All posts by jitu

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিয়ের ৪ দিন পর নববধূকে গলা কেটে হত্যা

ডেস্ক রিপোর্ট:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আখাউড়ায় বিয়ের ৪ দিনের পর নববধূকে গলা কেটে হত্যা করেছে স্বামী। মঙ্গলবার দুপুর ১টা থেকে ২ টার মধ্যে উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের হীরাপুর মধ্যপাড়ায় স্বামী আব্দুল হামিদ হত্যা কান্ডের ঘটনা ঘটান। এ ঘটনা টের পেয়ে বড় ভাই আব্দুল হানিফ এগিয়ে গেলে তাকে ছুড়িকাঘাত করে পালিয়ে যায় হামিদ।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আখাউড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি ছুরি উদ্ধার করেছে।

এলাকাবাসী ও নববধূর স্বজন সূত্রে জানা গেছে, হীরাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ মিয়ার প্রবাসী পুত্র আব্দুল হামিদের সাথে ৭/৮ মাস আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের বাসুদেব গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জামের মেয়ে তাছলিমা আক্তারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে বিয়ে হয়। গত শুক্রবার দুই পরিবারের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে আসে আব্দুল হামিদ। এরমধ্যে একবার তাছলিামকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসে। মঙ্গলবার দুপুরে হঠাৎ আশে পাশের লোকজন হৈ চৈ শুনে হামিদের বাড়িতে এসে দেখে হামিদ কলা কেটে স্ত্রীকে হত্যা করেছে।

এদিকে খবর পেয়ে নিহতের ভাই আব্দুল কুদ্দুছ ঘটনাস্থরে এসে বার বার মুর্ছা যাচ্ছিলেন আর বোনের নাম নিয়ে বিলাপ করছিলেন। তিনি বলেন, ৭/৮ মাস আসে বিদেশে থাকা অবস্থায় হামিদের সাথে বোনের বিয়ে হয়। গত শুক্রবার অনুষ্ঠান করে বোনকে স্বামীর বাড়িতে পাঠাই। এসময়ের মধ্যে কোন ঝামেলা হয়েছে কিনা বলতে পারিনা। আমি আমার বোনের হত্যার বিচার চাই।

স্থানীয় কয়েজন জানায়, হামিদ ৬ বছর বিদেশ ছিল। ১৫/২০ দিন আগে দেশে ফিরে আসে। সে কারও সাথে মিশতো না। সামাজিক মাধ্যমেও একটিভ ছিল না।

হীরাপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ হেলাল মিয়া বলেন, দুপুরের নামাজ পড়ে হৈ চৈ শুনে দৌড়ে গিয়ে দেখি হামিদ তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে। ঘটনাস্থলে আসা আখাউড়া থানার সাব ইন্সপেক্টর নিজাম উদ্দিন বলেন, সোয়া ২টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি বিছানায় গলা কাটা রক্তাক্ত অবস্থায় নববধূ পড়ে আছে। খাটের চারপাশে তখনও ঝুলছে বিয়ের রাতের ফুলের মালা।

রেকর্ড রানের ম্যাচে মঈনের হ্যাটট্রিক, কুমিল্লার বড় জয়

স্পোর্টস ডেস্ক:

উইল জ্যাকসের ঝড়ো সেঞ্চুরির পর মঈন আলীর হ্যাটট্রিক। ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের রেকর্ড সংগ্রহ। এতকিছুর দিনে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে ৭৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে কুমিল্লা।

আজ চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় দুদল। যেখানে প্রথমে ব্যাট করা কুমিল্লা জ্যাকসের ব্যাটিং তাণ্ডবে বিপিএল ইতিহাসে রেকর্ড সংগ্রহ পায়। চলতি আসরের ২৯তম ম্যাচে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৩৯ রান করে কুমিল্লা। রংপুর রাইডার্সের রেকর্ডে ভাগ বসায় কুমিল্লা। ২০১৯ আসরে চিটার্গ ভাইকিংসের বিপক্ষে ৪ উইকেটে ২৩৯ রান করেছিল রংপুর। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৬.৩ ওভারে ১৬৬ রানে গুটিয়ে যায় চট্টগ্রাম।

তিন দিন আগে মিরপুরে মৌসুমের প্রথম দলীয় দুইশ রান করে রংপুর রাইডার্স। এই চট্টগ্রামের বিপক্ষেই সেই ম্যাচে দুশর দেখা পায়। তারও একদিন আগে অবশ্য দুর্দান্ত ঢাকার বিপক্ষে মৌসুমের প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন কুমিল্লার তাওহীদ হৃদয়। এবার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করলেন ইংল্যান্ড তারকা জ্যাকস।

২৪০ রানের বিশাল লক্ষ্যে খেলতে নামে শুরুটা ভালো করে চট্টগ্রামও। ৭.৩ ওভারে ৮০ রান তোলেন জশ ব্রাউন ও তানজিদ হাসান। অবশেষে এই জুটি ভাঙেন মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি ২৪ বলে ৪১ রান করা তানজিদকে জ্যাকসের ক্যাচে ফেরান। তানজিদ ৫টি চার ও ২টি ছক্কা হাঁকান। এরপর ব্রাউনও দ্রুত ফিরে যান। রিশাদ হোসেনের বলে আউট হওয়া ব্রাউন ২৩ বলে ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ৩৬ করেন।

এরপর সৈকত আলী ছাড়া আর কোনো ব্যাটারই চট্টগ্রামের হয়ে দাঁড়াতে পারেননি। মঈনের শিকার সৈকত মাত্র ১১ বলে একটি চার ও ৫টি ছক্কায় ৩৬ করেন। মঈন শেষ ওভারে শহীদুল ইসলাম, আল-আমিন হোসেন ও বিলাল খানকে আউট করে হ্যাটট্রিকর পূরণ করেন।

কুমিল্লার বোলারদের মধ্যে মঈন ও রিশাদ ৪টি করে উইকেট ভাগ করেন নেন।

টস হেরে এর আগে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ঝড় তোলেন লিটন দাস ও জ্যাকস। তারা ৭.৫ ওভারে ৮৬ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। শহীদুল ইসলামের বলে আউট হওয়ার আগে অধিনায়ক লিটন ৬০ রান করেন। তিনি মাত্র ৩১ বলে ৯টি চার ও ৩টি ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান।

মাঝে তাওহীদ হৃদয় ও ব্রুক গাস্টকে দ্রুত হারায় কুমিল্লা। তবে চতুর্থ উইকেট জুটিতে মঈন আলীর সঙ্গে ফের জুটি গড়েন জ্যাকস। তারা ৫৩ বলে ১২৮ রানের পার্টনারশিপ গড়ে অপরজিত থাকেন। ৫০ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করা জ্যাকস শেষ পর্যন্ত ৫৩ বলে ৫টি চার ও ১০টি ছক্কায় ১০৮ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন। আর মঈন ২৪ বলে ২টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৫৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

চট্টগ্রামের বোলার শহীদুল ইসলাম ২টি উইকেট দখল করেন।

চলতি অর্থ বছরের ৬ মাসে ৫৯০০ কোটি টাকার ওষুধ রপ্তানি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

দেশে উৎপাদিত ওষুধ বিদেশে রপ্তানিতে উৎসাহিত করতে সরকারিভাবে প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে এবং চলতি বছরও ১০ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

মঙ্গলবার স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, বাংলাদেশ ঔষধ শিল্পে উত্তরোত্তর উন্নতি করছে। দেশের মোট চাহিদার ৯৮ শতাংশ ভাগ ওষুধ দেশেই উৎপাদিত হয়। বর্তমানে ইউরোপ ও আমেরিকাসহ সারা বিশ্বের ১৫৭টিরও বেশী দেশে বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রায় সব ধরনের ওষুধ রপ্তানি করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশে উৎপাদিত ওষুধ বিদেশে রপ্তানিতে উৎসাহিত করার নিমিত্ত উৎপাদনকারীদের সরকারিভাবে প্রণোদনা প্রদান করা হয়। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাস হতে দেশে উৎপাদিত ওষুধের Active Pharmaceutical Ingredient রপ্তানির জন্য ১০ শতাংশ হারে এবং ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য (মেডিকেল/সার্জিক্যাল Ingredients and Appliance সহ) রপ্তানির জন্য ৮ শতাংশ হারে সরকারিভাবে প্রণোদনা প্রদান করা হবে বলে ফিনান্সিয়াল সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিগত বছরে দেশে উৎপাদিত ঔষধের Active Pharmaceutical Ingredient রপ্তানির জন্য ২০ শতাংশ হারে এবং ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য (মেডিকেল/সার্জিক্যাল Ingredients and Appliance) রপ্তানির জন্য ১০ শতাংশ হারে সরকারিভাবে প্রণোদনা প্রদান করা হয়েছে।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ড. আওলাদ হোসেনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে সিট বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নাই।

তথ্য উপাত্ত ছাড়া গুম-খুন নিয়ে মিথ্যাচার করছে বিএনপি: ওবায়দুল কাদের  

ডেস্ক রিপোর্ট:

ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী সভাপতির কার্যালয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

দেশ বাঁচাও আন্দোলনের নামে বিএনপি দেশকে ধ্বংস করতে চায় বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ মঙ্গলবার বিকেলে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি গুম ও খুন নিয়ে তথ্য উপাত্ত ছাড়া মিথ্যাচার করছে। দেশ বাঁচাও আন্দোলনের নামে তারা দেশটাকে ধ্বংস করতে, মানুষকে মেরে ফেলতে চায়।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির নেতৃত্বে বিরোধী দল ক্রমাগত মিথ্যাচার এবং গুজবের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপকৌশল চালিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি বলে, ১৩ জনকে জেলখানায় মেরে ফেলা হয়েছে। জেলখানায় যারা আছেন, তারাও মানুষ। তাদেরও মৃত্যু হতে পারে। জেলে বন্দী অবস্থায় মৃত্যু হবে না, সে কথা তারা বলে কী করে?’

তিনি বলেন, ‘জেলে যারা মারা গেছে তাদের নিজেদের নেতাকর্মী দাবি করে বিএনপি। কারা কারা মারা গেছে সেই তালিকা প্রকাশ করুক তারা।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, প্রচার ও প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী, মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ।

ফুল-ফাগুনের গান

এ কে সরকার শাওন:

চার দিগন্তে বন বনান্তে
জনপদে পড়েছে সাড়া;
পাত ঝরা শীতের শেষে
উৎসবে মেতেছে ধরা!

ফাল্গুধারায় হলুদ ছোঁয়ায়
সুর-লহরীর মূর্ছনায়;
বনে-মৌবনে অঙ্গনে-কাননে
ফুলেরা ডাকে ইশারায়।

হে অভিমানী প্রেয়সী সজনী
কেন মলিন মুখে বসে?
গা ঝাড়া দিয়ে জলদি এসো
হলদে ফুলের শীষে।

আর নয় রোদন এসেছে লগন
নয় অভিসার সঙ্গোপনে;
আবারো দু’জনে মিলবো ক্ষণে
এসো কবি’র কুঞ্জবনে।

আমি পড়বো পীত পাঞ্জাবী
সফেদ ধবল ইজার!
সুজানগরের আতরের ঘ্রাণে
মৌ মৌ করবে ধার।

বাসন্তী রংয়ের জগলু শাড়ীতে
তেজী লাল পাড়;
সবুজের লোকজ নকশায় ফুটবে
তোমার বসন্তের বাহার।

নানান গাদাঁ ফুলের চাঁদা
স্বহস্তে দিবো হেসে।
রক্তগাঁদার মালা পড়াবো
রাজগাঁদা গুজবো কেশে।

কানে শোভিত তাঁরাজবা
তুমি হাসলে দুলবে।
মিনুটা গাঁদার হাতের রাখি
নীরব স্বাক্ষী রইবে!

কোমল সবুজ ঘাসের গালিচায়
আমরা বসবো পাশাপাশি।
ফুলেরা রবে নীরব অনুভবে
উল্লাসে নাচবে বীথি!

ঠমকে গমকে হাসবে তুমি
মুখ যেন পূর্ণশশী।
সেই হাসির আলোকচ্ছটায়
ভুবন উঠবে উদ্ভাসি!

আমার পাঞ্জাবীর এলো বোতাম
ভালোবেসে দিবে সেঁটে!
নানান কথার ফুলঝুরিতে
তোমার হাতটি ধরবো এঁটে।

অকপটে সব মনের কথা
ফাল্গুনে বলবো তোমায়;
শাড়ীর আঁচল এলো কুন্তল
উড়াবে দক্ষিণা বায়।

মৌন হয়ে কান পেতে শুনবো
ফুল-ফাল্গুনের গান।
মন হারাবে প্রান জুড়াবে
ফাল্গুন হবে অফুরান।

হোক না বয়স ষাট-আশি
ফাল্গুন রেখো মনে।
আমি থাকি বা না-ই থাকি
মন হবে চনমনে।

কবিতাঃ ফুল-ফাগুনের গান
কাব্যগ্রন্থঃ প্রান্তিক-প্রান্তরে
কবিঃ এ কে সরকার শাওন
শাওনাজ ভিলা, উত্তরখান, ঢাকা।

বড় রাজনৈতিক দল ভোটে না এলে নির্বাচন অশুদ্ধ হবে না: সিইসি

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, বড় বড় রাজনৈতিক দল যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে নির্বাচন অশুদ্ধ হবে না। নির্বাচন অবৈধ হবে না কিন্তু নির্বাচনের যে সর্বজনীনতা সেটা খর্ব হতে পারে, গ্রহণযোগ্যতা খর্ব হতে পারে, নির্বাচনের যে ন্যায্যতা সেটাও খর্ব হতে পারে কিন্তু লিগ্যালিটি নিয়ে হয়তো প্রশ্ন হবে না।

রাজধানীর জাতীয় নির্বাচন ভবনে মঙ্গলবার সকালে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ ও বিদায়ী কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সিইসি বলেন, লিগ্যালিটির সঙ্গে লেজিটিমেটির যে সম্পর্ক আছে সেটাকে টোটালি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। আমরা যদি এর মধ্যে সঠিক সমন্বয়টা ঘটাতে পারি, তাহলে সেটা আরও সুন্দর হয়ে ওঠে।

হাবিবুল আউয়াল বলেন, বিশিষ্টজনরা; যারা স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয়—দল না; যেখানে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে, সেই স্থানে যারা জনগণকে সত্যিকারের ভালোবাসেন, জনগণের সঙ্গে পরিচিতি আছে, তারা জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচন করুক। তিনি যে দলেই হোক, তারা অংশগ্রহণ করুক এবং জনগণের কাছে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি তারা যেন পরিপূর্ণ করতে পারে নির্বাচিত হওয়ার পর।

নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে আমার যে অভিজ্ঞতা, আমারটা ভুল হতে পারে—সেখানে আমি সব সময় লক্ষ করেছি, উপস্থিতি অনেক বেশি হয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মানুষের সঙ্গে মানুষের বা ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির যে সম্পৃক্ততা, সেটা অনেক বেশি নিবিড় ও গভীর।

তিনি বলেন, যার কারণে যিনি প্রার্থী, তার সঙ্গে নৈকট্য অনেক বেশি থাকে। ফলে ভোটাররা অনেক বেশি আগ্রহী হয়ে থাকেন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদানের জন্য। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যখন সব দল অংশগ্রহণ করে এবং প্রার্থীরা ব্যাপকভাবে নির্বাচনি কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে থাকে, তখন উপস্থিতিটা আরও বেশি হয়।

বুডিচংয়ে ৫টি ইটভাটাকে ৪ লক্ষ টাকা জরিমানা

শাহ ইমরান:

কুমিল্লা বুডিচং উপজেলায় ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ৫টি ইটভাটাকে ৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) কুমিল্লা জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয় ও বুড়িচং উপজেলা প্রশাসন এর উদ্যোগে বুড়িচং উপজেলায় ইটভাটার বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত, ২০১৯) অনুসারে নিন্মোক্ত ইটভাটার বিরুদ্ধে জরিমানা ধার্য ও আদায় করা হয়।

এ সময় বুড়িচং মেসার্স এ গনি ব্রিকসকে ১ লক্ষ টাকা, মেসার্স এ আর বি ব্রিকসকে ৫০ হাজার টাকা, মেসার্স আজাদ কনস্ট্রাসটিং এন্ড ট্রেডিং ব্রিকসকে ৫০ হাজার টাকা, মেসার্স দীনা ট্রেডার্সকে ১ লক্ষ টাকা এবং মেসার্স হাজী আকবর আলী এন্ড সন্সকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানটি পরিচালনা করেন বুড়িচং উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ছামিউল ইসলাম এবং মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউশন প্রদান করেন কুমিল্লা জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের পরিদর্শক চন্দন বিশ্বাস।

এ সময় সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন বুড়িচং থানা পুলিশ।

দেখতে দেখতে ১৪ বছরে ‘মাই নেম ইজ খান’, কী লিখলেন কাজল?

বিনোদন ডেস্ক:

শাহরুখ খান এবং কাজল ১২ ফেব্রুয়ারি তারিখটি বোধ হয় কোনো দিনই ভুলতে পারবেন না। কারণ ২০১০ সালে এই দিনেই মুক্তি পেয়েছিল ‘মাই নেম ইজ় খান’। দেখতে দেখতে ১৪ বছর হয়ে গেল এই ছবির বয়স। এই ছবির ১৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার নিজের ইনস্টাগ্রামের পাতায় ‘মাই নেম ইজ় খান’-এর একটি দৃশ্যের ছবি পোস্ট করলেন কাজল।

শাহরুখ-কাজলের এই ছবি এত দিনে অনেকেই দেখে ফেলেছেন। বিভিন্ন প্রজন্মের দর্শকের মন ছুঁয়ে গিয়েছে এই ছবি। যে ছবিগুলিতে কাজল-জুটির রসায়ন জনপ্রিয়, তার মধ্যে অন্যতম হল কর্ণ জোহর পরিচালিত ‘মাই নেম ইজ় খান’।

অ্যাসপারগার্স সিন্ড্রোমে আক্রান্ত শাহরুখ অভিনীত চরিত্র ‘রিজওয়ান’। কাজল অভিনীত ‘মন্দিরা’ চরিত্রটি ছিল এক জন ‘সিঙ্গল মাদার’-এর। যে বিয়ে করে রিজওয়ানকে। কিন্তু ১১ সেপ্টেম্বরের নিউ ইয়র্ক হামলার পরে বদলে যায় তাদের জীবন। জীবন সংগ্রামের গল্প অনেক সিনেমারই বিষয়।

কিন্তু এই ছবি যেন কোথাও গিয়ে বাকিগুলির চেয়ে খানিকটা হলেও আলাদা। ‘মাই নেম ইজ়’ খানের প্রতিটি দৃশ্য অনেকেই এখন স্মৃতি না হাতড়ে বলে দিতে পারবেন।

এই ছবির প্রায় দেড় দশক পূর্তিকে উদ্যাপন করছেন কাজল। একটি ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। ছবিতে ‘রিজওয়ান’-এর কাঁধে মাথা দিয়ে বসে আছে ‘মন্দিরা’। এই ছবি পোস্ট করে কাজল লিখলেন, ফিরে দেখা রিজওয়ান এবং মন্দিরার লড়াই। অগণিত হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছিল যে দুজনের ভালবাসা।

গাজায় স্থল অভিযানে কমান্ডারসহ তিন ইসরায়েলি সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

গাজায় হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে কমান্ডারসহ আরও ৩ ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন। এতে স্থল অভিযানে মোট ২৩২ ইসরায়েলি সেনা প্রাণ হারালো। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

চার মাসের বেশি সময় ধরে গাজায় হামাস ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ চলছে। বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা আশ্রয় নিয়েছে মিশর সীমান্তবর্তী রাফা শহরে। কিন্তু সেখানেও এখন হামলা পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল। এতে ব্যাপক শঙ্কায় দিন কাটছে বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের। কারণ তাদের কাছে আর কোনো নিরাপদ জায়গা নেই।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, খান ইউনিসের পূর্বে অবস্থিত একটি ভবনে বিস্ফোরণে ওই তিন সেনা নিহত হয়েছেন।

এদিকে দক্ষিণাঞ্চলের সিনাই সীমান্তে গত দুই সপ্তাহে অন্তত ৪০টি ট্যাঙ্ক পাঠিয়েছে মিশর। সীমান্তে নিজেদের নিরপত্তা জোরদার করতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। কারণ ওই এলাকায় গাজার সঙ্গে মিশরের সীমান্ত রয়েছে।

গাজায় যে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল তা এবার রাফা পর্যন্ত বিস্তৃত করা হচ্ছে। এই রাফাতেই আশ্রয় নিয়েছে লাখ লাখ ফিলিস্তিনি। মিশরের আশঙ্কা ইসরায়েল যদি রাফায় হামলা শুরু করে তাহলে ফিলিস্তিনিরা সীমান্ত অতিক্রম করে মিশরে চলে যেতে পারে।

এরই মধ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রাফায় বেসমরিক ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেওয়া ও হামলার নির্দেশনা দিয়েছেন।

সরকারই সিন্ডিকেট, আর সিন্ডিকেটই সরকার: মান্না

ডেস্ক রিপোর্ট:

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, এই সরকার দ্রব্যমূল্য কমাতে পারবে না। কারণ এরাই সিন্ডিকেট। আর সিন্ডিকেটই সরকার।

আজ রাজধানীর মৌচাক মোড়ে নাগরিক ঐক্যের উদ্যোগে গণতন্ত্রের পক্ষে গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।

মান্না বলেন, স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে। দেশের জনগণকে এই জালিম সরকারের হাত থেকে মুক্ত করেই আমরা ফিরবো। ঢাকা মহানগরের সব থানা থেকে শুরু করে সারাদেশে আমরা জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য এই গণস্বাক্ষর কর্মসূচি চালিয়ে যাবো। পাশাপাশি সরকারের অবৈধ ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করার কর্মসূচিও থাকবে।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি আরও বলেন, আগামী ১৬ তারিখ গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোগে সরকারের লুটপাট এবং ব্যাংক ধ্বংসের প্রতিবাদে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল হবে। ১৫ তারিখ থেকে ১৯ তারিখ পর্যন্ত যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, ফার্মগেট, খামারবাড়িতে এবং ২৩ ও ২৪ তারিখে খিলগাঁওতে নাগরিক ঐক্যের গণস্বাক্ষর কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। ২০ থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবসের কর্মসূচি থাকবে। এর মানে বার্তা পরিষ্কার, আমরা তোমাকে মানছি না, রাজপথ ছাড়ছি না। তোমাকে যেতে হবে।