কুমিল্লার মৃৎশিল্প : লাখ লাখ টাকার পণ্য সরবরাহ করা যায়নি, ক্ষতির মুখে কারিগররা
লুৎফুর রহমান:
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের ভয়াবহ থাবায় লকডাউনের কারণে কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্পের সংকটময় পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। বাংলার কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে নিপুণ হাতে ফুটিয়ে তোলা মৃৎশিল্পের এ কারিগরেরা পরিবার-পরিজন নিয়ে এখন দারুণ বিপাকে পড়েছেন। কঠিন অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করছেন তারা।
করোনার প্রভাবে বাংলা নববর্ষে বৈশাখী মেলা বন্ধ থাকায় লাখ লাখ টাকার রকমারি মৃৎপণ্য তৈরি করে সেগুলো রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করতে না পেরে সীমাহীন ক্ষতির মুখে পড়েছেন মৃৎশিল্পের সঙ্গে জড়িতরা। মৃৎশিল্পের মালিক, কারিগর (কুমার) ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলে তাদের এমন দুরবস্থার কথা জানা গেছে।
সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর এলাকায় ১৯৬১ সালের ২৭ এপ্রিল মৃৎশিল্পের সঙ্গে জড়িতদের নিয়ে গঠিত ‘বিজয়পুর রুদ্রপাল সমবায় সমিতি’ যাত্রা শুরু করে এবং সেই থেকে এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কুমিল্লার মৃৎশিল্পের সুনাম দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী প্রতিষ্ঠানটি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছিল। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্থিক সহযোগিতায় বিজয়পুর মৃৎশিল্পটি ঘুরে দাঁড়ায়। বর্তমানে সদর দক্ষিণ উপজেলাà¦