,

আসলে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বলতে কিছু নেই

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
February 14, 2016

শফিক রেহমান। প্রখ্যাত সাংবাদিক ও উপস্থাপক। সাংবাদিকতার খ্যাতিতে আড়ালে চলে যায় তার চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট
পরিচয়। বহুমাত্রায় খ্যাতিমান শফিক রেহমান বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবসের প্রচলক হিসেবেও পরিচিত। তার সম্পাদিত যায়যায়দিন পত্রিকাটি এ দিবসটি জনপ্রিয় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিজ বাসায় মানবজমিনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে শফিক রেহমান কথা বলেছেন ভালোবাসার আদ্যshafik_rehmanপান্ত নিয়ে।
১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত লন্ডনে নির্বাসিত থাকার সময় ভালোবাসা দিবস উদযাপন হতে দেখেছেন শফিক রেহমান। তিনি জানান, যদিও আশির দশকের তুলনায় নব্বইয়ের দশকে এটা খুব বেশি উদযাপন হওয়া শুরু হয়। তবে সেটা বাণিজ্যিক কারণে। তবুও স্বামী-স্ত্রী, প্রেমিক-প্রেমিকা এটা সাদরে গ্রহণ করেন। সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে বা ভালোবাসা দিবস শুধু সীমাবদ্ধ ছিল প্রেমিক-প্রেমিকা এবং তরুণ-তরুণীদের মধ্যে। শফিক রেহমান বলেন, নির্বাসন থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসার পর মনে হলো এটা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। কারণ, এখানে ভালোবাসার বাণী আছে। তবে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে করা যাবে না। কারণ, ছোটবেলায় আমরা এটাও লক্ষ্য করেছি এপ্রিল ফুল ডে করতে গেলে বলা হতো এটা খ্রিষ্টানদের জিনিস, মুসলিমবিরোধী। ভয় ছিল আমি কোনো কিছু করতে গেলে আমার বিরুদ্ধে প্রচার হতে পারে আমি ইসলামবিরোধী। সেজন্য সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে নামটা কেটে দিয়ে শুধু ভালোবাসার দিন হিসেবে নাম দিয়েছি। পরবর্তীতে দেখলাম এটা ভালোবাসা দিবস হিসেবে পালন করা শুরু হলো। বাঙালি সবকিছুতে আন্তর্জাতিকতা পছন্দ করে বলে এটাকে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বলা শুরু হলো। আমরা বিশ্বখ্যাতি পাওয়ার জন্য কাঙাল। আসলে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বলতে কিছু নেই।
শফিক রেহমান বলেন, আমার পরবর্তী পদক্ষেপ ছিল এটা শুধু স্বামী-স্ত্রী, প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। ভাই-বোন, পিতা-মাতা-সন্তানদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। আমি বলছি, এই দিনে মায়ের à