্ত অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন শিদলাই ইউনিয়ন স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা সোহেল রানা ভূইয়া, আজহার মোঃ জেবুল, মহিবুর রহমান খোকনসহ বাইজিদ হাসান, ফজলে রাব্বি,নাঈম বিশ্বাস ,তাইজুল ইসলাম অভি ,কামরুন নাহার, আহমেদ তানিয়া, জাহিদ ভূঁইয়া, ফরহাদ হোসেন ,এ কে আমানুল্লাহ, নাজমুল হাসান প্রমুখ।

গান্ধীজির বাংলাদেশে আগমন দুইটা দেশের মধ্যে অনন্য সম্পর্কের নিদর্শন-ভারতীয় হাই কমিশনার

গান্ধীজির বাংলাদেশে আগমন দুইটা দেশের মধ্যে অনন্য সম্পর্কের নিদর্শন-ভারতীয় হাই কমিশনার

হাসিব আল আমিন:

গান্ধীজির বাংলাদেশে আগমন দুইটা দেশের মধ্যে অনন্য সম্পর্কের নিদর্শন বলে মন্তব্য করেছেন
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের হাই কমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা।

তিনি বলেন, মহাত্মা গান্ধীর আগমনে নোয়াখালীতে মানুষের সাথে মানুষের সংযোগ ঘটেছে। বাংলাদেশের সাথে ভারতের ভাষা সংস্কৃতিসহ নানান দিকে মিল রয়েছে। গান্ধীজির জীবন ও শিক্ষা এবং নোয়াখালীতে আগমন মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্কের সেরা উদাহরণ। এর মাধ্যমেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কও উন্নয়ন হয়েছে।

সোমবার (২ অক্টোবর) দুপুরে সোনাইমুড়ীতে মহাত্মা গান্ধীর ১৫৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে তিন দিনের আন্তর্জাতিক যুব শান্তি ক্যাম্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রণয় কুমার ভার্মা আরও বলেন, মহাত্মা গান্ধীর বাণী ছিল শান্তির। তিনি সাধারণ জীবনযাপন করে সে বাণী সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছেন। আজ বাংলাদেশে মহাত্মা গান্ধীকে স্মরণ হয় এটা কেবল অহিংস ও শান্তির বাণীর কারণে। ফলে বাংলাদেশের সাথে আমাদের সম্পর্ক সুদৃঢ় হচ্ছে। ভারত সব সময় বাংলাদেশের পাশে আছে। মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতি সারাবিশ্বে ছড়িয়ে যাওয়ায় আমরা গর্বিত। বর্তমানে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গান্ধীজির নীতি এখনো প্রাসঙ্গিক।

জানা যায়, মহাত্মা গান্ধীর ১৫৫তম জন্মজয়ন্তীতে অংশ নিতে চার হাজার কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিয়ে ভারতের ৬২ সাইক্লিস্ট ও ভারত, নেপাল, ভুটান, ইন্দোনেশিয়া, নিউজিল্যান্ড, সুইডেন, জার্মানি, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের ১৫৫ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। বিশ্বব্যাপী শান্তি ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যেই মূলত এ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হয়ে সোমবার (২ অক্টোবর) পর্যন্ত এ ক্যাম্পে প্রতিদিন শান্তি সমাবেশ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল। সোমবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায়
সাংস্কৃতিক কার্যক্রম শেষে আন্তর্জাতিক যুব পিস ক্যাম্পের সমাপনি ঘোষণা করা হয়।

সোনাইমুড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসমাইল হোসেনের সঞ্চালনায় ও গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব) জীবন কানাই দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) এইচ এম ইব্রাহিম, জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খায়রুল আনম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক সহিদ উল্যাহ খান সোহেল, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারি জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) বিজয়া সেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবিব প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ভারতের স্নেহালয়া সংঘের আহ্বায়ক ড. গিরিশ কুলকার্নি, গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের পরিচালক ও সিইও রাহা নব কুমার, সহকারী পুলিশ সুপার (চাটখিল সার্কেল) নিত্যানন্দ দাসসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষেরা উপস্থিত ছিলেন।

খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানো সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানো সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানো সম্ভব নয় বলে আইন মন্ত্রণালয় মতামত দিয়েছে। কাজেই সেখানে আমাদের আর কিছু করণীয় নেই।

সোমবার (২ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বেগম জিয়ার ছোট ভাই যে আবেদন করেছিলেন সেখানে বলা হয়েছে, তার চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়া প্রয়োজন। আমরা সে আবেদন পাওয়ার পরপরই আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি তাদের মতামতের জন্য। কারণ এ বিষয়ে কিছু আইনি জটিলতা রয়েছে।

তিনি জানান, গতকাল (রোববার) আইন মন্ত্রণালয় থেকে মতামত দিয়ে আবেদনটি আবার আমাদের কাছে পাঠিয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত খালেদা জিয়ার পক্ষে আসেনি। তাকে বিদেশে পাঠানোর অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয় বলে আইন মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের জানানো হয়েছে। কাজেই এখন আমাদের আর কিছু করণীয় নেই বলে আমি মনে করছি।

তিনি আরও জানায়, বেগম জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে ইতোমধ্যে তারা আমাদের সিদ্ধান্ত জেনে গেছে। এর বাইরে তারা আরও কিছু জানতে চাইলে সেটিও জানানো হবে। তবে আমাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।

‘এটি আইনগত নয় বরং রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত’— বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালের এ বক্তব্য প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্টে তো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত আসে না। একটি অঘটন ঘটলে তার বিচার হয়… আপনারা সবসময় এমনটা দেখে আসছেন। আমাদের আইন ও বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন। সেখানে আমাদের কিছুই করার নেই। আপনারা যেটা ইঙ্গিত করছেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি চাইলে তাকে ক্ষমা করে দিতে পারেন। কিন্তু তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইন মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের যে মতামত দেওয়া হয়েছে, সেটি আপনাদের জানিয়ে দিয়েছি। এর বাইরে আমাদের কিছুই করার নেই।

নোয়াখালীতে গান্ধী আশ্রম পরিদর্শন করে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন হাই কমিশনার ভার্মা

নোয়াখালীতে গান্ধী আশ্রম পরিদর্শন করে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন হাই কমিশনার ভার্মা

স্টাফ রিপোর্টার:

২ অক্টোবর ২০২৩-এ মহাত্মা গান্ধীর ১৫৪ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে, হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা নোয়াখালীতে ঐতিহাসিক গান্ধী আশ্রম পরিদর্শন করেন এবং ভারতের জাতির পিতার প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। তিনি গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট কর্তৃক আয়োজিত “গান্ধিজিস কোয়েস্ট ফর পিস্‌ অ্যান্ড হারমনি ইন নোয়াখালী অ্যান্ড ইটস রিলেভ্যান্স ইন দ্য কনটেম্পোরারি ওয়ার্ল্ড” শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য প্রদান করেন।

হাই কমিশনার ভার্মা তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, মানবতার সহজাত মঙ্গলের প্রতি গান্ধীজির প্রত্যয় ও পরিবর্তনের শক্তি হিসেবে শান্তি ও অহিংসার প্রতি তাঁর অটল বিশ্বাস ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়কার মতোই আজও প্রাসঙ্গিক। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ১৯৪৬ সালে নোয়াখালীতে গান্ধীজির ঐতিহাসিক সফর প্রবল প্রতিবন্ধকতাময় পরিস্থিতিতেও সংলাপ, সহানুভূতি ও বোঝাপড়ার অসাধারণ পরাক্রমের উদাহরণ সৃষ্টি করে। অহিংসা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নীতির প্রতি তাঁর অদম্য নিবেদন শুধু নোয়াখালীকে সান্ত্বনাই দেয়নি, মানবতার বিবেকের ওপরও একটি অমোঘ চিহ্ন রেখে গেছে।

হাই কমিশনার আরও উল্লেখ করেন যে প্রতি বছর মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকীতে আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস উদ্‌যাপন শান্তি, অহিংসা, সহনশীলতা ও বোঝাপড়ার মূল্যবোধের সর্বজনীনতাকে পুনঃনিশ্চিত করে এবং বর্তমান বৈশ্বিক প্রতিবন্ধকতা, যেমন সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সেগুলোর প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরে। হাই কমিশনার বলেন, কোনো কারণই সহিংসতা ন্যায্যতা প্রদান করতে পারে না এবং মানবতাবাদ সর্বদা জয়ী হবে – ভারতের এই দীর্ঘস্থায়ী বিশ্বাসের প্রতি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি হলো আন্তর্জাতিক অহিংসা দিবস।

হাই কমিশনার ভার্মা গান্ধী আশ্রমে ১৯৪৬ সালে নোয়াখালীতে গান্ধীজীর সফরের সাথে সম্পর্কিত স্মৃতিচিহ্ন প্রদর্শনকারী জাদুঘর পরিদর্শন করেন এবং গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টকে ভারতে গান্ধীবাদী অধ্যয়নের জন্য নিবেদিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে নিয়মিতভাবে সহযোগিতা ও আদান-প্রদান চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করেন।

দাম বাড়লো এলপিজির

দাম বাড়লো এলপিজির

ডেস্ক রিপোর্ট:

এক মাসের ব্যবধানে দেশে ভোক্তাপর্যায়ে আবারও বেড়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। এবার ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৭৯ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৩৬৩ টাকা করা হয়েছে।

সোমবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে টিসিবি ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দাম আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকেই কার্যকর হবে।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম এক হাজার ১৪০ থেকে ১৪৪ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ২৮৪ টাকা করা হয়েছিল।

১২ কেজি সিলিন্ডার ছাড়াও সাড়ে পাঁচ কেজি থেকে শুরু করে ৪৫ কেজি পর্যন্ত সব সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হয়েছে।

এরমধ্যে ৫.৫ কেজির দাম বাড়িয়ে ৬২৫ টাকা, ১২.৫ কেজি ১ হাজার ৪২০, ১৫ কেজি ১ হাজার ৭০৪, ১৬ কেজি ১ হাজার ৮১৮, ১৮ কেজি ২ হাজার ৪৫, ২০ কেজি ২ হাজার ২৭২, ২২ কেজি ২ হাজার ৫০০, ২৫ কেজি ২ হাজার ৮৪০, ৩০ কেজি ৩ হাজার ৪০৮, ৩৩ কেজি ৩ হাজার ৭৪৯, ৩৫ কেজি ৩ হাজার ৯৭৬ এবং ৪৫ কেজির দাম ৫ হাজার১১৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঘোষণায় বলা হয়েছে, বেসরকারি এলপিজির রিটেইলার পয়েন্টে ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্যপ্রতি কেজি ১১৩ টাকা ৬১ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে। এছাড়া রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১০৯ টাকা ৭৯ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে। এছাড়া ভোক্তাপর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম মূসকসহ প্রতি লিটারের মূল্য ৬২ টাকা ৫৪ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে।

বিএনপি বেগম জিয়াকে ‘গিনিপিগ ও রাজনীতির দাবার গুটি’বানিয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

বিএনপি বেগম জিয়াকে ‘গিনিপিগ ও রাজনীতির দাবার গুটি’বানিয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি বেগম জিয়াকে ‘গিনিপিগ ও রাজনীতির দাবার গুটি’ বানিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘এখন বিএনপি কয়েকদিন ধরে বলছে, বেগম খালেদা জিয়ার অধিকার লংঘন করা হচ্ছে। খালেদা জিয়া যতবার অসুস্থ হয়েছেন, যতবার হাসপাতালে গিয়েছেন। বিএনপি বলেছে, তার জীবন সংকটাপন্ন, বিদেশে না নিলে উনি মারা যাবেন। কিন্তু ততবারই উনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন।’

সোমবার (২ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘মায়ের কান্না’ আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। মানববন্ধন ১৯৭৭ সালের ২ অক্টোবর ‘সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান কর্তৃক নির্মম ফাঁসির শিকার বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনা ও বিমান বাহিনীর শহীদ সদস্যদের হত্যাকারী খুনি জিয়ার তথাকথিত কবর সংসদ ভবন এলাকা থেকে অপসারণের দাবি’ জানানো হয়।

দেশে বেগম জিয়ার সর্বোচ্চ চিকিৎসা যেন নিশ্চিত হয়; সেজন্য যা কিছু প্রয়োজন সেটি সরকার করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কিন্তু বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে আপনারা (বিএনপি) রাজনীতি করবেন সেটা তো করতে দেওয়া যায় না। বেগম জিয়াকে বিএনপি গিনিপিগ বানিয়েছে, রাজনীতির দাবার গুটি বানিয়েছে। খালেদা জিয়াকে যেভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, আসলে তিনি সুস্থ হোক, এটা তারা চায় না। তারা চায় খালেদা জিয়া যেন আরও অসুস্থ থাকেন, যাতে তারা রাজনীতি করতে পারে তাকে নিয়ে।’

তিনি জানান, ‘খালেদা জিয়া দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তার সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য সরকার কাজ করছে এবং সর্বোচ্চ সহায়তা করবে। বিদেশ যাওয়াটা আদালতের এখতিয়ার। সুতরাং আদালতের আদেশ ছাড়া তিনি তো বিদেশ যেতে পারেন না। তাই এই নিয়ে দয়া করে রাজনীতি করবেন না’

তথ্যমন্ত্রী জানান, ‘কিছু কিছু সংগঠন আছে পৃথিবীতে, যারা মানবাধিকার নিয়ে ব্যবসা করে। তারা কাউকে কিল মারলে বিবৃতি দেয়, কাউকে ঘুষি মারলেও বিবৃতি দেয়। কিন্তু তাদের আত্মীয়-স্বজন কাউকে মেরে ফেললে কোনও বিবৃতি নাই। ২০১৩-১৪ সালে যারা মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে, ফিলিস্তিনের শিশুরা যখন ঢিল ছুড়ে তার প্রতিবাদে ইজরাইলে সৈন্যরা যখন পাখির মতো শিশুদের শিকার করে, তখন কোনও বিবৃতি নাই। আপনাদের অনুরোধ জানাবো, আপনারা যদি মানবাধিকার ব্যবসাটা করেন, তাহলে এই দিকগুলোর দিকেও আপনারা তাকাবেন। মায়ের কান্নার কান্না যখন আপনাদের কানে পৌঁছে না, তখন আপনারা কিসের মানবাধিকার নিয়ে কাজ করেন।’

বাংলাদেশ আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এই অগ্রযাত্রা অনেকের পছন্দ নয়। সেজন্য নানা ছল-ছুতায় প্রথমে আনে মানবাধিকার, তারপরে বলে সুষ্ঠু পথে নির্বাচন হয়নি। আমাদের দেশে অবশ্যই আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং জনগণের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হবে। সরকার সর্বোচ্চভাবে নির্বাচন কমিশনকে এটি করার জন্য সহযোগিতা করবে।’

‘দয়া করে আমাদের কেউ গণতন্ত্র শিক্ষা দেবেন না’, অনুরোধ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পার্লামেন্ট ভবনে ঘেরাও করে কেউ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয় নাই। আমাদের দেশে পরাজিত প্রার্থীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরাজয় মেনে নেয়। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও পরাজয় মেনে নেয়নি। যারা গণতন্ত্র শিক্ষা দিতে চান, তাদের অনেকের দেশেই গণতন্ত্র নাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জীবনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে এদেশের মানুষকে সঙ্ঘবদ্ধ করে সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করে এই দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ দ্ব্যার্থহীনভাবে বলে দিতে চাই, দেশে আবার সন্ত্রাস করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিএনপি আবার অগ্নিসন্ত্রাস করার পরিকল্পনা করেছে। কারণ তারা বুঝতে পেরেছে, এইভাবে আন্দোলন করে হেঁটে, বসে, দৌড়ে কিংবা হামাগুরি কর্মসূচি দিয়ে মানুষকে সম্পৃক্ত করা যায়নি। তাই এখন দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য দেশের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে বিশ্ব বেনিয়ারা যাতে ফায়দা লুটতে পারে; সেই পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য তারা সন্ত্রাসের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছে। তাই আমরা দ্ব্যার্থহীনভাবে বলে দিতে চাই, আওয়ামী লীগ রাজপথে আছে, থাকবে। কাউকে আর ২০১৩, ১৪ ১৫ সালের মতো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে।‘

মানববন্ধনে সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করতে বিএনপি লবিষ্ট নিয়োগ করেছে। তিনটি লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করেছে, বিএনপি এবং যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার স্বজনরা। এর মধ্যে একটির প্রধান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে। যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা চলছে। সুতরাং লবিস্ট নিয়োগে উদ্দেশ্য পরিষ্কার। মানবাধিকারের নামে যুক্তরাষ্ট্রের এমন কর্মকাণ্ডের জবাব একদিন দিতে হবে। একদিন তাদের মাটিতে তাদের দেশের মানবাধিকারের পরিস্থিতি নিয়ে আমরা প্রশ্ন তুলবো।’

মায়ের কান্না সংগঠনের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান মিয়া লেলিনের সভাপত্বিতে মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দীসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

কাকে ‘মীরজাফর’ বললেন সাকিবপত্নী শিশির উম্মে আল হাসান

কাকে ‘মীরজাফর’ বললেন সাকিবপত্নী শিশির উম্মে আল হাসান

ডেস্ক রিপোর্ট:

তামিম ইকবাল বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়েছেন। কারণ হিসেবে বোর্ড তার ইনজুরির কথা উল্লেখ করেছে। তবে ভক্তরা ধরে নিয়েছেন এর পেছনে কলকাঠি নেড়েছেন সাকিব আল হাসান। ভক্তদের দাবি— অধিনায়ক সাকিবের ইশারাতেই দলে নেই তামিম। এমনকি সাকিবকে বিশ্বাসঘাতক মীরজাফর ডাকতেও ছাড় দেননি তারা।

যদিও এক সাক্ষাৎকারে বিশ্বকাপে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া সাকিব জানিয়েছেন, তামিমের বিষয়ে তার কোনো ভূমিকা ছিল না। তার পাঁচ ম্যাচ খেলা কিংবা মিডল অর্ডারে ব্যাটিং করার বিষয়ে তিনি কিছু জানতেন না।

এরই মাঝে সাকিবের ছবিসংবলিত আইসিসির এক পোস্টার শেয়ার করেছেন তার স্ত্রী শিশির উম্মে আল হাসান। সেখানেও উঠে এসেছে মীরজাফর প্রসঙ্গ।

আইসিসির ওই পোস্টারে বর্তমানে বিশ্বকাপ খেলছেন এমন খেলোয়াড়দের মাঝে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারিদের তালিকা করা। তাতে তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। সেই পোস্ট শেয়ার করে ক্যাপশনে সাকিবপত্নী শিশির লিখেছেন— ‘ওহ ড্যাম (ধুর ছাই) মীরজাফর ওখানে কীভাবে গেল, নিশ্চিত এটা মিথ্যা।’

আইসিসির ওই ছবিতে সাকিব ছাড়াও আছেন অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক, নিউজিল্যান্ডের ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি ও ভারতের মোহাম্মদ শামি। তাদের ছবি ও নামের পাশে বিশ্বকাপে নেওয়া তাদের উইকেটের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে।

আসন্ন বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বোলারদের মধ্যে তারা পাঁচজনই সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। অজি পেসার স্টার্ক ৪৯ উইকেট নিয়েছেন। বোল্ট নিয়েছেন ৩৯ উইকেট। সাউদির উইকেট ৩৪। ভারতের শামি পেয়েছেন ৩১ উইকেট।

বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সাউদির মতো ৩৪ উইকেট নিয়েছেন সাকিব। তাতে এখনো খেলে যাওয়া ক্রিকেটারদের মধ্যে বিশ্বকাপে যৌথভাবে তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি তিনি। যার মধ্যে ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে নিয়েছেন ১১ উইকেট, আফগানিস্তানের বিপক্ষে নিয়েছেন ৫ উইকেট। বিশ্বকাপে প্রথম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে এক ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন তিনি। ২০১১ ও ২০১৫-এই দুই বিশ্বকাপে ৮টি করে উইকেট নিয়েছেন সাকিব। আর ২০০৭ বিশ্বকাপে নিয়েছেন ৭ উইকেট।