Tag Archives: খুন

হোমনার মনিপুরে ৩ খু’নের হ’ত্যাকারীদের গ্রেপ্তা’রের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

 

রাসেল আহমেদ, হোমনা :

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার মনিপুর গ্রামে চাঞ্চল্যকর একই পরিবারের ৩জন কে জ’বাই করে হ’ত্যার ঘটনায় দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৪ মার্চ) সকাল ১০ টায় এলাকাবাসীর আয়োজনে মনিপুর বাজারে এ মানববন্ধন ও বিক্ষো’ভ পালিত হয়। এতে নি’হতদের স্বজন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, ছাত্রছাত্রীসহ গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “ চাঞ্চল্যকর এ হ’ত্যাকান্ডের ১৬ দিন অতিবাহিত হলেও এই নৃ’শংস হ’ত্যাকাণ্ডের আসামিরা এখনও গ্রেফতার হয়নি। আমরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি— অবিলম্বে খু’নিদের গ্রে’ফতার করে সর্বোচ্চ শা’স্তি নিশ্চিত করা হোক।”

তারা আরও বলেন, এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় আ’তঙ্ক ও ক্ষো’ভ বিরাজ করছে। প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় অপ’রাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পরিবারের সদস্য ছাড়া ও চট্টগ্রামের জব্বারের বলীখেলার চ্যাম্পিয়ন কুস্তিগীর বাঘা শরীফ, মো. রেজাউল করিম, মো.শহিদুল্লাহ প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে একটি বি’ক্ষোভ মিছিল মনিপুর গ্রাম প্রদক্ষিণ করেন।

উল্লেখ্য, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে উত্তর মনিপুর গ্রামের প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী পাপিয়া আক্তার সূখি (৩২), তার চার বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ হোসাইন এবং ভাতিজা জুবায়ের (৫)-কে গ’লাকেটে হ’ত্যা করা হয়। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষো’ভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। কিন্ত হ’ত্যার রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো৷. মোরশেদ আলম চৌধুরী জানান, মানববন্ধন করা নাগরিক অধিকার। তবে হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে কাজ করছে পুলিশ সহ কয়েকটি সংস্থা। আশা করছি দ্রুত এর রহস্যউদঘাটন করতে সক্ষম হবো।

কুমিল্লা সদরে মাদক ব্যবসায় বাঁধা দেওয়ায় মা–ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা

 

হাবিবুর রহমান মুন্না:

কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী বসন্তপুর গ্রামে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় বড় ভাইয়ের হাতে মা ও ছোট ভাই নিহত হওয়ার ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকালে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

নিহতরা হলেন, বসন্তপুর গ্রামের মৃত আজগর আলীর স্ত্রী রাহেলা বেগম (৬৫) এবং তার ছোট ছেলে কামাল হোসেন (৩৫)। ঘটনার পর ঘাতক বড় ভাই বিল্লাল হোসেন পলাতক রয়েছে। তবে পুলিশ বিল্লালের স্ত্রী আকলিমা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, বিল্লাল একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সকালে বিল্লাল মাদক নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করলে ছোট ভাই কামাল তাকে নিষেধ করে। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে বিল্লাল ঘর থেকে ছুরি এনে কামালের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। মা রাহেলা বেগম ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। ঘটনাস্থলেই কামাল মারা যান এবং গুরুতর আহত রাহেলা বেগমকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।

কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মহিনুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা নিয়ে দু’ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ ছিল। এছাড়া জমি-সংক্রান্ত বিরোধও পারিবারিক উত্তেজনার কারণ ছিল। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কুমিল্লায় মাদক ব্যবসা নিয়ে

কুমিল্লায় মাদক ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্ব: ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

কুমিল্লায় মাদক ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্ব: ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

স্টাফ রিপোর্টার:

মাদক ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে কুমিল্লায় ছুরিকাঘাতে সজিব হোসেন বাবু নামে এক যুবক খুন হয়েছে। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে নগরীর একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে নগরীর অশোকতলা এলাকায় স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয় সজিব।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেবিদ্বার উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের বাসিন্দা সজিব হোসেন বাবু নগরীর অশোকতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। ওই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী নয়ন বন্ড ও তার সহযোগীদের সঙ্গে মাদক ব্যবসা নিয়ে বাবুর বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জেরে মঙ্গলবার রাতে নয়ন বন্ড ও তার সহযোগীরা সজিবকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করে।

পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নগরীর ঝাউতলা এলাকার মুন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু বুধবার বেলা ১১ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম জানান, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।

সদর দক্ষিণের পেট্রোল পাম্পে কর্মচারীর হাতে কর্মচারী খুন

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় পেট্রোল পাম্পের কর্মচারী রাব্বি’র হাতে মারুফ (১৮) নামের আরেক কর্মচারী খুন হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (১০ মে) সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে বেলতলী কৃষ্ণপুরস্থ অধ্যক্ষ কবির আহম্মেদের মালিকানাধীন এস.কে পেট্রোল পাম্পে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মারুফ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের বেলতলী বাজার সংলগ্ন ঘোষগাঁও গ্রামের মৃত হাফিজুল ইসলামের ছেলে।

ঘাতক রাব্বি একই উপজেলার বেলতলী বাজার সংলগ্ন কৃষ্ণপুর গ্রামের শাহজানের ছেলে। ঘটনার পর পরই পলাতক ঘাতক রাব্বি।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবাশীষ চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনার তদন্ত অনুসারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 জামাল হত্যাকান্ডে জড়িত সোহেলসহ ৩ জন গ্রেফতার, বিদেশে পালিয়েছে ৫ জন

ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু:
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে তিতাস উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল হোসেন হত্যা মামলার অন্যতম মাষ্টারমাইন্ড সোহেল সিকদারসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ সদস্যরা। হত্যাকান্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া ৫ আসামি বিদেশে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে বলে একাধিক সূত্র জানায়। এতে করে কিলিংয়ে অংশ নেওয়া আসামিরা গ্রেফতার না হওয়ার আশংকা রয়েছে।

রবিবার (৭ মে) বেলা ১১ টায় প্রেস ব্রিফিং করে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক লে.কর্ণেল তানভীর মাহমুদ পাশা।

গ্রেফতার হওয়া আসামিরা হলেন, কুমিল্লার তিতাস উপজেলার জিয়ারকান্দি গ্রামের খুরশিদ মিয়ার ছেলে মোঃ ইসমাইল (৩৬), তিতাস উপজেলার মনাইরকান্দি গ্রামের মো: আক্তার হোসেন শিকদারের ছেলে মোঃ শাহীনুল ইসলাম @সোহেল শিকদার (৪০) দাউদকান্দি উপজেলার গোপচর গ্রামের মৃত. বজলুর রহমানের ছেলে শাহ আলম @পা কাটা আলম (৩৬)।

গত ৩০ এপ্রিল রাতে কুমিল্লার দাউদকান্দির গৌরীপুর পশ্চিম বাজার সংলগ্ন মসজিদের সামনে তিতাস উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল হোসেন (৪৫) খুন হন। ঐ দিন রাত আনুমানিক ২০:১০ ঘটিকায় ০৩ জন বোরকা পরিহিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী পূর্ব পরিকল্পনানুযায়ী গৌরীপুর পশ্চিম বাজার সংলগ্ন মসজিদের পাশে একটি দোকানের সামনে দাড়িয়ে থাকা অবস্থায় জামাল হোসেনের উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এই সময়ে বোরকা পরিহিত হামলাকারীরা জামালের উপর এলোপাথাড়িভাবে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। অতঃপর জামাল গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। আহত জামালকে ঘটনাস্থলের উপস্থিত লোকজন গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিমকে মৃত ঘোষণা করে। হত্যাকান্ডের পরপরই র‌্যাব-১১ ও র‌্যাব সদর দপ্তরের একাধিক গোয়েন্দা দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং আসামীদের সনাক্তকরণের নিমিত্তে কাজ শুরু করে। উক্ত হত্যাকান্ডের ঘটনায় গত ০২ মে নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ ৭/৮ জন অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে দাউদকান্দি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনাস্থল ও ঘটনাস্থলের আশেপাশে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা যায়, বোরকা পরিহিত ৩ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী স্বাভাবিক পথচারীর বেশে ঘটনাস্থলে আসে। এ সময়ে ভিক্টিম জামাল , হত্যায় জড়িত ৩ নং আসামী মোঃ ইসমাইল (৩৬) ও এলাকার পূর্ব পরিচিত কয়েকজন ব্যক্তির সাথে একটি দোকানের সামনে অবস্থান করছিল। বোরকা পরিহিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অতর্কিত ভিকটিম জামালকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এসময় ভিকটিম জামাল এর সাথে বোরকা পরিহিত একজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীর ধস্তাধস্তি হয় এবং ভিকটিম জামাল তাকে ঝাপটে ধরে ফেলে। তখন সাথে থাকা বোরকা পরিহিত অপর একজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী জামালকে লাথি দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় এবং বোরকা পরিহিত অপর ব্যক্তি তার সাথে থাকা পিস্তল দিয়ে ভিকটিম জামালকে খুব কাছ থেকে মাথায় ও বুকে গুলি করে দ্রুত ঐ স্থান ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় অন্য আরেকটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, আসামীরা দৌড়ে পালানোর সময় একজনের বোরকার মুখের আবরণ খুলে যায় ও একজনের সাথে আরেকজনের ধাক্কা লেগে একজন আসামীর হাত থেকে তার সাথে থাকা আগ্নেয়াস্ত্রটি মাঠিতে পড়ে যায়। পরবর্তীতে অস্ত্র কুড়িয়ে তারা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

র‌্যাব জানায়, আমরা ঘটনাস্থলের আশেপাশের আরো কয়েকটি সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখতে পাই ঘটনাস্থলে আসার যে রাস্তা আসামীরা ব্যবহার করেছে সেই একই রাস্তায় ঘটনাস্থল ত্যাগ না করে সামান্য পরিবর্তিত রাস্তায় তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরবর্তীতে এই ফুটেজটি বিশ্লেষণ করে আমরা আসামীদের হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত দুইটি বোরকা ও দুইটি হিজাব উদ্ধার করতে সক্ষম হই এবং বোরকা উদ্ধারের নিকটবর্তী একটি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আমরা দেখতে পাই তিনজন ব্যক্তি যাদের মুখমন্ডল দেখা না গেলেও অবয়ব দেখে বোঝা যায় তারা দ্রুতগতিতে হেটে চলে যাচ্ছে। ভিডিও ফুটেজ, গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারী বোরকা পরিহিত ব্যক্তিদেরকে আমরা মোটামুটি নিশ্চিতভাবে সনাক্ত করতে পেরেছি। তবে তদন্ত ও গ্রেফতারের বিষয়টি মাথায় রেখে এই মূহুর্তে তাদের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না।

সকল তথ্য উপাত্ত, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, মাঠ পর্যায় হতে প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গত ৬ মে দিনে ও রাতে অভিযান পরিচালনা করে চট্টগ্রাম জেলার আগ্রাবাদ এলাকা, ঢাকা জেলার রায়েরবাগ এলাকা ও কালশী, মিরপুর এলাকা হতে উক্ত হত্যাকান্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এজাহারনামীয় ৩ নং আসামী মোঃ ইসমাইল, ৪ নং আসামী মোঃ শাহীনুল ইসলাম @সোহেল শিকদার এবং ৭ নং আসামী শাহ আলম @পা কাটা আলমকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ভিকটিম জামালের হত্যার বিষয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। মূলত এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যাকান্ডটি সংঘঠিত হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ ইসমাইল এর বিরুদ্ধে ২ টি হত্যা মামলাসহ মোট ৩ টি মামলা, শাহীনুল ইসলাম @সোহেল শিকদার এর বিরুদ্ধে ৩ টি হত্যা মামলাসহ মোট ৯ টি মামলা ও মোঃ শাহ আলম এর বিরুদ্ধে ১ টি হত্যা মামলাসহ মোট ১০ টি মামলা রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, এই মামলার এজাহারভুক্ত ০৯ জন আসামীর মধ্যে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। এজাহারনামীয় ০১ নং আসামী সুজন নেপালে, ০২ নং আসামী আরিফ নেপালে, ০৫ নং আসামী বাদল দুবাইতে, ০৬ নং আসামী শাকিল ভারতে, ০৮ নং আসামী অলি হাসান সৌদি আরবে পালিয়েছে ও ০৯ নং আসামী কালা মনির পলাতক অবস্থায় আত্নগোপনে রয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত আসামীদের দেশে ফেরাতে এবং হত্যার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারে র‌্যাব-১১ এর প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে বলে র‌্যাব জানায়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের দাউদকান্দি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

 

কুমিল্লায় স্ত্রীর পরকীয়ার বলি স্বামী মনির, আসামি নুর আলম গ্রেফতার

স্টাফ  রিপোর্টার:
কুমিল্লায় স্ত্রীর পরকীয়ার বলি হয়ে খুন হন স্বামী মনির হোসেন । কুমিল্লা ডিবি পুলিশ রহস্য উদঘাটন করে আসামি নুর আলমকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেন।

নিহত মনির হোসেন (৩৫) দাউদকান্দি উপজেলার পৌর এলাকার ৯ নং ওয়ার্ডের সিন্দি (ঢালী বাড়ি) এলাকার মৃত. আলাউদ্দিনের ছেলে।

ঘাতক  নুর আলম মিয়া (২৪) দাউদকান্দি উপজেলার তুজারভাঙ্গা গ্রামের  ফজলুর রহমানের ছেলে।

জানা যায়,  চলতি বছরের গত ১০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা  সাড়ে ৭ টায় সবজি ব্যবসায়ী  মোঃ মনির হোসেন (৩৫) সবজি  কেনার উদ্দেশ্যে নিমসার বাজারে যান। পরদিন অর্থাৎ ১১ সেপ্টেম্বর  জরুরী সেবা ৯৯৯ হতে  সংবাদ পেয়ে বুড়িচং থানা পুলিশ  উপজেলার  মোকাম ইউনিয়নের পরিহল পাড়া চেয়ারম্যান বাড়ির রাস্তার ১০০ গজ পূর্বদিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় একটি মৃতদেহ উদ্ধার করেন।   প্রাথমিকভাবে মৃতদেহের মাথায়, মুখে ও নাকে অনেকগুলো রক্তাক্ত গভীর কাটা জখম দেখা যায়। পরবর্তীতে পুলিশ স্থানীয় লোকজনের সাহায্যে মৃতদেহটি সনাক্ত করেন এবং সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে লাশ মর্গে পাঠান। এ ঘটনায় ১১ সেপ্টেম্বর নিহত মনির হোসেনের মা রেহানা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে বুড়িচং থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নাম্বার-১২।

এ হত্যাকান্ডের পর  মামলাটির ছায়া তদন্ত শুরু করেন জেলা গোয়েন্দা কুমিল্লা। তদন্ত কালে দেখা যায়, ভিকটিম মনির হোসেনের স্ত্রী নাজমা’র সাথে ড্রাইভার নুর আলম মিয়ার সাথে গত দেড় বছর ধরে পরকীয়ার সম্পর্ক চলছিল।  এটা নিয়ে ভিকটিমের সাথে স্ত্রী নাজমার মনোমালিন্যের সৃষ্টি হলে ভিকটিমের স্ত্রী নাজমা স্বামীর বাসা থেকে দুই ছেলেকে নিয়ে তার বোন বিউটির বাসায় চলে যায়। সেখানে ঘাতক নুর আলম এর সাথে নাজমার সম্পর্ক আরো গভীর হয়। পরবর্তীতে পারিবারিকভাবে কথা বলে নাজমা পুনরায় বাচ্চাদের নিয়ে তার স্বামীর বাসায় ফিরে আসে। তখন ঘাতক নুর আলম ভিকটিমের স্ত্রী নাজমাকে তার কাছে চলে আসতে বলে। নাজমা স্বামীর ঘর ছেড়ে আর কোথাও যাবে না জানালে ঘাতক নুর আলম ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এরই প্রেক্ষিতে গত ৪ অক্টোবর  ঘাতক নুর আলমকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদকালে উক্ত রহস্য উদঘাটন হয়।

গ্রেফতার হওয়া আসামি নুর আলমকে বুড়িচং থানায় হস্তান্তর করা হয়।  ৫ অক্টোবর  আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেন এবং রিমান্ডের আবেদন করেন।

কুমিল্লায় অবশেষে হত্যাসহ ২১ মামলার মোস্ট ওয়ান্টেড রেজাউল গ্রেফতার

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগ নেতা দেলোয়ার হত্যা মামলাসহ ২১ মামলার আসামী মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসী রেজাউলকে সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করেছে বিজিবি (বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ)। এ সময় তার কাছ থেকে পিস্তল ও ভারতীয় পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (১৮ জুন) রাতে বিবির বাজার সীমান্ত থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তাকে কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে বিজিবি সূত্র জানায়।

দাউদকান্দিতে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে এক যুবক নিহত

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ডাকাত সন্দেহে অজ্ঞাত(৩০) যুবককে পিটিয়ে হত্যা করেছে গ্রামবাসী। মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার মালিগাঁও ইউনিয়নের দক্ষিন নগর গ্রামে এঘটনা ঘটে।

বুধবার সকালে পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মর্গে প্রেরণ করেছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহ আলম মেম্বার ও দক্ষিন নগর গ্রামের সোহেল মিয়া জানান, গত রমজান মাস থেকে এ পর্যন্ত ৪টি চুরি ও ডাকাতির ঘটনা ঘটে আমাদের গ্রামে। তাই গ্রামবাসী পালা করে রাতে পাহাড়া দেয়। মঙ্গলবার রাতে পাহাড়াদাররা ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার করলে গ্রামবাসী দলটিকে ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে একজন হোচট খেয়ে পড়লে তাকে আটক করে পেটায় গ্রামবাসী।

সহকারী পুলিশ সুপার(দাউদকান্দি সার্কেল) মোঃ জুয়েল রানা বলেন, এঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আনা হয়েছে। এখনো নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি। লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পিবিআই এবং সিআইডিসহ পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।

কুমিল্লায় চীনের কোম্পানির কর্মকর্তা সুমন হত্যা মামলার আরো এক আসামি গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা নগরীর ইপিজেডের চীনের সিং সাং সু কোম্পানীর কর্মকর্তা খাইরুল বাসার সুমন হত্যার আসামী ছাব্বির হোসেনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। এসময় হত্যাকান্ডে ব্যবহ্নত মোটর সাইকেলটি ও জব্দ করা হয়েছে। এ নিয়ে এমামলার এজাহার নামীয় প্রধান আসামীসহ ৪ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।

গ্রেফতার হওয়া ছাব্বির হোসেন নগরীর উত্তর চর্থা এলাকার মালু মিয়া বাড়ীর তাজুল ইসলামের ছেলে। ছাব্বির কে আটকের পর তার দেখানো তথ্য মতে নগরীর দেশওয়ালীপট্টি একটি গ্যারেজ থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহ্নত নম্বর বিহীন পালসার মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য গত ৩০ এপ্রিল-২১ শুক্রবার কুমিল্লা ইপিজেডের সিং সাং সু কোম্পানির মানবসম্পদ কর্মকর্তা খাইরুল বাসার সুমনকে ইপিজেডের প্রধান ফটকের রোসা ও বার্জার ডিপোর সামনে মোটরসাইকেল ব্যারিকেড দিয়ে ছুরিকাঘাতে খুন করে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় সুমনের ভাই বাদী হয়ে ২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৬/৭ জনকে আ