Tag Archives: গ্রেফতার

কলেজ ছাত্রীকে

কলেজ ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় যুবক গ্রেফতার

কলেজ ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় যুবক গ্রেফতার

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কলেজ ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় সাকিব আহম্মেদ নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

গ্রেফতারকৃত যুবক উপজেলার হাসনাবাদ গ্রামের রিপন মিয়ার ছেলে।

শনিবার ভোরে নরসিংদীর পলাশে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব ১১’র কোম্পানি কমান্ডার মাহমুদুল হাসান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

র‌্যাব জানায়, ওই ছাত্রীকে প্রায়ই প্রেমের প্রস্তাব দিত সাকিব। এতে সাড়া না পেয়ে বিভিন্ন ধরনের হুমকিসহ অপহরণের ভয় দেখায়। পরে ২০ সেপ্টেম্বর সাকিব ও তার সহযোগীরা ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে মাইক্রোবাস যোগে গাজীপুরের কোনাবাড়ী উপজেলার একটি বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণ করে সাকিব। পরে পরিবারের লোকজন ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে।

র‌্যাবের কোম্পানি কমান্ডার মাহমুদুল হাসান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাকিব ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

ওবায়দুল কাদের-হারুন-নানকের

ওবায়দুল কাদের-হারুন-নানকের তথ্য পেলেই গ্রেফতার: র‌্যাব

ওবায়দুল কাদের-হারুন-নানকের তথ্য পেলেই গ্রেফতার: র‌্যাব

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাবেক ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের বিষয়ে তথ্য পেলে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

রোববার (৬ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস এ কথা বলেন।

র‌্যাব ইতোমধ্যে অনেক হেভিওয়েটকে গ্রেফতার করেছে। তবে এখন পর্যন্ত ওবায়দুল কাদের, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও হারুন অর রশীদের মতো বিতর্কিতদের গ্রেফতার করতে পারেনি। তাদের গ্রেফতারের অগ্রগতির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “তাদের বিষয়ে আমাদের কাজ চলছে। তথ্য পেলেই গ্রেফতার করা হবে।”

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গণহত্যায় জড়িতদের গ্রেফতারে র‌্যাবের ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস জানান, ৫ আগস্টের পর থেকে র‌্যাব এক হাজার ৭০ জনকে গ্রেফতার করেছে। এর মধ্যে বিগত সরকারের উচ্চপর্যায়ের ৩৯ জন রয়েছেন। পাশাপাশি অস্ত্র হাতে ছাত্র-জনতার ওপর গুলির ঘটনায় ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

র‌্যাব নেতৃত্বস্থানীয় রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে উচ্চপর্যায়ের অনেককেই গ্রেফতার করেছে। এছাড়া বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে। তিনি বলেন, “যদি কেউ কোনো তথ্য পান, তাহলে র‌্যাবকে দিলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। র‌্যাব সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে আছে।”

পুলিশের ৯০ জনের বেশি কর্মকর্তা এজাহারভুক্ত আসামি হলেও র‌্যাবের কোনো সদস্যকে আসামি করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে মুনীম ফেরদৌস বলেন, “র‌্যাবের কোনো সদস্য পালিয়ে যায়নি। অন্য বাহিনীতে হলেও র‌্যাবের কোনো সদস্য কর্মবিরতিতে যায়নি।”

তিনি আরো জানান, “আটটি বাহিনী থেকে র‌্যাবে সদস্য আসে। র‌্যাবের ১০ হাজার সদস্যের মধ্যে প্রায় ৪৪ শতাংশ পুলিশ বাহিনী থেকে আসে। কিন্তু র‌্যাবে কোনো সমস্যা ছিল না। ছাত্র-জনতার ওপর র‌্যাব কখনোই মারণাস্ত্র-গুলি ব্যবহার করেনি। র‌্যাব ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সঙ্গে ছিল এবং অভ্যুত্থান সফল করতে কাজ করে যাচ্ছে।”

কুমিল্লায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে

কুমিল্লায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাকারবারী ও মানবপাচারকারী আসামি গ্রেফতার

কুমিল্লায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাকারবারী ও মানবপাচারকারী আসামি গ্রেফতার

শাহ ইমরান:

ভারত (ত্রিপুরা)-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাকারবারী ও মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস টিম।

বুধবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানার শংকুচাইল বাজারে পাকা রাস্তার উপর থেকে কোতয়ালী মডেল থানার নিয়মিত মামলার আসামি মোঃ সুমন মিয়া মেম্বার (৩৬) গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামি কুমিল্লার দক্ষিণ তেথা ভূমি এলাকার বাসিন্দা, তার পিতার নাম আলী আশরাফ ও মাতার নাম নেহারা বেগম।

জেলা গোয়েন্দা শাখা সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন থানায় অভিযান চালানোর সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। সুমন মিয়া মেম্বারের বিরুদ্ধে চোরাচালান ও মানবপাচারের একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চোরাকারবারী ও মানবপাচার রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

গ্রেফতার সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব

গ্রেফতার সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম

গ্রেফতার সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম

ডেস্ক রিপোর্ট:

ডামি নির্বাচনের কারিগর, নির্বাচন কমিশন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমকে গুলশান থেকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) শাখার একটি দল।

মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া ও জনসংযোগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

তিনি জানান, ডামি নির্বাচনের পরিকল্পনাকারী ও নির্বাচন কমিশন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমকে গুলশান এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৪ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এই সচিবকে সরকার বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছিল।

উল্লেখ্য, জাহাঙ্গীর আলম এ বছরের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বিতর্কিত সংসদ নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশন সচিবের দায়িত্বে ছিলেন।

চৌদ্দগ্রামে যৌথ বাহিনীর অভিযানে

চৌদ্দগ্রামে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমান অস্ত্র সহ যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

চৌদ্দগ্রামে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমান অস্ত্র সহ যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গুলিসহ জালাল উদ্দিন প্রকাশ সজিব (৪১) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। তিনি উপজেলার কনকাপৈত ইউনিয়নের হিংগুলা মুন্সি বাড়ির আবদুল হাইয়ের ছেলে।

তথ্যটি শুক্রবার বিকালে নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ.টি.এম. আক্তার উজ জামান। গ্রেফতারকৃত সজিব যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত।

চৌদ্দগ্রাম সেনাবাহিনীর ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ভোরে সেনাবাহিনীর চৌদ্দগ্রাম ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর মাহিনের নেতৃত্বে যৌথবাহিনীর একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জালাল উদ্দিন প্রকাশ সজিবের বাড়িতে অভিযান চালায়।

এ সময়ে যৌথ বাহিনী তাকে আটক করলে স্বীকারউক্তি মোতাবেক সজিবের গোয়াল ঘর থেকে একটি দেশীয় তৈরী পাইপগান, দুটি দেশীয় তৈরী এক নলা বন্দুক, শর্টগানের কার্তুজ ২টি, রাবার কার্তুজ একটি, একটি বড় কাটার, ৫টি দেশীয় দা, দামা, ছুরি, একটি পিস্তলের ম্যাগাজিন, এয়ারগানের ১৩৬টি কার্তুজ, ৩০টি ফয়েল পেপার ও ৭ ৫০ গ্রাম বিভিন্ন বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করে। তাকে চৌদ্দগ্রাম থানায় সোর্পদ করেছে।

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ.টি.এম. আক্তার উজ জামান বলেন, বিপুল পরিমাণের অস্ত্রসহ যৌথবাহিনী জালাল উদ্দিন প্রকাশ সজিব নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে থানায় সোর্পদ করেছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

কুমিল্লায় চিহ্নিত অস্ত্রধারী যুবককে

কুমিল্লায় চিহ্নিত অস্ত্রধারী যুবককে গ্রেফতার করেছে যৌথ বাহিনী

কুমিল্লায় চিহ্নিত অস্ত্রধারী যুবককে গ্রেফতার করেছে যৌথ বাহিনী

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা জেলা সদর উপজেলার সাহেবনগর এলাকা থেকে মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম জুয়েল নামের চিহ্নিত অস্ত্রধারীকে গ্রেফতার করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী। সে ৪ আগস্ট টিপরা বাজার এলাকায় বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করা ছাত্রজনতার উপর গুলি বর্ষণ করে।

বৃহস্পতিবার ( ১২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪ টায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের একটি দল ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে যৌথ অভিযানের মাধ্যমে সাহেবনগর এলাকা থেকে মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম জুয়েলকে গ্রেফতার করে। তার বাসা তল্লাশি করে কোন অস্ত্র পাওয়া যায় নাই।

গ্রেফতার হওয়া মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম জুয়েল কুমিল্লা সদরের সাহেবনগর এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে।

তাকে রাতে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, নাজমুল ইসলাম জুয়েল টিপরা বাজার এলাকায় আন্দোলনরত বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের উপর গুলি চালায়। এ বিষয়টি উক্ত এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরা এর ফুটেজ দ্বারা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য সোর্সের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

লাকসামে চাঞ্চল্যকর

লাকসামে চাঞ্চল্যকর সাইমন হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, মূল আসামী গ্রেফতার

লাকসামে চাঞ্চল্যকর সাইমন হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, মূল আসামী গ্রেফতার

শাহ ইমরান:

কুমিল্লা জেলার লাকসাম থানার আলোচিত ও ক্লুলেস মোঃ শাহজাহান প্রকাশ সাইমন (১৭) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। গত ৩ সেপ্টেম্বর লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিত্যক্ত কোয়ার্টারের ভেতরে খাটের ওপর সাইমনের মৃতদেহ সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। তার গলা কাটা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তার মৃতদেহ থেকে পচা রক্ত ও পানি বের হচ্ছিল।

পরে সাইমনের পিতা আবদুল হান্নান বাদী হয়ে লাকসাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে কুমিল্লা পুলিশের একটি বিশেষ দল সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থেকে প্রধান আসামী আব্দুল ওয়াদুদ প্রকাশ মানিক (২৪) কে রবিবার ৮ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে মানিকের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাইমনের অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার এবং অপর আসামী মোঃ সানাউল্লাহ (২৪) কে লাকসাম থেকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে মানিক স্বীকার করে যে, সানাউল্লাহর সাথে সাইমনের পূর্বের একটি মাদক সেবন নিয়ে ঝগড়া হয়েছিল এবং সাইমন সানাউল্লাহর মোবাইল নিয়ে যায়। এই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে তারা সাইমনকে হত্যার পরিকল্পনা করে। হত্যাকাণ্ডের দিন তারা সাইমনকে লাকসাম হাসপাতালের পরিত্যক্ত কোয়ার্টারে নিয়ে যায়, সেখানে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে মানিক কাঠের লাঠি দিয়ে সাইমনের মাথায় আঘাত করে এবং সানাউল্লাহ ব্লেড দিয়ে তার গলা কাটে।

গ্রেফতারকৃত মানিক আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশ এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

কুমিল্লার হোমনায়

কুমিল্লার হোমনায় মা ও ছেলেসহ ট্রিপল হত্যার রহস্য উদঘাটন, মূল আসামি গ্রেফতার

কুমিল্লার হোমনায় মা ও ছেলেসহ ত্রিপল হত্যার রহস্য উদঘাটন, মূল আসামি গ্রেফতার

শাহ ইমরান:

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার বড় ঘাপটিয়া গ্রামে ঘটে যাওয়া মা, ছেলে ও বাবাসহ ট্রিপল হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।

গত ৫ই সেপ্টেম্বর, সকালে গ্রামের মৃত মাহমুদ হোসেন (৩৫), তার স্ত্রী মায়মুনা (৩০) এবং তাদের শিশু সন্তান সাইমন (৯)কে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় তাদের নিজ বাড়িতে।

উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে নিহত মাহমুদার পিতা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করলে, কুমিল্লা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় হত্যা কান্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোমনা থানার চরেরগাঁও এলাকা থেকে আসামী মো: আক্তার হোসেন সুমনকে গ্রেফতার করা হয়।

রবিবার দুপুরে কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানায় জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আসফিকুজ্জামান আকতার।

তিনি আরো জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, নিহত মাহমুদা আক্তার ও আসামী আক্তার হোসেন সুমন নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। উক্ত সম্পর্কের ভিত্তিতে নিহত মাহমুদা আক্তার মাঝে মাঝে আসামীর কাছ থেকে টাকা ধার নিতেন। ঘটনার কিছুদিন আগে মাহমুদা আসামীর কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ধার চায়। আসামী পূর্বের ধারের ৩৫ হাজার টাকা না পেয়ে নতুন করে ধারের টাকা না দেওয়ায় মাহমুদা আসামীর মা-বাবাকে নিয়ে বিশ্রী ভাষায় গালিগালাজ করে। এতে আসামীর মনে প্রচন্ড রাগ ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

পরবর্তীতে আসামী ধারের টাকা নেওয়ার জন্য তার বাড়িতে আসতে বললে আসামী আক্তার হোসেন সুমন ঐ দিন রাত ৯টায় মাহমুদার ঘরে যায়। আসামী আক্তার, মাহমুদা, মাহমুদার ছেলে সাহাদ এবং মাহমুদার ফুফাতো ভাশুরের মেয়ে তৃষা সকালে মিয়ে পিয়াজু, সিঙ্গারা ও আখ খেয়ে রাতে সাহাদ ও তৃষা ঘুমিয়ে যায়। এসময়ে আসামী মাহমুদার কাছে পুনরায় ধারের টাকা ফেরত চাইলে সে আবার আসামীর মা-বাবাকে নিয়ে বিশ্রী ভাষায় গালিগালাজ করে।

মাহমুদা আসামী আক্তারকে সকালে টাকা দিবে বলে রাতে তার বাড়িতেই থাকতে বলে। মাহমুদা ঘুমিয়ে পড়লে আসামী তাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। পরে রাত্রে মাহমুদাকে ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যা করে। পরবর্তীতে কোনো প্রমাণ না রাখার উদ্দেশ্যে সাহাদ ও তৃষাকেও ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যা করে। আসামী তাদের মৃত্যু নিশ্চিত করতে খাটের নিচে থাকা কাঠের ফাইল দিয়ে ৩ জনের মাথায় পিটিয়ে গুরত্বর জঘম করে মৃত্যু নিশ্চিত করে।

চাঁদপুরে লঞ্চঘাট থেকে মাদক কারবারি গ্রেফতার

ডেস্ক রিপোর্ট:

চাঁদপুর লঞ্চঘাটে ৪ কেজি গাঁজাসহ মো. মামুন হোসেন (২৬) নামে কারবারিকে নৌ-পুলিশ গ্রেফতার করেছে। রবিবার মাঝরাতে লঞ্চঘাটের দ্বিতীয় পন্টুন থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সে কুমিল্লা সীমান্তর্বর্তী এলাকা থেকে গাঁজাগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসে।

মামুন কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার লক্ষীপুর গ্রামের মৃত: মফিজুর রহমান মিয়ার ছেলে।

সোমবার তার বিরুদ্ধে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন চাঁদপুর নৌ থানার ওসি মো: মনিরুজ্জামান মনির।

তিনি বলেন, রাতে থানার এসআই মো: ময়নাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে লঞ্চঘাটের দ্বিতীয় পন্টুন থেকে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার সাথে থাকা ব্যাগ থেকে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় নিয়মিত মামলা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৪ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ডেস্ক রিপোর্ট

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কসবায় ২৪ কেজি গাঁজাসহ মো. এরশাদ মিয়া (৩৬) ও নূরুল হক ওরফে নূরু মিয়া (৩৮) নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার ভোরে কসবা পৌর শহরের দক্ষিণ কসবা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত এরশাদ মিয়া কসবা উপজেলার শিমরাইল সাতপাড়া গ্রামের হাছন মিয়ার ছেলে ও নূরুল হক একই এলাকার ফয়েজ মিয়ার ছেলে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু আহমেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার ভোরে কসবা পৌর শহরের দক্ষিন কসবা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে তাদের সাথে থাকা বস্তা তল্লাশী করে ২৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।