প্রস্তুত তারেক রহমান!
নিউজ ডেস্ক: রাজনীতিতে টিকে থাকতে কৌশল পাল্টেছেন তারেক রহমান। এখন আর স্বেচ্ছা নির্বাসিত জীবনকে পরাজিত মনে হচ্ছে তার। তাই ঝুঁকি থাকলেও দেশে ফিরে ধরতে চাইছেন উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া রাজনীতির হাল। এজন্য প্রয়োজনে জেলে যেতেও প্রস্তুত আছেন বিএনপির এই সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাসহ বেশ কয়েকটি মানহানি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি আছে তারেকের নামে। প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শিবিরে তাকে বিদেশ থেকে দেশে আনার জোর দাবিও উঠেছে। তাই দেশে ফিরলে বা ফিরিয়ে আনা হলে তার কারাবাস একপ্রকার নির্ধারিতই বলা যায়।
এমন পরিস্থিতিতে অদূর ভবিষ্যতে তাকে দেশে দেখা যাবে না বলেই মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া গিয়েছিলো। কিন্তু পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সেই অবস্থান থেকে এখন ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেছেন তারেক। প্রবাস জীবন ছেড়ে তাই দেশের আলো হাওয়ায় ফিরে রাজনীতিতে সক্রিয়া ভূমিকা নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তিনি।
দলীয় সূত্র বলছে, বিএনপির আসন্ন জাতীয় কাউন্সিল নির্বাচনকেই দেশে ফেরার প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছেন তারেক রহমান। আগামী ১৯ মার্চ অনুষ্ঠেয় কাউন্সিলে একটি শক্তিশালী ও কার্যকর কমিটি গঠন করে সেই কমিটিতে ভর করেই দেশে ফিরবেন তিনি।
এজন্য এরইমধ্যে ছাত্রদলে ৭৩৬ সদস্যের বিশাল কমিটি গঠন করা হয়েছে। আর সব অঙ্গ ও সহযোগী দল, এমনকি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিও এমন বিশাল কলেবরেই হবে। সব কমিটিতেই তারেক রহমানের প্রতি অনুগতদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে একাধিক দলীয় সূত্র।
সূত্রমতে, আসন্ন কাউন্সিলে গঠিত শক্তিশালী কমিটি সারাদেশে কার্যকর আন্দোলন গড়ে তুলবে। সেই আন্দোলনে বিভিন্নভাবে জনগণকে সম্পৃক্ত করে দেওয়া হবে দুর্বার রূপ। আর ওই দুর্বার আন্দোলনেরই একটা পর্যায়ে দেশে ফিরবেন বিএনপির তরুণ প্রজন্মের আইকন হয়ে ওঠা তারেক রহমান।
এরইমধ্যে লন্ডনে তার ঘনিষ্ঠ লোকজনের কাছে দেশে ফেরার অভিপ্রায়ও ব্যক্ত করেছেন বিএনপির ভবিষ্যত কর্ণধার তারেক। এতোদিন গ্রেফতার এড়াতে দেশের বাইরে থাকলেও এখন তিনি বলছেন, রাজনীতি করি। জেল তো খাটতেই হবে।
তার বক্তব্যের স্বপক্ষে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জেলখাটা রাজনীতিকদের গল্প উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরছেন তারেক।
আর তাকে অভয় দিয়ে তরুণ নেতৃত্ব বলছে, ক্ষমতাসীনরা যদি আম