All posts by jitu

কুমিল্লা শিশু পরিবারে পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা- ২০২৫ অনুষ্ঠিত

স্টাফ  রিপোর্টার:

কুমিল্লায় দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন ও ক্যাট’স হোম বিড়ালের বাড়ি’র আয়োজনে এতিম শিশুদের আনন্দ দিতে পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা- ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি)  সন্ধ্যায় সংরাইশ সরকারি শিশু পরিবারে পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জেড এম মিজানুর রহমান খান।

দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন, কুমিল্লা ও ক্যাট’স হোম বিড়ালের বাড়ি’র  প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন রনীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান, লাকসামের সাব-রেজিস্ট্রার মীর হোসেন, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, সংরাইশ সরকারি শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক শরফুন্নাহার মনি, সময় টিভির ইতালীর প্রতিনিধি মাকসুদ রহমানসহ আরো অনেকে।

নুসরাত জাহান শিবলীর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে  আরো  উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ  সম্পাদক বাহার রায়হান, যমুনা টেলিভিশনের কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী খোকন, বৈশাখী টেলিভিশনের কুমিল্লা প্রতিনিধি আনোয়ার হোসাইন, মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের কুমিল্লা প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল, টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন কুমিল্লার সাধারণ  সম্পাদক দেলোয়ার হোসাইন আকাইদ, ফরিদ গ্রুপের পরিচালক ইউসুফ লিটন, রোটারিয়ান মমিন আহম্মেদ রনি, ওয়াসিম উদ্দিন জাকির, ফারুক আহমেদ সোহেল, আনিছুল ইসলাম হাবিব, ডা. মোঃ আমিনুল ইসলাম, মারুফ সোহাগ, হামিদ সুমন, বাংলা টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি মোঃ আরিফুর রহমান মজুমদার, জাগরনী টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি আশিকুর রহমান আশিক, বিজয় টিভির দেবীদ্বার প্রতিনিধি ডাক্তার মোঃ এনামুল হক, এশিয়ান টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ,  দৈনিক ময়নামতির স্টাফ রিপোর্টার জুয়েল খন্দকার, ডেইলি বাংলাদেশ মিররের স্টাফ রিপোর্টার রাসেল সোহেল, দৈনিক পূর্বাশার স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান মুন্না,  বাংলা  ট্রিবিউনের কুমিল্লা প্রতিনিধি আবদুল্লাহ আল মারুফ, রোটাঃ রফিকুল ইসলাম রকি, ক্যাট’স হোম বিড়ালের বাড়ির সদস্য সচিব লাকী রহমান, সদস্য শায়লা শিলা, জাহানারা আক্তার নিশি, ক্যামেরাপার্সন সাকিব, আবদুস সালাম বাপ্পীসহ আরো অনেকে।

সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী দেওয়ান রাসেল, সাথী জাহান, আলো সাহা আলপনা, রাসেল মাহমুদ, আদিল, আয়েশা সিদ্দিকা সুমা, সঙ্গীতা দে ও শিশু পরিবারের শিল্পীবৃন্দ।

কুমিল্লা ক্লাবের কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে সদস্য পদে প্রার্থী ডা. রাসেল

 

স্টাফ রিপোর্টার:

আগামী ৩১ জানুয়ারী কুমিল্লা ক্লাবের কার্যকরী কমিটির নির্বাচন। এ নির্বাচনে ডা:  মো:  রাসেল আহমেদ   চৌধুরী সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন ।

তিনি কার্ডিয়াক এনেসথেশিয়া ও আইসিইউ’র কনসালটেন্ট। কুমিল্লা সদরের বারপাড়া এলাকার রোকেয়া স্পেশালাইজড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। কুমিল্লা ক্লিনিক ওনার্স এসোসিয়েশনের নির্বাহী সদস্য, কুমিল্লা মহানগর ড্যাবের যুগ্ম সম্পাদক এবং কুমিল্লা মহানগর বিপিএমপিএ’র সাধারণ সম্পাদক  হিসেবে ডা: রাসেল দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি জানান, এ নির্বাচনে  ভোটারদের সমর্থন ও দোয়া কামনা করছি। আশা করি সদস্যগণের ভোটে নির্বাচিত হলে সবাইকে সাথে নিয়ে কুমিল্লা ক্লাবের সামগ্রিক উন্নয়ন ও সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার জন্য কাজ করে যাবো।

কুমিল্লা জিলা স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

হাবিবুর রহমান মুন্না:
কুমিল্লা জিলা স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে কুমিল্লা জিলা স্কুল মাঠে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরষ্কার বিতরণ করেন বাংলাদেশ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।

কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল হাফিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন নওয়াব ফয়জুন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার।

কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। স্কাউটের সদস্য ডিসপ্লে প্রদর্শন করে। পরে মশাল প্রজ্জ্বলন করে পুরো মাঠ প্রদক্ষিণ করা হয়।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জিলা স্কুলের সহকারি প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নুরুল হক(দিবা), সহকারি প্রধান শিক্ষক সুদীপ্তা রাণী রায়(প্রভাতী), শিক্ষক হাসিনা আক্তার চৌধুরী, আব্দুল হালিম, আবুল কালাম আজাদ, নাজমুল হাসান, শ্যামল চন্দ্র, ওয়ালিউল্লাহ সরকার, সিনিয়র শিক্ষক জিয়াউল হক ও সিনিয়র শিক্ষক মাসুদুল হক । প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারিদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

বরুড়ায় আন্তঃস্কুল ও আন্তঃকলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

 

স্টাফ রিপোর্টার:

দেশব্যাপী উদযাপিত হচ্ছে তারুণ্যের উৎসব-২০২৫। “এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হয়েছে আন্তঃস্কুল ও আন্তঃকলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতা।

বুধবার (১৫জানুয়ারি) বরুড়ার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

উক্ত প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় বরুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।পরবর্তিতে চ্যাম্পিয়ন দল অংশগ্রহন করবে জেলা পর্যায়ের বিতর্ক প্রতিযোগিতায়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) জনাব নু এমং মারমা মং,অনুষ্ঠানে মডারেটর ও বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী নূর মোহাম্মদ শামীম, উপজেলা মৎস্য অফিসার সুরাইয়া জামান ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা নাজমুল হাসানসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

পরে চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্স আপ প্রতিযোগিদের পুরুষ্কার প্রদান করা হয় এবং চ্যাম্পিয়ন দলকে বিজয়ী ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণে শিশু নাবিলা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামির মৃত্যুদণ্ড

কুমিল্লা সদর দক্ষিণে শিশু নাবিলা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামির মৃত্যুদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার কুলিয়ারা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে চার বছরের শিশু নাবিলাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামি মেহরাজ হোসেন তুষারকে মৃত্যদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লা জেলা নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক নাজমুল হল শ্যামল এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত মেহরাজ একই গ্রামের আলী আশরাফের ছেলে।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মো শরীফুল ইসলাম জানান, ২০১৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর চকলেট দেওয়ার প্রালোভন দেখিয়ে নাবিলাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন প্রতিবেশী যুবক মেহেরাজ। তিনি পরে শিশুটির মরদেহ নির্মাণাধীন একটি বাড়ির কার্নিশে সিমেন্টের ব্যাগে লুকিয়ে রাখেন। সেদিন নাবিলাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে এলাকায় মাইকিং করেন তার পরিবারের সদস্যরা।

পরদিন সকালে নাবিলার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায় পুলিশ। এই ঘটনায় নাবিলার দাদা আবদুল আজীজ বাদী হয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় নাম না জানা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পুলিশী তদন্তের পর আসামি মেহরাজ হোসেন তুষারকে গ্রেপ্তার করে। দীর্ঘ শুনানির পর আজ নারী ও শিশু ট্র্যাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আসামি মেহরাজকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

নিহত নাবিলার মা হালিমা আক্তার বলেন, ‍“গত সাত বছর ধরে মেয়ে হত্যার বিচারের জন্য আমি আদালতে ঘুরেছি। অবশেষে আসামি মেহরাজের ফাঁসির আদেশ হয়েছে। আমি সন্তুষ্ট। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই রায় কার্যকর চাই।”

কুমিল্লা নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) বদিউল আলম সুজন জানান, ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। আসামি মেহরাজ জবানবন্দীতে নাবিলাকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। যে রায় হয়েছে এতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

মুরাদনগরে এক হাজার একর কৃষি জমির

মুরাদনগরে এক হাজার একর কৃষি জমির মাটি কেটে নিয়েছে ইটভাটায়!

মুরাদনগরে এক হাজার একর কৃষি জমির মাটি কেটে নিয়েছে ইটভাটায়!

মাহবুব আলম আরিফ, মুরাদনগর :

কুমিল্লার মুরাদনগরে গত দুই বছরে প্রশাসনের কোন প্রকার অনুমতি ছাড়াই প্রায় ১ হাজার একর কৃষি জমির মাটি কেটে নিয়ে গেছে উপজেলার ৫০টি ইটভাটায়। প্রশাসন এসব অবৈধ মাটি খেকোদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করলেও, কিছুতেই স্থায়ীভাবে বন্ধ করা যাচ্ছে না জমি থেকে মাটি কাটা। দিনে অথবা রাতে যখনই সুযোগ পাচ্ছে, তখনই ভেকু মেশিন (এস্কেভেটর) দিয়ে অবৈধ ট্রাক্টরের মাধ্যমে তিন ফসলি কৃষি জমি থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ইটভাটা গুলোতে।

মূলত, ইট তৈরির প্রধান উপাদান হচ্ছে মাটি। তবে উন্নত ইট তৈরির ক্ষেত্রে কৃষি জমির মাটির বিকল্প নেই। ফলে প্রতি বছর গড়ে এক একটি ইটভাটায় ৮০ লক্ষ ইট তৈরিতে ব্যবহার করা হয় প্রায় ১০ একর কৃষি জমির মাটি। সে হিসেবে প্রতি বছর ৫০টি ইটভাটায় ৪০ কোটি ইট তৈরির চাহিদা মেটাতে ব্যবহার হয় প্রায় ৫’শ একর কৃষি জমির মাটি।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ২ বছর আগে উপজেলার ২২টি ইউনিয়নে নদী-নালা খাল-বিল বাদে প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর চাষযোগ্য ফসলী জমি ছিলো। শ্রেণী ভেদে প্রায় সকল জমি গুলোতেই সারা বছর কোনো না কোনো ধরণের ফসল চাষ হয়। বিগত দুই বছরে অধিক মাত্রায় কৃষি জমি থেকে ইটভাটায় মাটি সংগ্রহ, অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে মাটি উত্তোলন ও বাড়ি নির্মাণ সহ বিভিন্ন কারণে প্রায় ১ হাজার হেক্টর কৃষি জমি এখন চাষের অযোগ্য হয়ে ডোবায় পরিণত হয়েছে। যা কৃষি অফিসের চলতি বছরের জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।

নবীপুর গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, স্থায়ীভাবে কৃষি জমি থেকে মাটি কাটা বন্ধ করতে পারে একমাত্র প্রশাসন। যেকোনো অফিসার আসার পরে প্রথম প্রথম কিছুদিন ভালোই অভিযান-টভিযান দেয় এবং কৃষি জমিগুলো থেকে পুরোপুরি মাটিকাটা বন্ধ থাকে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, কয়েকদিন যেতে না যেতেই আবার যেই লাউ সেই কদু। অভিযান দূরের কথা উপজেলা প্রশাসনের বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার পাওয়া যায় না। আমরা চাই, প্রশাসনের অভিযানগুলো যেন লোক দেখানো না হয়। এটি যেন সবসময় চলমান থাকে তাহলেই বন্ধ হতে পারে অবৈধ মাটিকাটা।

ছালিয়াকান্দি এলাকার কৃষক ছন্দু মিয়া বলেন, আমাদের গ্রামের আশেপাশের কোন একটি বিলের জমি এখন আর সুস্থ নাই। প্রত্যেকটা কৃষি জমি থাইক্কা বর্ষাকালে ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটে, আর শীতকালে ভেকু দিয়া। আমরা কেউ বাধা দিলে মাইর ধরের শিকার হইতে হয়। যারা মাটি কাটে তারা সবাই নেতা মানুষ। তাই তাদের বিরুদ্ধে কোন বিচারও হয় না। এইভাবে চলতে থাকলে কিছুদিন পর সুস্থ জমির অভাবে আমাদের কৃষি কাজ ছাইড়া দিতে হইবো।

কালাপাইলা গ্রামের বাসিন্দা কৃষক সামসু মিয়া বলেন, আমরা অনেক সময় জমির মাটি বিক্রি করতে না চাইলেও আমাদেরকে এক প্রকার বাধ্য করা হয় মাটি বিক্রি করতে। কারণ আশপাশের জমিগুলো থেকে মাটি কেটে নেয়ার ফলে যখন অনেক গভীর হয়ে যায়। তখন জমির মাটি সেই গর্তে ভেঙে পড়ার ভয়ে নামমাত্র মূল্যে মাটি বিক্রি করে দিতে হয়।

এদিকে মাটি কাটা সিন্ডিকেটের সদস্যরা বলছেন, আমরা কৃষকদেরকে ন্যায্য মূল্য দিয়েই তাদের জমির মাটি ক্রয় করে থাকি। কাউকে জোর জবরদস্তি ছাড়াই সব সেক্টর ম্যানেজ করে আমরা মাটি ক্রয়-বিক্রয়ের কাজ করে থাকি। অনেক অফিসার প্রথম প্রথম একটু নাখরামি করে। পরে আবার সব ঠিক হয়ে যায়।

মুরাদনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পাভেল খান পাপ্পু বলেন, কৃষি জমি রক্ষায় কোন বিশেষ আইন নেই। ফলে আমরা চাইলেও সরাসরি গিয়ে বাধা দিতে পারি না। আমরা সকল বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে লিখিতভাবে জানানোর চেষ্টা করি। আর উপজেলার অধিকাংশ কৃষকরাই জমি বর্গা-পত্তন নিয়ে চাষ করে। ফলে প্রকৃত মালিক কৃষক না হওয়ায় জমির মর্যাদা বোঝে না। নগদ টাকার লোভে তারা জমির মাটি বিক্রি করে দেয়। তাদের ধারণা জমির মাটি বিক্রি করলে তারা দুইভাবে লাভবান হচ্ছে। প্রথমত জমি বিক্রির সমমান টাকা চলে আসে মাটি বিক্রির ফলে এবং দ্বিতীয়তঃ ওই জায়গাটা তার নিজের রয়ে গেল। জমির মালিকদের এই ধারণার ফলে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে মাটি বিক্রি। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে মাটি কাটার বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। অন্যথায় এভাবে চলতে থাকলে আগামী ১০ বছর পর এ উপজেলায় চাষযোগ্য কৃষি জমির সংকটে পড়তে হবে কৃষকদের।

মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আবদুর রহমান বলেন, কৃষি জমি থেকে মাটি কাটা এটি একটি বড় অপরাধ। কারণ জমি থেকে মাটি কাটার ফলে সেই জমিটির শ্রেণী পরিবর্তন হয়ে যায়। আর প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোন জমির শ্রেণী পরিবর্তন করার সুযোগ নেই। কৃষি জমি রক্ষায় ইতিমধ্যেই এই উপজেলায় প্রচুর অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে। যেখান থেকেই অভিযোগ পাচ্ছি সেখানেই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অনেক সময় কাজের ব্যস্ততার কারণে আমরা চাইলেই প্রতিদিন অভিযান পরিচালনা করতে পারিনা। সেক্ষেত্রে জনগণের সচেতনতা খুব জরুরী। জনগণ সচেতন না হলে শুধুমাত্র অভিযান পরিচালনা করে মাটিকাটা বন্ধ করা সম্ভব না। শুধুমাত্র প্রশাসনের উপর নির্ভর করে না থেকে, সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে কৃষি জমি রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে।

কুমিল্লা ক্লাবের কার্যকরী কমিটির নির্বাচন

কুমিল্লা ক্লাবের কার্যকরী কমিটির নির্বাচন: কল্যাণ সম্পাদক পদে প্রার্থী বাবু

কুমিল্লা ক্লাবের কার্যকরী কমিটির নির্বাচন: কল্যাণ সম্পাদক পদে প্রার্থী বাবু

স্টাফ রিপোর্টার:

আগামী ৩১ জানুয়ারী কুমিল্লা ক্লাবের কার্যকরী কমিটির নির্বাচন। এ নির্বাচনে মাহাবুব আলম বাবু কল্যাণ সম্পাদক পদপ্রার্থী। তিনি কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি এবং দৈনিক পূর্বাশার নির্বাহী সম্পাদক।

তিনি জানান, আপনাদের কুমিল্লা ক্লাবের ভোটারদের সমর্থন ও দোয়া কামনা করছি। আশা করি সদস্যগণের ভোটে নির্বাচিত হলে সবাইকে সাথে নিয়ে কুমিল্লা ক্লাবের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাবো।

সংস্কার প্রতিবেদন থেকে হবে নতুন বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা

সংস্কার প্রতিবেদন থেকে হবে নতুন বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা

সংস্কার প্রতিবেদন থেকে হবে নতুন বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট:

চারটি সংস্কার কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, এই সংস্কার প্রতিবেদনের মাধ্যমে যা গঠন করা হবে, তার উদ্দেশ্য হলো গণঅভ্যুত্থানের একটি চার্টার তৈরি করা, যা হবে নতুন বাংলাদেশের একটি চার্টার। এটি মতৈক্যের ভিত্তিতে তৈরি হবে, নির্বাচন হবে, সবকিছুই হবে, কিন্তু এই চার্টার থেকে সরে যাওয়া যাবে না।

বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই প্রতিবেদনগুলো কমিশনের সদস্যরা জমা দেন। এরপর বৈঠকে বসেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বহু ধরনের কমিটি গঠিত হয়, প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, আনুষ্ঠানিকতা হয়, কিন্তু আজকের এই আনুষ্ঠানিকতা তাদের চেয়ে অনেক উচ্চতর। এটি ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে, কারণ এই কমিশনগুলো ইতিহাসের প্রবাহ থেকেই সৃষ্টি হয়েছে। একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতির পুনরুত্থান ঘটেছে, এটি ইতিহাসের সৃষ্টি, এবং আজকের এই অনুষ্ঠান তার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

তিনি আরও বলেন, আজ যে প্রতিবেদনগুলো আমরা হাতে নিয়েছি, এটি দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চর্চা। কেউ এর গুরুত্ব অস্বীকার করতে পারবে না। আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন নিয়ে কমিশনের মাধ্যমে কাঠামো তৈরির কাজ আপনাদের হাতে দিয়েছিলাম। এখনও সেই স্বপ্নের রূপরেখা তুলে ধরতে হবে। এটি শেষ নয়, একটি নতুন অধ্যায়ের শুরু হলো। এই প্রতিবেদনের মধ্য দিয়ে আমরা জানব, আমরা কী করতে চাই। এটি হবে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার জন্য একটি আলোচনার মূল উপাদান, এবং আমরা জানব, সবার মন এতে সায় দিচ্ছে কিনা।

ড. ইউনূস বলেন, এটি একটি স্বপ্ন, এবং সেই স্বপ্ন যদি মানুষের অংশ না হয়ে থাকে, তাহলে তা হতে পারে না। আমরা সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে স্বপ্নের বাস্তবায়ন দেখতে চাই, যা ভেতর থেকে উদ্ভূত হবে, বাইরের চাপের মাধ্যমে নয়।

তিনি বলেন, যে আলোচনাগুলি হবে, সেখানে কমিশনের সদস্যরাই নেতৃত্ব দেবেন, কারণ আপনারাই তাদের পক্ষ থেকে স্বপ্ন দেখেছেন। এই স্বপ্ন আমাদের একত্রিত করবে, এবং আমরা একটি গণঅভ্যুত্থানের চার্টার গঠন করতে চাই। নতুন বাংলাদেশের চার্টার মতৈক্যের ভিত্তিতে তৈরি হবে, এবং নির্বাচনসহ সবকিছু এই চার্টারের ভিত্তিতে হবে, তবে এই চার্টার থেকে সরে যাওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না। এটি হবে আমাদের জাতীয় কমিটমেন্ট, কোনো দলীয় কমিটমেন্ট নয়। আমরা আশা করি, সব দল এই চার্টারে সাইনআপ করবে।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, এটি একটি বাংলাদেশি, বাঙালি জাতির সনদ, যেটি আমাদের বুকে ধারণ করে আমরা এগিয়ে যাব। যত দ্রুত সম্ভব, যত বেশি সম্ভব এটিকে বাস্তবায়ন করতে হবে। ভবিষ্যতে যে নির্বাচন হবে, সেটিও এই চার্টারের ভিত্তিতে হবে। নির্বাচনও হবে ঐকমত্যের নির্বাচন, নাহলে চার্টার হারিয়ে যাবে। তাই এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুদার, দুদক সংস্কার কমিশনের প্রধান ইফতেখারুজ্জামান, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন এবং সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান আলী রীয়াজ প্রধান উপদেষ্টার হাতে প্রতিবেদন তুলে দেন। এসময় সংশ্লিষ্ট কমিশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এই প্রথম গোয়েন্দা জাহাজ

এই প্রথম গোয়েন্দা জাহাজ উন্মোচন করল ইরান

এই প্রথম গোয়েন্দা জাহাজ উন্মোচন করল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট:

এক হাজার নতুন অত্যাধুনিক ড্রোনের পর এবার ইরান উন্মোচন করল দেশের ইতিহাসে প্রথম গোয়েন্দা জাহাজ। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে জানানো হয়েছে, এই জাহাজটির নাম ‘জাগরোস’, যা নৌবাহিনীর যুদ্ধ কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে।

ইরানে নির্মিত এই অত্যাধুনিক জাহাজটি ইলেকট্রনিক সেন্সর, ইন্টারসেপ্টর এবং সাইবার ও গোয়েন্দা প্রযুক্তিতে সজ্জিত। নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি জানিয়েছেন, ‘জাগরোস’ নৌবাহিনীর চোখ হিসেবে গভীর সমুদ্র ও মহাসাগরে নজরদারি করবে।

এই গোয়েন্দা জাহাজটির উদ্বোধন এমন সময় হয়েছে, যখন ইরানের সেনাবাহিনী এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দেশব্যাপী বৃহৎ সামরিক মহড়া পরিচালনা করছে। এই মহড়া চলবে মার্চের মাঝামাঝি পর্যন্ত, যার মূল লক্ষ্য হলো নাতাঞ্জ, ফোর্দো ও খান্দাবের মতো গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

এদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণের পর থেকে এসব সামরিক মহড়া বিশ্বজুড়ে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র ২০১৫ সালের ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি থেকে বের হয়ে গিয়ে ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, যা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়। ২০২০ সালে ইরানের শীর্ষ রেভল্যুশনারি গার্ডস জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে ড্রোন হামলায় হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প, যা বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল।

বর্তমানে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার জন্য বিভিন্ন বিকল্প উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে ইরান সম্ভাব্য পরমাণু বোমা তৈরির চেষ্টা রুখে দেওয়া যায়।

তবে ইরান বরাবরই দাবি করে এসেছে যে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে এবং তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করার কোনো পরিকল্পনা রাখে না।

তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরান সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উৎপাদন বৃদ্ধি করেছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) বলছে, ইরান একমাত্র অ-পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ, যা ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে। গত কয়েক মাসে ইরান কয়েক হাজার নতুন সেন্ট্রিফিউজ স্থাপন করেছে।

এদিকে, এনবিসি নিউজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দাবি করেছেন, গত এক বছরে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের আঞ্চলিক অবস্থান কোনোভাবে দুর্বল হয়নি। তিনি আবারও দাবি করেছেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না এবং যারা এই ধারণা প্রকাশ করছেন, তাদের বক্তব্যকে তিনি ‘পূর্ব পরিকল্পিত অজুহাত তৈরির চেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছেন।

খুঁজে খুঁজে সবাইকে আইনের আওতায়

খুঁজে খুঁজে সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে: উপদেষ্টা

খুঁজে খুঁজে সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে: উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সংঘটিত অপরাধমূলক কার্যক্রম ও বিতর্কিত ভূমিকার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে আনসার ও ভিডিপি সদর দপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, “মতিউর, ছাগল মতিউরকে আজ ধরা হয়েছে। ধীরে ধীরে সবাইকে খুঁজে খুঁজে ধরা হবে।”

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও জানান, বিতর্কিত ভূমিকার জন্য কিছু পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এখনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং তাদের পদোন্নতি ও বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে নবীন পুলিশ সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, “যেসব পুলিশ সদস্য সরাসরি গুলি করেছেন বা বিতর্কিত ভূমিকা রেখেছেন, তাদের বিষয়ে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ চলছে। ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হচ্ছে। প্রতিদিনই কেউ না কেউ ধরা পড়ছেন। যেমন আজ মতিউরকে ধরা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “অনেক বিতর্কিত পুলিশ সদস্য, কনস্টেবল থেকে শুরু করে ডিসি পর্যন্ত, যাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, তাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। প্রমাণ মিললেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে কয়েকজন ধরা পড়েছেন। তবে ধরা পড়ার পরও এক ওসি পালিয়ে গেছেন।”

সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী কাজের প্রশংসা করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আপনারা পাশ্ববর্তী দেশের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে যথাযথ ভূমিকা রেখেছেন। তবে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা আরও বাড়াতে হবে। বিতর্কিত পুলিশ সদস্যদের কোনো তালিকা থাকলে তা পুলিশের সদর দপ্তরে জমা দিন।”

সর্বশেষ, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান যে অপরাধীদের তালিকা তৈরি এবং যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, “আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”