Tag Archives: কর্মসূচি

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কুমিল্লায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প কর্মসূচি

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে কুমিল্লায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প কর্মসূচি

স্টাফ রিপোর্টার:

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, কুমিল্লা মহানগরের উদ্যোগে ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সারাদিন ব্যাপি নানা ধরনের কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

সকাল ১০ টায় মহানগরীর ২৭টি ওয়ার্ডে মেডিকেল ক্যাম্প কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৩ নং ওয়ার্ডের বাতাবাড়িয়া সরকারি বিদ্যালয়ে মেডিকেল ক্যাম্পের কার্যক্রম শুরু হয়।

২৩ নং ওয়ার্ডের কোটবাড়ি বিশ্বরোডের, বাতাবাড়িয়া গ্রামে নিয়ে গঠিত যেখানে জুলাই আন্দোলনের বহু ছাত্র-জনতা আশ্রয় গ্রহণ করে। ছাত্র-জনতা থেকে আশ্রয় দেয়ার কারণে গ্রামবাসী ও নির্যাতিত হয়। বাদ যোহর ২৭টি ওয়ার্ডের প্রত্যেকটি থেকে একটি মসজিদে ‘৭১ ও ‘২৪-র শহীদ ও আহতদের জন্য দোয়ার আয়োজন করা হয় এবং তারপর শহীদ পরিবারে সাথে সাক্ষাৎ ও কবর জেয়ারত করেন মহানগর কমিটির নেত্রীবৃন্দ। বাদ আসর কান্দিরপাড় কেন্দ্রীয় মসজিদে ‘৭১ ও ‘২৪-র শহীদ ও আহতদের জন্য দোয়ার আয়োজন করা হয়। বাদ এশা শহীদ ভাইদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এতিমও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে রাতের খাবারের আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন শেষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লা মহানগরের আহ্বায়ক আবু রায়হান বলেন, বাংলাদেশের আপামর ছাত্র জনতা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে স্বৈরাচার প্রতিরোধী আন্দোলনে যোগদান করেন। কারণ মানুষ মনে করে তরুণ নেতৃবৃন্দ দেশের পরিবর্তন আনতে সক্ষম। তাই আমরা গতানুগতিক কর্মসূচির পরিবর্তে জনগণকে ভালো কিছু দেয়ার চেষ্টা করেছি।

কুমিল্লা মহানগরের সদস্য সচিব রাশেদুল হাসান বলেন, বাংলাদেশের পরিবর্তনে প্রতিটি ভালো কাজের সাথে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্পৃক্ততা থাকবে, জনমনে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করবে আমাদের কর্মকাণ্ডগুলো।

এবারের খাল পরিষ্কার কর্মসূচি

এবারের খাল পরিষ্কার কর্মসূচি লোক দেখানো হবে না: ক্রীড়া উপদেষ্টা

এবারের খাল পরিষ্কার কর্মসূচি লোক দেখানো হবে না: ক্রীড়া উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট:

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, এবারের খাল পরিষ্কার কর্মসূচি কোনো লোক দেখানো হবে না। জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (১ নভেম্বর) রাজধানীর খিলগাঁওয়ে খাল পরিষ্কার কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আসিফ বলেন, “যুব দিবস উপলক্ষে এবার দেশের ৬৪টি জেলায় ৬৪টি খাল ও জলাশয় পরিষ্কারের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। এবারের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বাস্তবভিত্তিক এবং টেকসই হবে।”

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, “প্রতিটি খাল ও নদী পরিষ্কার রাখা ও সংরক্ষণে স্থানীয় পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হবে।” পরে কয়েকশো স্বেচ্ছাসেবী খাল, নদী ও জলাশয় পরিষ্কার করার শপথ নিয়ে জিরানী খাল পরিষ্কারের কার্যক্রম শুরু করেন।

কুমিল্লায় পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী

কুমিল্লায় পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উদযাপনের কর্মসূচি গ্রহণ

কুমিল্লায় পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উদযাপনের কর্মসূচি গ্রহণ

স্টাফ রিপোর্টার:

পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদ-ই- মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু তা’য়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন কমিটি।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের অডিটরিয়াম রুমে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদ-ই মিলাদুন্নবী উদযাপন কমিটির কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- আগামী ১১ ও ১২ রবিউল আউয়াল শরীফ মেতাবেক ১৫ সেপ্টেম্বর রাষ্টীয় প্রোগ্রাম অনুযায়ী ঐতিহাসিক কুমিল্লা টাউন হল ময়দানে জশনে জুলুছে বিশাল সমাবেশ, শান্তি মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক সমূহ প্রদক্ষিণ শেষে টাউন হল ময়দানে প্রবেশ করে মিলাদ-কিয়াম ও আখিরী মোনাজাতের মাধ্যমে দোয়ার মাহফিল সমাপ্ত হবে।

উদযাপন কমিটির উদ্যোগে প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ পবিত্র ঈদই মিলাদুন্নবী উদযাপনের কর্মসূচি অবহিত করেন।কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদ ই মিলাদুন্নবী কমিটির মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব লায়ন মোহাম্মদ মাইনুল হাসান লিহিন, সাধারণ সম্পাদক কুমিল্লা ইসলামিয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা মুফতী মোহাম্মদ আবদুল মতিন, অর্থ সম্পাদক আলহাজ্ব শাহ মোহাম্মদ আলমগীর খাঁন আল-মাইজভান্ডারী, জুলুছ সম্পাদক খাদেম মোহাম্মদ ফিরোজ আল-মাইজভান্ডারী, প্রচার সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ মানিক মিয়া খন্দকার আল-মাইজভান্ডারী, দপ্তর সম্পাদক আলহাজ্ব শাহ মোহাম্মদ ইউনুছ গাফ্ফারী বখ্শী, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মাওলানা অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মাছুম বিল্লাহ মিয়াজী, সহ-জুলুছ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ ইত্তেহাদুর রশিদ বীপু বখ্শী, নবীনগর বিশ্ব এলাহী মঞ্জিল সাতমোড়া দরবার শরীফের গদ্দিনশীন পীরে তরীকত এড. শাহ মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ূম চিশতী, জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত এর সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আবুল বাশার, মহানগর আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত এর সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল মান্নান, কুমিল্লা ইসলামিয়া আলিয়া কামিল মাদরাসার মুদারীস হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম আকবরী, মাওলানা মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ওয়াহিদী, মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল কুদ্দুস, মোহাম্মদ আবুল হাসান বখ্শী,মহানগর আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের প্রচার সম্পাদক মো.রায়হান খাঁন
প্রমুখ।

কেন্দ্রীয় ঈদই মিলাদুন্নবী কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, ১৯৭৪ সাল থেকে কুমিল্লায় কেন্দ্রীয় ঈদ-ই মিলাদুন্নবী উদযাপন কমিটির উদ্যোগে পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী যথাযোগ্য মর্যাদায় জশনে জুলুশের মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে উদযাপন করা হচ্ছে।

হাতিয়ার মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়নে কাজ করবেন সুইডেনের রাজকন্যা

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর হাতিয়ার মানুষের জীবনযাত্রার মনোন্নয়নে কাজ করবেন জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) শুভেচ্ছাদূত সুইডেনের প্রিন্সেস ক্রাউন ভিক্টোরিয়া।

বুধবার (মার্চ) সকালে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝুঁকিতে থাকা মানুষের অনুভূতি শুনে ও তাদের জীবন-জীবিকা অবলোকন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। এরপর ৯ টায় ৪৫ মিনিটে তি‌নি বুড়িরচর ইউনিয়নের পশ্চিম বড়দেইল এলাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে ভাসানচর যান। এর আগে সকাল ৮ টায় হেলিকপ্টারযোগে হাতিয়া অবতরণ ক‌রেন।

এসময় নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী, সাবেক সংসদ সদস্য আয়েশা ফেরদাউস, হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুরাইয়া আক্তার লাকী, হাতিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মাহবুব মোর্শেদ লিটন, নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) মোহাম্মদ ইব্রাহীমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিগণ হেলিপ্যাডে ক্রাউন প্রিন্সেসকে স্বাগত জানান।

এ বিষয়ে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, সুইডেনের প্রিন্সেস ক্রাউন ভিক্টোরিয়া খুবই সন্তুষ্ট হয়েছেন। তিনি হাতিয়ার কথা মনে রাখবেন।

জেলেদের জীবনযাত্রার কথা তিনি শুনেছেন৷ বিভিন্ন দুর্যোগের সময় কি হয় তার একটা ডেমো তিনি দেখেছেন। সবশেষে তিনি হাতিয়ার মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়নে কাজ করবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুরাইয়া আক্তার লাকী বলেন, ১৮ থেকে ২১ মার্চ জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) শুভেচ্ছাদূত হিসেবে বাংলাদেশ সফর করছেন সুইডিশ রাজকন্যা ভিক্টোরিয়া।

তার এ সফরের অংশ হিসেবে হাতিয়ায় সফর করছেন। সফরের প্রথম অংশ শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় অংশ ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের সাহায্য সহযোগিতা ও তাদের জীবনযাত্রা দেখা। সেটি শেষ হলে তিনি হেলিকপ্টারে চট্রগ্রামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবেন।

শেখ হাসিনার হাতেই এদেশের গণতন্ত্র নিরাপদ: সেতুমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি উল্টো প্রশ্ন রেখে বলেছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচন কোন দুঃখে? মামা বাড়ির আবদার!

রোববার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজকে দেশের রাজনৈতিক যে বাস্তবতা, এই বাস্তবতায় বিএনপির মত একটা দল রিয়ালিটির সঙ্গে এদের কন্টাক ক্রমেই হারিয়ে ফেলছে। প্রমাণ হয়েছে- শেখ হাসিনার হাতেই এদেশের গণতন্ত্র নিরাপদ। শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি। আজকে এটাই বাস্তবতা- তার হাতে যতদিন আছে দেশ পথ হারাবে না বাংলাদেশ। তিনি বাংলাদেশের রিয়েলিটি বোঝেন। মানুষের চোখের ভাষা, মনের ভাষা বুঝতে পারেন। যেটা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে বিএনপি। বোঝে না বলেই তারা রাজনীতিতে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।

এ সময় সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে বিএনপির সমমনাদের সহিংসতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সমমনস্করা যদি ষড়যন্ত্র করে, সন্ত্রাস করে, তার মানে বিএনপির সংশ্লিষ্টতা নেই- এটা মনে করার কোনো কারণ নেই। সন্ত্রাস যেখানে আছে, কাজে বিএনপি সেখানে আছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া সহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতারা।

রাজপথে ফ্রি স্টাইলে কর্মসূচি দিলে সরকার চুপচাপ বসে থাকবে না: সেতুমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির কালো পতাকা কর্মসূচি অবৈধ। অনুমতি না নিয়ে রাজপথে ফ্রি স্টাইলে কর্মসূচি দিলে সরকার চুপচাপ বসে থাকবে না।

তিনি বলেন, ‘পুলিশ অনুমতি দেয়নি। অনুমতি ছাড়া ফ্রিস্টাইল কর্মসূচি দেওয়ার সুযোগ নেই। অনুমতি নেবে না, আর রাস্তায় ফ্রিস্টাইল কর্মসূচি করবে আর আমরা সেটা মেনে নিব- তা মনে করার কোনো কারণ নেই।’
ওবায়দুল কাদের আজ বুধবার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির কালো পতাকা কর্মসূচির পক্ষে দেশের জনগণের কোনো সমর্থন নেই। বিএনপি আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে হতাশায় নিমজ্জিত। তারা এখন পথহারা পথিক হয়ে দিগবিদিক হাঁটছে।

‘বর্তমান সংসদের ভারসাম্য রক্ষা হয়নি’ জিএম কাদেরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সংসদ ফাংশনাল না হলে জি এম কাদের কেন আসলেন?’
তিনি বলেন, ‘কথা তো যা বলার উনি একাই বললেন। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে দেশের প্রধানমন্ত্রীও কথা বলেননি। আমরা শুধু আনুষ্ঠানিকতা করেছি। স্পিকারকে ধন্যবাদ জানানোর নামে ফ্লোর নিয়ে তিনি যেসব কথা বলেছেন তা ঠিক হয়নি।’

তিনি বলেন, সামনে আরো সময় ছিল তখন অনেক কথাই বলতে পারতেন। তিনি শুরুটাই এমনভাবে করলেন যে তুলকালাম কান্ড ঘটিয়ে ফেললেন, লম্বা একটা বক্তৃতা দিলেন। বিষয়টা হলো ধন্যবাদ জানানোর। এত লম্বা ভাষণের জন্য ওনাকে আহ্বান করা হয়নি। উনি নিয়ম লঙ্ঘন করে কথা বলেছেন। ওনার কথা বলার সামনে যথেষ্ট সুযোগ আছে। স্বাধীনতার পর এদেশে একজন বিরোধীদলীয় নেতা ছিল, এখন তো তারাই ১১ জন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেউ ত্রুটিপূর্ণ বলেনি। খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও নয়। নির্বাচনের ফলাফলের পর যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এর মানে কি দাঁড়ায়?’ আমাদের নির্বাচন ত্রুটিপূর্ণ বলেনি, সবাই একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছে।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তিনি বলেন, সরকার শুধু কথায় নয়, কাজও করে যাচ্ছে। সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যত পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে দিয়েছেন। সে অনুসারে কাজ শুরু করে দিয়েছে। রাতারাতি সবকিছু নিয়ন্ত্রণ হয়ে যাবে না। সরকার শুধু কথা বলছে এমন নয়। সরকার অ্যাকশনে আছে। যারা আইন ভঙ্গ করবে তারা যেই হোক বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রসঙ্গে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পরীক্ষিত ও ত্যাগীদের গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার দেবে আওয়ামী লীগ।’

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন ও সুজিত রায় নন্দী, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী ও মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নির্বাচনে জনগণ ও গণতন্ত্রের জয় হয়েছে: সংসদে রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্বাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় জাতীয় সংসদ ভবনে এই অধিবেশ শুরু হয়।দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণের শুরুতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন করায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের সফলভাবে নির্বাচন পরিচালনার মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক শক্তি আরও সুদৃঢ় হয়েছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় হয়েছে দেশের জনগণের, জয় হয়েছে গণতন্ত্রের।

সাহাবুদ্দিন বলেন, নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকবে। জনগণের রায় মেনে নিয়ে গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দেশের গণতন্ত্রের জন্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজন অত্যন্ত যুগান্তকারী ঘটনা, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

নির্বাচন ঘিরে একটি মহল সহিংসতা ও সংঘাত সৃষ্টি করে গণতন্ত্রের শান্ত-স্নিগ্ধ যাত্রাপথে বাধা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়েছিল উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তাদের গণতন্ত্রবিরোধী ও সহিংস কর্মকাণ্ড সাময়িকভাবে জনগণকে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে রাখলেও ভোটারদের ভোটদান থেকে বিরত রাখতে পারেনি। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ও সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্যই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সব পদক্ষেপ সার্থক হয়েছে।

নির্বাচন বর্জনকারী দলগুলো সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করেছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, আমি আশা করি- ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো সহিংসতা ও নৈরাজ্যের পথ পরিহার করে সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণ ও গণতন্ত্রের কল্যাণে অহিংস পন্থায় গঠনমূলক কর্মসূচি পালন করবে। সরকারও এক্ষেত্রে সংযত আচরণ করবে- এটাই সবার প্রত্যাশা।

রাষ্ট্রপতি পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের বর্বর হত্যাকাণ্ড ইতিহাসে সবচেয়ে বেদনাদায়ক অধ্যায় উল্লেখ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করেন। তিনি বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচন পরবর্তী দেশে যে নৃশংস সহিংসতা হয়েছিল- তা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। এর মাধ্যমে আমাদের হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছিল। কিন্তু ২০০৮ সালের নির্বাচনসহ পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত সব নির্বাচনে সহিংসতার পুনরাবৃত্তি থেকে মুক্তি পেয়েছি।

সাহাবুদ্দিন বলেন, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের নিষ্কণ্টক পথচলার জন্য রাজনৈতিক দলগুলো উদার ও গঠনমূলক মনোভাব নিয়ে জনগণের পাশে দাঁড়াবে- এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা।

জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে তাদের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করুন: শিরীন শারমিন

ডেস্ক রিপোর্ট:

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, ‌‘গত ৭ জানুয়ারি অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ। জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে তাদের প্রত্যাশা পূরণে, তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কাজ করতে হবে। পাঁচ বছর পূর্ণ হলে কৃতকর্ম নিয়েই জনগণের কাছে তাদের ফিরে যেতে হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমেই সংসদ সদস্যরা কাজ করার সুযোগ পান।’

আজ রবিবার সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণে ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচি’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন স্পিকার। এসময় স্পিকার কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

স্পিকার বলেন, ‘নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত আমাদের স্বাধীন ভূখণ্ড। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের দিয়ে গেছেন লাল সবুজের পতাকা ও অনন্য একটি সংবিধান। তার সুদীর্ঘ চব্বিশ বছরের সংগ্রাম, জেল-জুলুম, অত্যাচার সহ্য করার বিনিময়ে বাংলাদেশের জন্ম। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ আমাদের বিজয় অর্জিত হলেও বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে ১০ জানুয়ারি স্বাধীন সোনার বাংলায় ফিরে আসেন। সংসদ ভবন একটি অনন্য স্থাপত্য শিল্প। অনেক রক্তের বিনিময়ে আমাদের শাসনতন্ত্র। এই শাসনতন্ত্র শহীদের রক্তে ভেজা। সংবিধানই সর্বোচ্চ আইন। এর আলোকেই রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।’