Tag Archives: নির্বাচন

তারেক রহমানকে অপছন্দকারীরা নির্বাচনে আসতে নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছে

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে যারা নেতা হিসেবে মানতে পারছেন না তারা নির্বাচনে আসতে নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছেন বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি নির্বাচনে না এলে তো নির্বাচন প্রতিযোগিতাপূর্ণ হবে না। সাংবাদিকদের এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমার কাছে তথ্য আছে যে, তারেক রহমানকে যারা নেতা হিসেবে মানতে পারছে না এবং তারেকের নেতৃত্ব মানতে যাদের কষ্ট হচ্ছে, তারা নির্বাচনে আসবে বলে আমরা জানি। নির্বাচনে আসার জন্য তারা এরইমধ্যে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মও তৈরি করেছে। আপনারা দেখেছেন, বিএনপির যে নেতৃত্ব, তা দলটির অনেকের পছন্দ না। যে কারণে তারা নতুন দল করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার চেষ্টা করছে। আবার বিএনপিরও অনেকেই প্রার্থী হওয়ার চেষ্টা করছে বলে জেনেছি।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির কথিত চেয়ারপারসন তারেক রহমান রাজনীতি করবেন না বলে মুচলেকা দিয়েছিলেন। এখন আবার তিনি রাজনীতির মাঠ গরম করছেন। তিনি একেক সময় একেক ঘোষণা দিচ্ছেন। ২৮ অক্টোবর সরকার পরিবর্তন হবে, তারপর বিএনপি যেভাবে চাইবে সেভাবেই দেশ চলবে— এমন ঘোষণাও দিয়েছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ যখন তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, তখন তারা নিশ্চিত যে কোনোদিন নির্বাচনে আসতে পারবে না। যে কারণে তারা কুৎসা রটাচ্ছে ও অবান্তর কথা বলে যাচ্ছে। একটা কথা জোর দিয়ে বলতে পারি, নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তারিখ অনুযায়ী সঠিক সময়ই নির্বাচন হবে। দেশের মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ চলে এসেছে। সবাই নিজেদের প্রার্থীকে কীভাবে বিজয়ী করা যায়, সেগুলো নিয়ে চিন্তা করছে। কে নির্বাচনে আসল না, বা কে কী বলল, তা নিয়ে মানুষের কোনো উদ্বেগ নেই।’

নির্বাচনে লেভেল-প্লেয়িং ফিল্ড আছে কি না, জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘আপনারা দেখবেন, সেটি আছে কি না। রাজনৈতিক দলগুলো তো প্রচার-প্রচারণা চালাবেই। সবাই প্রচারণায় নামবে। তারা নিজেদের প্রার্থী নিয়ে আনন্দ করবে, উৎসব করবে।’

কিন্তু বিএনপি নেতারা তো কারাগারে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘তাদের যতগুলো নেতা কারাগারে, তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা আছে। তারা ভাঙচুর করেছে। বাস জ্বালিয়েছে ও মানুষ পুড়িয়েছে। এসব ঘটনা আমরা শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি ও তারা গ্রেপ্তার হয়েছে। এছাড়া, তারা বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ড করেছে। বিনা কারণে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।’

নির্বাচনকে ঘিরে কোনো নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে কি না এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো খবর পাইনি। আর নাশকতা কেবল বাংলাদেশের মানুষ না, বিশ্বের কোনো সভ্য দেশের মানুষ পছন্দ করেন না। যতই নাশকতা করবে, ততই জনবিচ্ছিন্ন হবে। এতে তাদের ভাগ্যে জনসমর্থনের চেয়ে ধিক্কার জুটবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, মানুষ সেটিই চাচ্ছে। সেই আলোকিত বাংলাদেশ থেকে কেউ আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চাচ্ছে না। নির্বাচনে নিজেদের পছন্দের মানুষকে নির্বাচিত করতে মানুষ তৈরি হয়ে আছে।’

হরতাল-অবরোধ স্বাভাবিক হয়ে গেছে। বিএনপি এখন কঠোর আন্দোলন করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। এ বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সেই কঠোর আন্দোলন কী আমি জানি না। আমরা তো দেখলাম তারা ট্রেনের লাইন কাটার জন্য গিয়েছিল। পরে জনগণ তাদের ধরিয়ে দিয়েছে। বাসে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করলে জনগণ তাদের ধরে পুলিশে দিয়েছে। এতে প্রমাণ হয় যে, দেশের মানুষ সহিংসতা পছন্দ করে না। যেখানে জনসমর্থন নেই, সেখানে এ ধরনের চিন্তা কাম্য নয়।’

নির্বাচনে সহিংসতার হলে আগাম প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, নির্বাচনে পরাজিত হবে জেনেই তারা আসছে না। ২০০৮ সালে তারা ৩০টি আসন পেয়েছিল। ২০১৪ সালে তারা নির্বাচনে আসেনি। তারপরে জ্বালাও-পোড়াও করল। তারা সারা বাংলাদেশে অগ্নিসন্ত্রাস করেছে।’

নির্বাচনে বিএনপি এলে তফশিল পেছানোর সময় আছে: ইসি আনিছুর

ডেস্ক রিপোর্ট:

নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনে এলে তফশিল পেছানোর সময় এখনো আছে। আমরা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তাদের বারবার আহবান জানিয়ে আসছি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য। তাই তারা যদি নির্বাচনে আসে তাদের অংশ নেওয়ার বিষয়ে অবশ্যই বিবেচনা করা হবে।

সোমবার দুপুরে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের দেওয়া ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান।

সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান।

জেলা প্রশাসক মো. মোশারফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. শহিদুজ্জামান, রাঙামাটির পুলিশ সুপার মীর মো. আবু তৌহিদ, খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর, বিজিবি রাঙামাটি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সাহিদুর রহমান ওসমানসহ রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির জেলার নির্বাচন কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা, সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার ওসি এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন নির্বাচন কমিশনার। এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নে তিনি বলেন, আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সম্পূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক করতে যা যা করণীয় তার সব ব্যবস্থা নিতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা দায়িত্বে থাকা সব কর্তৃপক্ষকে বলে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সারা দেশে অতীতের নির্বাচনগুলোর মতো এবারো সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রক্রিয়া চলছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি আগে থেকেই রয়েছে। তাই এখানকার জন্য আমাদের কৌশলগতভাবে খুব বেশি করা লাগবে না। তাছাড়া এখানে নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন বাহিনী নিয়োজিত আছেন। কেউ নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান আরও বলেন, নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য বারবার আহবান জানিয়ে আসছে নির্বাচন কমিশন। দেশে মোট ৪৪টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২৬টি দল নির্বাচনে এসেছে। ১৮টি দল এখনো নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেনি। তারা নির্বাচনে আসবে কিনা, সেটা তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। কিন্তু কাউকে নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়া কিংবা নির্বাচন বানচালের অধিকার তাদের নেই। কারণ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অধিকার প্রতিটি নাগরিকের রয়েছে।

বিদেশি পর্যবেক্ষকদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নিয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা সব দেশের পর্যবেক্ষকদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তাদের আবেদনের সময় ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত ছিল; কিন্তু আমরা ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়িয়ে দিয়েছি।

বিএনপি নির্বাচনে আসলে তফশিল রিসিডিউল করা যেতে পারে: সিইসি

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, আমাদের কমিশনাররা বলেছেন যদি বিএনপি নির্বাচনে আসে তফশিল রিসিডিউল করা যেতে পারে, এটা নির্বাচন পেছানো বলা যায় না। তফশিল রিসিডিউল করে তাদের অ্যাকোমোডেট করা হবে।

রোববার নির্বাচন কমিশন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন।

বিএনপি ভোটে না আসলে কী করবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, এগুলো নিয়ে আমি উত্তর দেব না। বিএনপিকে একবার নয়, দুবার নয়, পাঁচবার নয়, দশবার আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তারা আসেনি। এখনো সময় আছে। সমঝোতা হলে আমাদের জন্য সহজ হয়ে যায়। আশা করি, তারা যদি আসে পুরো জাতির জন্য সৌভাগ্য হবে। আমরা চাই নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হোক।

তফশিল পেছানোর বিষয়ে সিইসি বলেন, আমাদের নির্বাচন কমিশনাররা তফসিল পুনর্নির্ধারণের কথা বলেছেন। এর অর্থ এই নয় যে, ভোটের তারিখ পেছানো হবে।

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, আমরা এখতিয়ারের বাইরে যাব না। প্রশাসনের রদবদল কে কখন করেছিল? বিচারপতি লতিফুর রহমান সাহেব করেছেন। তিনি সিইসি ছিলেন কি-না জানি না। তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ছিলেন। আমরা নির্বাচনের স্বার্থে যেটা ভালো মনে করব সেটা করব। আমরা এখতিয়ারের বাইরে যাব না। এখতিয়ারের মধ্যে যা আছে করব।

সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, সেনাবাহিনী (সশস্ত্র বাহিনী) নিয়ে একেবারে শেষপর্যায়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। যদি প্রয়োজন মনে করি, চাইলে তারা (সরকার) আমাদের দেবে। এ নিয়ে কোনো সংশয় নেই।

অন্য আরেক প্রশ্নের জবাবে সাবেক এই আইন সচিব বলেন, নির্বাচন পূর্ব সময় হচ্ছে তফশিল ঘোষণার পর থেকে ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা পর্যন্ত। এতে কতগুলো ধাপ আছে। যখনই তফসিল ঘোষণা করে থাকি একটা ধাপ হচ্ছে মনোনয়নপত্র দাখিল পর্যন্ত। এরপর বাছাই। এরপরও কিছু স্টেজ থাকে। এরপর আপিল স্টেজ থাকে। শুনানি করে সিদ্ধান্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়ে দেব। এরপর থাকে প্রত্যাহার। সেগুলো বিবেচনায় নিয়ে রিটার্নিং অফিসার চূড়ান্তভাবে বরাদ্দ করবেন। তারপর বলবেন এখন আপনারা প্রচার করতে পারবেন। এরপর ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে সেটা থেমে যাবে।

প্রজ্ঞাপন জারি, যা করতে পারবে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি

ডেস্ক রিপোর্ট:

নির্বাচনপূর্ব অনিয়মের বিষয় নিষ্পত্তি করতে ৩০০ বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা নিয়োগ করে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়।

এর আগে নির্বাচন কমিশন এ সংক্রান্ত একটি চাহিদাপত্র পাঠিয়েছিল আইন মন্ত্রণালয়ে। পরে নিয়মানুযায়ী তা সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদনের পর যায় আইন মন্ত্রণালয়ে। সবশেষ বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) তা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা হয়।

কমিটিকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, আচরণবিধি ও ভীতি, বাধা, দমন বা মিথ্যা তথ্য প্রকাশসহ অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনায় বাধাগ্রস্ত করে- এমন বিষয়গুলো অনুসন্ধানসহ সুপারিশ করে তিন দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠাতে হবে।

নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি প্রাপ্ত তথ্য বা কমিটির কাছে দাখিলকৃত অভিযোগ বা ঘটনাসমূহ অনুসন্ধান করতে পারবে। ‘নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম’ সংক্রান্ত অভিযোগ ও ঘটনার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন/রিটার্নিং অফিসার/সহকারী রিটার্নিং অফিসার/নির্বাচনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা কোনো অভিযোগ পেলে তা অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন কমিশনের কাছে পাঠাবেন।

এক্ষেত্রে অনুসন্ধান কমিটি কোনো ব্যক্তিকে তার সামনে হাজির হতে ও সাক্ষ্য প্রদানে এবং প্রয়োজনীয় দলিল বা বস্তু দাখিল করতে দেওয়ানি আদালতের মতো ক্ষমতাবান হবেন। কমিটির কার্যক্রম প্যানেল কোড-এর ১৯৩ ও ২২৮ ধারায় বিচারিক কার্যক্রম হিসেবে গণ্য হবে।

কমিটি দায়িত্ব পালনকালে নির্বাচনপূর্ব কোনো অনিয়ম সংঘটিত হলে তার অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনকে দিতে হবে। এক্ষেত্রে অনুসন্ধান কমিটির দায়িত্ব পালন সংক্রান্ত জ্বালানি ও আপ্যায়ন ব্যয়সহ বিভিন্ন ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ প্রদান করা হবে।

এছাড়া অনুসন্ধান কার্য পরিচালনার ব্যাপারে কমিটির চাহিদা অনুসারে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক, পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সুপার, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা/জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপজেলা/থানা নির্বাচন কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবেন।

এখনো বিএনপির নির্বাচনে আসার সুযোগ আছে: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি নির্বাচনে আসবে না, এটা উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। তাদের এখনো নির্বাচনে আসার সুযোগ আছে।’

শুক্রবার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, চারটি বিভাগের মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে। আগামীকাল শনিবার না হলেও রোববারের মধ্যে ৩০০ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী কারা, তা ঘোষণা করতে পারব। নতুন অনেকে এসেছেন, কিছু বাদও পড়েছে। উইনেবল (সম্ভাব্য জয়ী) প্রার্থী আমরা বাদ দেইনি।

কাদের বলেন, ‘আমরা যখন বিভাগের নাম ঘোষণা করি তখন ভিড় বেড়ে যায়, নির্দিষ্ট বিভাগ শুনলে পিড়াপীড়ি শুরু হয়ে যায়। কীভাবে নাম বাহির করা যায়। সে কারণে বিভাগের নাম ঘোষণা করছি না।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা মনোনয়নের ব্যাপারটা সুনির্দিষ্ট করে এখন বলছি না, কারণ এর মধ্যে আমরা যে সকল প্রার্থী দিয়েছি, সেসব মনোনয়নে ভুলত্রুটিও থাকতে পারে। সেটাও সংশোধনের একটা সুযোগ রেখেছি। এ কারণে আমরা ঠিক করেছি— ভিন্নভাবে, জেলাভাবে বা বিভাগভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করবো না। একসঙ্গে ৩০০ আসনের প্রার্থিতা ঘোষণা করতে চাই।’

এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেনসহ অনেক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনকে ৩ নির্দেশনা

ডেস্ক রিপোর্ট:

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনকে তিনটি নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

মন্ত্রণালয়, বিভাগ, মাঠ প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ প্রশাসনের সব স্তরে এ নির্দেশনা দিয়ে বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পাদন করা সবার জাতীয় দায়িত্ব। নির্বাচন কমিশন সচিবালয় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানে সবার সহযোগিতা কামনা করেছে।

এতে বলা হয়, নির্বাচন সংক্রান্ত কার্যাদি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও সম্পাদনের জন্য সব মন্ত্রণালয়-বিভাগ তথা সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্ত্বশাসিত, আধা-স্বায়ত্ত্বশাসিত অফিস-প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্য থেকে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেসরকারি অফিস-প্রতিষ্ঠান থেকেও প্রিজাইডিং অফিসার/সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার-পোলিং অফিসার নিয়োগ করার প্রয়োজন হবে।

সরকারি, সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মধ্য থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষককে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ ছাড়াও নির্বাচনে বিভিন্ন দায়িত্ব প্রদান করা হতে পারে। এ ছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবনগুলো ভোটকেন্দ্র হিসেবে এবং প্রতিষ্ঠানের আসবাবপত্র নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করা প্রয়োজন হবে। সে ক্ষেত্রে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে চিঠিতে।

নৌকার প্রার্থীর পক্ষে সব নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করবে: শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, মনোনয়ন বোর্ড যাকেই মনোনয়ন দেবে, দেশের যে এলাকায় দেবে, সেই নৌকার প্রার্থীর পক্ষে আওয়ামী লীগের সব নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করবে। তারা নৌকার বিজয়কে যেমন নিশ্চিত করবে এবং দলীয় ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে প্রত্যাশা করি।

বুধবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর শহরের কদমতলায় নিজ বাসবভনের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের প্রাচীন বড় রাজনৈতিক দল। এ দলে যারা কাজ করেন তাদেরকে সারাজীবন আন্দোলন সংগ্রাম করেই একটা পর্যায়ে আসতে হয়। কাজেই প্রতিটি সংসদীয় আসনেই অনেক যোগ্য প্রার্থী থাকে। তারা এমপি হতে সকলেই চান। গণতন্ত্রে তাদের মনোনয়ন চাইবার অধিকারও আছে। মনোনয়ন কাকে দেওয়া হবে সেটা মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত। কিন্তু মনোনয়ন চাইবার অধিকার সকলের আছে। এবার অনেক নারী ও তরুণরা মনোনয়ন চেয়েছেন। এটিকে আমি মনে করি একটা ভালো লক্ষণ। তারা সকলে জনপ্রতিনিধি হওয়ায় ইচ্ছুক। তাদের এই ইচ্ছা শক্তিকে ভালো লক্ষণ হিসেবে দেখছি।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ নীতি-আদর্শ নিয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব সময় নির্বাচন করেছে এবং করবে। যখন প্রয়োজন হয়েছে জোটবদ্ধ নির্বাচন করেছে। আমাদের জোট সব সময় আদর্শিক জোট হয়েছে। কখনো কখনো আমরা নির্বাচনী জোট করেছি। আমাদের মনোনয়ন নির্ধারণ করার কাজ শেষে হলে বুঝা যাবে আমরা জোটবদ্ধ নাকি জোট ছাড়া নির্বাচন করবো। কারণ তখন বুঝা যাবে কোন দল বেশী শক্তিশালী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা চাই সকল দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক এবং উৎসবমুখর পরিবেশে একটি নিরপেক্ষ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। যাতে করে ভোটাররা আগামী দিনে তাদের দেশ পরিচালনার জন্য দল পছন্দ করে নিতে পারে।

এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী এবং জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

যারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবে তাদের পরিণতি ভালো হবে না: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

যারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবে তাদের পরিণতি ভালো হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ শনিবার (১৮ নভেম্বর) ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধনীতে এসে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, সামনেই আমাদের জাতীয় নির্বাচন। ইতোমধ্যে তফশিল ঘোষণা হয়ে গেছে। যাদের আত্মবিশ্বাস নেই তারাই নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। তবে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা যারা করবে তাদের পরিণতি ভালো হবে না।

বোর্ড ও তৃণমূল থেকে মতামত নিয়ে প্রার্থী বাছাই করা হবে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশের সংবিধান মেনে চলে। আটটি বিভাগে দশটি নির্বাচনি ফরম সংরক্ষণের বুথ তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। ঢাকা আর চট্টগ্রামে দুইটি বুথ থাকবে। আমরা বোর্ড আর তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করব।

হরতালের কারণে পড়ালেখা নষ্ট হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আশা করি সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। কেউ যদি নির্বাচন বানচাল বা জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ণ করে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে না।

ভরাডুবি জেনেই বিএনপি নির্বাচন প্রতিহতের চেষ্টায়: তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে ভরাডুবি হবে জেনেই বিএনপি নির্বাচন প্রতিহত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, বিএনপি যেভাবে নিষিদ্ধ সংগঠনের মতো গুপ্তস্থান থেকে গাড়ি পোড়ানোর নির্দেশ দিচ্ছে, মানুষের ওপর হামলা চালাচ্ছে, এরপর তো মানুষের কাছে যাওয়ার কোনো সুযোগ তাদের নাই।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালে নির্বাচন প্রতিহত করার চেষ্টা হয়েছিল। নির্বাচন প্রতিহত করে গণতন্ত্রের যাত্রাকে প্রতিহত করতে চেয়েছিল বিএনপি, কিন্তু পারে নাই।