All posts by jitu

বন্ধ হচ্ছে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারের সেই ইউটার্ন

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে সিমেন্টবাহী লরিচাপায় একই পরিবারের চারজন নিহতের ঘটনায় হানিফ পরিবহনসহ লরির অজ্ঞাতনামা চালকদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

আজ শনিবার (২৩ আগস্ট) সেনাবাহিনী, হাইওয়ে পুলিশ এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের সমন্বিত মতামতের ভিত্তিতে পদুয়ারবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সামনে ইউটার্ন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত সদর দক্ষিণ উপজেলার দয়াপুর ইউটার্ন থেকে সব গাড়ি ঘুরে আসতে হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পদুয়ার বাজার এলাকার ইউটার্নটি ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। এ স্থানটিতে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনায় ঝরছে প্রাণ। আহত হচ্ছেন অনেকে। এ স্থানটিতেই চলতি বছরের ৮ মাসে অন্তত ১৭টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রাণ হারিছেন ২০ জন। আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক। সবশেষ শুক্রবার (২২ আগস্ট) দুপুরে একই স্থানে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় লরিচাপায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজন নিহত হন।

স্থানীয় এক বাসিন্দা জানায়, পদুয়ার বাজার বিশরোড এলাকার ‘ইউটার্নে’ প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে পাশের হোটেল নূরজাহানে খাবার খেয়ে বিভিন্ন পরিবহনের চালকরা উল্টোপথে এসে ইউটার্ন অতিক্রম করেন। এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা এবং হতাহতের ঘটনা ঘটে।

কুমিল্লার ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আনিসুর রহমান জানান, শুক্রবার দুপুরে পদুয়ার বাজার ইউটার্নে চলন্ত লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেটকারে চাপা দিলে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। এ ঘটনায় নিহত ওমর আলীর ভাই আবুল কালাম বাদী হয়ে উল্টো পথে আসা হানিফ পরিবহন এবং লরির চালকসহ অন্যান্য অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছেন। সদর দক্ষিণ থানায় এ মামলাটি করা হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আদনান বিন হাসান জানান, পদুয়ার বাজার ইউটার্ন এলাকাটি সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, হাইওয়ে পুলিশ এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা পরিদর্শন করে বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রোববার (২৪ আগস্ট) সড়ক ও যোগাযোগবিষয়ক একটি সমন্বিত সভা রয়েছে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে। সেখান থেকে সমন্বিতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আপাতত এ ইউটার্নটি বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার দুপুরে হানিফ পরিবহনের একটি বাস উল্টোপথে এসে ইউটার্ন অতিক্রম করছিল। এ সময় ঢাকামুখী সিমেন্টবাহী লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইউটার্নে চলমান প্রাইভেটকার এবং একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে প্রাইভেটকারে থাকা চারজন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং অটোরিকশার তিন যাত্রী আহত হন।

দাউদকান্দিতে মামুন হত্যা মামলার ২ আসামি গ্রেপ্তার

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে আলোচিত মামুন সম্রাট হত্যা মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত ভোররাত ৪টার দিকে উপজেলার গোয়ালমারী ইউনিয়নের দক্ষিণ নছরুদ্দি গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ শনিবার দুপুরে তাদের কুমিল্লা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার দুরজনী মহল (আবদুল্লা মোড়, মল্লিক বাড়ি) গ্রামের মো. জাহিদ হোসেনের ছেলে মো. নাঈম হোসেন (৩০) ও দাউদকান্দি উপজেলার গোয়ালমারী ইউনিয়নের দক্ষিণ নছরুদ্দি (প্রধান বাড়ি) গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে মো. রমজান (৩০)।

এদিকে মো. নাঈম হোসেন বর্তমানে পৌর এলাকার পশ্চিত মাইজপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন। দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. সামছুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানান, মামুন সম্রাটকে উপজেলার গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডে (মোড়ে) পূর্বশত্রুতার জের ধরে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় মামুনের স্ত্রী হাজেরা বেগম দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুনায়েত চৌধুরী জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মো. নাঈম হোসেন ও মো. রমজান নামের দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডে (মোড়ে) দুর্বৃত্তরা মামুন সম্রাটকে কুপিয়ে হত্যা করে।

কুমিল্লায় লরির নিচে চাপা পড়ে একই পরিবারের ৪ জন নিহতের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ারবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সামনে ইউটার্নে লরির নিচে চাপা পড়ে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহত ওমর আলীর ভাই আবুল কালাম বাদী হয়ে হানিফ পরিবহন ও লরির অজ্ঞাতনামা চালকদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

নিহতরা হলেন- বরুড়া উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের মোহাম্মদ ওমর আলী (৮০), তার স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৬৫), বড় ছেলে আবুল হাশেম (৫০) এবং ছোট ছেলে আবুল কাশেম (৪৫)। প্রাইভেটকারটি চালাচ্ছিলেন আবুল হাশেম। একই ঘটনায় লরির সামনের অংশে চাপা পড়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশার তিন যাত্রী আহত হন।

ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আনিসুর রহমান জানায়, নিহত ওমর আলীর ভাই আবুল কালাম বাদী হয়ে হানিফ পরিবহনের একটি বাস ও লরির চালকসহ অন্যান্য অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ থানায় মামলা করেছেন।

তিনি আরও জানায়, ঘটনার পর সেনাবাহিনী, হাইওয়ে পুলিশ এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেন দুর্ঘটনাস্থল। সমন্বিত মতামতের ভিত্তিতে পদুয়ারবাজার ইউটার্নটি আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এখন থেকে সদর দক্ষিণ উপজেলার দয়াপুর ইউটার্ন থেকে সব যানবাহন ঘুরে আসতে হবে।

সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আদনান বিন হাসান জানায়, ইউটার্নটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। আগামী রোববার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সড়ক ও যোগাযোগ বিষয়ক সমন্বিত সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সদস্য ও একাধিক মামলার আসামি সোহাগকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সন্ধ্যায় দাউদকান্দি পৌর বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ শনিবার সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন দাউদকান্দি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সামছুল আলম প্রধান।

মো. সোহাগ (৩৪) দাউদকান্দি পৌরসদরের তুজারভাঙ্গা কেডিসি এলাকার মন্টু মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সোহাগের ইন্ধনে সক্রিয় হয়ে ওঠে ডাকাতচক্রের সদস্যরা। তার নেতৃত্বে মহাসড়কে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি সময়ে ডাকাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে খুঁজতে শুরু করে পুলিশ। তবে সোহাগ আত্মগোপনে ছিল। সবশেষ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কুমিল্লা, চাঁদপুর ও মুন্সীগঞ্জ জেলায় অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে।

দাউদকান্দি মডেল থানার পরিদর্শক মো. সামছুল আলম প্রধান জানায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সোহাগের নেতৃত্বে নিয়মিত চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইয়ের মতো অনেক অপকর্ম হতো। আমরা অনেকদিন ধরে তাকে ধরার চেষ্টা করছিলাম। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কুমিল্লায় ডিবি পরিচয়ে বাস থামিয়ে ৩৫ লাখ টাকা লুট, গ্রেপ্তার মূলহোতা

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ৩৫ লাখ টাকা লুটের মূলহোতা সোলাইমানকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৩।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাতে রাজধানীর তুরাগের দলিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‍্যাব-৩ এর সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনদ বড়ুয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানায়, গত বছরের ৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তোফায়েল আহম্মেদ (৫৫) নামে এক ব্যক্তি গাড়ি ও জমি বিক্রির নগদ ৩৫ লাখ টাকা নিয়ে ঢাকার টিকাটুলি থেকে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। এশিয়া এয়ারকন পরিবহনের বাসটি দাউদকান্দি উপজেলার শহীদনগর এলাকায় পৌঁছালে একটি মাইক্রোবাস বাসটির গতিরোধ করে।

পরে ২-৩ জন ব্যক্তি ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে বাসে উঠে তোফায়েলকে হাতকড়া পরায় এবং জোর করে নামিয়ে আনে। এক পর্যায়ে তারা তার টাকা ভর্তি ব্যাগ ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত ঢাকার দিকে পালিয়ে যায়।

র‍্যাবের এই কর্মকর্তা আরও জানায়, ঘটনার পরদিন দাউদকান্দি থানায় একটি মামলা রুজু হয়।

এ মামলায় এর আগেই র‌্যাব-৩ রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে ইমরান হোসেন শাওন (২৯) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে তার দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোলাইমানের নাম উঠে আসে।

গ্রেপ্তার সোলাইমান মাদারীপুরের কালকিনি থানার সাহেব রামপুর গ্রামের কালাম ব্যাপারীর ছেলে। তিনি ঘটনার সময় ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটির চালক ছিলেন।

র‌্যাব-৩ এর এই কর্মকর্তা জানান, সোলাইমানকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দস্যুতার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার কথা নিশ্চিত হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

ভন্ড রাজার বাগের আস্তানা, কালীর বাজারে হবে না, জুম্মার নামাজ শেষে বিভিন্ন মসজিদে এমন স্লোগান দেন মুসল্লীরা

এইচ. এম. তামীম আহাম্মেদ:

ভন্ড রাজার বাগের আস্তানা, কালীর বাজারে হবে  না, জুম্মার নামাজ শেষে ২২ আগস্ট শুক্রবার কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার কালীর বাজার ইউনিয়নের বিভিন্ন  মসজিদে এমন স্লোগান দেন মুসল্লীরা।

জানা গেছে, তাঁরা দীর্ঘদিন যাবৎ একটি ভিন্ন আকিদার প্রতিষ্ঠান বন্ধে   আন্দোলন করছেন।  এতে বিশাল ধর্মপানজনগোষ্ঠী এক থাকলেও পেরে উঠছেন না  সেই  অসাধু চক্রের সাথে৷  তারা নানাভাবে কয়েকবার মিটিংয়ের মাধ্যমে সেই সমালোচিত প্রতিষ্ঠানের  কমিটির সাথে কথা বলে বুঝানোর চেস্ট করলেও ব্যার্থ হন।

তথ্য বলে, কালীর বাজার ইউনিয়নের ধনুয়াখলা পূর্ব পারায় অবস্থিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র সংলগ্ন সমালোচিত ভন্ড আকিদার রাজারবাগ শরীফের আঁকড়া  নির্মানাধীন মোহাম্মাদিয়া জামিয়া শরীফ এতিমখানা নামের একটি ভবনের কাজ চলমান।

দীর্ঘদিন যাবক কালীর বাজার ইউপির সকল গড়নার  উলামায়ে কেরাম কয়েকধাপে বিভিন্নভাবে মাদ্রাসার কমিটিকে রাজারবাগ ভন্ড- এ আকিদার প্রতিষ্ঠান হলে উম্মাহের ঈমান ধ্বংস হবে বলে বুঝাতে চেয়েছেন।  কিন্তু তাঁরা উলামায়ে কেরামকে বৃদ্ধাআঙ্গুল দেখিয়ে তাদের কাজ চলমান রাখছেন৷ এ নিয়ে উলামায়ে কেরাম এ ভন্ড আকিদার প্রতিষ্ঠান বন্ধে জেলা ডিসি, এসপি,ইউএনও এবং  ইউপি চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন

কুমিল্লা দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মিছিল নিয়ে যোগ দেন ডাঃ নোবেল সমর্থিত নেতাকর্মীরা

স্টাফ রিপোর্টার:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নগরীর অনুষ্ঠানে মিছিল নিয়ে এসে যোগ দেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ডাঃ গোলাম কাদের চৌধুরী নোবেল সমর্থিত চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিঃ যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান, সিঃ সদস্য জি. আর শামীম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ ওয়াসিম, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জালাল আহমেদ,চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আমির হোসেন, সোহরাব হোসেন, ধনুসাড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কাজী রাশেদ, উজিরপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কবির হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ইমরান হোসেন, শুভপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আহসান হাবীব জিয়া, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ শহীদ আলী,চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ রহিম, সাবেক ছাত্রনেতা জামাল হোসেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোঃ মানিক মিয়া প্রমুখ।

কুমিল্লা নগরীতে অসহায়দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ: অনন্যা ও অনিকের মানবিক উদ্যোগ

হাবিবুর রহমান মুন্না:

মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন কুমিল্লা নগরীর ৮ নং ওয়ার্ডের ঠাকুরপাড়ার দুই সমাজসেবক জাফরিন হক অনন্যা ও জাহিদুল হক অনিক।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) বিকেলে তারা তাদের নিজ বাড়ি ঠাকুরপাড়ায় এলাকার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন।

এই আয়োজন সম্পূর্ণভাবে তাদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে বাস্তবায়িত হয়েছে, যা স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে।

এই উদ্যোগের আওতায় শতাধিক অসহায়, দুস্থ ও কর্মহীন মানুষের মাঝে বিভিন্ন প্রকার নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ছিল চাল, ডাল, আটা, তেল,চিনি,লবণ,সাবান ও অন্যান্য স্যানিটারি সামগ্রী।

প্রতিটি পরিবারের জন্য একটি করে প্যাকেট তৈরি করা হয়, যাতে তাদের কয়েক দিনের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব হয়। এই সহযোগিতা অনেক পরিবারকে সাময়িক স্বস্তি দিয়েছে, বিশেষ করে বর্তমান সময়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে যারা বেশ কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।

জাফরিন হক অনন্যা বলেন, “সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের কর্তব্য। আমরা চাই, যারা সামর্থ্যবান, তারা যেন নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসেন। মানুষ মানুষের জন্য—এই বিশ্বাস থেকেই আমাদের এই পথচলা।”

জাহিদুল হক অনিক বলেন,”বর্তমান কঠিন সময়ে দরিদ্র মানুষের জীবন অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। আমরা চেষ্টা করেছি তাদের পাশে দাঁড়াতে। আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস যদি কারো মুখে হাসি ফোটায়, সেটাই হবে আমাদের সবচেয়ে বড় সার্থকতা। ভবিষ্যতেও আমরা এ ধরনের মানবিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে চাই।”

খাদ্য বিতরণের আগে আয়োজিত হয় একটি সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা। এতে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য হাফসা জাহান,কুমিল্লা মহানগরের যুগ্ম সমন্বয়কারী ফারহা এমদাদ, সদস্য মোজাহিদুল ইসলাম, শাহিদা আক্তার সুমি, জুলাই আহত তানভীর আহমেদ, নারী উদেক্তা ও সংগঠক মোহসেনা আক্তার সহএলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, তরুণ ও সমাজসেবীরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় তারা এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী, মানবিক এবং অনুকরণীয় বলে মন্তব্য করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. মোখলেছুর রহমান বলেন,”আমরা গর্বিত, আমাদের ওয়ার্ডে এমন কিছু তরুণ সমাজসেবক আছেন, যারা নিজেদের উদ্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। এটা সমাজের জন্য বড় উদাহরণ।”

একজন নারী উপকারভোগী কামরুন নাহার জানান, “আমার পরিবারে উপার্জন করার মতো কেউ নেই। এই সহায়তা আমাদের জন্য আশীর্বাদ। আল্লাহ যেন তাদের উত্তম প্রতিদান দেন।”

অনন্যা ও অনিক জানিয়েছেন, তাদের এই মানবিক উদ্যোগ এককালীন নয়। ভবিষ্যতে তারা চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা করছেন। তারা আশাবাদী, সমাজের সচেতন মানুষদের সক্রিয় অংশগ্রহণ পেলে তারা আরও বৃহৎ পরিসরে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারবেন।

কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডে দুর্ঘটনায় মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার যানজট

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় কাভার্ড ভ্যান ও প্রাইভেটকার দুর্ঘটনার ৪ ঘণ্টা পার হলেও দুর্ঘটনাকবলিত লরিটি এখনো মহাসড়ক থেকে সরানো হয়নি। এতে মহাসড়কের দুই অংশে প্রায় ২০ কিলোমিটারের মতো তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দূরপাল্লার যানবাহনের যাত্রী ও চালকরা।

আজ শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, দুর্ঘটনার পর হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ তৎপরতায় উদ্ধার কাজ শুরু হলেও চার ঘণ্টায়ও সেই লরিটি মহাসড়ক থেকে সরানো যায়নি। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিকেল সোয়া ৪টার দিকে দুটি ক্রেন ঘটনাস্থলে আনা হয়েছে। লরিটি সরাতে না পেরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উভয় লেনে প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাস্থলে থাকা ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশের উপপরিদর্শক আনিসুর রহমান জানান, হাইওয়ে পুলিশের কম ধারণ ক্ষমতার ক্রেন আছে। লরিটি বেশি ওজনের হওয়ায় উদ্ধার কাজ চালাতে বেশি ধারণ ক্ষমতার ক্রেন ভাড়া করে আনতে হয়েছে। যার কারণে উদ্ধার কাজ চালাতে বিলম্ব হচ্ছে। লরিটি মহাসড়ক থেকে সরাতে পারলে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে।

কুমিল্লায় কাভার্ডভ্যানের চাপায় একই পরিবারের ৪ জন নিহত

স্টাফ রিপোর্টার:

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় এক পরিবারের চারজন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) দুপুরে সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী বাস ইউটার্ন নিয়ে উল্টো পথে ঢাকামুখী লেনে প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিমেন্টবোঝাই লরি বাসটিকে পাশ কাটাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। লরিটি তখন পাশেই থাকা একটি প্রাইভেটকার ও একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দেয়।

দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকারের চালকসহ চার যাত্রী নিহত হন। নিহতরা হলেন কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের মো. ওমর আলী (৮০), তার স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৬৫), বড় ছেলে আবুল হাশেম (৫০) এবং আরেক ছেলে আবুল কাশেম (৪৫)। নিহত আবুল হাশেমই প্রাইভেটকারটি চালাচ্ছিলেন।

এছাড়াও সিএনজিতে থাকা তিনজন যাত্রী গুরুতর আহত হন। তাদেরকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ময়নামতি হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “নিহতদের সবাই একই পরিবারের সদস্য। দুর্ঘটনার পর মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে।”