All posts by jitu

কুমিল্লায় ঘুষ ছাড়াই ৫৬ টাকায় পুলিশে নিয়োগ পেলেন ১০১ কনস্টেবল

হাবিবুর রহমান মুন্না।।

কুমিল্লায় কোনো ঘুষ, তদবির বা হয়রানি ছাড়াই ট্রেইনি পুলিশ কনস্টেবল পদে ১০১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মাত্র ৫৬ টাকার ফি দিয়ে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এ নিয়োগ সম্পন্ন হওয়ায় বিষয়টি প্রশংসা কুড়িয়েছে।

বুধবার (৬ মে) রাত সাড়ে ১১টায় কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সের শহীদ আরআই এবিএম আবদুল হালিম মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১১২ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। এর মধ্যে মেধা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে ১০১ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। এছাড়া অপেক্ষমান তালিকায় রাখা হয়েছে আরও ১১ জনকে।

ফলাফল ঘোষণার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকুল চাকমা, সিনিয়র এএসপি সৈয়দ মুমিন রায়হান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) ইসতিয়াক হাসান আমীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাইফুল মালিকসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, “নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাই যদি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। ঘুষ ছাড়া নিয়োগ দেওয়া সম্ভব আমরা সেটিই প্রমাণ করেছি। যারা নিয়োগ পেয়েছেন, তারা সবাই মেধাবী। আমি আশা করি, তারা সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।”

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্স মাঠে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। মোট ১ হাজার ৮২৩টি আবেদন জমা পড়ে। প্রাথমিক শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ৬৯৮ জন প্রার্থী। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ১১২ জন, যাদের মধ্য থেকে চূড়ান্তভাবে ১০১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

কাপনের কাপড় পাঠিয়ে কৃষককে মৃত্যুর হুমকি, এলাকায় আতঙ্ক

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি :

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আবদুর রহমান নামের এক কৃষককে কাপনের কাপড় পাঠিয়ে হুমকি দিয়েছে ভুয়া পরিচয়ের এক ব্যক্তি। ডাক পিয়নের মাধ্যমে চিঠি ও কাপনের কাপড় পাওয়ার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হুমকি পাঠানো জুলাস বেপারি নামে ওই ঠিকানায় ব্যক্তির কোন অস্তিত্ব নেই। ভুক্তভোগী কৃষক আবদুর রহমান(৫৬) পৌর এলাকার চন্ডিপুর মোল্লা কোনার মোকতল হোসেনের ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার পৌরসভা চন্ডিপুর মোল্লা কোনা গ্রামে।

বুধবার (৬ মে )থানায় দায়েরকৃত জিডিতে উল্লেখ করা হয়, আবদুর রহমান একজন কৃষক। তাঁর দুই ছেলে প্রবাসে থাকে। তিনি, তাঁর স্ত্রী ও ছোট মেয়ে নিয়ে বাড়িতে থাকেন। তাঁর সাথে কারো কোন শত্রুতা নেই। মঙ্গলবার সকালে চৌদ্দগ্রাম ডাক অফিসে পিয়নের মাধ্যমে একটি খাকি খাম ও একটি পার্সেল রিসিভ করেছেন। পরবর্তীতে খামখুলে দেখেন সাদা কাগজে লেখা-‘তোর কাপনের কাপড় রেডি, তুই ঘরে, রাস্তা ঘাটে, বাজারে বা মামলার কোর্টে মরার জন্য রেডি থাকিছ, তুই এখন গেংদের টার্গেট, তোর পাপ তোরে ছাড়বে না, সাত টুকরো হবি’।

এছাড়াও স্টার চিহ্নিত কিছু আরবি লেখা ছিল। পার্সেলটি খুলে দেখেন, কাপনের কাড়ের টুকরো। খামটির প্রেরক পাশ^বর্তী রামরায় গ্রামের কসাই বাড়ির জুলাস বেপারী। কিন্তু আবদুর রহমান পরিবারের লোকজনসহ ওই এলাকায় গিয়ে এ নামে কোন অস্তিত্ব পাননি। খামে উল্লেখিত মোবাইল নাম্বারে কল করলেও কেউ রিসিভ করছে না। ফলে তিনি জীবন ও মালের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। হুমকিদাতার পরিচয় ভুয়া। ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারটিও ময়মনসিংহের এক ব্যক্তির। তবে কৃষককে ভয় দেখানোর জন্য কেউ এ কাজটি করেছে’।

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী নিখোঁজ: থানায় অভিযোগ দায়ের

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা নগরীতে এক স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তার বাবা। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ শিক্ষার্থী আমেনা আক্তার (১৬) কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরাইশ সালেহা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। তিনি পূর্ব মাঠে নতুন বসতি, জগন্নাথপুর এলাকার বাসিন্দা আঃ করিমের মেয়ে।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত ০২ মে ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে আমেনা আক্তার প্রতিদিনের ন্যায় কোচিং ক্লাস করার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়। তার কোচিং সেন্টারটি সংরাইশ সালেহা স্কুলের মূল গেটের বিপরীতে অবস্থিত। তবে পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, তিনি ওইদিন কোচিং ক্লাসে উপস্থিত হননি।

এরপর থেকে আত্মীয়-স্বজন ও সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় ভিকটিমের পরিবার আশঙ্কা করছে, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখেছে।

এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা আঃ করিম কোতয়ালী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে যেতে চান না বসুন্ধরার বাসিন্দারা

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মহানগরী ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা বাংলাদেশের অন্যতম স্পেশালইজড একটি সিটি। এখানকার নাগরিক সুবিধা ঢাকার সিটির অন্য যেকোন এলাকার চেয়ে উত্তম এবং নিরাপদ। স্পেশালাইজড এই প্রাইভেট টাউনে যেসব নাগরিক সুবিধা আছে তা ঢাকা সিটি করপোরেশনের আওতার অন্য এলাকায় নেই। এই কারনেই বাসিন্দরা সিটি করপোরেশনের আওতায় যেতে চায় না।

বসুন্ধরার বাসিন্দাদের শঙ্খা, সিটি করপোরেশন বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির মতো করে নিরাপত্তা দিতে পারবে না। যার ফলে বাড়বে সন্ত্রাস ও মাদকের ঝুঁকি। নষ্ট হয়ে যাবে বাসিন্দাদের শান্তির নিরাপদ আবাস।

বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নিজস্ব অর্থায়নে নিরাপত্তা, রাস্তা, ড্রেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ সব নাগরিক সেবা দিচ্ছে। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে উন্নত, আধুনিক ও নিরাপদ নাগরিক সেবায় অভ্যস্ত। তাঁদের দাবি, দেশের অন্য যেকোনো আবাসিক এলাকার তুলনায় বসুন্ধরা বেশি নিরাপদ, সুরক্ষিত, পরিচ্ছন্ন এবং মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত। এসব সেবা নিশ্চিত করে আসছে বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি।

এলাকার বাসিন্দারা তাদের আবাসিক প্রকল্পের সেবার নিয়ন্ত্রণ কোনোভাবেই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) হাতে দিতে চান না। এসব কারনে তারা হোল্ডিং ট্যাক্সও সার্ভিসচার্জ স্থগিত রেখে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাটি সিটি করপোরেশনের বাইরে রাখার দাবি জানিয়েছে।

আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি শেখমুজিবুর রহমান ইকবাল এমপি ও মহাসচিব ক্যাপ্টেন (অব.) শেখ এহসান রেজা ৬মে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বরাবর চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে তারা বলেছেন, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার প্লট ও ফ্ল্যাট মালিকদের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নিরলসভাবে কাজ করছে। তারা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায় যেতে চান না। তাই সম্মিলিত সম্মতি পত্রে সই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ইতোমধ্যেই চিঠি দিয়েছেন।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা জানান, এই এলাকা সিটি করপোরেশনের আওতায় গেলে এখানকার শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট হয়ে যাবে। নিরাপত্তাও সুরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়বে। বহিরাগত সন্ত্রাসী, হকার, চাঁদাবাজও মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়ে যাবে।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সকল প্রবেশ পথে নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মীরা ২৪ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করেন। রয়েছে বিপুলসংখ্যক ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার নজরদারি। একারণেই অপরাধীরা এলাকায় প্রবেশ করতে পারেনা।

তারা আরও বলেন, ‘আমরা দিনের বেলায় একটি নিরাপদও আধুনিক সেবার বলয়ে যেমন শান্তিতে থাকি; তেমনি রাতের বেলায় থাকি আরও নিশ্চিন্ত। কারণ এমন নিরাপত্তাবেষ্টনী ঘেরা আবাসিক এলাকা বাংলাদেশে আর নেই। কিন্তু এটি সিটি করপোরেশনের আওতায় আসুক আমরা চাই না। কারণ এখানে সব আধুনিকসেবা বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির অর্থায়নেও তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এটি সিটি করপোরেশন রক্ষা করতে পারবে না। বরং তা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অপরাধ বেড়ে যাবে। তখন এর মা-বাপ কেউ থাকবে না।’

বাসিন্দারা আরও জানান, এমন একটি শান্তিময় আবাসিক এলাকা সিটির আওতায় গেলে, সার্বিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে। এখন এ আবাসিক এলাকাটি যত্রতত্র চায়ের স্টল, হকার ও দোকানপাট মুক্ত। এরফলে এটি পরিচ্ছন্ন ও কোলাহলমুক্ত। কঠিন নিরাপত্তাবলয়ের কারণে এখানে সন্ত্রাসী কিংবা মাদকসেবীরা আসতে পারে না। আর এর ব্যতিক্রমহলে- এখানে মাদকসেবীও সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বেড়ে যাবে। তাদের ঠেকাতে পারবেনা সিটি করপোরেশন। কারণ, তাদেরও ইজনবল ও ব্যবস্থাপনা কাঠামো নেই।

আবাসিক বাসিন্দাদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার প্রতিফলন দেখা যায়, সিটি করপোরেশনকে দেওয়া বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ারের চিঠিতে। ওই চিঠি থেকে আরও জানা যায়, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন বিশেষ করে রাস্তাঘাট নির্মাণও মেরামত, ফুটপাত রক্ষণাবেক্ষণ, ড্রেনপরিষ্কার রাখা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়কে বাতি স্থাপনও রক্ষণাবেক্ষণ, পানি সরবরাহ, সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, মশা নিধন, বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপনও তারের সংযোগ এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণসহ সামগ্রিক কাজ বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির মাধ্যমে নিজস্ব অর্থায়নে করা হয়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কোনো আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করেনা বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি।

শুধু তাই নয়; এই সোসাইটির ব্যবস্থাপনায় আবাসিক প্রকল্পটির সকল উন্নয়ন কাজ সম্ভাব্য ২০৩৪সালের মধ্যে সম্পন্ন করার অনুমতিও নিয়ে রাখা হয়েছে। এখানকার আবাসিক বাসিন্দাও সকল প্লটওফ্ল্যাট মালিকরা সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন না যাওয়ার অভিপ্রায় জানিয়ে এর আগেও সিটি করপোরেশনে সম্মিলিতভাবে চিঠি দিয়েছিল। ওই চিঠির স্মারক নং- রাজউক/বওসো/২০২৬/০১ এর আলোকে বিষয়টি অবগত করে রাজউক চেয়ারম্যান বরাবর পত্র দেয়া হয়েছে। একইসাথে এর অনুলিপি ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসককে ও দেয়া হয়েছে।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, এলাকাটি শুধু সেবার মানের দিক থেকেই নয়; এখানে দেশসেরা হাসপাতাল, বেশকয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ও আর্ন্তজাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিশ্বমানে রস্পোর্টস সিটি, গল্ফক্লাব, শপিংমল, রেস্টুরেন্ট, বেশকয়েকটি সুপারশপ, কমিউনিটিপার্কসহ উন্নত নাগরিক সেবার সব উপকরণই রয়েছে। এখানে যেকয়েকটি দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীরাও এখানে নিরাপদে বসবাস করে, শান্তিতে ঘুরে বেড়ায়, বসবাসের দিক থেকে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

এদিকে, সিটি করপোরেশনকে দেয়া বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির চিঠিতেও এসবই তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কর্তৃক বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার প্লটও ফ্ল্যাট মালিক, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে হোল্ডিংট্যাক্স সার্ভিসচার্জ পরিশোধের জন্য যে চূড়ান্ত নোটিশ প্রদান করেছে তাতে বাসিন্দাদের মধ্যে যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে তাও উল্লেখ করা হয়। বাসিন্দাদের ওপর এটি যে আর্থিক বোঝার শামিল এবং তা পরিশোধে তারা অপারগ সেটিও জানানো হয়।

বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি আশাকরে উক্ত প্রকল্পটি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সকল ধরনের হোল্ডিং ট্যাক্সও সার্ভিসচার্জ স্থগিত করতে হবে এবং তা থেকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত সকল প্লটও ফ্ল্যাট মালিকও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অব্যাহতি প্রদান করবে।

বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বাসিন্দাদের পক্ষে আশা করে উপরোক্ত সকলবিষয় সুবিবেচনায় নিয়ে বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্পের সকল প্লটও ফ্ল্যাট মালিকগণের মানসিকও আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্পকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন যেন না করা হয়।

শিক্ষার মানোন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস চীনা প্রতিনিধি দলের

নিজস্ব প্রতিনিধি:

শিক্ষার মানোন্নয়নে ভবিষ্যতে একসাথে কাজ করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন চীনা প্রতিনিধি দল।

চীনের আনহুই নরমাল ইউনিভার্সিটি র প্রেসিডেন্ট জিওং ইউজি র নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সাথে বুধবার সৌজন্য সাক্ষাৎ কালে সহযোগীতার কথা বলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (BUET)সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ব র রাঙ্কিংয়ে খুব ভালো অবস্থানে রয়েছে। আমরা এ অবস্থান থেকে আরো উপরে যেতে চাই। এখন আমরা Technical and Vocational Education and Training (TVET) এর উপর গুরুত্ব দিচ্ছি। এক্ষেত্রে চীনেরও সহযোগিতার অনেক সুযোগ রয়েছে।

জিওং ইউজি বলেন, ‘আনহুই নরমাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পেশাগত প্রশিক্ষণ প্রদানের ক্ষেত্রে একটি অনন্য প্রতিষ্ঠান। তাই শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষকদের পেশাগত প্রশিক্ষণের জন্য এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে ভবিষ্যতে একসাথে কাজ করবে বলে প্রতিনিধি দল আশ্বাস ব্যক্ত করেন।

এসময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল খালেক, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো: দাউদ মিয়াসহ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লা নগরীতে শশুর বাড়িতে সিসিএন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালি পট্টি এলাকায় শশুর বাড়িতে জান্নাতুল নাঈম ফারিয়া (২৩) নামের সিসিএন ইউনিভার্সিটির এক ছাত্রীর ঘরের সিলিং এর পাখার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মেয়ের পরিবারের অভিযোগ তাকে হত্যা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ( ৫ মে) রাতে নগরীর দেশ ওয়ালি পট্টি এলাকার কাসেম গার্ডেন বিল্ডিং এর দ্বিতীয় তলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কোতোয়ালি থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে।

নিহত জান্নাতুল নাঈম ফারিয়া কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার কানগাঁও এলাকার মোঃ হানিফ মিয়ার মেয়ে। বিগত ৮ মাস আগে কুমিল্লা নগরীর দেশওয়ালিপট্টির মেহেদী হাসানের সাথে ফারিয়ার বিয়ে হয়।

শ্বশুর বাড়ির লোকজন জানান, গতকাল বিকেলে ফারিয়া তাদেরকে ঘুমানোর কথা বলে দরজা বন্ধ করে। রাত আটটায় দরজা নক করলে ফারিয়া দরজা খোলেনি। আরো কিছুক্ষণ পরে থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়। থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় ফারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে।

ফারিয়ার পিতা মোঃ হানিফ জানান, মেহেদীর সাথে বিয়ের পর টাকার জন্য ফারিয়াকে নানা সময় নির্যাতন করা হয়েছে। মেহেদী বেকার ছেলে। কিছুটা নেশাগ্রস্ত ছিল। ফারিয়া কোচিং করিয়ে, প্রাইভেট পড়িয়ে টাকা উপার্জন করে মেহেদিকে দিত। আমার মেয়েকে সে অনেক অত্যাচার করেছে। আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে।

কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল আনোয়ার জানান, প্রাথমিকভাবে এটাকে আত্মহত্যা মনে হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের পর ও পুলিশে তদন্তের শেষে বিস্তারিত বলা যাবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।

বাঙ্গরায় রাতভর পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ৬ জন আটক, ওয়ারেন্টভুক্ত ৪ আসামি গ্রেপ্তার

মাহবুব আলম আরিফ, মুরাদনগর:

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানায় রাতভর মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে পৃথক স্থান থেকে ইয়াবাসহ ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে বিভিন্ন মামলার সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আরও ৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত থানার আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

পুলিশের অভিযানে বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের দিঘিরপাড় এলাকা থেকে ১ জন, পূর্বধৈইর পশ্চিম ইউনিয়নের হাটাশ গ্রাম থেকে ১ জন এবং রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়নের তেমুড়িয়া গ্রাম থেকে ৪ জনকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়নের বি-চাপিতলা গ্রামের আরমান (২৫), একই ইউনিয়নের উত্তর বাখরাবাদ গ্রামের নেপাল চন্দ্র সরকার (৫৬), কাঠালিয়াকান্দা গ্রামের তফসির মিয়া (২০), রামচন্দ্রপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের আকাশ মিয়া (২৫), কদমতলী গ্রামের শামীম (২৪) এবং পূর্বধৈইর পশ্চিম ইউনিয়নের হাটাশ গ্রামের ইদ্রিস মিয়া (৫০)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শফিউল আলমের নির্দেশনায় পৃথক টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। সন্ধ্যা রাতে এসআই সাজ্জাদ উল করিম ও এএসআই আল আমিনসহ একদল পুলিশ দিঘীরপাড় এলাকা থেকে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আরমানকে আটক করে।

অপরদিকে এসআই মতিউর রহমান ও এএসআই আল আমিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে হাটাশ গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে ২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ইদ্রিস মিয়াকে আটক করা হয়।

একই রাতে এসআই মোঃ সরোয়ার হোসেন ও এএসআই আল আমিন সঙ্গীও ফোর্স নিয়ে তেমুরিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৪জনকে আটক করে। এ সময় তাদেরকে তল্লাশি করে পৃথক ভাবে রাখা ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

এছাড়াও, আন্দিকুট ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামের সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাবেদ হোসেনসহ আরও ৩ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মোঃ শফিউল আলম জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান জিরো টলারেন্স। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মাদক নির্মূলে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড় দেওয়া হবে না।

২৪ ঘণ্টায় কুমিল্লায় দেশের সর্বোচ্চ ৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড

ডেস্ক রিপোর্ট:

বৈশাখের শেষদিকে এসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অব্যাহত রয়েছে বৃষ্টিপাতের দাপট। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায়ও দেশে সর্বোচ্চ ৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে এখনো ৩৫ ডিগ্রির ঘরে বিরাজ করছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। এই অবস্থায় বুধবার (৬ মে) রাতের মধ্যে দেশের ১২ জেলায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন, বুধবার রাত ১টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় কুমিল্লায় দেশের সর্বোচ্চ ৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে চাঁদপুরে ২৪ মিলিমিটার ছাড়াও পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬, পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় ৩, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও পটুয়াখালীতে ২ মিলিমিটারসহ দেশের বেশকিছু এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় বর্ধিত ৫ দিনে দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

কুমিল্লায় বন্ধুদের হামলায় নিহত কিশোর

ডেস্ক রিপোর্ট:

হাসপাতালে চারদিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর অবশেষে মারা গেছে কুমিল্লার বরুড়ার রাকিব হোসেন (১৬)। বন্ধুদের হামলার পর তার মায়ের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বরুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকায় পাঠিয়ে দেন। এরপর ঢাকায় একটি হাসপাতালে চারদিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার (৫ মে) মারা যায় কিশোর রাকিব।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, কুমিল্লার বরুড়ায় চার বন্ধুর হামলার শিকার হয় রাকিব। গত শুক্রবার (১ মে) রাত আনুমানিক সোয়া আটটার দিকে দেওড়া নামক স্থানে রাকিবের বাড়ির সংলগ্ন রাস্তার উপর এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাকিব দেওড়া এলাকার রাজমিস্ত্রী ইব্রাহীমের বড় ছেলে। ফারহান ও তার বন্ধুদের জুয়া খেলার তথ্য প্রকাশ এবং ২০০ টাকার রড চুরির ঘটনায় রাকিব ফারহানের সর্ম্পৃক্ততার তথ্য প্রকাশ করাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে।

জানা যায়, অভিযুক্ত ফারহান (১৬) তার বন্ধুরা রাকিবকে ডাব খাওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে যায়। ওই সময় তার সহযোগীরা রাস্তার উপরে অবস্থান করছিলো। কিছুক্ষণ পরেই তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে ফারহান দা দিয়ে রাকিবের ঘারের মধ্যে কোপ দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় রাকিব দৌড়ে এসে তার মায়ের সামনে পড়ে যায়। ওই সময় রাকিব তার মায়ের কাছে ফারহান ও তার বন্ধুরা তাকে দা দিয়ে কুপিয়েছে হামলার বিষয়টি জানায়।

প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলাম জানায়, ফারহানসহ আরো চারজনকে বাড়ির সামনে রাস্তার উপরে কথা বলতে দেখেছেন। এর কিছুক্ষণ পরেই এ ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে আবির নামের একজন আসামী গতকাল রাতে দেশ ত্যাগ করে সৌদি চলে গেছে।

রাকিবের মা জানান, হামলার পরেই রাকিব দৌড়ে এসে তার সামনে পরে যায়। ওই সময় কারা হামলা করেছে বিষয়টি তাকে জানিয়েছে। ওই সময় তার মা বাবার সার্ট দিয়ে কাটা স্থানে চেপে ধরে স্থানীয়দের সহায়তা হসপিটালে নিয়ে যান।

হত্যাকান্ডের বিষয়ে অভিযুক্ত ফারহানের মা কিছুই জানেন না বলে জানায়। ঘটনার পরে ফারহানের সাথে মুঠোফেনে এক বার কথা হয়েছিলো। এর পর থেকে আর কোন যোগাযোগ নেই।

এ বিষয়ে বরুড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হক জানায়, আমি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। ডাব খাওয়াকে কেন্দ্র করে তাকে ছেনি দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পর সেখানে তার মৃত্যু হয়। এ বিষয়ে আইনগত সকল পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ, তিন যুবককে আটক করেছে বিজিবি

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়া ভারত থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় তিন যুবকে আটক করেছে বিজিবি।

আটকৃতরা হলো, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার টিকরামপুর গ্রামের ইমরান আলীর ছেলে ফিরোজ কবির (৪২), বাগেরহাট জেলার শরণখোলা থানার নলবুনিয়া গ্রামের শহিদুল খানের ছেলে আবুস হোছেন খান (১৯),মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার খাসনগর গ্রামের সেলিম খানের ছেলে শিউলি খান (২১)।

মঙ্গলবার (৫মে) রাত ৯টায় তথ্যটি নিশ্চিত করেন চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফ হোসেন।

জগন্নাথদীঘি বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার মো. মোরশেদ আলমের দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করা হয়, জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের সাহাপুর ভারত সীমান্তবর্তী ২১১৫ নং পিলারের নিকট দিয়ে মঙ্গলবার বিকাল ৫ঘটিকার সময় ভারত থেকে বাংলাদেশে তিন যুবক প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি টহল টিম। অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের ঘটনায় তাদের আটক করা হয়।

এ সময় তারা বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা দেখাতে পারেনি। পরে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

জগন্নাথদীঘি বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার মোরশেদ আলম বলেন, “সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের দায়ে তিন যুবকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেষে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফ হোসেন বলেন, “অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে আটককৃত তিন যুবকে আগামীকাল বুধবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।”