All posts by jitu

কুমিল্লায় বিভিন্ন মামলায় ৬৫ জনকে গ্রেফতার

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লা জেলা পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে পরিচালিত ৩৯টি বিশেষ অভিযানে ১০ হাজার ১৪৫ পিস ইয়াবা ও ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ সর্বমোট ৬৫ জনকে গ্রেফতার করেছে কুমিল্লা জেলা পুলিশ।

শুক্রবার কুমিল্লা জেলার সকল থানার উদ্যোগে মাদক ব্যবসায়ী, সরবরাহকারী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে এ ব্যাপক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় জেলা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরসহ আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

কুমিল্লা জেলা পুলিশ জানায়, মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং একটি নিরাপদ ও মাদকমুক্ত কুমিল্লা গড়ে তুলতে নিয়মিতভাবে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ী, সরবরাহকারী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কুমিল্লা ও কসবা সীমান্তে ২৫ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালানি মালামাল জব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও কুমিল্লার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ২৫ লাখ ৪২ হাজার ৩০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ চোরাচালানি মালামাল জব্দ করেছে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি)।

শনিবার (২২ আগস্ট) সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, এএসসির দিকনির্দেশনায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বিজিবি জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মঈনপুর, মাদলা ও খাদলা বিওপি এবং কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া ও বুড়িচং উপজেলার সালদানদী, শশীদল ও শংকুচাইল বিওপির টহলদল নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালায়।

অভিযানে ভারতীয় অবৈধ রেডবুল এনার্জি ড্রিংকস, অলিভ অয়েল, ফুসকা, বাসমতি চাল, বাজি, গরু, স্যুটের কাপড়, থ্রি-পিস, মদ, বিয়ার, গাঁজা ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। জব্দ করা মালামালের আনুমানিক মূল্য ২৫ লাখ ৪২ হাজার ৩০০ টাকা।

সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন জানায়, সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষা, পুশ-ইন, নারী ও শিশু পাচার, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়েছে।

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার ও চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

দাউদকান্দিতে মোটরসাইকেলের ভেতর থেকে দশ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ১

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

দাউদকান্দিতে মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে ইয়াবা পাচারের সময় এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার(২১আগষ্ট) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোলপ্লাজার পশ্চিম পাশে স্কেল সংলগ্ন এলাকা ১০ হাজার পিস ইয়াবা ও মোটরসাইকেল আটক করা হয়। আটককৃত রুবেল ভূঁইয়া(৩৫) নরসিংদী জেলার মাধবদি উপজেলার খিজিরকান্দি গ্রামের মোঃ সেলিম মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দাউদকান্দি টোলপ্লাজা এলাকায় অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় একটি মোটরসাইকেল সন্দেহজনক মনে হলে সেটিকে সাইট করা হয়। পরে মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের ভেতরে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা কালো কস্টিপে মোড়ানো পাঁচটি প্যাকেটে ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি এফজেটএস মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন আর মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

চৌদ্দগ্রামে মিনিবার ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের শ্রীপুর ইউনিয়নের ভৌয়াই স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্যোগে মিনিবার ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে ভৌয়াই মাঠে আয়োজিত খেলায় ট্রাইব্রেকারে বাঙ্গালমুড়ি ফুটবল একাদশ ৩-২ গোলে বসুয়ারা ফুটবল একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ান হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা মহানগর শিবিরের সাবেক প্রচার সম্পাদক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি মনির হোছাইন মজুমদার।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি মহিউদ্দিন রনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শ্রীপুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার হুমায়ুন কবির, সৌদিআরব খোরশেদ আলম মজুমদার, সর্দার আবুল খায়ের মজুমদার, ব্যবসায়ী হাজী ছিদ্দিকুর রহমান। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন জহির, জাহের, কামাল, মেহেদী, মহিন, নাইম, রাকিব, এনামূল, ফারুক, শরীফসহ বিভিন্ন পর্যায়ের যুব সমাজের নেতৃবৃন্দ। খেলা দেখতে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন গ্রামের বিপুল সংখ্যক খেলাপ্রেমী উৎসুক যুব ও কিশোর।

অতিথিবৃন্দ বলেন, মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলার বিকল্প নেই। তাই, খেলার প্রতি যুবকদের আগ্রহ বাড়াতে সকলকে উদ্যোগী হতে হবে। যুবকরা খেলায় মনোযোগী হলে সমাজে অপরাধ কমে যাবে।

চৌদ্দগ্রামে বিলকিছ-আলম পাঠাগারের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি :

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের কোমাল্লা গ্রামে বিলকিছ-আলম পাঠাগারের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে এর উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন।

এরআগে পাঠাগারের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সভায় পাঠাগারের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা নুরুল আলম খাঁনের সভাপতিত্বে ও প্রতিষ্ঠাতা ইমরান মাহফুজের পরিচালনায় অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ^বিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আহমেদ মাওলা, কুবি’র ডেপুটি রেজিষ্ট্রার মোঃ মোশারফ হোসেন, কবি মোঃ আহসান উল্লাহ, চৌদ্দগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ এমদাদ উল্যাহ, সেক্রেটারী বেলাল হোসাইন, সাংবাদিক আবু বকর সুজন, কোমাল্লা এবতেদায়ী স্বতন্ত্র মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মোঃ আমিনুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক একেএম শামছুল হক, তরুণ ইসলামী বক্তা মাওলানা মোবারক বিন আলমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

অধ্যাপক আহমেদ মাওলা বলেন, আমাদের সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে বইপাঠ কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এটি করে পাঠাগার। সমাজ কি অবস্থায় আছে পাঠাগারের প্রতি রাষ্ট্র সমাজের আন্তরিকতা দেখলেই বুঝা যায়। ব্যক্তিগত উদ্যোগে গড়া উঠা বিলকিছ আলম পাঠাগারের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। প্রশাসকদের পাশাপাশি সমাজপতিদেরও উচিৎ এগুলোর প্রতি নজর দেওয়া।

পাঠাগার পরিদর্শন করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন বলেন, সমাজ থেকে মাদক মুক্ত করতে হলে খেলাধুলা, সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা ছাড়া উপায় নেই। আমি প্রায় ভাবি কীভাবে তরুণদের বইয়ের সঙ্গে রাখা যায়, শুদ্ধ জীবনে ফেরানো যায়।

এই ক্ষেত্রে লাইব্রেরি কার্যক্রম অত্যন্ত সহায়ক শক্তি। অভিভাবকদের উচিত নিজেদের সন্তানদের নিয়ে পাঠাগারে আসা। আমরা চেষ্টা করব বিলকিছ আলম পাঠাগারের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা করতে।

হোমনায় কলেজের বারান্দায় বসে মাদক সেবনের দায়ে তিনজনকে ৭ দিনের কারাদণ্ড

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার হোমনায় হোমনা ভিক্টর স্কুল এন্ড কলেজের বারান্দায় গাঁজা সেবনের দায়ে তিনজনকে সাত দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার রাতে তাঁদের আটক করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে দণ্ডপ্রাপ্তদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, হোমনা সদরের পশ্চিম পাড়ার মৃত আমজাদ সরকারের ছেলে মো. সজীব সরকার (২৪), জাকির হোসেনের ছেলে মো. জুবায়েদ হোসেন (২৬) এবং মশিউর রহমান রতনের ছেলে নিয়াজ রহমান সিয়াম (২২)।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও হোমনার এসিল্যান্ড আহমেদ মোফাচ্ছের জানায়, বুধবার রাতে হোমনা ভিক্টর স্কুল এন্ড কলেজের বারান্দায় গাঁজা সেবনরত অবস্থায় তাঁদের আটক করা হয়। পরে প্রত্যেককে সাত দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তদের আজ আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আহমেদ মোফাচ্ছের।

লাকসামে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ

লাকসাম প্রতিনিধ:

কুমিল্লার লাকসামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) লাকসাম উপজেলা ও পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলা ও পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত র‍্যালিটি লাকসামের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কর্মসূচিতে লাকসাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ফারুক হোসেন, সালমান হোসেন ও সাংবাদিক রুবেল এবং পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা তারেক রহমান, শহিদুর রহমান সেফাজ, আরিফুর রহমান রপা ও জাবেদ হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এক ছাদের নিচে আরবের স্বাদ: বিয়ন্ড বুফেতে বিশেষ ফুড ফেস্টিভ্যাল

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর গুলশানে এক ছাদের নিচেই মিলছে মধ্যপ্রাচ্যের ঐতিহ্যবাহী ও প্রিমিয়াম স্বাদের বৈচিত্র্যময় খাবার। ভোজনরসিকদের জন্য জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ বিয়ন্ড বুফে আয়োজন করেছে বিশেষ ‘অ্যারাবিয়ান ফুড ফেস্টিভ্যাল’। অ্যারাবিয়ান খাবারের খাঁটি স্বাদ, রাজকীয় পরিবেশ এবং আকর্ষণীয় অফারের সমন্বয়ে এরই মধ্যে উৎসবটি তৈরি করেছে ভিন্নধর্মী খাবারের অভিজ্ঞতা।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ অ্যারাবিয়ান আদলে আয়োজিত এই ফেস্টিভ্যালে অতিথিদের জন্য থাকছে ১০০টিরও বেশি প্রিমিয়াম পদ। লাঞ্চ ও ডিনারে বিশাল এই বুফে আয়োজনে একসঙ্গে প্রায় ৫০০ অতিথি উপভোগ করতে পারবেন মধ্যপ্রাচ্যের নানা ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ।

শুরুতেই অ্যারাবিয়ান আতিথেয়তার ছোঁয়া

বিয়ন্ড বুফের এই বিশেষ আয়োজনে খাবারের পাশাপাশি অতিথিদের স্বাগত জানানো হচ্ছে বিশেষ ‘সাউদি শ্যাম্পেন’ ও ‘গাওয়া অ্যারাবিক’ দিয়ে। ফলে রেস্তোরাঁয় প্রবেশের পর থেকেই অতিথিরা পেয়ে যাচ্ছেন অ্যারাবিয়ান আবহ ও আতিথেয়তার ভিন্নধর্মী অনুভূতি।

মূল বুফে মেনুতে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় সব পদ। থাকছে সুগন্ধি ও মসলাদার কাবসা, ঐতিহ্যবাহী মান্দি, বিভিন্ন স্বাদের অ্যারাবিয়ান কাবাব, ক্রিমি হামুস ও মুতাব্বালসহ আরও নানা পদ। খাবারের বৈচিত্র্য যেমন থাকছে, তেমনি প্রতিটি পদেই ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে অ্যারাবিয়ান খাবারের নিজস্ব স্বাদ ও বৈশিষ্ট্য।

আর ভোজন শেষে মিষ্টিমুখে থাকছে মধ্যপ্রাচ্যের দুই জনপ্রিয় ডেজার্ট- বাকলাভা ও কুনাফা। ফলে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অতিথিরা উপভোগ করতে পারবেন পূর্ণাঙ্গ অ্যারাবিয়ান কুলিনারি এক্সপেরিয়েন্স।

লাঞ্চ ও ডিনারে প্রিমিয়াম বুফে

অ্যারাবিয়ান ফুড ফেস্টিভ্যালের বুফে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে লাঞ্চে ১,৪৫০ টাকা এবং ডিনারে ১,৭৫০ টাকা। লাঞ্চ চলবে দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা এবং ডিনার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত।

পরিবার, বন্ধু কিংবা প্রিয়জনদের সঙ্গে ভিন্নধর্মী খাবারের অভিজ্ঞতা নিতে চাইলে বিয়ন্ড বুফের এই আয়োজন হতে পারে দারুণ একটি পছন্দ।

থাকছে আকর্ষণীয় সব অফার

অতিথিদের অভিজ্ঞতাকে আরও উপভোগ্য করতে ফেস্টিভ্যাল চলাকালীন বিশেষ অফারও দিচ্ছে বিয়ন্ড বুফে। যমুনা ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ও সিটি ব্যাংকের কার্ডধারীরা উপভোগ করতে পারবেন আকর্ষণীয় ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান’ (BOGO) সুবিধা।

এ ছাড়া জিপি স্টার গ্রাহকদের জন্য রয়েছে ১০ শতাংশ ডিসকাউন্ট। ফলে প্রিমিয়াম অ্যারাবিয়ান খাবারের স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি বিশেষ সুবিধাও উপভোগের সুযোগ থাকছে অতিথিদের জন্য।

বিয়ন্ড বুফের সিনিয়র অপারেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান খন্দকার জানান, খাবারের অথেন্টিসিটি ও সিগনেচার স্বাদ বজায় রাখাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। অতিথিদের জন্য প্রতিবারই নতুন ও স্মরণীয় খাবারের অভিজ্ঞতা তৈরি করাই বিয়ন্ড বুফের লক্ষ্য।

সব মিলিয়ে অ্যারাবিয়ান ফুড ফেস্টিভ্যাল শুধু খাবারের আয়োজন নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের স্বাদ, ঐতিহ্য ও আতিথেয়তাকে কাছ থেকে উপভোগ করার একটি বিশেষ সুযোগ। আর এই অভিজ্ঞতার ঠিকানা যখন গুলশানের বিয়ন্ড বুফে, তখন ভোজনরসিকদের জন্য এটি হয়ে উঠতে পারে স্বাদের এক অনন্য গন্তব্য।

চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে চার কেজি ভারতীয় গাঁজাসহ পেয়ারা আহমেদ (২৬) নামের এক শীর্ষ মাদক কারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তার সহযোগী মো. লোকমান (২৮) পালিয়ে যান।

আটক পেয়ারা আহমেদ উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের চকলক্ষ্মীপুর গ্রামের আব্দুল ছাত্তারের ছেলে। পলাতক লোকমান একই গ্রামের মৃত আতর আলীর ছেলে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার রাজেন্দ্রপুর সীমান্ত এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। বিজিবির দাবি, আটক পেয়ারা ও পলাতক লোকমান দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় মাদক এনে বিক্রির সঙ্গে জড়িত।

এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম শিবের বাজার বিজিবি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার মো. আব্দুল কালাম বাদী হয়ে রাতে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় মামলা করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে আটক পেয়ারা আহমেদকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন।

চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেন, বিজিবি একজন আসামিকে গাঁজাসহ থানায় সোপর্দ করেছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর আদালত প্রেরণ করা হয়েছে। এজাহারে আরো একজনের নাম আছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

কুমিল্লায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৯০

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৪৭৮ পিস ইয়াবা, ৫৪ কেজি গাঁজা, ৬৩০ লিটার দেশীয় মদ ও ৪৭ বোতল ইস্কাপ সিরাপ উদ্ধার করেছে জেলা পুলিশ। এ সময় মাদক ব্যবসায়ী, সরবরাহকারী ও মাদকসেবীসহ মোট ৯০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জেলা পুলিশ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে জেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ৩৭টি অভিযান চালানো হয়। এসব অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, গাঁজা, দেশীয় মদ ও ইস্কাপ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ৯০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান বলেন, যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা এবং জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক ব্যবসায়ী, সরবরাহকারী ও সংশ্লিষ্ট চক্রের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে পুলিশ।