,

“সে আমি তুমি” সংগঠন ফেলে চলে গেলেন কবি ফখরুল হুদা হেলাল

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
April 23, 2022
news-image

 

এস এন ইউসুফ :
কবি ফখরুল হুদা হেলাল বৃহত্তর কুমিল্লার কৃতিসন্তান। বাংলাদেশের অন্যতম স্বনামধন্য“নগরকবি”। ফখরুল হুদা হেলাল একাধারে কবি সংগঠক এবং নাট্যকর্মীও ছিলেন। সকল কিছু সাঙ্গ করে গতকাল রমজান মাসের পবিত্র দিনে চলে গেলেন আর কোনদিন ফিরবেন না। আর কোন দিন কুমিল্লা শহরের অলিগলি চষে বেড়াবেন না। হেলাল ভাই চলে গেলেন(ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)।

কবি ফখরুল হুদা হেলাল ভাইয়ের জন্ম ১৯৫৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর। চাঁদপুরের মতলব উপজেলার একলাছপুর গ্রামে মামাবাড়িতে, তবে তিনি মূলত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। কুমিল্লা কালেক্টারিয়েট এর হেড ক্লার্ক। তিন ভাই ও দুই বোনের সুন্দর সংসার ছিলো তাদের।অগ্রজ ভাই মাইনুল হুদা দুলাল একসময়ের তুখোর ছাত্রনেতা ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হারিয়ে যাওয়া সাপ্তাহিক “মাতৃভূমি” পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। উনার আরেক অনুজপ্রতীম ভাই আমার শ্রদ্ধাভাজন প্রিয় মানুষ কুমিল্লার সংস্কৃতিক অঙ্গনের আরো এক উজ্জ্বল নক্ষত্র “সচেতন নাগরিক কমিটি”(সনাক) এর প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ভরাট কন্ঠের বাচনশিল্পী বদরুল হুদা জেনু।

কবি ফখরুল হুদা হেলাল ভাই সম্পর্কে সময় জার্নালে প্রবীর বিকাশ সরকারের লেখাটি থেকে জানা যায়। কবি ফখরুল হুদা হেলালের উঠে আসা মূলত মঞ্চনাটক ও থিয়েটারের অভিনয় দিয়ে। ষাটের দশকের অসহযোগ আন্দোলনের সময় কুমিল্লা বীরচন্দ্রনগর মিলনায়তনের বঙ্গমঞ্চে “পাহাড়ীফুল” নামের নাটকে আমাদের দেশের প্রথমসারির অভিনয় শিল্পী আনোয়ারা ও নার্গিসের সঙ্গে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসিত হয়ে ছিলেন। ওই সময় তিনি নিজেও শিশু-কিশোরদের জন্য “মনিমালা” নামের নাটক লিখে তখন ব্যাপক ভাবে আলোড়ন তুলেছিলেন বলে শুনেছি। কাব্যজগতে তার পদচারণ শুরু হয় ১৯৭২ সালে। পরবর্তীতে ১৯৭৪ সালের মে মাসে তিনি অসামান্য একটি কাজ সম্পাদন করেন কুমিল্লায় যা ছিলো স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম কবি সম্মেলন তা অনুষ্ঠিত হয় কুমিল্লায়।