All posts by jitu

চৌদ্দগ্রামে গাড়িভর্তি ৩২ কেজি গাঁজা উদ্ধার

চৌদ্দগ্রামে গাড়িভর্তি ৩২ কেজি গাঁজা উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জীপ গাড়ি ভর্তি ৩২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ। ১৬ সেপ্টেম্বর জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত এসআই দিবাকর রায়, এএসআই সজীব বড়ুয়া ও সংগীয় ফোর্স ডিউটি করাকালিন সময়ে চৌদ্দগ্রামের নানকরা এলাকার ঢাকা-টু-চট্টগ্রাম গামী মহাসড়কের পূর্ব পাশে একটি জীপ গাড়ীতে ২টি প্লাষ্টিকের বস্তা উঠাতে দেখে সন্দেহ হয়।

তাৎক্ষনিক উক্ত গাড়ীর নিকট যাওয়া মাত্রই ডিবি পুলিশ হিসেবে চিনতে পেরে গাড়ীর অজ্ঞাতনামা চালক ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৪৩৫৩ রেজিঃ নাম্বারের লাল খয়েরী রংয়ের পুরাতন জীপ গাড়ীটি দ্রুত গতিতে চট্টগ্রাম অভিমুখে যেতে থাকে।

পরবর্তীতে উক্ত গাড়ীর পিছু ধাওয়া করলে একপর্যায়ে অজ্ঞাতনামা চালক দ্রুত ও বেপোয়ারা গতিতে চট্টগ্রাম-ঢাকা গামী মহাসড়কে যাওয়ার (চিওড়া পুরাতন রাস্তার মাথা) রাস্তায় মেসার্স খন্দকার ষ্টোর এর সামনে পাকা রাস্তার উপর নিয়ন্ত্রন হারিয়ে গাড়িটি উল্টে যায়।

একপর্যায়ে গাড়ির অজ্ঞাতানাম চালক সহ অজ্ঞাতনামা ৩ জন সুকৌশলে গাড়ী থেকে নেমে পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক আশেপাশে হতে আগত উপস্থিত সাক্ষীদের মোকাবেলায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বহনকৃত ফেলে যাওয়া ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৪৩৫৩ রেজিঃ নম্বরের জীপ গাড়ীটি তল্লাশী করে গাড়ীর ভিতরে পিছনের সিটের উপর ৩২ কেজি গাঁজা এবং চালকের পাশের সিটের উপর হতে একটি অপেশাদার মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড, একটি ভিভো ওয়াই ২২ মডেলের মোবাইল ফোন, একটি ভিভো ওয়াই৩৩এস মডেলের মোবাইল ফোন পেয়ে উদ্ধারপূর্বক মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি লাল খয়েরী রংয়ের পুরাতন জীপ গাড়ি, যার রেজিঃ নং-ঢাকা মেট্রো-ঘ-১১-৪৩৫৩ ১৬/০৯/২০২৩ খ্রিঃ জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করেন।

এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা নং-২৫ ।

কুবিতে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় প্রথম বুয়েট

কুবিতে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় প্রথম বুয়েট

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত দুইদিন ব্যাপী ‘সিওইউ-ব্রাকনেট ইন্টার ইউনিভার্সিটি প্রোগ্রামিং কনটেস্ট -২০২৩ বিজয়ী হয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর দল ‘বুয়েট নাইটফল’।

শনিবার ( ১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় প্রকৌশল অনুষদে বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ৭১ টি দলের অংশগ্রহণে এ প্রতিযোগিতা শুরু হয়। পরে বিকাল ৪ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভার্চুয়াল রুমে প্রতিযোগিদের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

এ সময় কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাছানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এফ এম আবদুল মঈন, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইন্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের চেয়ারম্যান মো.শাহরিয়ার মানজুর । এছাড়াও উপস্থিত ছিল বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর দল ‘বুয়েট নাইটফল’ দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ‘সংশপ্তক’, তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ‘এনএসউ প্রিমিউটেড’, চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ‘ আরও নাউ অর নেভার ‘ এবং পঞ্চম স্থান অর্জন করেছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দল ‘রুয়েট জিরো এসি স্কোয়াড এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে দল ‘ সিওউ আনপ্রেডিক্ট্যাবল ৩২০৭’ দশম স্থান অর্জন করেছে।

প্রতিযোগিতায় বিজয়ী দলের সদস্য বুয়েটের শিক্ষার্থী আহমেদ হোসেন তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, অনেক ভালো লাগছে প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ান হতে পেরে। আগেও কয়েকটি প্রগামিং প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণ করলেও এবারই প্রথম স্থান অর্জন করেছি। অনুভূতি সত্যিই অন্যরকম।

প্রতিযোগিতার বিষয়ে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মাহমুদুল হাছান বলেন, এমন সুন্দর একটা আয়োজন আমরা সুন্দরভাবে শেষ করতে পেরেছি। প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করা। মোট ৭১ টি দল অংশগ্রহণ করেন প্রতিটি দলে ৩ জন ও এক জন কোচ ছিলেন। ভবিষ্যতে এমন আয়োজন আরো করা হবে।

প্রধান অতিথি উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, যারা আজকের প্রতিযোগিতায় উপস্থিত হয়েছেন তাদের সবাইকে সাধুবাদ জানায়। ভবিষ্যতে এমন আরো সুন্দর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এমন আয়োজনে মাধ্যমে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবো।
উল্লেখ্য, প্রতিযোগিতার প্রথম পাঁচটি দলকে মোট ৬০ হাজার টাকা প্রাইজ মনি দেওয়া হয় যেখানে প্রথম দল ১৫ হাজার টাকা ও পঞ্চম দল ছয় হাজার টাকা পায়।

দেবিদ্বারে পিস্তল ও ইয়াবাসহ একজন আটক

দেবিদ্বারে পিস্তল ও ইয়াবাসহ একজন আটক

সালাহ উদ্দিন সোহেল:

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় একটি দেশীয় তৈরি পিস্তল ও ১ শত পিস ইয়াবাসহ আনোয়ার হোসেন (৩০) নামের এক যুবককে আটক করেছে থানা পুলিশ।

শনিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে আসামিকে কুমিল্লা জেলহাজতে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানা অফিসার ইনচার্জ কমল কৃষ্ণ ধর।

আটক হওয়া আনোয়ার হোসেন দেবিদ্বার উপজেলার বড় শালঘর গ্রামের উত্তরপাড়ার ইউনুছ মাষ্টারের বাড়ির মৃত হারুনুর রশিদের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দেবীদ্বার উপজেলার বড়শালঘর ইউপির ইষ্টগ্রামের সজীব ব্রিকস ফিল্ডের পশ্চিম পার্শ্বে আলমগীর হোসেনের চায়ের দোকানের সামনে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের ওপর অবৈধ মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলো এ যুবক। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌঁড়ে পালানোর সময় আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ।

‘যুক্তরাজ্য ভিসার জন্য গুণতে হবে বাড়তি অর্থ’

‘যুক্তরাজ্য ভিসার জন্য গুণতে হবে বাড়তি অর্থ’

ডেস্ক রিপোর্ট:

দর্শনীয় বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতে ও পড়াশোনার উদ্দেশ্যে প্রত্যেক বছর বিশ্বের নানা প্রান্তের অসংখ্য মানুষ যুক্তরাজ্যে যান। তবে এখন থেকে যারা যুক্তরাজ্যে যাবেন— তাদের ভিসার জন্য গুণতে হবে বাড়তি অর্থ।

বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে ভিসা প্রক্রিয়ার ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। আর বর্ধিত এই ফি কার্যকর হবে আগামী ৪ অক্টোবর থেকে।

বার্তাসংস্থা পিটিআই শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নতুন নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, যারা ৬ মাসের ভ্রমণ ভিসার জন্য আবেদন করবেন তাদের ফি বাবদ দিতে হবে ১১৫ ব্রিটিশ পাউন্ড (প্রায় ১৬ হাজার টাকা) এবং স্টুডেন্ট ভিসার জন্য দিতে হবে ৪৯০ পাউন্ড (প্রায় ৬৭ হাজার টাকা)।

আগে ভ্রমণ ভিসার ফি ছিল ১০০ পাউন্ড। অপরদিকে স্টুডেন্ট ভিসার ফি ছিল ৩৬৩ পাউন্ড।

গতকাল শুক্রবার এ সংক্রান্ত একটি বিল দেশটির সংসদে উত্থাপন করা হয়।

এদিকে গত জুলাইয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক জানান সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির ব্যয় মেটাতে— ভিসা আবেদনকারীরা যে ফি ও ‘রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে পরিচালিত জাতীয় স্বাস্থ্য সেবাকে (এনএইচএস) যে স্বাস্থ্য সারচার্জ’ প্রদান করে থাকেন সেটি বাড়ানো হবে। তার এই ঘোষণার দুই মাস পরই ভিসা আবেদনের ফি বাড়ানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানিয়েছিলেন, ভিসার ফি বাড়ানো হলে ব্রিটিশ সরকার বার্ষিক বাড়তি ১ বিলিয়ন পাউন্ড আয় করতে পারবে।

এছাড়া ওই সময় দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, জাতীয় ও ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা সচল রাখতে এসব ফি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অপরদিকে নিজ দেশের নাগরিকদের ওপর ট্যাক্সের বোঝা কমায়।

সূত্র: পিটিআই

নেইমারের অভিষেক ম্যাচে আল-হিলালের গোলের বন্যা

নেইমারের অভিষেক ম্যাচে আল-হিলালের গোলের বন্যা

ডেস্ক রিপোর্ট:

আগস্টের শুরুতে সৌদি আরবের ক্লাব আল-হিলালে নাম লেখানোর পর ক্যাম্পেও যোগ দিয়েছিলেন নেইমার জুনিয়র। কিন্তু অ্যাঙ্কলের চোট তাকে পুরোদমে মাঠে ফিরতে দিচ্ছিল না। অবশেষে ব্রাজিলের হয়েই বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে নামেন নেইমার। মাঠে নেমেই বাজিমাত, করেন জোড়া গোল। প্রথম গোলেই তিনি জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ স্কোরার কিংবদন্তি পেলেকে ছাড়িয়ে যান। এবার তার দারুণ অভিষেক হয়েছে আল-হিলালে।

গতকাল (শুক্রবার) রাতে সৌদি প্রো লিগে অভিষেক হয়েছে নেইমারের। ইউরোপ ছেড়ে নতুন অধ্যায়ের শুরুটা হয়েছে মনে রাখার মতোই। তার দল আল-হিলাল রিয়াদকে গোলবন্যায় ভাসিয়েছে। ম্যাচ জিতেছে ৬-১ গোলের বড় ব্যবধানে।

জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নিজের অভিষেক-অনুভূতির কথা জানিয়েছেন নেইমার। সেখানে একাধিক ছবি পোস্ট করে নেইমার লিখেছেন, ‘অভিষেকে পাওয়া এই জয়ে খুবই আনন্দিত। ট্রিবিউট দেওয়ার জন্য ভক্তদের অনেক ধন্যবাদ।’

অবশ্য বড় জয়ের রাতেও নিজে গোল পাননি ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার। তবে সতীর্থের গোলে নেইমারের অবদান ছিল ঠিকই। অভিষেক ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন না সাবেক বার্সেলোনা ও পিএসজি তারকা। ৬৪ মিনিটে নেইমারকে আরেক ব্রাজিলিয়ান মাইকেল অলিভিয়েরার বদলি হিসেবে নামানো হয়। তখনই তুমুল হর্ষধ্বনিতে মেতে ওঠে রিয়াদের প্রিন্স ফয়সাল বিন ফাহাদ স্টেডিয়াম।

ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড মাঠে নামার আগেই আল-হিলাল এগিয়ে ছিল ২-০ গোলে। নেইমারের ছোঁয়া পেতেই তাদের আক্রমণের ধার আরও বেড়ে যায়। নেইমারের বাড়ানো দুর্দান্ত এক ফ্লিক থেকে ৪ মিনিট পরই গোলের সুযোগ পেয়ে যায় তার দল। নাসের আলদাওয়াসারি আল-হিলালের তৃতীয় গোলটি করেন। এরপর আরও বেশ কিছু কারিকুরি দেখান নেইমার।

এরই এক ফাঁকে নেইমারের পাস থেকে পাওয়া বলে সফল লক্ষ্যভেদ করেন আরেক ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ম্যালকম। অবশ্য নেইমার নিজেও স্কোরশিটে নাম তুলতে পারতেন। আল হিলাল পেনাল্টি পাওয়ায় প্রথম গোল করার সুযোগ পেয়েও তিনি দিয়ে দেন সালেম আলদাওয়াসেরিকে। সেখান থেকে সালেম ৫-০ ব্যবধান গড়েন।

ম্যাচের যোগ করা সময়ে নেইমারের শট প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক রুখে দেওয়ার পর ফিরতি শটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের ৬ষ্ঠ গোলটি করেন সালেম। তবে শেষ মুহূর্তে আল রিয়াদ সান্ত্বনার এক গোল পেয়ে যায়। ফলে আল হিলাল মাঠ ছাড়ে ৬-১ গোলের বড় জয় নিয়ে।

যার বিয়েতে গিয়ে বিপাকে পড়লেন বলিউডের ১৪ তারকা

যার বিয়েতে গিয়ে বিপাকে পড়লেন বলিউডের ১৪ তারকা

ডেস্ক রিপোর্ট:

বলিউড তারকারা বিভিন্ন রাজকীয় বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অংশ নেন। বিশেষ করে বড় বড় ব্যবসায়ীরা নিয়ে যান তাদের।

দুবাইয়ে এমন এক বিয়েতে গিয়েছিলেন টাইগার শ্রফ, সানি লিওন, নেহা কক্করসহ ১৪ বলিউড তারকা। আর সেটাই তাদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সেই বিয়ের বাজেট ২০০ কোটি টাকা। সেখানে তারকারা গিয়েছিলেন বিশেষ অতিথি হয়ে। তাতেই বিপত্তি। এ জন্য ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেটের নজরে পড়লেন এ তারকারা।

সম্প্রতি ‘মহাদেব অনলাইন বেটিং’ অ্যাপের দুর্নীতিতে অভিযুক্ত হয়েছেন সৌরভ চন্দ্রশেখর। তার বিয়েতে বিশেষ অতিথি হয়ে যান টাইগার, সানি, নেহা কক্কর, রাহাত

ফাতেহ আলি খান, বিশাল দাদলানি, কৃতি খববন্দা, আতিফ আসলাম, ভারতী সিং, নুসরত ভারুচার মতো তারকা।
‘মহাদেব বেটিং অ্যাপ’ সংস্থার মালিকের নাম রবি উপ্পল, সৌরভ চন্দ্রশেখর। ইডি তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।

বেশ কয়েক মাস আগে দুবাইতে গা ঢাকা দেন সৌরভ। অভিযোগ উঠেছে, এই সংস্থা অনলাইন বেটিং অ্যাপের মাধ্যমে টাকা তুলেছে। সেই টাকা মুম্বাইয়ের এক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির মাধ্যমে গেছে বলি তারকাদের কাছে।

প্রায় ১১২ কোটি টাকার লেনদেন হয় এই বাবদ। তারকাদের দুবাইতে থাকার জন্য খরচ হয়েছে ৪২ কোটি টাকা। যার পুরোটাই হয়েছে নগদে। এই টাকার গোটাটাই নাকি কালো টাকা।

দেশে নতুন জঙ্গি সংগঠন তাওহীদুল উলূহিয়্যাহ, দেশে বড় হামলার পরিকল্পনা

দেশে নতুন জঙ্গি সংগঠন তাওহীদুল উলূহিয়্যাহ, দেশে বড় হামলার পরিকল্পনা

ডেস্ক রিপোর্ট:

তাওহীদুল উলূহিয়্যাহ (আল-জিহাদী) নামে নতুন আরও একটি জঙ্গি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। গত ২-৩ মাস ধরে সংগঠনটি তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। আগামী বছর দেশে বড় হামলার পরিকল্পনা ছিল সংগঠনটির।

গোয়েন্দা সূত্রে এসব তথ্য জানার পর সংগঠনটির শীর্ষ নেতা মো.জুয়েল মোল্লাসহ (২৯) তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট (এটিইউ)। বাকি দু’জন হলেন— মো.রাহুল হোসেন (২১) ও মো. গাজিউল ইসলাম (৪০)।

শনিবার দুপুর ১২টায় রাজধানীর বারিধারায় অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট হেড কোয়ার্টারের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় এটিইউয়ের ডিআইজি (অপারেশন্স) মোহা. আলীম মাহমুদ।

তিনি জানান, গত ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে অভিযান পরিচালনা করে জুয়েলকে বাগেরহাট থেকে, জয়পুরহাট থেকে রাহুলকে ও রাজধানীর ভাসানটেক এলাকা থেকে গাজীউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের মধ্যে জুয়েল এই সংগঠনের প্রধান। বাকি দুই জন শীর্ষ পর্যায়ের নেতা। সংগঠনটি ২-৩ মাস তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। তাদের পরিকল্পনা ছিল ২০২৪ সালে দেশে বড় ধরনের জঙ্গি হামলা করা।

এটিইউয়ের ডিআইজি (অপারেশন্স) মোহা.আলীম মাহমুদ জানায়, আমরা গত কয়েক মাস ধরে গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে খবর পাচ্ছিলাম কিছু উগ্রবাদী মানুষ একত্রিত হচ্ছে। যারা দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বিশ্বাস করে না। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বানচাল করে উগ্রবাদী ব্যবস্থা কায়েমের জন্য তারা একত্রিত হচ্ছিল। গ্রেপ্তাররা সবাই আগে কোনো না কোনো জঙ্গি সংগঠনের সদস্য ছিল। কিন্তু তারা নতুন লক্ষ্য নিয়ে এক ব্যানারে সবাই নতুন করে একত্রিত হচ্ছিল। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ভিডিও ও পোস্টের মাধ্যমে নতুন সদস্য সংগ্রহ করে আসছিল। এই দলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নেতা হলেন জুয়েল। আমরা প্রথমে জুয়েলকে বাগেরহাটের রামপাল থেকে গ্রেপ্তার করি। পরে তার দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বাকি দুই শীর্ষ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের গ্রেপ্তারের সময় নতুন সংগঠনের ৮টি ব্যানার জব্দ করা হয়।

তিনি বলেন, তারা প্রাথমিকভাবে সদস্য সংগ্রহের পাশাপাশি অর্থও সংগ্রহ করছিল। এই অর্থ দিয়ে অস্ত্র কেনা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম সংগ্রহ করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। এই অস্ত্র ও বোমা দিয়ে তাদের বড় ধরনের জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ছিল।

তিনি আরও জানান, আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য জসীম উদ্দিন রহমানি, যিনি বর্তমানে কারাগারে সাজা ভোগ করছেন, তারা বক্তব্যে মূলত উদ্বুদ্ধ হন জুয়েল। এর ফলে তিনি নতুন এ জঙ্গি সংগঠনটি সৃষ্টি করে। জুয়েল নিজেও আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য ছিলেন। জসীম উদ্দিন রহমানিকেও কারাগার থেকে মুক্ত করার পরিকল্পনা ছিল জুয়েলের।

সংগঠনটির অর্থের যোগানদাতা কারা এবং সংগঠনটির সদস্য সংখ্যা কতো জানতে চাইলে তিনি বলেন, সংগঠনটিতে এখন পর্যন্ত ৮০-৯০ জন সদস্য আছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। তাদের অর্থদাতা কে তা এখনো জানা যায়নি। তবে সংগঠনটির অর্থ সংগ্রহের কাজ করছিলেন রাহুল। এ ছাড়া রাহুল বোমা তৈরির দায়িত্বেও ছিল।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তাদের হামলার পরিকল্পনা ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাদের আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করব। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হামলার পরিকল্পনা ছিল কি না সে সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ২০২৪ সালে বড় একটি জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ছিল। সেই জন্য তারা অর্থ ও অস্ত্র সংগ্রহসহ বোমা বানানোর চেষ্টা করছিল। তবে তাদের হামলার টার্গেট কি তা এখনও জানা যায়নি, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে আমরা জানার চেষ্টা করব।

সংবাদ সম্মেলনে এটিইউয়ের পুলিশ সুপার (অপারেশনস্) ছানোয়ার হোসেন বলেন, নতুন জঙ্গি সংগঠনটির মূল পরিকল্পনাকারী জুয়েল মোল্লা নিষিদ্ধ ঘোষিত আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়। ৯ মাস কারাগারে ছিলেন। এই সময়ে কারাগারে বসেই নিজের একটি সংগঠন করার পরিকল্পনা করে। মাত্র ক্লাস সেভেন পাস জুয়েল মোল্লা পেশায় একটি বেকারি কর্মী ছিলেন। আর বাকি গ্রেপ্তার দুই জন হিজবুত তাওহীদের সদস্য ছিলেন।

তিনি আরও জানায়, রাহুল হোসেন পেশায় একটি আইটি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ছিলেন। প্রযুক্তির বিষয়ে জ্ঞান থাকায় রাহুল বোমা তৈরির বিষয়ে খোঁজ-খবর নিচ্ছিলেন। এ ছাড়া বোমা হামলার অর্থ জোগাতে নিজের জমি বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছেলন রাহুল। রাহুল অনলাইনে সদস্য সংগ্রহের কাজও করছিলেন।

এবার বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে জার্মানি-ফ্রান্সের বিবৃতি

অনলাইন ডেস্ক:

মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের সম্পাদক আদিলুর রহমান খান ও প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক এএসএম নাসিরউদ্দিন এলানের দুই বছরের কারাদণ্ডের বিষয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে ফ্রান্স ও জার্মানি। শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে জার্মান দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন জা জানোভস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্সে’ (সাবেক টুইটার) দুই দেশের বিবৃতিটি পোস্ট করেছেন।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক বাধ্যবাধকতার পাশাপাশি আইনের শাসনের প্রতি গভীরভাবে শ্রদ্ধাশীল ফ্রান্স ও জার্মানি। বাকি বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও মানবাধিকারকে অব্যাহতভাবে সমর্থন দিয়ে যাবে। আদিলুর রহমান খান এবং এএসএম নাসিরুদ্দিন এলানের বিরুদ্ধে আদালত যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাতে অনুশোচনা করি আমরা।

এতে আরও বলা হয়, এ পরিস্থিতিতে সরকারের কাছে আমাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছি এবং এ ঘটনা নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাব। আমরা স্মরণ করি, মানবাধিকারবিষয়ক সংগঠন অধিকারের পক্ষে আদিলুর রহমান ২০১৭ সালে ফ্রাঙ্কো-জার্মান প্রাইজ ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড রুল অব ল পুরস্কার গ্রহণ করেন। প্রতিটি সমৃদ্ধ জাতির জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিষয় হলো গতিশীল একটি নাগরিক সমাজ।

এর আগে, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ মোট ৭২টি মানবাধিকার সংস্থা একই দিনে আদিলুর ও এএসএম নাসিরউদ্দিনকে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। এ ছাড়া আদিলুর ও নাসিরউদ্দিনের রায়ে অসন্তোষ ও উদ্বেগ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত অধিকারের সম্পাদক আদিলুর রহমান খান ও প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক এএসএম নাসিরউদ্দিন এলানের দুই বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন। মামলার রায় পড়ার সময় আদালতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশের পর্যবেক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, ২০১৩ সালে ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম সমাবেশ করে। পরে সমাবেশস্থলে রাত্রিযাপনের ঘোষণা দেয় সংগঠনের নেতারা। তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দিতে যৌথ অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ওই অভিযানে ৬১ জন নিহত হয় বলে দাবি করেছিল অধিকার। তবে সরকারের ভাষ্য ওই রাতের অভিযানে কেউ মারা যায়নি। শাপলা চত্বরে অভিযানের পর ২০১৩ সালের ১০ আগস্ট গুলশান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন ডিবির তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) আশরাফুল ইসলাম।

তদন্ত শেষে ওই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার আদালতে আদিলুর ও এলানের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়। এতে ৩২ জনকে সাক্ষী করা হয়। ওই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর মামলাটি বিচারের জন্য অভিযোগ আমলে নেন ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল। এরপর ২০১৪ সালে দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামি আদিলুর ও এলান ৬১ জনের মৃত্যুর ‘বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা’ তথ্য দিয়ে প্রতিবেদন তৈরি ও প্রচার করে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি করে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নের অপচেষ্টা চালায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সরকার ও রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি দেশ- বিদেশে চরমভাবে ক্ষুণ্ন করে।

পাশাপাশি তারা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে বিরূপ মনোভাবের সৃষ্টি করে, যা তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ (১) ও (২) ধারায় অপরাধ। একইভাবে ওই আসামিরা উদ্দেশ্যমূলকভাবে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা চালায় এবং সরকারকে অন্য রাষ্ট্রের কাছে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালায়, যা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ সি ও ডি এবং ৫০৫ এ ধারায় অপরাধ।

আদিলুর রহমান খান পেশায় সর্বোচ্চ আদালতের আপিলেট ডিভিশনের আইনজীবী হিসেবে কর্মরত আছেন। ছাত্রজীবন থেকে তিনি বামপন্থি রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। আর পরিচালক নাসির উদ্দীন এলান অধিকারের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আগে সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত ছিলেন।

লাস্ট ম্যাচটা জেতায় দলের মধ্যে আলাদা আত্মবিশ্বাস যোগ করবে : মিরাজ

অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটে ভালো দল এটি বলার অপেক্ষা রাখে না। ঘরের মাটিতে বড় সকল দলকে হারিয়ে এশিয়ার ক্রিকেট শ্রেষ্ঠত্বের আসর এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন নিয়েই শ্রীলঙ্কার উদ্দেশ্য রওনা দিয়েছিল সাকিব আল হাসানের দল। তবে এর পরের গল্প শুধুই হতাশার। তবুও শেষ ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে কিছুটা হলেও প্রাপ্তি আছে এবারের এশিয়া কাপ থেকে।

বাংলাদেশ দলের অন্যতম ভরসার নাম মেহেদী হাসান মিরাজ। দলে মূল কাজ বোলিং হলেও ব্যাটও খারাপ করেন না। যার প্রমাণ আফগানিস্তানের সাথে ওপেনিংয়ে নেমে দুর্দান্ত এক শতক। টাইগার এই অলরাউন্ডারের বিশ্বাস দল তার মূল লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হলেও ভারতের মতো দলের বিপক্ষে জয় দলকে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাস যোগাবে। আজ বাংলাদেশ দলের সাথে ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মিরাজ।

তিনি ভারতের সাথে জয় নিয়ে বলেন, ‘লাস্ট ম্যাচটা জেতায় দলের মধ্যে আলাদা আত্মবিশ্বাস যোগ করবে। ভারত এই টুর্নামেন্টে খুব ভালো খেলছে। এই জয়টা আমাদের বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে সাহায্য করবে। দলের সবাই অনেক খুশি আছে।’

অগুরুত্বহীন ম্যাচ জয়ে দলের কোন লাভ হবে কি না সেই সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ম্যাচটা এমন ছিল…আমরা জিতলেও এশিয়া কাপের ফাইনালে যাওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। তবে আমাদের মধ্যে এই বিষয়টা কাজ করছি, যদি ভারতের সঙ্গে জিততে পারি, তাহলে বিশ্বকাপের যাওয়ার আগে আত্মবিশ্বাসটা ভালো থাকবে। বিশ্বকাপ বড় ইভেন্ট, খেলাও ভারতে। সেখানে যাওয়ার আগে দলের স্পিরিটটা বেড়ে যাবে। সেটাই হয়েছে। দলের খেলোয়াড়রা খুব ভালো খেলেছে।’

এই এশিয়া কাপে মিরাজকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভূমিকায় ব্যাটিংয়ে দেখা গেছে। তিনি বলেন, ‘এবার এশিয়া কাপে আমাকে বিভিন্ন রোল দেওয়া হয়েছে। এটা মূলত দলের সমন্বয়ের জন্যই হয়েছে। আমাদের ওপেনাররা যদি শুরু থেকে সুস্থ থাকত, তাহলে কিন্তু আমি ওপেন করতাম না। যারা ওপেনার ছিল, তারাই করতো। একদিন খুব ভালো হয়েছে। পরে ভিন্ন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মাঝখানে খেলেছি, মুশফিক ভাই ছিলেন না। সবমিলিয়ে যদি সবাই সুস্থ থাকত, তাহলে খুব ভালো একটা টুর্নামেন্ট হতো, আমি ব্যক্তিগতভাবে এ আশাই করেছি। তবে বিশ্বকাপের আগে আশা করি সবাই খুব দ্রুত রিকভার করার চেষ্টা করব।’

তরুণদের দায়িত্ব নেওয়াটাকেও পজিটিভ হিসেবেই দেখলেন মিরাজ। ‘তরুণরা যেভাবে খেলেছে, যেমন সাকিব অভিষেকে ভালো করেছে, হৃদয় সাকিব ভাইর সঙ্গে ভালো জুটি করেছে। এই ম্যাচে লোয়ার অর্ডার থেকেও রান এসেছে। এট আমাদের দলের জন্য অনেক ইতিবাচক দিক।’

অভিনেত্রী মেরিলিন মনরোর বাড়ি হবে ‘মিউজিয়াম’

অনলাইন ডেস্ক:

মার্কিন অভিনেত্রী মেরিলিন মনরো। ষাটের দশকে রূপালি পর্দায় দুর্দান্ত অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করেছিলেন এই অভিনেত্রী। তার লস অ্যাঞ্জেলেসের হেলেনা ড্রাইভের বাড়িটি ভেঙ্গে ফেলার হাত থেকে অবশেষে রক্ষা পেয়েছে। জানা গেছে, বাড়িটিকে মিউজিয়াম হিসেবে তৈরি করা হতে পারে।

অভিনয়ের টাকা জমিয়ে ১৯৬০ সালে ৭৫ হাজার ডলারে ১২৩০৫ ফিফথ হেলেনা ড্রাইভের বাংলো ধরনের বাড়িটি কিনেছিলেন মেরিলিন। যার আয়তন ছিল ২ হাজার ৯০০ বর্গফুট। একতলা এ বাড়িটিতে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন সুইমিংপুল, সুন্দর লন আর সাতটি বেডরুম। তার বাড়ির সামনে নামফলকে লেখা ছিল ‘আমার যাত্রা শেষ হলো’।

সে সময় চিত্রনাট্যকার আর্থার মিলারের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। তবে একসময় তাদের সম্পর্কটা ভেঙে যায়, কিন্তু মনরো সেই বাড়িতেই থেকে যান। পরে ১৯৬২ সালের ৪ আগস্ট মারা যান মেরিলিন। তদন্তে জানা গিয়েছিল, ড্রাগ ওভারডোজের কারণে মৃত্যু হয়েছিল এই অভিনেত্রীর। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

মেরিলিন মনরোর মৃত্যুর পর তার বাড়িটি বেশ কয়েকবার হাতবদল হয়েছে। এ বছর শুরুর দিকে গ্লোরি অব দ্য স্নো ট্রাস্ট ৮ দশমিক ৩৭ মিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছিল বাড়িটি। তখন থেকেই চলছিল বাড়িটি ভাঙার প্রস্তুতি। কিন্তু তার ভক্তরা বাড়িটিকে বিশেষ নজরে রেখেছিল।

সম্প্রিত বাড়িটি ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নিয়েছিল লস অ্যাঞ্জেলেস সিটি কাউন্সিল। তবে ভক্ত ও প্রতিবেশীদের প্রতিবাদে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে তারা। মূলত, বাড়িটি বেশ পুরোনো হয়ে যাওয়াই ভাঙার সিদ্ধান্ত নেয় সিটি কাউন্সিল।

এর পরেই বাড়িটি না ভাঙার দাবিতে ফোন ও ই-মেইলের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানান আশপাশের বাসিন্দা ও মেরিলিনের ভক্তরা। অবশেষে বাড়িটি ভাঙার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সিটি কাউন্সিল। তবে তারা জানিয়েছে, বাড়িটিকে ঠিকঠাক রাখতে হলে রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন। এজন্য একটি কমিটিও তৈরি করা হয়েছে। এই কমিটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জানাবে কীভাবে টিকিয়ে রাখা যায় বাড়িটি।

সিটি কাউন্সিলের পক্ষ থেকে ট্রসি পার্ক বলেন, ‘মেরিলিন আমাদের কাছে শুধু অভিনেত্রীই নন, তিনি এক দৃষ্টান্ত। ছোটবেলা থেকে অনাথালয়ে বেড়ে উঠেছেন। হাজারো প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে একসময় হয়ে উঠেছেন কিংবদন্তি। বাড়িটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হলেও প্রতিবেশী ও তার অনুরাগীদের অনুরোধে আমরা সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেছি। বাড়িটিকে হলিউডের ইতিহাস ধারণের অংশ হিসেবে ও লস অ্যাঞ্জেলেসের ইতিহাস, সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে সংরক্ষণ করা হবে। সম্ভব হলে বাড়িটিকে মিউজিয়ামও বানানো হতে পারে।’