Tag Archives: ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩; উদ্ধার ২ শিশু

ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের অভিযানে সাড়ে ৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার

সাইফুল ইসলাম ফাহাদ:

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৭ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার ৪ নম্বর শশীদল ইউনিয়নের উত্তর তেতাভূমি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি কালো ব্যাগ থেকে এসব গাঁজা উদ্ধার করে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় যুবদল নেতা মাহবুবুল আলম।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উত্তর তেতাভূমি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে এসআই (নিঃ) রূপম কুমার সরকার, এএসআই (নিঃ) কামরুজ্জামান সোহাগসহ পুলিশের অন্যান্য সদস্যরা অংশ নেন।

অভিযানের একপর্যায়ে হরিমঙ্গল থেকে বাগড়া বাজারগামী পাকা সড়কের পাশে স্থানীয় সালাম মিয়ার বসতঘরের উত্তর দিকে একটি জঙ্গলের ভেতর পড়ে থাকা কালো রঙের ব্যাগ দেখতে পান পুলিশ সদস্যরা। পরে ব্যাগটি তল্লাশি করে ৭ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহাজ উদ্দিন সাজু, শশীদল ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুল আলমসহ এলাকার কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশের এ মাদকবিরোধী অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে শশীদল ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম বলেন, মাদক একটি পরিবার, সমাজ ও দেশের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দেয়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করতে হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, মাদক ব্যবসা ও সেবনের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান যথেষ্ট নয়; পরিবার, সমাজ ও স্থানীয় পর্যায়ে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

মাহবুবুল আলম আরও বলেন, তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সচেতন নাগরিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি মাদকের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন, যাতে কোনো পরিবার মাদকের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মাদকের বিস্তার রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, মাদক সরবরাহের উৎস শনাক্ত করা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণ সক্রিয় ভূমিকা পালন করলে মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে বলে মনে করছেন তারা।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফারুক হোসেন বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক ব্যবসা ও এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে। মাদকসংক্রান্ত কোনো তথ্য থাকলে তা পুলিশকে জানানোর জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার ২

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংঘটিত চুরির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরও একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আজ রোববার (১২ জুলাই) পৃথক দুটি অভিযানে দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ৭ নম্বর সাহেবাবাদ ইউনিয়নের জিরুইন এলাকার বারেশ্বর চৌমুহনী থেকে টাকইগামী তিন রাস্তার মোড়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ মো. রবিউল হাছান ওরফে রবি (৩৭)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অপরদিকে, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ৮ নম্বর মালাপাড়া ইউনিয়নের এম.ই. চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংঘটিত চুরির ঘটনায় তদন্ত ও অভিযান চালিয়ে জড়িত সন্দেহে মো. আকরাম হোসেন (৪০)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিদ্যালয়ের মূল ফটক ও অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চুরি করেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ জানায়, মাদক নির্মূল এবং অপরাধ দমনে তাদের বিশেষ অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলবে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৫

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুই সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (৬ মে) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক পাঁচটি অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

থানা সূত্রে জানা যায়, মাদকবিরোধী অভিযান ও ওয়ারেন্ট তামিল (গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর) করার লক্ষ্যে পুলিশের একাধিক টিম এই অভিযানে অংশ নেয়। পৃথক এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন এসআই ডিএম মজিদ, এসআই সৈকত মজুমদার, এএসআই নূর আল-আহসান, এএসআই রতন কুমার মল্লিক এবং এএসআই নাছির উদ্দিন।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে দুজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি রয়েছেন। তারা হলেন— জিআর মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি শশীদল উত্তরপাড়া এলাকার মৃত আবদুল হাকিমের ছেলে সোলেমান এবং সিআর মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি দক্ষিণ তেঁতাভূমি এলাকার জজু মিয়ার স্ত্রী জোসনা বেগম। এছাড়া পরোয়ানাভুক্ত অন্য তিন আসামি হলেন— গোপালনগর এলাকার জামাল মিয়া, মকিমপুর এলাকার ইমন মিয়া এবং মিরপুর এলাকার মোহাম্মদ ফারুক।

ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানায়, নিয়মিত মাদকবিরোধী ও অপরাধ দমনের অংশ হিসেবে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের পৃথক অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার ৮

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের বিশেষ পৃথক পৃথক অভিযানে ২৭ কেজি গাঁজাসহ আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৫ মে) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মরতা (ওসি) ফারুক হোসেন।

থানা পুলিশ জানা সুত্রে গেছে, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে ব্রাহ্মণপাড়া থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো: আল আমিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় উপজেলার ৪ নম্বর শশীদল ইউনিয়নের দক্ষিণ তেতাভূমি (পুকুরপাড়) এলাকার অলি হোসেনের বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার হেফাজত থেকে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সাথে মো: অলি হোসেনকে (৩৫) গ্রেফতার করা হয়।

অপরদিকে, সকাল আনুমানিক ১০টা ১০ মিনিটে এসআই (নিরস্ত্র) সৈক্ত মজুমদার সঙ্গীয় ফোর্সসহ আরেকটি মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। উপজেলার ৩ নম্বর চান্দলা ইউনিয়নের দক্ষিণ চান্দলা (তাল্লুকপাড়া) এলাকায় টানা ব্রিজের পূর্ব পাশে মাসুদ খাঁনের দোকানের সামনে টানা ব্রিজ-মন্দবাগ সড়কে অভিযান চালিয়ে মোসা: মরিয়ম বেগম (৩৫) ও মোসা: সাথী আক্তারকে (২৫) গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে সাত কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

এদিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মাদক সেবনের দায়ে মো: সোহেল আজাদকে (২৩) ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও মো: ইয়াছিনকে (১৯) তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

এছাড়া পৃথক অভিযানে আরো তিনজন গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমিল্লা ব্রাক্ষনপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে মঙ্গলবার দুপুরে তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠান হয়েছে।

ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩; উদ্ধার ২ শিশু

ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩; উদ্ধার ২ শিশু

ব্রাহ্মণপাড়ায় পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩; উদ্ধার ২ শিশু

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাড়ি চুরির মামলার মূল আসামীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইসঙ্গে পৃথক অভিযানে জিডি মূলে দুইজন শিশু ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার ভোররাতে ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের পরিচালিত অভিযানে এ গ্রেফতার ও উদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিছুজ্জামান, পিপিএম এবং দেবিদ্বার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহীন-এর দিকনির্দেশনায় ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে গাড়ি চুরির মামলার এজাহারভুক্ত মূল আসামী মো. শুক্কুর মিয়া পারভেজ (২০) কে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া একটি জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামী মামুন মিয়া (৩৮) এবং মোবাইল কোর্টে দণ্ডপ্রাপ্ত মো. জালাল উদ্দিন (৩৫) কে আটক করা হয়।

অন্যদিকে পৃথক অভিযানে জিডি মূলে নিখোঁজ দুই শিশু- জান্নাতুল কিফায়া সানজিদা (১৩) ও নুসরাত জাহান জুঁই (১৫) কে উদ্ধার করা হয়।

ব্রাক্ষনপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার আসামীকে আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে। পরোয়ানাভুক্ত আসামীকে পরোয়ানা মোতাবেক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং মোবাইল কোর্টে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীকে সাজা কার্যকরের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।

উদ্ধারকৃত দুই শিশুকে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানায়।