All posts by jitu

বিপিএলে এক বলে ১৫ রান

বিপিএলে এক বলে ১৫ রান, নতুন বিশ্বরেকর্ড

ডেস্ক রিপোর্ট:

খুলনা টাইগার্সের দেওয়া ২০৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেছে চিটাগাং কিংস। বড় লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে চিটাগাংয়ের দরকার ছিল দারুণ একটি শুরু। আর সেই শুরু এনে দিয়েছেন খুলনার বোলার ওশান থমাস। একের পর এক নো-বল ও ওয়াইডে তিনি এক বলেই দিয়েছিলেন ১৫ রান।

ইনিংসের প্রথম বলেই চিটাগাংয়ের ওপেনার নাইম ইসলাম আউট হলেও তিনি বেঁচে গিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত সেই বলেই উঠল ১৫ রান। এর ফলে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এক বলে সবচেয়ে বেশি রান করার নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়ল বিপিএল।

এর আগে এক বলে ১৩ রান নিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন ভারতের ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল। চলতি বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এমন কীর্তি করেছিলেন এই ভারতীয় ওপেনার। সেবার ৭ রান তিনি পেয়েছিলেন নো-বল থেকে এবং ১টি ছিল ছক্কা।

সালমানের সঙ্গে বিয়ের কার্ড ছাপানোর

সালমানের সঙ্গে বিয়ের কার্ড ছাপানোর কথা স্বীকার করলেন অভিনেত্রী সঙ্গীতা

সালমানের সঙ্গে বিয়ের কার্ড ছাপানোর কথা স্বীকার করলেন অভিনেত্রী সঙ্গীতা

ডেস্ক রিপোর্ট:

বলিউড সুপারস্টার সালমান খান সিনেমার পরেও সবচেয়ে বেশি আলোচনায় থাকেন তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে। এর মধ্যে অন্যতম হলো খুনের হুমকি এবং বিয়ের সম্পর্কের নানা গুঞ্জন। বহুদিন ধরে সালমানের সঙ্গে বিভিন্ন অভিনেত্রীর সম্পর্কের খবর শোনা যায়। কিছুদিন আগে, অভিনেত্রী সঙ্গীতা বিজলানির সঙ্গে পুরনো একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল।

সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এক সময় সালমান খানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল সঙ্গীতা বিজলানির। তাদের সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত পৌঁছালেও, শেষ পর্যন্ত তা ভেঙে যায়, যা নিয়ে অনেক আলোচনা ও সমালোচনা হয়। এরপর থেকে অনেকের মনে নানা প্রশ্ন উঠে। তবে দীর্ঘদিন পর সঙ্গীতা এবার নীরবতা ভেঙে মুখ খুললেন।

এখন শিগগিরই সঙ্গীতা ‘ইন্ডিয়ান আইডল ১৫’ শোয়ের একটি এপিসোডে দেখা দেবেন। শোয়ের একটি নতুন প্রোমো ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে তিনি সালমানের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছেন।

প্রশ্ন করা হয়েছিল, সালমানের সঙ্গে তার বিয়ের কার্ড ছাপানোর ব্যাপারে। সঙ্গীতা স্বীকার করেন, যা গুঞ্জন উঠেছে তা মিথ্যা নয়। এই উত্তরে শোয়ের বিচারক, সংগীতশিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল এবং বিশাল দাদলানি সহ সবাই চমকে যান।

দীর্ঘ সময় একে অপরকে ডেটিং করার পর, সালমান এবং সঙ্গীতা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং তাদের বিয়ের কার্ডও ছাপানো হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই বিয়ে ভেঙে যায়।

১৯৯৬ সালে সঙ্গীতা মহম্মদ আজহার উদ্দিনকে বিয়ে করেন এবং ২০১৯ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। তবে এখনো তাদের মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে।

এছাড়া সালমানের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে সঙ্গীতা বলেন, কিছু সম্পর্ক ও বন্ধুত্ব চিরকাল থাকে। মানুষ আসবে এবং চলে যাবে, কিন্তু জীবনে কিছুই স্থায়ী নয়। এর মানে এই নয় যে, কোনো তিক্ততা রাখা উচিত। ওই সময়ে হয়তো তিনি কিছুটা শিশুসুলভ ছিলেন, যার জন্য এমন ঘটনা ঘটেছিল।

যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে আরও

যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে আরও ২৫০ কোটি ডলার সাহায্যের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে আরও ২৫০ কোটি ডলার সাহায্যের ঘোষণা

ডেস্ক রিপোর্ট:

যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে আরও ২৫০ কোটি মার্কিন ডলারের সামরিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) এই সহায়তার ঘোষণা দেন বলে এপি নিউজ জানিয়েছে।

বাইডেন বলেন, তার প্রশাসন ইউক্রেনে সামরিক সহায়তার এই বিশাল প্যাকেজ পাঠাবে। নতুনভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। তার আগে ইউক্রেনকে সহায়তা পাঠানোর জন্য বাইডেন প্রশাসন দ্রুত উদ্যোগ নিয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিংকেন এক বিবৃতিতে জানান, এই সহায়তার মধ্যে রয়েছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন প্রতিরোধক অস্ত্র, উচ্চ সঞ্চারণশীল আর্টিলারি রকেট ব্যবস্থার সামগ্রী, ট্যাংক বিধ্বংসী অস্ত্র এবং কামানের গোলাবারুদ।

এপি জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার তিন সপ্তাহ আগে এই সহায়তার ঘোষণা দেওয়া হলো। তবে, ইউক্রেনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের এই সহায়তার ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্প ইতোমধ্যে প্রশ্ন তুলেছেন, যা ইউক্রেনীয় নেতাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তারা আশঙ্কা করছেন, ট্রাম্পের প্রশাসনের অধীনে এই সহায়তা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

একই দিনে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, রুশ বাহিনী দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে একাধিক লক্ষ্যবস্তুকে আক্রমণ করে ২১টি ড্রোন ছোঁড়ে, যা ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী ভূপাতিত করেছে। রাশিয়া মোট ৪৩টি ড্রোন ছুঁড়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। চেরনিহিভ, নিপ্রোপেট্রোভস্ক, দোনেৎস্ক, খারকিভ, ওডেসা এবং পলতাভা অঞ্চলে ড্রোন ভূপাতিত করার কথা জানিয়েছে ইউক্রেন।

ওডেসার গভর্নর ওলেফ কিপার জানান, ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে পাঁচটি বাসভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে কেউ আহত হয়নি।

এদিকে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বেলগরোদ অঞ্চলে একটি ড্রোন প্রতিহত করেছে তারা। কুরস্কের আঞ্চলিক কর্মকর্তারা বলেন, সোমবার সকালে রুশ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইউক্রেনের একটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।

নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিতে

নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিতে কমিশন বদ্ধপরিকর: কুমিল্লায় সিইসি

নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিতে কমিশন বদ্ধপরিকর: কুমিল্লায় সিইসি

স্টাফ রিপোর্টার:

নির্বাচন কমিশন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য একটি জাতীয় নির্বাচন করার জন্য বদ্ধপরিকর। জাতির প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে কমিশন। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নয়, বরং জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখেই নির্বাচন কমিশন তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন।

মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লার জেলা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সিইসি এসব কথা বলেন। ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ শুরুর প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করতে এই সভার আয়োজন করা হয়।

কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় কুমিল্লা, নোয়াখালী, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ফেনী এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ভোটার তালিকা হালনাগাদের প্রস্তুতিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এর আগে, সকাল সাড়ে ৯টায় সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিন কুমিল্লার সার্কিট হাউসে পৌঁছান।

মতবিনিময় সভা শেষে, বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত সিইসি কুমিল্লার ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ময়নামতি শালবন বিহার ও ময়নামতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন। বুধবার তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে কুমিল্লা ত্যাগ করবেন বলে জানানো হয়েছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মুনীর হোসাইন খান।

দেশের সীমানা রক্ষায় প্রয়োজনে জীবন দেবে

দেশের সীমানা রক্ষায় প্রয়োজনে জীবন দেবে, ‘এক ইঞ্চি মাটি’ হাতছাড়া করবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট:

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নবীন সৈনিকদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, দেশের সীমানা রক্ষায় তোমরা প্রয়োজনে জীবন দেবে, তবু দেশের এক ইঞ্চি মাটি হাতছাড়া হতে দেবে না। সীমান্তে প্রতিপক্ষের কাছে কোনো অবস্থাতেই পিঠ প্রদর্শন করবে না।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বায়তুল ইজ্জতে অবস্থিত বিজিবির ঐতিহ্যবাহী প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার ও কলেজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

নবীন সৈনিকদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সীমান্তে প্রতিপক্ষের কাছে কোনো অবস্থাতেই পিঠ প্রদর্শন না করার জন্য আমি তোমাদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। দেশ মাতৃকার রক্ষায় তোমরা প্রয়োজনে জীবন দেবে, তবু দেশের এক ইঞ্চি মাটি হাতছাড়া হতে দেবে না।বিজিবির নবীনদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, সীমানা রক্ষায় প্রয়োজনে জীবন দেবে, ‘এক ইঞ্চি মাটি’ হাতছাড়া করবে নাতিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করতে চাই যে, তোমরা আমাদের হতাশ ও নিরাশ করবে না। জেনে রাখবা, তোমাদের দেওয়া নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাই দেশের মানুষের নির্বিঘ্ন ঘুম নিশ্চিত করবে। তোমরাই হবে আমাদের সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক।

তিনি আরও বলেন, ‘সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী’ হিসেবে সুপরিচিত এ বাহিনী বাংলাদেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত সুরক্ষা এবং সীমান্ত ভূমি ও সম্পদের নিরাপত্তা বিধানের মহান দায়িত্ব অত্যন্ত দৃঢ়তা ও সফলতার সঙ্গে পালন করে আসছে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সৈনিকরা আজ তোমরা যে তেজোদ্দীপ্ত কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করেছো তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। এটা সম্ভব হয়েছে কেবল তোমাদের কঠোর প্রশিক্ষণ, নিরলস প্রচেষ্টা, আন্তরিকতা ও অদম্য আগ্রহের জন্য। মনে রাখবা, বৃহত্তর কর্মজীবনে কাজের ব্যাপ্তি ও পরিধি আরও বিস্তৃত হবে। তোমরা যখন সীমান্তে নিয়োজিত থাকবে তখন তোমাদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাগত দক্ষতার ওপরই নির্ভর করবে এ বাহিনীর ভাবমূর্তি ও গৌরব।বিজিবির নবীনদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, সীমানা রক্ষায় প্রয়োজনে জীবন দেবে, ‘এক ইঞ্চি মাটি’ হাতছাড়া করবে নাএসময় অনুষ্ঠানে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১০২তম রিক্রুট ব্যাচের মৌলিক প্রশিক্ষণ গত ৩০ জুলাই বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজে (বিজিটিসিঅ্যান্ডসি) শুরু হয়। প্রশিক্ষণ ভেন্যুতে সর্বমোট ৬৯৫ জন রিক্রুটের মধ্যে ৬৪৯ জন পুরুষ এবং ৪৬ জন নারী রিক্রুট মৌলিক প্রশিক্ষণ সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছে।

দীর্ঘ ২৩ সপ্তাহের অত্যন্ত কঠোর ও কষ্টসাধ্য এ প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করে আজ আনুষ্ঠানিক শপথগ্রহণ ও সমাপনী কুচকাওয়াজের মাধ্যমে তাদের সৈনিক জীবনের সূচনা হলো।

শেখ হাসিনা ডিজিটাল সিকিউরিটি

শেখ হাসিনা ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন পাশ করে সংবিধান বদলে দিয়েছে : চৌদ্দগ্রামে ফরহাদ মজহার

 

স্টাফ রিপোর্টার: 

প্রখ্যাত কবি, গবেষক ও দার্শনিক ফরহাদ মজহার বলেন জনগণই সকল ক্ষমতার অধিকারী, জনগণ সম্মতি ছাড়া কেউ শাসক হিসেবে দাবী করতে পারে না এবং জণগণের অনুমতি ছাড়া কোন আইন পাশ হতে পারে না। এটাকেই বলে জনগণের স্বার্বভৌমত্ব। জনগণ যদি নিজের মধ্যে আলোচনা করে একটা সিন্ধান্তে আসতে পারে, আমাদের সকলের জন্য এটা একটা কল্যাণকর হবে। শেখ হাছিনা ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন পাশ করেছে, সংবিধান বদলে দিয়েছে। সবকিছু বদলে দিয়ে তিনি রাষ্ট্রের নামে করেছেন। তবে তিনি রাষ্ট্রের নামে এটা করতে পারেন? উত্তর হচ্ছে না। যদি গণ সার্বভৌমত্ব থাকে তাহলে এটা তিনি করতে পারেন না। জনগণের সাথে পরামর্শ করে কাজ করতে হবে।

ড. ইউনুছ সাহেবগণ অভূত্থানের পর উনি ক্ষমতায় এসেছেন। এখন তিনি অনেকগুলো কমিশন গঠন করেছেন। এই যে কমিশনের লোকরা উপরে বসে বসে বাংলাদেশের বিভিন্ন সংস্কারের প্রস্তাবনা করতেছে। এটা কি হলো? উত্তরে হলো না।

আপনাদের(জনগণ) জিজ্ঞেস করছিল? চৌদ্দগ্রাম উপজেলার হিসেবে কি সমস্যা, কুমিল্লা জেলা হিসেবে কি সমস্যা। এনিয়ে তো জনগণের সাথে কোন আলোচনায় বসেন নাই, কোন পদ্ধতিও শুরু করেন নাই। গণ সার্বভৌমত্ব আর রাষ্ট্র সার্বভৌমত্ব আকাশ পাতাল তফাৎ।

তিনি সোমবার কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঘোলপাশা ইউনিয়নের বিলকিছ আলম পাঠাগারের উদ্যোগে আয়োজিত “গণঅভ্যুত্থান পরবতী সমাজ গঠন ও বই পড়া প্রয়োজনীয়তায় আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে এসব কথা বলেন।

কবি ও সাহিত্যিক ইমরান মাহফুজের সঞ্চালনায় কোমাল্লা ইবতেদায়ী স্বতন্ত্র মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা প্রধান মাওলানা মোহাম্মদ নুরুল আলম খানের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন মেজর জেনারেল (অব) অধ্যাপক এইচ আর হারুন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রহমত উল্যাহ,  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক সাহাব উদ্দিন, বাংলাদেশ ব্যাংকার্স সোসাইটির সভাপতি আগা আজাদ চৌধুরী, কবি, গবেষক ও সাংবাদিক ড. কাজল রশীদ শাহীন, বানানের সম্পাদক মোহাম্মদ রোমেল, সম্পাদক ও শিশু সাহিত্যিক মামুন সারওয়ার, লেখক ও সাংবাদিক আবিদ আজম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মীর হোসেন, চৌদ্দগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, ফেনী সিটি কলেজের প্রভাষক এয়াছিন পাটোয়ারী, কবি আমজাদ হোসেন, আবৃত্তি ছড়াকার জয়নাল আবেদীন জয়।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ধনুসাড়া ফাযিল ডিগ্রী মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা নিজাম উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক নান্টু দেবনাথ প্রমুখ।

কুমিল্লায় গ্রাফিতির উপর লেখা

কুমিল্লায় গ্রাফিতির উপর লেখা ‘জয় বাংলা’ মুছে দিলো ছাএদল নেতারা

কুমিল্লায় গ্রাফিতির উপর লেখা ‘জয় বাংলা’ মুছে দিলো ছাএদল নেতারা

স্টাফ রিপোর্টার:

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্যদিয়ে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এ আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা। সে সময় অসংখ্য হতাহতের ঘটনা ঘটে। আর এসব হতাহতের ঘটনার স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রং-তুলি দিয়ে কুমিল্লা মহানগরের বিভিন্ন দেয়ালে ও বিভিন্ন স্থাপনার দেয়ালে ছবি, গ্রাফিতি ও লেখনিতে তুলে ধরে ছাত্র-জনতা।

রাতের আধারে সেই গ্রাফিতির উপর কে বা কারা ‘জয় বাংলা’ লেখেন। রাতের আধারে গ্রাফিতির উপর লেখা ‘জয় বাংলা’ লেখা মুছে দিলেন কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিক সেলিম রুবেল ছাত্রদলসহ বিএনপির অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

রাতের মধ্যে ‘জয় বাংলা’ লেখাগুলো স্প্রে পেইন্ট ব্যবহার করে মুছে দেয় কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদল।

এসময় মহানগর ছাত্রদলের ১০নং ওয়াডের সদস্য সচিব মোঃ মহসিন, ১০নং ওয়াডের আহবায়ক আতিকুল ইসলাম,২নং ওয়ার্ডের সদস্য সচিব ইফরান আলম, ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য সচিব ফুয়াদুজ্জামান ফাহিম সহ বিএনপির অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনিবার্ণ-কুমিল্লা জিলা স্কুল

অনিবার্ণ-কুমিল্লা জিলা স্কুল ২০২৫ ব্যাচের বিদায় উপলক্ষে জমকালো আয়োজন

অনিবার্ণ-কুমিল্লা জিলা স্কুল ২০২৫ ব্যাচের বিদায় উপলক্ষে জমকালো আয়োজন

স্টাফ রিপোর্টার:

অনিবার্ণ-কুমিল্লা জিলা স্কুল ব্যাচ ২০২৫ এর বিদায় উপলক্ষে জমকালো আয়োজন করা হয়। আয়োজনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল- শিক্ষকদের সম্মাননা ক্রেস্ট, উপহার, শিল্পীদের অংশগ্রহণে কনসার্ট সন্ধ্যা এবং আলোচনা সভা।

২৭ ডিসেম্বর কুমিল্লা জিলা স্কুল মাঠে দিনব্যাপি এ আয়োজন করা হয়।

বিদায় অনুষ্ঠানে কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাফিজের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবাব ফয়জুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার। আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জিলা স্কুলের সহকারি প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নুরুল হক(দিবা), সহকারি প্রধান শিক্ষক সুদীপ্তা রাণী রায়(প্রভাতী), শিক্ষক হাসিনা আক্তার চৌধুরী, আব্দুল হালিম, আবুল কালাম আজাদ, নাজমুল হাসান, শ্যামল চন্দ্র, ওয়ালিউল্লাহ সরকার। এছাড়া শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিবা শাখার সিনিয়র শিক্ষক জিয়াউল হক ও প্রভাতি শাখার সিনিয়র শিক্ষক মাসুদুল হক । উপস্থিত অতিথিসহ সকল শিক্ষককে সম্মাননা ক্রেস্ট ও উপহার প্রদান করা হয়।

বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটিতে ছিলেন ২৫-তম ব্যাচের শাহরিয়ার আহম্মেদ সোহান, আব্দুল্লাহ আল নাঈম, যাবের আল জাহিন, এহসানুল হক সামির, আশিকুর রহমান আলিফ, ইফতেখার আহমেদ হৃদয়, রওদিফ দেওয়ান রাহাত, মোঃ মোনতাসির করিম প্রমুখ।

বিদায় অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিলেন দৈনিক আজকের কুমিল্লা, ডেইলি বাংলাদেশ মিরর ও চ্যানেল বাংলাদেশ। সহযোগিতায় ছিলেন এনটিটি, ক্যাফে রেইনড্রপ, ব্রেক দা ফিয়ার, ড্রেসিং রুম ২.০।

কনসার্ট সন্ধ্যায় গান পরিবেশন করে বিদায় অনুষ্ঠানকে আরো পুলকিত ও মনোমুগ্ধকর করে তুলেন জনপ্রিয় তরুণ শিল্পী মাজহারুল মিকাত, সোহান আলী, ডিজে আলফাজ এবং ইলেভেনথ আওয়ার ব্যান্ড।

মিয়ানমার সরকার ও আরাকান

মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে : উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট:

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফট্যানেন্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের সীমান্ত ঘেঁষা মিয়ানমারের আরাকান রাজ্য এখন বিদ্রোহী গোষ্ঠী নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় দেশটির বিপ্লবী গোষ্ঠীর পাশাপাশি জান্তা সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে বাংলাদেশ।

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে সীমান্ত ঘুরে টেকনাফের দমদমিয়া নাফ নদে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন জেটি ঘাটে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে আরাকান আর্মির। ফলে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে উভয়পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হচ্ছে বাংলাদেশের। উভয়পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগও রয়েছে।

বর্তমান সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য মন্তব্য করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে একজন গ্রহণযোগ্য ও বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি ড. খলিলুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি বিষয়টি সার্বক্ষণিকভাবে নজর রাখছেন। সীমান্ত এলাকায় আমাদের কোনো সমস্যা নেই। বিজিবিসহ সকল বাহিনীর সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। এখানে যেন আইনশৃঙ্খলা সবসময় স্বাভাবিক থাকে তার জন্য গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংঘাতের জের ধরে ৫০ থেকে ৬০ হাজার নতুন রোহিঙ্গা আমাদের দেশে অনুপ্রবেশের তথ্য স্বীকার করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নতুন আসা রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন হয়নি। তাদের নতুন করে নিবন্ধিত করা হবে কি হবে না তা নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত জরুরি। তা নিয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। নতুন অনুপ্রবেশ করা রোহিঙ্গারা মানবিক সমস্যায় পড়ে এসেছেন। অনেকেই এসেছেন গুরুতর আহত হয়ে। ফলে তাদের ফেরত পাঠানোও খুবই জটিল হয়ে পড়েছে। নতুন আসা রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন মাধ্যমে খাবারের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাচ্ছেন।

এর আগে তিনি দুপুরের হেলিকপ্টারযোগে টেকনাফের বিজিবি ২ নম্বর ব্যাটালিয়ন সদরে অবতরণ করেন। সেখানে বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ও পরিদর্শন শেষে তিনি দমদমিয়া নাফ নদীর মোহনায় যান। নাফনদীর মোহনায় দাঁড়িয়ে সীমান্তের ওপারে দেখেন এবং বিজিবিসহ বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানেই তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, টেকনাফ এবং টেকনাফের বদি মাদকের জন্য বিখ্যাত। এখানে মাদকের সমস্যা দীর্ঘদিনের। নাফনদীর বাংলাদেশের অংশের জালিয়ারদিয়া চরে কিছু অপরাধী ছিল। যারা দীর্ঘদিন ধরে মাদকপাচারের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করত। বর্তমান সরকার আসার পর চর থেকে তাদের বিতাড়িত করা হয়েছে। মাদক পর্যায়ক্রমে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। এর জন্য সীমান্তের সকল মানুষকে তথ্য প্রদান করে সহযোগিতার আহ্বান জানাই। মাদক নিয়ন্ত্রণে মসজিদের মাওলানাদের জুমার নামাজসহ বিভিন্ন সময় সচেতনতার প্রচারের অনুরোধও জানান তিনি।

নাফনদীতে মাছ ধরা ও গরু আমদানির করিডোর চালু বিষয়ে মিয়ানমারের পরিস্থিতির উপর নির্ভর করছে বলে জানিয়ে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন সময় গোলাগুলির শব্দ এপারে শোনা যায়। গোলা বারুদও এপারে এসে পড়ে। ফলে নাফনদীতে মাছ ধরা এখন নিরাপদ না। পরিস্থিতির উন্নত হলে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। গরু আমদানি বন্ধ থাকায় দেশের খামারিরা খুশি এবং পশু সংকটও নেই। পরিস্থিতির উন্নত হলে উভয়পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই করিডরের ব্যাপারে বলা যাবে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পরে বিজিবি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর টেকনাফের কয়েকটি সীমান্ত পয়েন্ট পরিদর্শন করে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান ছিদ্দিকী।

মুক্তমত: বৃহত্তর স্বার্থে দেশে

মুক্তমত: বৃহত্তর স্বার্থে দেশে “মহান সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব” প্রতিষ্ঠাই প্রয়োজন

মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান:

বর্তমান ২.০ সরকার কর্তৃক দেশে বিভিন্ন বিষয়ের সংস্কার নয় ( কেননা, “সংস্কার” বিষয়টির গন্ডি অতি ক্ষুদ্র, নগন্য, শ্রুতিমধুহীন), বরং; বৃহত্তর স্বার্থে দেশে “মহান সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব” প্রতিষ্ঠাই প্রয়োজন। যা অনেক ব্যাপক, বিস্তৃত ও শ্রুতিমধুর বিষয়। স্বাধীন বাংলাদেশের ৫২ বছরে শেখ হাসিনা রাজনৈতিক- সাংবিধানিক ক্ষেত্রে যত সংস্কার করেছেন (?) এ রেকর্ড আগামী হাজার বছরে কেউ ভাংতে পারবেনা। সংস্কারের এ অপ্রয়োজনীয় বিশাল রেকর্ড গড়ে ম্যাডাম নিজেও শেষ হলেন। শেখ মুজিবকেও শেষ করলেন। সংস্কারের ঠেলায় আওয়ামী লীগের ভবিষ্যতও আজ তুমুল অমানিশায় ঘেরা অবস্থায়। শেখ হাসিনা এ দেশে বহুল সমাদৃত তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করে সাংবিধানিক এককেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থার এ দেশে দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থার সংস্কার করেছেন(!!), সংস্কারের মাধ্যমে দিনের ভোট রাতে নেয়া চালু করেছিলেন। বিরোধীদল-ভোটার বিহীন নির্বাচন ব্যবস্থা আয়োজনের সংস্কার করেছিলেন। নিজ দল থেকে ডামি প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করানো নামীয় সবশেষ নজিরবিহীন সংস্কারটিও শেখ হাসিনা করেছেন। এ সবই ছিল “শেখ হাসিনার সংস্কার”। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ভারতে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিলে সেটাও সংস্কারের লেটেস্ট ভার্সন।…। মূলত বিগত ১ যুগ ধরে শেখ হাসিনার উন্নয়ন, উন্নয়ন এর স্লোগান আর বর্তমান ২.০ সরকারের বিভিন্ন বিষয়ের “সংস্কার” -খুবই ক্ষুদ্র ও নিম্নমানের ২টি স্লোগান সম্বলিত বিষয় বৈ কিছু নয় বলেই আমার মনে হয়- যদি না বর্তমান সরকার দেশে “মহান সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব” প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা না করে।

দেশের স্বার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতাকে অক্ষুণ্ণ রেখে সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত,গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক,শান্তিপূর্ণ রাজনীতির ১টি বাংলাদেশ গড়তে দেশে”মহান সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা” করা অপরিহার্য। ১৬/১২/১৯৭২ থেকে কার্যকর থাকা বর্তমান সংবিধান কাঠামোতে এ দেশে নির্বাহী বিভাগের প্রধান প্রধানমন্ত্রী তথা ১ ব্যক্তির শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠারই ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেখানে সংবিধানের [১] ৪৮(৩),৫৫(২),৭০ নং অনুচ্ছেদ সমুহ প্রত্যক্ষভাবে এবং ৫৬(৩),৫৭(২),৭২(৩),১১৯(১)(খ) অনুচ্ছেদ সমুহ পরোক্ষোভাবে এ বিষয়ে ভুমিকা রেখে আসছে। দেশে মহান “সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব” প্রতিষ্ঠাই হলো সব সংস্কারের জননী স্বরূপ। ১৬/১২/’৭২ থেকে ০৫/০৮/’২৪ পর্যন্ত দেশের কোন রাস্ট্রনায়কই দেশে মহান সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠার কাজটি করেনি একান্ত স্বার্থগত কারণে। ৩৬ জুলাই বর্তমান ২.০ স্বাধীন বাংলাদেশের সরকারের বিষয়টি বুঝতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। বুঝেও যদি যথাযথ ব্যবস্থা না নেয় তাহলে তা হবে শেখ হাসিনার উন্নয়ন, উন্নয়নের স্লোগানের ফানুশের বিপরীতে দুর্নীতি, গণতন্ত্র হত্যা, ক্ষমতা কুক্ষিগত করার লিপ্সার দুর্বিনীত আকাঙ্ক্ষার ন্যায় বর্তমান সরকারেরও সংস্কার, সংস্কারের স্লোগানের বিপরীতে অন্য কোন হীন উদ্দেশ্য বাস্তবায়নাকাংখা। সংস্কারের চেয়ে দেশে মহান সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করা হাজার গুণ উত্তম। যথাযথ দায়িত্ব নিয়েই কথাটি বলছি ইনশাল্লাহ। লবণ- চিনি উভয়ের রং প্রায় একই হলেও কোনটা কি সেটা বুঝি।…

দেশের সংবিধানের ৫৬(৩) অনুচ্ছেদে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ ও ৫৭(২) অনুচ্ছেদের প্রথমাংশে প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদকাল বিষয়ে যা আছে তা সত্বেও, প্রধানমন্ত্রী স্ব-পদে বহাল থাকাবস্থায় – “দেশদ্রোহীতা, সংবিধান লংঘন, গুরুতর অসদাচারণ, রাস্ট্রীয় খমতার অপব্যবহার, রাস্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ”- এ অভিযোগ সমুহের যে কোন অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী অভিযুক্ত হলে, দেশের অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সমুহের ( রাস্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি ..) ও বিশ্বের সভ্য গণতান্ত্রিক দেশের নির্বাহী বিভাগের প্রধানের ( আমেরিকার রাস্ট্রপতির) ন্যায়- আমাদের দেশের নির্বাহী বিভাগের প্রধান (৫৫/২) প্রধানমন্ত্রীকেও যাতে তার পদ থেকে যথাযথভাবে “অপসারণ” করা যায়, এমন সাংবিধানিক ব্যবস্থার বিধান করা হলেই দেশে মহান সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা হয়ে যাবে। সংগত কারণে লেখার কলেবর বাড়াচ্ছি না।
লেখক: মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (৫৩)।

পাড়াগ্রাম, বাতিসা, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা।
email: mdmostafiz1971@gmail.com .