All posts by jitu

ঈদে কুমিল্লায় আল-আরাফাহ এক্সপ্রেসের অসম্ভব ভাড়া বৃদ্ধি : টিকিটের দাম বেড়ে ১২০০ থেকে ১৮০০ টাকা!

 

স্টাফ রিপোর্টার:
ঈদে কুমিল্লা থেকে উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীদের জন্য দুঃসংবাদ বয়ে এনেছে  আল-আরাফাহ এক্সপ্রেস  পরিবহন।

আজ বৃহস্পতিবার  ১২০০ টাকার টিকিট  ১৮০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। সেনাবাহিনীর টহল দল বিষয়টি নজরে নিয়ে  প্রতিরোধ করার জন্য কাজ করছে ।

যাত্রীরা মনে করেন, এভাবে হঠাৎ করে টিকিটের দাম বাড়ানো শুধু অমানবিকই নয়, বরং এটি তাদের যাত্রী সেবার নৈতিকতার বিরুদ্ধেও যায়। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের যাত্রীরা, যারা রোজার মধ্যে কষ্ট করে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করছেন।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, এই ভাড়া বৃদ্ধির পেছনে উত্তরবঙ্গের বাস মালিকদের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছে। রমজানের পবিত্রতা উপেক্ষা করে তারা মুনাফার লোভে যাত্রীদের পকেট কাটছে, যা স্পষ্টতই অপরাধ।

সাধারণ জনগণ এই অমানবিক পরিস্থিতির অবসান চায়। সেনাবাহিনী ও পুলিশের পাশাপাশি সাংবাদিক এবং জেলা প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি বলে মনে করেন ।

এমপি পদ ফেরত চাইলেন হিরো আলম

ডেস্ক রিপোর্ট:

২০২০ সালে অনুষ্ঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ও বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে নতুন মেয়র হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে আদালতের রায়ে।

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম এই রায় দেন।

এ রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আশরাফুল হোসেন আলম (হিরো আলম) সংসদ সদস্য পদ ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তিনি নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে এ দাবি তুলে ধরে বলেন, “যেহেতু ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র ঘোষণা করা হয়েছে, তাই ঢাকা-১৭, বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য পদ ফিরিয়ে দেওয়া হোক। আমি এরই মধ্যে অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছি।”

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আরাফাতের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হিরো আলম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই নির্বাচনে আরাফাত ২৮ হাজার ৮১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে হিরো আলম পেয়েছিলেন ৫ হাজার ৬০৯ ভোট।

চৌদ্দগ্রামে বিএনপি’র বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সদস্য, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সেক্রেটারী সাজেদুর রহমান মোল্লা হিরণের উপর সাংগঠনিক সভায় হামলার প্রতিবাদে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার মুন্সীরহাট বাজারে এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র আহবায়ক, সদস্য সচিবের উপস্থিতিতে গত ২৪শে মার্চ চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সভায় প্রবেশের সময় হিরণ মোল্লার উপর আতর্কিত হামলা করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি কামরুর হুদার নেতাকর্মীরা।

এসময় হিরণ মোল্লা পাশের একটি মার্কেটে আশ্রয় নেয়। কিছুক্ষণ পরে উশৃঙ্খল নেতাকর্মীরা সেখানে গিয়ে হিরণ মোল্লার উপর হকিষ্টিক সহ দেশিয় বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আবারো হামলা করে।

দ্বিতীয়বারের আতর্কিত হামলায় হিরণ মোল্লা মাথায় ও পায়ে গুরুতর আঘাত পায়। এসময় হিরণ মোল্লাকে বাঁচাতে গিয়ে উপজেলা ছাত্রদল নেতা মো. সোহাগসহ অন্তত ১৫জন নেতাকর্মী আহত হয়। সাংগঠনিক সভায় এ হামলা ইতোমধ্যে সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। আমরা অবিলম্বে এ হামলার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সাংগঠনিক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

প্রতিবাদ মিছিল পরবর্তী সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র সাবেক প্রচার সম্পাদক মীর হোসেন মীরু, দপ্তর সম্পাদক কে এম শাহ আলম, উপজেলা বিএনপি’র সাবেক শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম, পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোস্তফা গোলাম অভি, মুন্সীরহাট ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সেক্রেটারী আব্দুল কাদের মোল্লা বাবলু, শুভপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, শুভপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. সোহাগ, শুভপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি নবির হোসেন, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা ইমরান মজুমদার, মুন্সীরহাট ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোঃ হিরন, কামাল মোল্লা, মিলন ভূঁইয়া প্রমুখ।

মুরাদনগরে ঘুষ ও চাঁদা দাবীর অভিযোগে ওসিসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা: পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ

মুরাদনগরে ঘুষ ও চাঁদা দাবীর অভিযোগে ওসিসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা: পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ঘুষ ও চাঁদা দাবীর অভিযোগে মুরাদনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লার আদালতে মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) দুপুরে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসায়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১১ নং আমলী আদালতে মো. মেহেদী হাসান নামে এক ইলেকট্রিশিয়ান বাদী হয়ে  মামলাটি দায়ে করেন।

আদালতের বিচারক মো. মোমিনুল হক মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী ১৯ মে এর মধ্যে পিবিআই কুমিল্লাকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

বাদি পক্ষের আইনজীবী মো. আব্দুর রাজ্জাক বৃস্পতিবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২৪ মার্চ ইলেকট্রিশিয়ান মেহেদী হাসানের ভাই সিএনজি চালক আবু কালামকে উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ নগরপাড় সিএনজি স্টেশন থেকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে তার ভাইকে  ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করলে ওসি জাহিদুর রহমান ১ লাখ টাকা ঘুষ দাবী করেন। এর আগে উল্লেখিত অন্য আসামীরাও তার কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি হাজির হয়ে কুমিল্লা সিনিয়র জুডিসায়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১১ নং আমলী আদালতে হাজির হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। আদালতের বিচারক মো. মোমিনুল হক মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী ১৯ মে এর মধ্যে পিবিআই কুমিল্লাকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ২৪ শে মার্চ রাতে সিএনজি চালক আবুল কালামকে পুলিশ মুরাদনগর থানায় ধরে নিয়ে আসলে তাকে ছাড়ানো জন্য সেখানে যায় স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে সেখানে হট্টগোল তৈরি হয়।  ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ বাদী  এবং এক ছাত্র সমন্বয়ক বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। এর প্রতিবাদে মুরাদ নগরের কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় বুধবার অর্ধদিবস সকল পরিবহন বন্ধ কর্মসূচি ও পালন করা হয়।

তিতাসে যৌথ বাহিনীর অভিযান: শর্ট গান ও বুলেট উদ্ধার

 

স্টাফ রিপোর্টার:

দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টার অপরাধ মূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা কর্মসূচীর অংশ হিসেবে পরিচালিত অপারেশন ডেভিল হান্ট এর মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৭ মার্চ ভোররাতে যৌথ বাহিনী কর্তৃক তিতাস উপজেলার গোপালপুর এলাকায় আসলাম খানের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসী পালিয়ে যায়। সন্ত্রাসী মোঃ আসলাম খানের বাড়ি তল্লাশি করে ১ টি দেশীয় তৈরী শটগান ও ০৫ রাউন্ড শটগান এ্যামোঃ পাওয়া যায়।

পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও এ্যামোঃ তিতাস থানায় হস্তান্তর করা হয়।

যৌথবাহিনী সূত্র এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পাঁচথুবী ইউনিয়নে মনু মিয়া,আনুমিয়া, সাত্তার মিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশনের

পাঁচথুবী ইউনিয়নে মনু মিয়া,আনুমিয়া, সাত্তার মিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সেলাই মেশিন ও ঈদ সামগ্রী উপহার বিতরণ

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা সদরের ৫ নং পাঁচথুবী ইউনিয়নের মনু মিয়া,আনু মিয়া,সাত্তার মিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অসহায় পরিবারের সদস্যদের মাঝে সেলাই মেশিন ও ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সকালে টিক্কাচর ব্রিজ সংলগ্ন শালদর এলাকায় মাসুম ষ্টীল এন্ড ইলেকট্রনিক্সের সৌজন্যে এই মানবিক কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ বিতরণ অনুষ্ঠানের শুরুতেই দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা রুম্মান বিন হুসাইনী। পরে ৫ জনকে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। ছাড়া উপস্থিত নারী/পুরুষ সকলকে নগদ অর্থ ও ঈদ উপহার দেওয়া হয়।

৫ নং পাঁচথুবী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনু মিয়া, আনুমিয়া, সাত্তার মিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. মাসুদ করিম মাসুম সেলাই মেশিন বিতরণ কালে বলেন, ‘আমরা মানুষের কল্যাণে কাজ করি ১৯৯৫ সাল থেকে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো – সমাজের প্রতিটি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।’‘অসহায় নারী পুরুষদের দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থানের কথা চিন্তা করেই সেলাই মেশিন দেওয়ার কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।’

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন মনু মিয়া, আনু মিয়া,সাত্তার মিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোবারক হোসেন, মুক্তুল হোসেন সরদার, মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি তারিকুল ইসলাম লিটন, কুমিল্লা শিশু পার্ক কাফেলার জাহাঙ্গীর আলম, বিশিষ্ট সমাজসেবক রফিকুল ইসলাম, আবু তাহের,আব্দুল বারেক,নুরুল ইসলাম,কামাল হোসেন,চারু মিয়া,আবুল কাশেম, শাহা আলম, শাহাজাহান, আবদুর রশিদ, নজরুল ইসলাম, রুবেল আহমেদ, মমিন হোসেন, খোকন মিয়া, ৫ নং পাঁচথুবী ইউনিয়নের (৪,৫,৬)সংরক্ষিত আসনের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ইয়াসমিন আক্তার,(১.২,৩)সংরক্ষিত মহিলা আসনের মেম্বার রেখা আক্তার প্রমূখ।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ড্র মানতেই পারছে না ভারত

ডেস্ক রিপোর্ট:

ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ভারতের চেয়ে অনেক পিছিয়ে থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে বাংলাদেশই ছিল এগিয়ে। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১৮৫, আর ভারতের ১২৬। কিন্তু ৫৯ ধাপ পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশের বিপক্ষে ড্র করে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের হতাশা প্রকাশের শেষ নেই। বিশ্লেষক থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতীয় ভক্তরা তাদের দলের পারফরম্যান্সকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করছে। তবে, বাংলাদেশের দাপুটে খেলার প্রশংসা তাদের কথায় খুবই কম।

গত মঙ্গলবার শিলংয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ম্যাচে বাংলাদেশের মুখোমুখি হয় ভারত। ম্যাচের আগে ভারতীয় ভক্তরা র্যাঙ্কিং ও শক্তির দম্ভ দেখালেও মাঠে বাংলাদেশের সামনে তাদের দল নিষ্প্রভ হয়ে পড়ে। জনি ও ইমনের মতো খেলোয়াড়রা সহজ সুযোগ হাতছাড়া না করলে বাংলাদেশের কাছে ভারতের হারও হতে পারত।

জনসংখ্যা, আয়তন, বাজেট এবং অবকাঠামো—সব দিক থেকেই এগিয়ে থাকা ভারত এমন একটি ছোট প্রতিবেশির কাছে মাঠে হেরে যাওয়ার মুখ দেখায়, যা তাদের ভক্তরা মানতে পারছে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের ক্ষোভ স্পষ্ট। কোচ মানোলো মার্কুয়েজের কৌশল এবং দলের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে, বাংলাদেশের ভালো খেলাকে তারা স্বীকার করতে এখনও অনীহা দেখাচ্ছে। হামজা চৌধুরী ছাড়া বাংলাদেশের অন্য খেলোয়াড়দের তেমন গুরুত্বই দিচ্ছে না তারা।

বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেকেই হামজা চৌধুরী সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের সামনে ভারতীয় দল অসহায় মনে হয়। শেফিল্ড ইউনাইটেডের এই তারকাকে কেউই সহজে থামাতে পারেনি। তবে, বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নতি নিয়ে ভারতীয়দের মধ্যে কোনো ইতিবাচক আলোচনা দেখা যায়নি। তাদের বক্তব্য更像是—ভারত নিজের ভুলেই জিততে পারেনি, বাংলাদেশের কৃতিত্ব তেমন নেই।

তবে, বাংলাদেশ এসব সমালোচনা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে না। ক্রীড়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের বৈষম্যের শিকার বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ভারতবিরোধী অনুভূতি আগে থেকেই ছিল। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ভারতের মাটিতে বাংলাদেশের দাপুটে পারফরম্যান্স তাই দেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক অনন্য আনন্দ এনেছে। এখন ক্যাবরেরার দলের লক্ষ্য হলো এই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে আরও উন্নতি করা। বাংলাদেশের ফুটবল ভক্তরা সেই আশাই করছেন।

বঙ্গভবনে সেনাপ্রধানের ইমামতিতে নামাজ আদায়

ডেস্ক রিপোর্ট:

বঙ্গভবনে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের ইমামতিতে নামাজ আদায়

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান মাগরিবের নামাজে ইমামতি করেছেন। এ ঘটনার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

বুধবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আয়োজিত সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিলে এ ঘটনা ঘটে। ইফতারের পর বঙ্গভবন প্রাঙ্গণে স্থাপিত অস্থায়ী শেডে মাগরিবের নামাজ আদায় করা হয়। ছবিতে দেখা গেছে, সেনাপ্রধান ইমামের দায়িত্ব পালন করছেন, আর রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন তার পিছনে চেয়ারে বসে নামাজ আদায় করছেন।

এদিনের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধানসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।

স্বাধীনতা দিবসে তিন সহস্রাধিক মানুষের ইফতার

 

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার তিন সহস্রাধিক মানুষের সম্মানে আল খায়ের ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ইফতার মাহফিল করেছে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসন। বুধবার বিকেলে চৌদ্দগ্রাম এইচ জে মডেল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিল গত তিন দশকের মধ্যে ছিল সেরা আয়োজন।

ইফতার পূর্ব আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জামাল হোসেন।

দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন চৌদ্দগ্রাম নজমিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ একেএম সামছুদ্দিন। বক্তব্য রাখেন আল খায়ের ফাউন্ডেশনের বাংলাদেশ পরিচালক তারেক মাহমুদ।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম মীর হোসেন, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নুরুজ্জামান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসাণ কর্মকর্তা কৃষিবীদ মোঃ জোবায়ের হোসেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুরুল হুদা তালুকদার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাইদুর রহমান, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন ভুঁইয়া, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাহফুজুর রহমান, চৌদ্দগ্রাম বাজার পরিচালনা কমিটির সাবেক সেক্রেটারী খোরশেদ আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শাহ আলম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী বেলাল হোসাইন, পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক হারুন অর রশীদ মজুমদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম থানার পরিদর্শক তদন্ত গুলজার আলম, চৌদ্দগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজীসহ বিভিন্ন হাফেজিয়া এতিম খানা, মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক, রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবি, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। ব্যতিক্রর্মী এ আয়োজন প্রশাসনসহ সর্বত্র প্রশংসা কুড়িয়েছে।

সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের তৎপরতায়

সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের তৎপরতায় যানজটমুক্ত মহাসড়ক, লাখো মানুষের স্বস্থির ঈদযাত্রা

 

স্টাফ রিপোর্টার :

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের মধ্যবত্তি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় মহাসড়কের ৪৩ কিলোমিটার সড়কের অবস্থান। মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম অংশের একাধিক স্থানে যানজট ছিল নিয়মিত চিত্র। ঈদের সময়ে যানবাহনের চাপ বেশি থাকায় যানজট বেড়ে আরও দ্বিগুন আকার ধারন করে। সড়কের পাশে ফুটপাতে ভ্রাম্যমান হকার, সড়ক দখল করে আন্ত:জেলা বাস সার্ভিসগুলো দাড়ানোয় চৌদ্দগ্রাম বাজার অংশে যানজট ছিল অবিচ্ছেদ্দ অংশ। এর ফলে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নিয়ে মহাসড়কে চলমান যাত্রীদের নেতিবাচক ধারনা ছিল।

গত ২২শে মার্চ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে, চৌদ্দগ্রাম সেনাক্যাম্প, হাইওয়ে পুলিশ, চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের সার্বিক সহযোগীতায় মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজার অংশের ফুটপাত দখল উচ্ছেদ করা হয়। গত ২৩শে মার্চ থেকেই পাল্টে গেছে মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজার অংশের চিত্র। মহাসড়কের নিয়মিত যানজট এখন আর দেখাই যায় না। সেনাবাহিনীর তৎপরতার কারণে সড়কগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন যানচলাচল নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। সেনাবাহিনী এবং পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও যাত্রীদের জন্য সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার উন্নতি ঘটেছে, যার ফলে বাজার এলাকায় চরম ভোগান্তি লাঘব হয়েছে। ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের মধ্যবত্তি হিসেবে পরিচিত চৌদ্দগ্রাম উপজেলা যানজটমুক্ত হওয়ায় এর সুফল পাচ্ছে পুরো বাংলাদেশের ঈদযাত্রায় ঘরমুখো লক্ষ লক্ষ মানুষ। সংশ্লিষ্টদের আশা, এবারের ঈদযাত্রা হবে সবচেয়ে স্বস্থির।

২৬শে মার্চ সরেজমিনে চৌদ্দগ্রাম বাজারে দেখা যায়, যানবাহন চলাচলকে সুষ্ঠু এবং নিয়ন্ত্রিত রাখার জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্ট স্থাপন করেছে সেনাবাহিনী ও হাইওয়ে পুলিশ। এদের পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছে একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ২০ জন স্বেচ্ছাসেবক। সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে এসব টিমের সদস্যরা ট্রাফিক আইন মেনে চলতে সকলকে সচেতন করছে এবং যানজট মুক্ত সড়ক ব্যবস্থা বজায় রাখা হচ্ছে। এই ব্যবস্থার ফলে, স্থানীয় জনগণের মধ্যে প্রশান্তি এবং ঈদ যাত্রার পথে ঝুঁকি কমেছে। বিশেষ করে বাড়ি পৌঁছানোর পথে কোনো ধরনের দেরি বা যানজটের সম্মুখীন হচ্ছেন না, ফলে তারা আনন্দিত এবং উচ্ছ্বসিত।

উপজেলা সেনা ক্যাম্পের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের জানানো হয়, ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের নির্বিঘ্নে যাতায়াত, নিরাপত্তা এবং সড়কে চাঁদাবাজি প্রতিরোধে সেনাবাহিনী এই উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জামাল হোসেন জানান, মহাসড়কে লাখো মানুষের ঈদযাত্রায় কোনভাবে যাতে প্রতিবন্ধকতা না হয় আমরা সে বিষয়ে বদ্ধপরিকর। চৌদ্দগ্রাম বাজারের যানজট নিরসনে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। মহাসড়কের নির্দিষ্ট স্থানে আন্ত;জেলা সার্ভিস চলাচলে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সিএনজি, অটোরিক্সা, উল্টোপথে যানচলাচল একেবারেই নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। এসব তদারকির জন্য উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, হাইওয়ে পুলিশ, চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশসহ একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের টিম কাজ করছে।