নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে রোহিঙ্গারা
ডেস্ক রিপোর্টঃ
টেকনাফে হত্যা, মাদকপাচার, ডাকাতি, জমি দখল, মানবপাচারসহ দিন দিন নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে রোহিঙ্গারা। এতে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে টেকনাফবাসী। সরকার মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দিলেও রোহিঙ্গারা তার মূল্য দিচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
নতুন ও পুরনো মিলে অন্তত ১২ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে টেকনাফ ও উখিয়ায়। দিন যত যাচ্ছে ততই স্থায়ী বাসিন্দারা তাদের জীবনযাত্রা এবং জীবিকায় রোহিঙ্গাদের চাপ অনুভূত করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রোহিঙ্গাদের কারণে তাদের বেকার সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। স্বল্প মজুরিতে কাজ করায় রোহিঙ্গাদের বেশি কাজে নেয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, অনুপ্রবেশের ৪ মাসের মাথায় রোহিঙ্গারা খুন, ডাকাতি, ইয়াবা ও মানবপাচার, হামলা এবং বনভূমি দখলসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। এছাড়া রোহিঙ্গা বসতিতেই নিজেদের মধ্যে মারামারিসহ পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ প্রশাসনকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত করা হলেও তাদের সালিশের কাজও করতে হচ্ছে। এরইমধ্যে রোহিঙ্গাদের হাতে হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশের একজন এসআই। ছুরিকাঘাত করে ও কুপিয়ে খুন করা হয়েছে টেকনাফের লেদা এবং রামুর খুনিয়াপালং এলাকার দুই যুবককে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নজরে রাখতে কুতুপালং ক্যাম্পে ৫টি ক্যাম্পের পুলিশ সদস্যরাও রোহিঙ্গাদের সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে। রোহিঙ্গাদের কারণে এরইমধ্যে উখিয়া-টেকনাফে উজাড় হয়েছে বনভূমি, ধ্বংস হয়েছে বন্যহাতির আবাস ও বিচরণক্ষেত্র। এছাড়া লাখ লাখ মানুষের বর্জ্য বিষিয়ে তুলছে এলাকার পরিবেশ।
জানা যায়, চলতি বছরের ৬ মাসে রোহিঙ্গা ইয়াবা পাচার করতে গিয়ে ৯ রোহিঙ্গা সদস্য গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গত দুই মাস