জাতীয় কবির স্মৃতিময় কুমিল্লা শহর
স্টাফ রিপোর্টারঃ
দীঘির নাম- রাণীর দীঘি। বেশ বড় দীঘি। এর অবস্থান কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের পাশে। এ দীঘির এক কোণে বসে কবি নজরুল কবিতা লিখতেন, গান গাইতেন, করতেন কবিতা পাঠ কিংবা লিখতেন প্রিয়তমাকে প্রেমের চিঠি। ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থীরা গান বা কবিতা শুনতে কবির কাছে ভিড় জমাতেন। আড্ডা জমতো রোজ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। তারপর একদিন কবি হারিয়ে গেলেন। কিন্তু রয়ে গেছে সেই দীঘি, কলেজ, আর সেই আড্ডায় বসে লেখা গান ও কবিতা।
শুধু দীঘিরপাড় নয়, কুমিল্লা শহরের অনেক স্থানেই ছড়িয়ে আছে নজরুলের নানা স্মৃতি। এ সব স্মৃতি হাতড়াতেই একদিন কুমিল্লা শহরে হাজির হই। সঙ্গে ছিলেন অগ্রজ প্রভাষক মতিন সৈকত।
প্রথমেই আসি ভিক্টোরিয়া কলেজের পাশে রাণীর দীঘিরপাড়। এ দীঘির পশ্চিম-দক্ষিণ কোণেই আড্ডা জমাতেন নজরুল।
১৯২১ সালের এপ্রিলে নজরুল কুমিল্লায় প্রথম আসেন। ছিলেন ১৯২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। কারো মতে, ১৯২৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ছিলেন। এ সময়ে নজরুল পাঁচবার কুমিল্লায় আসা-যাওয়া করেছেন। থেকেছেন গড়ে ১১ মাস। কুমিল্লায় থাকাকালীন নজরুল এ দীঘিরপাড়ে অনেক সময় কাটিয়েছেন। ‘মাধবী লতা দোলে…’সহ আরও অনেক গান রচনা করেছেন এখানে বসেই। কবির স্মৃতি ধরে রাখতে এখানে একটি স্মৃতিফলক স্থাপন করা হয়েছে।
দীঘিরপাড় থেকে রিকশায় আসি শিল্পকলা একাডেমি। এখানেও আছে চেতনায় নজরুল নামের ভাস্কর্য। সেখান থেকে হেঁটে এলাম বীরচন্দ্র গণপাঠাগার ও নগর মিলনায়তনে। মহারাজ বীরচন্দ্র মানিক্য বাহাদুর ১৮৮৫ সালে এ পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন। এ পাঠাগারের মাঠে ১৯২২ সালে মার্চে গান্ধীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে নজরুলের নেতৃত্বে জনসভা ও মিছিল বের করা হয়।
বীরচন্দ্র পাঠাগার থেকে আমরা আসি কান্দিরপাড় নজরুল অ্যাভিনিউতে। এ অ্যাভিনিউতে ছিল ইন্দ্র কুমার সেনগুপ্তের বাসা। নজরুল কুমিল্লায় এলে এ বাড়িতে উঠতেন। এখানে থাকাকালে ইন্দ্র কুমার সেনের ভাতৃজায়া গিরিবালা দেবীর একমাত্র কন্যা আশালতা সেনগুপ্তা ওরà¦