All posts by jitu

প্রিয় শিক্ষকের বিদায়ের প্রাক্কালে

দীপ্য প্রাপ্তি:

কয়েকদিন ধরে বিদায়েল করুণ সুর বাজছিলো। এ উপলক্ষে আমাদেরও একটা প্রস্তুতি ছিল। আমাদের প্রাণপ্রিয় রহিম স্যারের চাকুরিজীবন থেকে অবসর গ্রহণের প্রাক্কালে এক বিশাল ডায়েরি পরিপূর্ণ হয়েছে আমার সহপাঠিনীদের লেখায়। আমিও একটু স্থান করে নিলাম।

আদ্যোপান্ত না ভেবেই লিখতে শুরু করলাম। প্রাইমারি স্কুলের গণ্ডি পার হয়ে সাবেরা সোবহান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পা ফেলে অচেনা মুখের ঢেউয়ে আলো আঁধারের মাঝামাঝি যখন ডুবতে বসেছি, ঠিক তখনই হাতে দ্যুতিময় দীপশিখা, কৌতূহলী চোখে প্রতিভার অন্বেষণ আর মুখে একরাশ হাসি নিয়ে আশার হাত বাড়িয়ে আমাকে পাড়ে টেনে তুললেন একজন। হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার বাঁশির মত তাঁর কথায়, মমতায় আর ভালবাসায় বাঁধা পড়ে গেলাম। সেই থেকে তাঁর পিছু পিছু ছুটে চলা শুরু। আজও থামাতে পারিনি নিজেকে; হয়তো আর পারবোও না।

কিন্তু তখন কেমন হবে যখন এই যাদুকর তাঁর বাঁশি হঠাৎ থামিয়ে মন্ত্রমুক্ত করা সকলকে দিশেহারা করে বিদায় নিবেন? সত্যি বলছি স্যার, কান্নায় ভেঙ্গে পড়ি যখন ভাবি আপনি চলে যাচ্ছেন আমাদের ছেড়ে। আপনার এই হাসিমাখা মুখটা স্কুলে এসে আর কখনই দেখতে পাবো না ভাবলেই গা-টা শিউরে ওঠে কেন জানি! আপনিতো আমার শান্তির উৎস ছিলেন স্যার। পড়ালেখা, নাচগান, পারিবারিক চাপ কিংবা আসন্ন পরীক্ষার চাপে যখন দম আটকে যেতো তখন আপনার ঐ চির সবুজ হাসিমাখা মুখ আর মমতাপূর্ণ সম্বোধন আমাকে জানিনা কেন দারুন স্বস্তি দিতো। আপনার মধ্যে কী যাদু আছে আমি জানিনা, তবে দূর থেকে আপনাকে দেখলে আমার ভেতরটা শান্তিতে শীতল হয়ে যেতো।

আপনাকে এসব বলে আর লাভ কী! আপনিতো ঠিকই আমাদের সবার চোখ ভিজিয়ে বিদায় নিবেন। আমাদের জন্য জগতের নিয়ম পাল্টে কি আপনি থেকে যাবেন? প্রখর রৌদ্রে তৃণগুলোকে যেমন বিশাল বটবৃক্ষ তার স্নিগ্ধ ছায়ায় ঢেকে রাখে; বিপদে-আপদে পরিবারের পিতা যেমন গোটা পরিবারের মাথার ছাদ হয়ে সবাইকে সামলায়, আপনিও তেমনি আপনার মায়া-মমতা, ভালবাসা সবকিছু উজাড় করে সুবিশাল ছাতার মত আমাদেরকে আগলে রেখেছেন। আজ থেকে আপনার এই ছায়া, মায়া আর পাব না। এটা ভাবলেই কেন জানি মনের ভেতরটা মুচড়ে ওঠে। আপনার এই চলে যাওয়াটা কি খুব জরুরি? হয়তো জরুরি। তবে আমি যদি পারতাম আপনাকে আজীবন আমাদের এই প্রিয় বিদ্যাপীঠে রেখে দিতাম আর চিৎকার করে বলতাম, কী স্যার, আমাদের ছেড়ে চলে যাওয়ার ফন্দি? আপনার মেয়েরা আপনাকে এত তাড়াতাড়ি তাদের মিষ্টি যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেবে-ভেবেছেন কী?

আপনি বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা, তবে ‘শিক্ষক’ শব্দটা বলা মাত্র যে তিনজনের প্রতিচ্ছবি আমার চোখে ভেসে উঠে তাঁদের মধ্যে আপনি একজন। আপনি শিখিয়েছেন পড়ালেখা কত মজাদার হতে পারে, শিখিয়েছেন জীবনটা কত রঙিনভাবে সাজানো যেতে পারে। পরিশেষে শিখিয়েছেন একজন শিক্ষক কতটা সম্মানীয় হতে পারেন। আপনি সবসময় শিখিয়েছেন যেন কারো প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ না করি। তবু আজ নির্লজ্জের মতো বলছি-আমি বাদে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করা ও স্নেহ পাওয়া প্রত্যেকটা মানুষকে আমি ভীষণ হিংসা করি। আমাদের ক্লাসের নুদরাত, মাইশা, মহিমা, নীচের ক্লাসের দিহান, সামিহা আর পরীক্ষার্থী খুশবু আপু ও সনি আপু যখন আপনার ভালবাসার ভাগ নিতে ছুটে আসতো আর আপনি তাদের মাথায় আশীর্বাদের হাত রেখে “মা, মা” বলে সম্বোধন করতেন তখন কেন যে আমার এতো জ¦লতো আমি জানি না। আপনি সেদিন আমার মাকে একটা ভীষণ সত্য কথা বলেছেন। আপনার মতো সত্যিই আর কেউ আমাকে বুঝেনি কিংবা বোঝার চেষ্টাও করেনি।
আপনি আমাকে এই কয়েক বছর জ্ঞান, ভালবাসা ও কোমলতার যে মহাসমুদ্রের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন সেই মহাসমুদ্রে আমি আমার ছোট্ট তরি নিয়ে এগিয়ে চললাম। আশির্বাদ করবেন স্যার যেন আপনার দেখানো পথ ধরে জীবনের এই ছোট্ট তরি নিয়ে অনেক দূর যেতে পারি।

স্কুল থেকে বিদায় নেবার পর আপনার দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের স্মৃতি ও প্রিয় শিক্ষার্থীদের নিয়ে তৈরি তালিকার স্মৃতিচারণে ডুব দিয়ে হয়তো আমার কথা ভুলেই যাবেন। তবুও স্যার, সুযোগ পেলে আপনার স্মৃতির এক কোণায় লিখে রাইখেন “প্রাপ্তি নামে সাবেরা সোবহান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে আমার একটা দুষ্টু মেয়ে ছিল।” তারপরও যদি আমার কথা ভুলে যান, আমার কোন আক্ষেপ থাকবে না, কারণ আপনার শিক্ষকতা জীবনে “দীপ্য প্রাপ্তির” মতো শিক্ষার্থী অনেক আছে। কিন্তু আমার গোটা জীবনে “রহিম স্যার”তো একজনই। সময় কাটানোর জন্য আপনি যখন পরিবার পরিজন ও লেখালেখি নিয়ে শেষ বিকেলে ব্যস্ত হয়ে বসবেন-

তখন স্কুলের শেষ পিরিয়ডে ক্লাসের এক কোণায় দাঁড়িয়ে আপনার শূণ্যতা অনুভব করে অঝোরে কাঁদবো।

লেখক: দীপ্য প্রাপ্তি
শিক্ষার্থী: দশম শ্রেণি
সাবেরা সোবহান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

বিকেলে বসছে জাতীয় সংসদের ২৫তম অধিবেশন

বিকেলে বসছে চলতি একাদশ সংসদের শেষ অধিবেশন

ডেস্ক রিপোর্ট:

চলতি সংসদের শেষ অধিবেশন বসছে আজ রোববার (২২ অক্টোবর)। বিকেল ৪টায় শুরু হবে সংসদের এ অধিবেশন।

গত ৫ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার সাংবিধানিক ক্ষমতা বলে এ অধিবেশন আহ্বান করেন। এটি হবে চলতি একাদশ জাতীয় সংসদের ২৫তম এবং চলতি বছরে পঞ্চম অধিবেশন। চলতি একাদশ সংসদের শেষ অধিবেশন।

একাদশ সংসদ শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি। সংবিধানের বিধান মতে সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়া সাপেক্ষে মেয়াদ শেষের পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে, সংসদ অধিবেশনের ক্ষেত্রে সংবিধানের বিধান হচ্ছে একটি অধিবেশন থেকে পরবর্তী অধিবেশনের মধ্যবর্তী বিরতি ৬০ দিনের বেশি হবে না। তবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের শেষ ৯০ দিনের মধ্যে সংসদের বৈঠক বসার বাধ্যবাধকতা থাকবে না। অর্থাৎ নির্বাচনকালের ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ অধিবেশনে প্রয়োজন পড়বে না।

আগামী দুই নভেম্বর সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কাউন্ট ডাউন শুরু হবে। ফলে আসন্ন অধিবেশনটি হচ্ছে সংসদের শেষ অধিবেশন। অবশ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত অধিবেশনে জানিয়ে দিয়েছেন, পরের অধিবেশনটি হবে শেষ অধিবেশন।

মিয়ামির হয়ে মৌসুমের শেষ ম্যাচে হার মেসির

মিয়ামির হয়ে মৌসুমের শেষ ম্যাচে হার মেসির

ডেস্ক রিপোর্ট:

আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে দুর্দান্ত ছিলেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। পেরুর বিপক্ষে ম্যাচে করেছিলেন জোড়া গোল। অনেকেই মনে করেছিলেন ইন্টার মায়ামিতে ফিরলে হয়তো তাদের ভাগ্য বদলাতে পারবেন সাতবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী।

আন্তর্জাতিক বিরতি শেষে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েও মায়ামির ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলেন না মেসি। পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকলেও তার সঙ্গে গোল করতে ব্যর্থ পুরো দল। অথচ আগের ম্যাচেই মেসিকে ছাড়া একই দলের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের গোলে ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল মায়ামি।

রোববার (২২ অক্টোবর) ভোরে ব্যাংক অব আমেরিকা স্টেডিয়ামে শার্লট এফসির মুখোমুখি হয় মায়ামি। ম্যাচটিতে ১-০ গোলে হারের লজ্জা নিয়ে মাঠ ছাড়েন মেসি-আলবারা।

দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন কারউইন ভার্গাস। এ হারের মধ্য দিয়ে এমএলএসের চলতি মৌসুমের ইতি ঘটল। সেই সঙ্গে পয়েন্ট টেবিলের ১৪তম স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করতে হলো মায়ামিকে। অথচ ২০২২ মৌসুমে মায়ামি তাদের মৌসুম শেষ করেছিল টেবিলের ষষ্ঠ স্থানে থেকে।

গত সেপ্টেম্বরের সবশেষ জয়ের মুখ দেখেছিল মায়ামি। এর পর শুধু ড্র আর হার সঙ্গী মেসির দলের। অথচ এদিন পুরো ম্যাচজুড়ে আধিপত্য করেছে মায়ামি। ৬১ ভাগ বল পজিশনে রেখে প্রতিপক্ষের ওপর আক্রমণের বন্যা বইয়ে দিয়েছে। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাননি মেসিরা।

সমানে সমানে লড়াই হওয়া ম্যাচের ১৩ মিনিটেই ভাগ্য গড়ে দেন কলম্বিয়ান উইঙ্গার কারউইন ভার্গাস। পোল্যান্ডের রাইট উইঙ্গার কামিল জোজুইকের পাস থেকে গোল করেন এই কলম্বিয়ান। চলতি মৌসুমে লিগে ২৯ ম্যাচ খেলে ৪ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট করেছেন এই উইঙ্গার।

মায়ামির হার ঠেকাতে মেসি জোর চেষ্টা চালিয়েছেন, কিন্তু তা খুব একটা কাজে লাগেনি। তিনি ফ্রি-কিক থেকে ‘ট্রেডমার্ক’ গোল পেয়েই যাচ্ছিলেন কিন্তু শার্লটের গোলরক্ষকের হাতে লেগে পোস্টে বাধা পেলে হতাশ হতে হয় দলকে।

এই হারে ৩৪ ম্যাচ শেষে ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্সে ১৫ দলের মধ্যে মেসিদের অবস্থান ১৪ নম্বরে। আশা ছিল মেসিকে ফিরিয়ে হয়ত প্লেঅফ খেলার সুযোগ তৈরি করতে পারবে তারা। কিন্তু বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়কে দলে নিয়েও ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে পারল না এমএলএসের দলটি। সব মিলিয়ে লিগে মাত্র ৯ ম্যাচে জয় পেয়েছে তারা। ড্র করেছে ৭ ম্যাচে। আর বাকি ১৮ ম্যাচেই হেরেছে লিওনেল মেসির দল।

যুক্তরাজ্যজুড়ে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে লাখো মানুষের বিক্ষোভ

যুক্তরাজ্যজুড়ে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে লাখো মানুষের বিক্ষোভ

ডেস্ক রিপোর্ট:

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে অবিরাম হামলা চালাচ্ছে ইসরাইল। টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চালানো এই হামলায় নারী ও শিশুসহ এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন চার হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি।

ইসরাইলি এ হামলার বিরুদ্ধে এবং ফিলিস্তিনিদের পক্ষে রাজধানী লন্ডনসহ যুক্তরাজ্যজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। এদিন লন্ডনের পাশাপাশি বিক্ষোভ হয়েছে বার্মিংহাম, কার্ডিফ, বেলফাস্ট ও সালফোর্ডেও। কেবল লন্ডনের বিক্ষোভেই অংশ নিয়েছেন এক লাখ মানুষ। খবর বিবিসির।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টানা দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো লন্ডনে ফিলিস্তিনিপন্থি বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন লাখও মানুষ। লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশের অনুমান, শনিবারে এ বিক্ষোভ ও পদযাত্রায় এক লাখ মানুষ অংশ নেন। পরে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ১০নং ডাউনিং স্ট্রিটের কাছে সমাবেশের মাধ্যমে বিক্ষোভটি শেষ হয়।

বিবিসি বলছে, শনিবার লন্ডনের পাশাপাশি বার্মিংহাম, বেলফাস্ট, কার্ডিফ ও সালফোর্ডেও তুলনামূলক ছোট বিক্ষোভ হয়েছে। ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা বলছেন, ইসরাইলি বোমা হামলায় এখন পর্যন্ত চার হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, লন্ডনে শনিবার আয়োজিত বিক্ষোভে এক হাজারেরও বেশি কর্মকর্তা মোতায়েন ছিলেন। পরে আতশবাজি ব্যবহার, জন শৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটানো এবং জরুরি পরিষেবা কর্মীকে লাঞ্ছনার সঙ্গে জড়িত অপরাধের জন্য লন্ডনে বিক্ষোভ থেকে মোট ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

অন্যদিকে কার্ডিফে প্রায় এক হাজার বিক্ষোভকারী ফিলিস্তিনি পতাকা ও সমর্থনমূলক নানা প্ল্যাকার্ড নিয়ে ওয়েলস পার্লামেন্টের দিকে বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন।

বিবিসি বলছে, বেশ কয়েকটি গ্রুপের আয়োজিত এই বিক্ষোভ থেকে ব্রিটিশ ও ওয়েলস সরকারকে গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির জন্য প্রচেষ্টা চালানো এবং পূর্ণ মানবিক সহায়তা পাঠানোর জন্য জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

ফিলিস্তিনি সলিডারিটি ক্যাম্পেইন কার্ডিফের ম্যাগি মরগান বলেছেন, ‘আমরা গাজার জনগণের প্রতি সংহতি প্রদর্শনের অংশ হিসাবে রাস্তায় নামছি, তাদের প্রতি আমরা আমাদের সমর্থন জানাতে চাই।’

গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলের অবৈধ বসতি লক্ষ্য করে হামলা চালায় গাজাভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। এর পর থেকেই গাজায় বিমান হামলা চালানো শুরু করে ইসরাইলি বিমানবাহিনী। তাদের এ নির্বিচার হামলায় এখন পর্যন্ত চার হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে শিশুর সংখ্যাই এক হাজার ৫০০ জনের বেশি।

অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লেভারলি সতর্ক করে দিয়েছেন, চলমান এই সংঘাত পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে গ্রাস করার হুমকি দিচ্ছে। ক্লিভারলি অবশ্য ইসরাইল এবং অধিকৃত অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান সংকটকে ঘিরে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে ইসরাইল, তুরস্ক এবং কাতার সফর করেছেন।

বিবিসি বলছে, শনিবার লন্ডনের বিক্ষোভ মিছিলে বিক্ষোভকারীদের ফিলিস্তিনপন্থি নানা স্লোগান দিতে শোনা যায়। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ইসরাইলসহ জর্ডান নদী এবং ভূমধ্যসাগরের মধ্যবর্তী সব ভূমি ফিলিস্তিনিদের নিয়ন্ত্রণের দেওয়ার দাবি জানান।

ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুয়েলা ব্র্যাভারম্যান বলেছেন, ‘নদী থেকে সমুদ্র পর্যন্ত ফিলিস্তিন একটি স্বাধীন দেশ হবে’ স্লোগানটির মাধ্যমে কার্যত ইসরাইলকে ‘ধ্বংস করার’ আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া বেলফাস্টে বিবিসি নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড সদর দপ্তরের বাইরে বিক্ষোভকারীরা বেশ বড় বিক্ষোভ করেছেন। পিপল বিফোর প্রফিট অ্যাসেম্বলির সদস্য গেরি ক্যারল বলেছেন, বিবিসি যেভাবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান এই সংঘাতের খবর প্রকাশ করেছে, সেটিকে ‘চ্যালেঞ্জ’ করাই তাদের লক্ষ্য।

অন্যদিকে স্যালফোর্ডে আয়োজিত বিক্ষোভটিও মিডিয়া সিটি কমপ্লেক্সের বাইরে অনুষ্ঠিত হয়। মূলত সেখানেই বিবিসির অফিস রয়েছে এবং বিক্ষোভকারীরা এ সময় গাজা যুদ্ধ নিয়ে বিবিসির বিভিন্ন প্রতিবেদনের সমালোচনা করেন।

সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধ তথা সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে সরকারের পাশাপাশি পরিবহন মালিক, শ্রমিক, যাত্রী, পথচারী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে একযোগে কাজ করতে হবে।

আগামীকাল ‘জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস’ উপলক্ষ্যে আজ দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘আইন মেনে সড়কে চলি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের পর ক্ষতিগ্রস্ত সকল সড়ক ও সেতু মেরামত করে যোগাযোগ অবকাঠামো পুনঃস্থাপন করেন। তিনি ১৯৭৪ সালের মধ্যেই মুক্তিযুদ্ধে ধ্বংসপ্রাপ্ত সকল সেতু পুনর্নির্মাণ করে চলাচলের উপযোগী করেন, পাশাপাশি তিনি ৪৯০ কি.মি. নতুন সড়ক নির্মাণ করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় জাতির পিতা সড়ক পরিবহন খাতকে অগ্রাধিকার প্রদান করে আধুনিক সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কার্যক্রম শুরু করেন। আওয়ামী লীগ সরকার জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে তিনটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ২০৩০ এবং প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিরাপদ সড়ক নেটওয়ার্ক উন্নয়নের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন ও সময় সাশ্রয়ী যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন সম্প্রসারণের নিমিত্তে কাজ করে যাচ্ছে। নিজস্ব অর্থায়নে করা স্বপ্নের বহুমুখী পদ্মা সেতুসহ সমগ্র দেশে বিস্তৃত যোগাযোগ ব্যবস্থা জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব উন্নয়নের পাশাপাশি নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা জোরদার করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করি। সড়ককে নিরাপদ করতে ডিভাইডার স্থাপন, বাঁক সরলীকরণ, সড়ক ৪ লেনে উন্নীতকরণ, মহাসড়কে চালকদের জন্য বিশ্রামাগার নির্মাণ ও গতি নিয়ন্ত্রক বসানোসহ নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।

তিনি বলেন, সড়ক পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা আনয়ন, দক্ষ চালক তৈরি এবং দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে টাস্কফোর্স গঠন করেছি। আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং টেকসই ও নিরাপদ মহাসড়ক নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের সরকারের লক্ষ্য।

সরকারপ্রধান বলেন, এবারই প্রথম সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তির পরিবারকে এককালীন অন্যূন ৫ (পাঁচ) লাখ টাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গহানিসহ আহত ব্যক্তিকে অন্যূন ৩ (তিন) লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে স্বয়ংক্রিয় মোটরযান ফিটনেস সেন্টার চালু করা হয়েছে।

ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রবর্তনের মাধ্যমে বিআরটিএ’র প্রায় সকল সেবা ডিজিটালাইজড করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে ৬ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ‘বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রজেক্ট’ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

‘শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা পেলেন জাহাঙ্গীর আলম’

‘শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা পেলেন জাহাঙ্গীর আলম’

ডেস্ক রিপোর্ট:

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বহিষ্কৃত মেয়র এবং গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমকে শর্তসাপেক্ষে সাংগঠনিকভাবে ক্ষমা করা হয়েছে।

শনিবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের তথ্য জানানো হয়।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে জানানো হয়, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্বার্থ, আদর্শ, শৃঙ্খলা তথা গঠনতন্ত্র ও ঘোষণাপত্র পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার জন্য ইতোপূর্বে আপনাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। ভবিষ্যতে সংগঠনের স্বার্থ পরিপন্থি কর্মকাণ্ড ও শৃঙ্খলা ভঙ্গ না করার শর্তে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে। সেই সূত্রে আপনার প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করা হলো।’

ভবিষ্যতে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয় চিঠিতে।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে জাহাঙ্গীর আলমের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগ-মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেই অডিওতে তাকে মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ লোক শহীদ ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি করতে শোনা যায়। এ ঘটনায় ওই বছরের ১৯ নভেম্বর তাকে দল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়।

পরে বেশ কিছু অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ নভেম্বর তাকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ২০২২ সালের ১৭ ডিসেম্বর গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির বৈঠকে দলীয় বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হয়।

তবে কেন্দ্রের নির্দেশ অমান্য করে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভোটে প্রার্থী হওয়ায় চলতি বছরের ১৫ মে তাকে পুনরায় আওয়ামী লীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়। পাঁচ মাস পর দ্বিতীয় দফায় তাকে ক্ষমা করল আওয়ামী লীগ।

স্মার্ট দেশ গড়তে স্মার্ট নাগরিক লাগবে: ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী

স্মার্ট দেশ গড়তে স্মার্ট নাগরিক লাগবে: ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি প্রতিনিধি:

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ চাই স্মার্ট নাগরিক লাগবে, স্মার্ট সমাজ চাই তাহলেই স্মার্ট নাগরিক লাগবে। যদি আমি স্মার্ট সরকার পরিচালনা করতে চাই তাহলেও আমার স্মার্ট নাগরিক লাগবে। আমার অর্থনীতিকে যদি স্মার্ট করতে চাই, প্রচলিত যে কর্মকান্ড আছে তার বাইরে আমাদের স্মার্ট কর্মকাণ্ড করতে হবে। সামগ্রিকভাবে আমাদের এই কর্মকান্ড ২০০৯ থেকে আজকে পর্যন্ত বর্তমান সরকারের প্রায় সকল নাগরিক সেবাকে ডিজিটালে রূপান্তরিত করা হয়েছে। জমির নামজারি থেকে শুরু করে ই-পাসপোর্টসহ এমন কোন সেবা নেই, যে সেবাকে ডিজিটাল করা হয়নি।

শনিবার (২১অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লার দাউদকান্দি পৌরসদরে আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

মোস্তফা জব্বার বলেন, স্মার্ট মানুষ তৈরি করার জন্য প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীর হাতে ডিজিটাল ডিভাইস না দিয়ে আমরা কোনোভাবেই স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরির লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো না। আমাদের শিক্ষার্থীদের যদি সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়, তাহলে বিশ্বের যেকোনও মানদণ্ডকে তারা অতিক্রম করতে পারবে।

তিনি আরো বলেন, ২০০৮ সালে এক এমবিপিএস ইন্টারনেটের মূল্য ছিলো ২৭হাজার টাকা, আজ ১৭বছরে এসে সেই একই পরিমানের ইন্টারনেটের দাম ৬০টাকা। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২০০৮ এ যেখানে সাড়ে ৭ লক্ষ ছিল, সেখানে আজ ১৩ কোটি লোক ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। এর মধ্যে মোবাইল ব্যবহারেও অগ্রগতি হয়েছে। আমাদের ১৭ কোটি মানুষের দেশে ১৮ কোটি মোবাইল সংযোগ আছে। পুরোদেশ এখন ফোর-জি নেটওয়ার্কের আওতায় আছে। আর এগুলো সম্ভব হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দূরদর্শিতায়।

বঙ্গবন্ধুর প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশকে টেলিফোন ও ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত করার জন্য বেতবুনিয়াতে উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন। তারই কন্যা শেখ হাসিনা ৯৭ সালে এদেশে টু-জি মোবাইল ফোন, ২০১৩ সালে থ্রী-জি, ২০১৮ সালে ফোর-জি এবং ২০২১ সালে ফাইভ-জি মোবাইল ফোন চালু করেন।

আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের প্রতিষ্টাতা মোস্তফা জব্বার বলেন, আমার কাজই হলো কানেক্টিভিটি, এই কানেক্টিভিটি যদি না দেওয়া হয়, যতসব স্তম্ভের কথা বলেছি তার কোনটিই বাস্তবায়িত হবেনা।

আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলাউদ্দিন এর সভাপতিত্বে বিশেস অতিথির বক্তব্য রাখেন দেশ সেরা উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর অবঃ মোহাম্মদ আলী সুমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সালমা ফেরদৌস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশপাকুজ্জামান, দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মহিনুল হাসান, পৌর মেয়র নাইম ইউসুফ সেইন। এছাড়া সম্মানিত অতিথি ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার ( দাউদকান্দি সার্কেল) এনায়েত কবির সোয়েব, দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, জেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি ও প্যানেল মেয়র রকিব উদ্দিন রকিব প্রমূখ।

বিএনপির গায়েবি মামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপির গায়েবি মামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, গায়েবি মামলা বলে কিছু নেই, ঘটনা ঘটলে মামলা হয়; না ঘটলে মামলা হয় না। এখানে কে বিরোধী দল, কে অন্য দল- এটা পুলিশ দেখে না। এটা পুলিশের নিয়মিত কর্মকাণ্ড।

শনিবার লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতিবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি বরাবরই অভিযোগ করে আসছে, সরকার বিএনপির লাখ লাখ নেতাকর্মীদের নামে গায়েবি মামলা দিচ্ছে।

এই অভিযোগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ঘটনা যেখানেই ঘটে সেখানেই মামলা হয়। বিএনপির গায়েবি মামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন। ঘটনায় ভুক্তভোগীরা মামলাগুলো দায়ের করেন। বিএনপি এটাকে গায়েবি মামলা বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে। যেগুলো গায়েবি মামলা বলা হচ্ছে, সেসব à¦