All posts by jitu

উন্নয়ন সহ্য হচ্ছেনা, বিদেশীরা বিএনপি-জামায়াতকে উস্কানি দিচ্ছেন : মোরশেদ আলম এমপি

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

যাদের বাংলাদেশের উন্নয়ন সহ্য হচ্ছেনা, উন্নয়ন চাচ্ছে না। তারাই বিএনপি-জামায়াতকে উস্কানি দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন, নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোরশেদ আলম।

তিনি বলেছেন, নির্বাচন হবে সংবিধান মোতাবেক। সংবিধান হলো আমাদের দলিল। আজকে নির্বাচন আসার আগেই তারা বলতেছে নির্বাচন এভাবে না ওভাবে হবে। তাদের ইন্ধন যোগাচ্ছে কিছু বিদেশী শক্তি। যাদের বাংলাদেশের উন্নয়ন সহ্য হচ্ছেনা, উন্নয়ন চাচ্ছে না। তারাই বিএনপি-জামায়াতকে উস্কানি দিচ্ছেন

রোববার (২৯ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর রামেন্দ মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত মত বিনিময় ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৩ হাজার উপকারভোগী এ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকার করে নাই, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে চায় নাই। আজকে তারাই শেখ হাসিনা ভাতা দিচ্ছে, মানুষকে বিনামূল্যে ঘর দিচ্ছে, বাংলাদেশে মেট্রোরেল দিচ্ছে, পদ্মা সেতু দিচ্ছে, এলিভেডেট এক্সপ্রেসওয়ে দিচ্ছে,এসব প্রচন্দ করছে না। এই যে মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, কর্ণফুলী টানেল, রাস্তা ঘাট, বিদ্যুতের উন্নয়ন। একটা মহল এসব উন্নয়ন প্রচন্দ করছে না, সহ্য করছে না। তারা বিভিন্ন ভাবে বাংলাদেশের উন্নয়নকে ব্যাহত করার জন্য পাঁয়তারা করে যাচ্ছে।

উপকারভোগীদের উদ্দেশ করে মোরশেদ আলম বলেন, আপনারা যদি শেখ হাসিনার আমলে ভাতা, ঘর পেয়ে থাকেন, আপনারা যদি সুখে জীবন যাপন করেন আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিবেন। আর যারা ভাতা পান নাই শেখ ক্ষমতায় থাকলে পর্যায়ক্রমে তারাও ভাতা পাবেন। আর যদি শেখ হাসিনা ক্ষমতায় না থাকে আপনাদের এ ভাতাও আপনারা আর পাবেন না। স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এলে আপনাদের ভাতা কেড়ে নিয়ে যাবে। তাই নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে জয় যুক্ত করলে আপনারা সকল ধরনের সুবিধা পাবেন।

এ সময় তিনি নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আরো বলেন, নৌকা জয়যুক্ত করা মানে আপনাদের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। আপনাদের সুখের জন্য ,শান্তির জন্য, ভাতার জন্য আপনারা নৌকায় ভোট দিবেন। শেখ হাসিনা যতদিন বাংলাদেশের অভিভাবক থাকবে ততদিন বাংলাদেশ নিরাপদ থাকবে।

সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিসান বিন মাজেদের সভাপতিত্বে নবীপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আলম রিগানের সঞ্চালনায় আলোচনাসভায় আরও বক্তব্য রাখেন, সেনবাগ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মানিক, সেনবাগ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. গোলাম কবির, সেনবাগ উপজেলা সমাবসেবা অফিসার বোরহান উদ্দিন প্রমুখ।

চৌদ্দগ্রামে শান্তিপূর্ণ হরতাল, বিরোধী শান্তি সমাবেশ করেছে আওয়ামীলীগ

ফখরুদ্দীন ইমন:

বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে হরতাল বিরোধী শান্তি সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২৯ অক্টোবর) সকালে চৌদ্দগ্রাম বাজারস্থ মুজিবুল হক মুজিব এমপির কার্যালয়ে এ উপলক্ষে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও পৌর মেয়র জিএম মীর হোসেন মীরু এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ রহমত উল্লাহ বাবুল, দক্ষিণ জেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি মমিনুর রহমান ফটিক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আকতার হোসেন পাটোয়ারী, অধ্যাপক মফিজুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক জিএম জাহিদ হোসেন টিপু, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ছৈয়দ আহম্মদ ভূঁইয়া খোকন, ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি মাহবুব হোসেন মজুমদার, মাহফুজ আলম, এ কে খোকন, কাজী ফখরুল আলম ফরহাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন ভূঁইয়া, সহ-দফতর সম্পাদক আলমগীর হোসেন বিপ্লব, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হালিম চৌধুরী নিজাম, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন পাটোয়ারী, উপজেলা যুবলীগ নেতা ইমাম হোসেন পাটোয়ারী এনাম, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তৌফিকুল ইসলাম সবুজ, সাধারণ সম্পাদক কাউছার হানিফ শুভ, পৌরসভা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জামশেদ হোসেন নয়ন প্রমুখ। পরে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মহাসড়কে একটি বিক্ষোভ মিছিল করে। মিছিলটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজার অংশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো পদক্ষিণ শেষে স্থানীয় সংসদ সদস্যের কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

এদিকে ২৮ অক্টোবর ঢাকার নয়াপল্টনের সমাবেশ থেকে বিএনপি ঘোষিত সকাল-সন্ধ্যা হরতালের পক্ষে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে রোববার দুপুরে চৌদ্দগ্রাম বাজার এলাকায় এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থান পদক্ষিণ শেষে উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এসে সমাপ্ত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক হারুনুর রশিদ সহ উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, বিএনপি ঘোষিত সকাল-সন্ধ্যা হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টহল দিতেও দেখা গেছে। মহাসড়কে এদিন দূরপাল্লার বাস সহ যান চলাচল করতে দেখা যায়নি। তবে, সিএনজি অটো-রিকসা ও দুয়েকটি প্রাইভেট গাড়ী চলতে দেখা গেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মহাসড়কের কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা দাঙ্গা-হাঙ্গামার খবর পাওয়া যায়নি। হরতালের পক্ষে কোথাও কোনো পিকেটিং হয়নি।

নোয়াখালীতে ট্রাকে আগুন-গাড়ি ভাঙচুর, আটক ৮৪

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

দেশব্যাপী বিএনপি-জামাতের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল নোয়াখালীতে ঢিলেঢালা ভাবে পালিত হয়েছে। পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে জামায়াত-বিএনপি সন্দেহে ৮৪জনকে গ্রেফতার করেছে। তবে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ ছিল।

রোববার (২৯ অক্টোবর) সকাল থেকে জেলার সোনাপুর বাস স্টেশন থেকে কোনো দূরপাল্লার বাস স্টেশন ছেড়ে যায়নি। জেলার ৯টি উপজেলার অভ্যন্তরীণ রুটে যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়। স্কুল,কলেজ ও অফিসমুখী লোকজনও ছিলেন রাস্তায়। জেলায় হরতালে কোনো প্রভাব পড়েনি।

বেলা বাড়ার সাথে সাথে জেলা শহরের অধিকাংশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলতে থাকে। জেলার গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর টহলে রয়েছে। এখানো পর্যন্ত হরতালের সমর্থনে জেলার কোথাও মিছিল বা পিকেটিংয়ের খবর পাওয়া যায়নি। হরতালে সমর্থণে মাঠে ছিলনা বিএনপি-জামায়াতের নেতা কর্মিরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাতে সেনবাগ উপজেলার সেবারহাট বাজার এলাকায় একটি ট্রাকে অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। রোববার সকালের দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলায় হরতালের সমর্থনে বিএনপির নেতাকর্মিরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। সকাল ৮টার দিকে সোনাইমুড়ী উপজেলার একটি সড়কে গাছের গুডি পেলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা করে হরতাল সমর্থকরা। দুপুর ১টা ১০মিনিটের দিকে জেলা শহর মাইজদীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামের সামনের সড়কে ১৫-২০জন বিএনপির নেতাকর্মি হরতালের সমর্থনে ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিল করে। একপর্যায়ে তারা সেখানে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। জেলা বিএনপি অভিযোগ করেছেন, তাদের ২৫জন নেতাকর্মিকে পুলিশ আটক করেছে।

অপরদিকে, হরতাল ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বেলা ১১টার দিকে জেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ। বিক্ষোভ মিছিল শেষে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম, নোয়াখালী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু প্রমূখ।

নোয়াখালী পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম বলেন, পুলিশ মাঠে রয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলা থেকে ৭ জন, হাতিয়া থেকে ১ জন কোম্পানীগঞ্জ থেকে ৬জন , বেগমগঞ্জ থেকে ১৭জন , সেনবাগ থেকে ১৪জন ,চাটখিল থেকে ৪জন ,সোনাইমুড়ী থেকে ২১ জন , সুবর্ণচর থেকে ৬ জন , ও জেলা গোয়ান্দো পুলিশ (ডিবি) ৮জন সহ মোট ৮৪জনকে গ্রেফতার করে।

কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হরতালে পক্ষে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক চৌদ্দগ্রাম অংশে হরতালের পক্ষে এই উপলক্ষে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্র শিবিরের নেতা মোঃ অপেল,আমিরুল আলম,সহ বেশ নেতাকর্মী সমর্থকদের নিয়ে মিছিল অনুষ্ঠিত, মিছিল টি মহাসড়কে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়ন বাতিসা বাতিসা বৈদ্দের বাজার মসজিদে থেকে শুরু করে পরে বাজারে এসে শেষ হয়।

মিছিলে নেতা কর্মীদের মুক্তি দাবী ও শান্তিপুর্ন হরতাল ডাকা পালন করার অনুরোধ করা হয়।
সরকারের কথা বালা হয়েছে। এই দিকে মহাসড়কে যান চলাচলের কোন দূরপাল্লার বাসের দেখা মেলেনি,

পুলিশ সদস্য হত্যায় জড়িত দুজন গ্রেফতার

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার এই মামলায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পলাশবাড়ী পৌর যুবদলের আহ্বায়ক শামীম রেজাকে গাইবান্ধা থেকে গ্রেফতার করা হয়। অন্যজন মো. সুলতানকে ডেমরা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় রোববার সকালে পুলিশবাদী হয়ে ডিএমপির পল্টন থানায় এ মামলা দায়ের করে।

এর আগে শনিবার বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের মহাসমাবেশ ঘিরে সংঘর্ষে এক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার বিকাল ৪টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সোয়া ৪টায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. আমিরুল ইসলাম পারভেজ। তার বাবার নাম মো. সেকান্দার আলী মোল্লা। তার বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারী গ্রামে।
তিনি কনস্টেবল হিসেবে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তিনি ১৩-০৮-২০১১ তারিখে চাকরিতে যোগদান করেছিলেন।

বিএনপি নেতারা কি সহিংসতার দায় এড়াতে পারবেন কি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি নেতারা ২৮ অক্টোবরের সহিংসতার দায় এড়াতে পারবেন কি, প্রশ্ন তুলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

রোববার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতির বাড়িতে যারা ঢুকেছে তাদের চিহ্নিত করে মামলা হবে। পুলিশকে পিটিয়ে হত্যার জন্য মামলা হবে। হাসপাতালে হামলার ঘটনায় মামলা হবে। গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায়ও মামলা হবে। আমার জানা মতে শ’খানেক পুলিশ আহত হয়েছে। আওয়ামী লীগের মহিলা নেত্রীদের ওপরও হামলা হয়েছে।

সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা করতে চাইলে মামলাগুলো নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

বিএনপি নেতাদের গ্রেফতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ সহিংসতা যখন হচ্ছিল তখন সিনিয়র নেতারা মিটিং করছিলেন। তাদের ডিএমপি কমিশনার বার বার জিজ্ঞেস করছিলেন তাদের মহাসমাবেশের সীমানা কতো দূর হবে, তারা জানিয়েছিল নাইটেঙ্গেল মোড় পর্যন্ত। কিন্তু তারপরও যে সহিংসতা হয়েছে সেটির দায় কি বিএনপি নেতারা এড়াতে পারবেন?

বিএনপির উগ্রকর্মীদের আক্রমণ থেকে হাসপাতালও রেহাই পায়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন। আসাদুজ্জামান খান বলেন, বিএনপি প্রচার চালিয়েছিল তাদের সমাবেশে দশ লাখ লোক নিয়ে আসবেন। আমাদের পুলিশ কমিশনার তখন বলেছিলেন, এমনিতেই ঢাকা শহরে যানজট, তারপর দশ লাখ লোক নিয়ে আসবেন। আপনারা কোথায় কী করতে চান, মাঠে যান। তারা মাঠে না গিয়ে নিজেদের দলীয় অফিসের সামনে সমাবেশ করেছেন।

আমাদের পুলিশ কমিশনার তাদের কাছে কয়েকটি প্রশ্ন রেখেছিলেন, কেবল তাদেরই না, আমাদের আওয়ামী লীগের সমাবেশ নিয়েও প্রশ্ন করেছিলেন। সেগুলো হচ্ছে, আপনারা কতক্ষণ সমাবেশ করবেন, কোন জায়গা থেকে কোন জায়গা পর্যন্ত আপনাদের সমর্থকরা অবস্থান করবেন? আপনারা কোনো ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারবেন না। পুলিশ কমিশনার এমন অনেকগুলো নির্দেশনা দিয়েছিলেন, যোগ করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, তারা জানিয়ছিলেন, একদিকে নাইটিঙ্গেল মোড়, অন্যদিকে, ফকিরাপুলের মোড় পর্যন্ত তারা থাকবেন। কোনো সহিংসতা না করারও অঙ্গীকার করেছিলেন তারা। আমরা অনেক দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, পাশাপাশি আমাদের আওয়ামী লীগও একটা শান্তি সমাবেশ ডেকেছিল। সেটাও এতো মানুষ সেখানে এসেছিল, সঙ্গত কারণে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়েও দুয়েকটা ছোটো ছোটো দল যাচ্ছিল। বিশেষ করে টেম্পু ও লেগুনা নিয়ে নারীদের একটি গ্রুপ যাচ্ছিলেন। তখন হঠাৎ করে লেগুনায় আক্রমণ করে নারীদের মারধর করা হয়েছে। পুলিশ তখন তাদের বাধা দেয়।

এরপর বিএনপির নেতাকর্মীরা মারমুখী হয়ে যান। তারা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। এখানেই শেষ না, প্রধান বিচারপতির বাসভবনের ফটক ভেঙে ঢুকে যেতে কোনোদিন কোনো দেশে দেখিনি। সে ঘটনাও তারা ঘটিয়েছে। তারা ফটক ভেঙে ভিতরে ঢুকে যায়, তখন বাধ্য হয়ে ধৈর্যের সঙ্গে এগুলো মোকাবিলা করে পুলিশ। তখন তারা বাধ্য হয়ে তাদের হটিয়ে নাইটিঙ্গেল মোড় পর্যন্ত নিয়ে যায়। এরপর বিএনপি নেতাকর্মীরা যেসব ধ্বংসাত্মক কাজ তারা করেছে, আমরা দেখেছি। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের ভেতরে ঢুকেও তারা ভাঙচুর করে। ভেতরে গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

তারা যেখান দিয়ে গেছে, সেখানেই ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। নাইটিঙ্গেলের পরে কিন্তু পুলিশ আর ঢোকেনি। পরবর্তীতে আমরা দেখলাম, বিএনপি নেতাকর্মীরা পকেটে করে নিয়ে আসা ইটপাটকেল ও গুলতি দিয়ে মারবেল ছুড়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। যা আমাদের কাছে ভিডিও করা আছে।

দাউদকান্দিতে হরতালের প্রভাব নেই, আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ ও হরতাল বিরোধী মিছিল

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

সারাদেশে বিএনপির ডাকা হরতালে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে তেমন কোন প্রভাব পরেনি। সকাল থেকে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কসহ অভ্যন্তরীন রুটে চলাচল করছে গনপরিবহন সহ সকল ধরনের যানবাহন। সাধারন মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রয়েছে। তবে মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ন স্থানে পুলিশের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। যে কোন ধরনের অপৃতিকর ঘটনা এড়াতে তৎপর রয়েছে থানা পুলিশ ।
সকাল থেকেই মহাসড়কের দাউদকান্দি এলাকায় দেখা গেছে, ভোর থেকেই গণপরিবহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। দুপুর পর্যন্ত এই এলাকায় হরতালের কোনও প্রভাব পড়েনি। তুলনামূলক বাস চলাচল কিছুটা কম, তবে চালকরা বলেছেন ধীরে ধীরে বাড়বে। এদিকে সবধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে আগেই প্রস্তুতি নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে রবিবার সকালে শান্তিসমাবেশ ও হরতাল বিরোধী মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মহাসড়কের দাউদকান্দি টোলপ্লাজা, শহিদনগর, গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডে, রায়পুর এবং ইলিয়টগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে পৃথকভাবে হরতাল বিরোধী মিছিল ও শান্তি সমাবেশ করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

গৌরপুরে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি নেতা ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম চেয়ারম্যানের বাসভবনের সামনে শান্তি সমাবেশ থেকে দাউদকান্দিকে হরতালমুক্ত ঘোষনা করে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মেজর অবঃ মোহাম্মদ আলী বলেন, দাউদকান্দির সকল বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্টান, শিক্ষা প্রতিষ্টানসহ সব সবকিছু খোলা রয়েছে, বিএনপি জামাতের নাশকতা প্রতিহত করতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মাঠে রয়েছে এবং থাকবে। শান্তি সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তারিকুল ইসলাম নয়ন, উপজেলা যুবলীগ নেতা মমিনুল হক, ইসমাঈল হোসেন, যায়েদ আহমেদ জুলহাস, গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নোমান মিয়া, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ছমির আলম সরকার, সাধারণ সম্পাদক ওয়াদুদ সরকার প্রমূখ।

বাবার পক্ষে মরণোত্তর ডিগ্রি গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাবার পক্ষে মরণোত্তর ডিগ্রি গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিশেষ সমাবর্তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ডক্টর অব লজ (মরণোত্তর) ডিগ্রি দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বঙ্গবন্ধুর পক্ষে এ ডিগ্রি গ্রহণ করেন তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় বঙ্গবন্ধুর পক্ষে এ সনদ বুঝে পাওয়ার জন্য সই করেন তিনি।

রোববার বেলা ১১টায় শুরু হওয়া বিশেষ সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ অনুযায়ী বঙ্গবন্ধুকে এ ডিগ্রি দেওয়া হয়। ডিগ্রি প্রদানের ঘোষণা দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

এর আগে বেলা ১০টা ৫৮ মিনিটে তিনি সমাবর্তনস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত অতিথিরা প্রধানমন্ত্রীকে করতালির মাধ্যমে বরণ করে নেন।

বেলা ১১টার দিকে জাতীয় সংগীত পাঠের পর সমাবর্তনের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সমাবর্তনের উদ্বোধনের ঘোষণা দেন।

শেষ ৩ ম্যাচে সমর্থকদের কিছু দিতে চান অধিনায়ক সাকিব

ডেস্ক রিপোর্ট:

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে হারের আগে নানা সমীকরণে হয়তো সেমিফাইনালে যাওয়ার দৌড়ে টিকে ছিল বাংলাদেশ। তবে গতকাল (শনিবার) ডাচদের কাছে ৮৭ রানের পরাজয়ের পর আর কোনো সমীকরণ-ই টিকে নেই। টুর্নামেন্টে আরও তিন ম্যাচ বাকি রয়েছে টাইগারদের। যেখানে ভালো করে সমর্থকদের কিছু দেওয়ার প্রত্যাশা করছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

আগামী ৩১ অক্টোবর একই ভেন্যু বলকাতার ইডেন গার্ডেনে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সে ম্যাচ নিয়ে টানা হারের বৃত্তে থাকা অধিনায়ক সাকিবের ভাবনা জানতে চাওয়া হয়। জবাবে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের প্রতিপক্ষ নিয়ে ভাবার সুযোগ নেই। আমাদের শুধু নিজেদের খেলাটা খেলতে হবে। নিজেদের চাঙা রাখতে হবে। আর কোনো উপায় নেই।’

পরবর্তী তিন ম্যাচ থেকে সমর্থকদের কিছু ফিরিয়ে দিতে চান সাকিব নিজেও, ‘আমাদের তিন ম্যাচ খেলতেই হবে। যদি আমরা বাংলাদেশের মানুষকে কিছু ফিরিয়ে দিতে পারি, সেটা দারুণ হবে।’

তবে এমন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ভালো কিছু করা কঠিন– সেটিও স্বীকার করলেন সাকিব, ‘সত্যি কথা বলতে খুবই কঠিন এখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানো। তিন ম্যাচ আছে। অন্তত ভালো কিছু করার সুযোগ এখনও আছে আমাদের। তবে খুবই কঠিন। চেষ্টা ছাড়া আমাদের কিছুই করার নেই। আজকের দিনটা যদি ভুলে গিয়ে সামনের ম্যাচটায় মনোযোগ দিতে পারি, তাহলে ভালো হবে। আমরা যেখানে আছি সেখান থেকে এটা করা খুবই কঠিন।’

পাকিস্তানের পর বাংলাদেশের বাকি দুই ম্যাচের প্রতিপক্ষ যথাক্রমে শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়া। প্রথমটি দিল্লি এবং পুনের ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের হতাশার এক বিশ্বকাপ শেষ হবে। এখন পর্যন্ত ৬ ম্যাচের কেবল একটিতে জিতেছে সাকিবের দল। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে তারা আফগানিস্তানকে হারায়, এরপর তারা আর কোনো ম্যাচেই ন্যূনতম লড়াইয়ের মানসিকতাও দেখাতে পারেনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ডেস্ক রিপোর্ট:

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মরণোত্তর ডিগ্রি প্রদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার  বেলা ১০টা ৫৮ মিনিটে তিনি সমাবর্তনস্থলে পৌঁছান। এসময় উপস্থিত অতিথিরা প্রধানমন্ত্রীকে করতালির মাধ্যমে বরণ করে নেন।

বেলা ১১টার দিকে জাতীয় সংগীত পাঠের পর সমাবর্তনের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সমাবর্তনের উদ্ধোধনের ঘোষণা দেন।

এসময় সমাবর্তনমঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সমাবর্তনবক্তা বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ পাঠের মাধ্যমে এ সমাবর্তনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

সমাবর্তনে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে বিশেষ ডিগ্রি নেবেন তার পরিবারের সদস্যরা।