Tag Archives: আহত ৯

দাউদকান্দিতে ওয়াকফ স্টেটের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বে মারামারি, আহত ৯

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ওয়াকফ  সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ কমিটি নিয়ে ফের দুইপক্ষের  মারামারির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার(৫জুলাই) রাত নয়টায় উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের হুগুলিয়া গ্রামে এ ঘটনায় অন্তত নয়জন আহত হয়েছেন। এর আগেও কয়েকবার মারামারি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানান। আহতদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানায়, উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের হুগুলিয়া গ্রামের হাজী জৈয়নুদ্দিন  তার নিজের নামে ওয়াকফ এস্টেট, মসজিদ এবং মাদ্রাসার জন্য ১২ কানি(তিন একর) জমি দান করে গেছেন। দানকৃত দলিলে সমাজের ১২ জন মাতব্বর  এবং তাদের মধ্যে একজন পরহেজগার আলেমকে মোতাওয়াল্লি করে কমিটি করার কথা উল্লেখ করেছেন । সেই মতে গ্রামের মুফতি ফজলুল হক আমিনীকে মোতাওয়াল্লি করা হয়েছিল। ২০১২ সালে তিনি মারা যান। এরপর উনার মেয়ের জামাই শাখাওয়াত পরিচালনা শুরু করেন। কিছু দিন আগে  গ্রামবাসীকে না জানিয়ে অন্য উপজেলার লোকজনসহ শাখাওয়াত নিজেকে মোতয়াল্লী করে কুমিল্লায় কমিটি জমা দেয়। কমিটির দন্দ্ব নিয়ে ওয়কফকৃত জায়গায় নির্মিত মারকাজ মসজিদটি দীর্ঘদিন তালাবদ্ধ ছিল। গ্রামবাসী এ কমিটি  বাতিলের দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশও করেছে। এনিয়ে গত ২৭ এপ্রিল  দুই পক্ষের মধ্যে  মারামারির ঘটনা ঘটেছে।  সেই ঘটনার ধারাবাহিকতায় গতকাল রবিবার রাত  ৯টার দিকে পশ্চিম হুগুলিয়া গ্রামের নাজমুলের দোকানের সামনে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। উপস্থিত লোকজন বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলেও একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হুগুলিয়া গ্রামের রমজান (৪৫), নাজমুল (২৮), সোহাগ (৩৫), রাকিব (২৩), কাউসার (৩২), আবদুল্লাহ (১৭), রিপন (মহিলা, ৪৫) ও রাফি (১২) রয়েছেন। অপরপক্ষের সোহেল (৪৫) গুরুতর আহত হন। গুরুতর আহত সোহেল ও কাউসারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।

হুগুলিয়া গ্রামের সাইফুল ইসলাম, আব্দুল মতিন, মনির হোসেন ও হুমায়ুন কবির জানান, আমরা গ্রামবাসী চাচ্ছি  ওয়াকফ সম্পতির স্থাপনা প্রতিষ্টান দলিলে উল্লেখিত নিয়মমতে কমিটি করে পরিচালিত হবে। কিন্তু মাওলানা শাখাওয়াত ২০১২ সাল থেকে ওয়াকফ  কমিটির সভাপতি পদে আছেন। গত বছর  গ্রামবাসী হিসাব চাওয়ায় তিনি তাবলীগ জামাতের দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব এখানে নিয়ে আসেন। মুলতঃ এখানে তাবলীগ জামায়াত নিয়ে কোন দ্বন্দ্ব নেই। আমরা শুধু কমিটি থেকে বহিরাগতদের বাদ দিয়ে স্থানীয়দের কমিটিতে রাখা এবং ওয়াকফকৃত মসজিদ মাদরাসার নামে অনুদানের হিসাব প্রকাশের দাবী।
এদিকে কমিটি নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়ায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। হুগুলিয়া গ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যে  আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এবিষয়ে মুফতি শাখাওয়াত হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এবিষয়ে দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম  বলেন, আমি এখানে গতকাল যোগদান করেছি। রাতেই মারামারির ঘটনা ঘটেছে।  পুলিশ  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ব্রাহ্মণপাড়ায়

ব্রাহ্মণপাড়ায় ত্রাণ বিতরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৯

ব্রাহ্মণপাড়ায় ত্রাণ বিতরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ত্রাণ বিতরণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আহত হয়েছে ৯ জন।

বুধবার বিকেল ৫ টায় উপজেলার দুলালপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

আহত সকলে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছে।

আহতদের সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী কাশেম (গংদের) সাথে ত্রাণ বিতরণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গত দুদিন আগে কথা কাটাকাটি হয় মৃত. আলী আমদের ছেলে দুলাল মিয়া ও ত্রাণ বিতরণকারী অন্যদের সাথে। এতে হামলাকারীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের বাড়ির সামনে রাস্তা বন্ধ করে দেয়। এই নিয়ে বিকাল ৫ টায় দুলালপুর বাজারের দুলাল মিয়ার মিষ্টি দোকানের সামনে কথা কাটাকাটি হলে দুলালপুর উত্তরপাড়া গ্রামের কাশেমের নির্দেশে তার ছেলে শিপন ও আলমগীর, মোঃ আলী, আলী মিয়ার ছেলে সাকিব, মৃত. মতিন মিয়ার ছেলে তারামিয়া, তার ছেলে মান্নান, হান্নান, জহির মিয়ার ছেলে নজু, কাদেরের ছেলে ইউসুফ, কামরুল (চৌকিদার), সাইদুল, ইউসুফ মিয়ার ছেলে রিয়াদ, আব্দুল মান্নানের ছেলে আনোয়ার এবং মান্নানসহ আরও ১০/১২ জন হামলা চালায়।

তাদের হামলায় আহতরা হলেন, মৃত. আলী আহাম্মেদের ছেলে দুলাল মিয়া (৪৬) তার ছেলে তাওহিদ (২৪), মুজাহিদ (২০), মোবারক হোসেনের ছেলে সজীব (২৪), আব্দুল আলীমের ছেলে আরিফুল ইসলাম (২২), কাজল মিয়ার ছেলে বাছির (২০), রমিচ উদ্দিনের ছেলে মোতালেব (৩৬), ফরিদ মিয়ার ছেলে ওসমান (২৫), আল-আমিন (২০) পিতা অজ্ঞাত। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

নাঙ্গলকোটে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামীলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৯

মোঃ কামাল হোসেন জনিঃ

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ৯ জন আহত হয়েছে।

শনিবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত দফায় দফায় ভোলাইন বাজার ও আদ্রা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন, দীপ্তি রাসেল,কাইউম, বাবু, বেলাল, রিপন,মহসিন, রাহুল, পারভেজ, রিয়াদ।

স্থনীয় সূত্র জানায়, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আদ্রা উত্তর ইউপির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম ও আদ্রা উত্তর ইউপির যুবলীগের সভাপতি নাছির উদ্দীন রতনের সাথে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। ভোলাইন বাজারটি আদ্রা দক্ষিণে হলেও দুই ইউপির মাঝামাঝি হওয়ায় বাজারটিতে এর জের ধরে মাঝে মাঝে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে উভয় পক্ষে সংঘর্ষ বাধে। শনিবার দফায় দফায় দাওয়া পাল্টা ধাওয়া সংঘর্ষে উভয় পক্ষের দু’টি দোকান, ১ বাড়ির ৩ ঘর ভাংচুর করার অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। এতে উভয় পক্ষের ৯ জন আহত হয়।

এর মধ্যে দীপ্তি রাসেল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। রিপন, মহসীন, মেহেদী হাছান,কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। বাকীরা নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে বলে জানা যায়।

নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপে দাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে দোকান ভাংচুর করা হয়, কয়েকজন আহত হয়। এক পক্ষ থানায় মামলা দায়ের করে,অপর পক্ষে মামলার প্রস্তুতি চলছে, তদন্ত চলছে।

কুমিল্লা নগরীর মুন হাসপাতালের প্যাথলজি ল্যাবে অগ্নিকান্ডেে একজন অগ্নিদগ্ধ, আহত ৯

স্টাফ রিপোর্টারঃ
কুমিল্লা নগরীর ঝাউতলা এলাকায় অবস্থিত মুন হাসপাতালের নবম তলার প্যাথলজি ল্যাবে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় হাসপাতালের স্টাফ মাকসুদা বেগম অগ্নিদগ্ধ হয়েছে। ঘটনার পর হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে অন্তত ৯  জন আহত হয়েছেন।তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এতে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

শুক্রবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯ টার দিকে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

আহত মাকসুদা বেগম চাদঁপুর জেলার কচুয়া উপজেলার বাসিন্দা। তিনি মুন হাসপাতালের ল্যাবে কর্মরত ট্যাকনোলজি কর্মী ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রাত ৯টার দিকে ওই হাসপাতালের নবম তলার প্যাথলজি বিভাগের একটি কক্ষে অগ্নি নির্বাপন যন্ত্র থেকে ধোঁয়া উড়ছিল। মুহুর্তেই ওই ল্যাবের দরজা-জানালার পর্দায় আগুন ধরে যায় এবং এতে ওই বিভাগের ল্যাবের কিছু যন্ত্রপাতি বিনষ্ট হয়। এসময় ওই ল্যাবে থাকা স্টাফ মাকছুদা আক্তারের শরীরের ৫০ ভাগ দগ্ধ হয়। এ ঘটনায় হাসপাতালের ৯ম তলা থেকে হুড়োহুড়ি করে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নামতে গিয়ে আরও অন্তত ৯  জন আহত হয়েছেন।

কুমিল্লা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আলমগীর হোসেন জানান, আগুন লাগার কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে এ ঘটনায় একজন নার্স গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। অগ্নিকান্ডের কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।