Tag Archives: গ্রেফতার ৩

দাউদকান্দিতে ছাত্রলীগের মিছিলের ঘটনায় ১৯ জনের নামে মামলা, গ্রেফতার ৩

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

দাউদকান্দিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ব্যানারে ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা ২৫/২৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, সোমবার(৮জুন) সকালে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের জিংলাতুলি এলাকায় মহাসড়কের উপর নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের সক্রিয় সদস্য নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম সমর্থনে “শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে, লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাচতে চাই, আওয়ামীলীগের নিষেধাজ্ঞা,মানিনা মানবোনা” সহ অন্যান্য স্লোগান দিয়ে একাধিক ব্যানারে ঝটিকা মিছিল করে। অপরাধ সংগঠনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ড প্রচারিত ও প্ররোচিত করার উদ্দেশ্যে সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের বিভ্রান্তি মূলক, বিদ্বেষ মূলক, কু-রুচিপূর্ণ স্লোগান দেয় মিছিলে ।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার দাউদকান্দি মডেল থানায় ২০০৯ সালের সন্ত্রাস বিরোধী আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে ।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোঃ আব্দুল বারি জানান, সরকার বিরোধী মিছিলের ঘটনায় পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওহিদুর রহমান, বিটেস্বর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি নবীর হোসেন ও জিংলাতুলি ইউনিয়ন ছাত্রীগের সদস্য আসিফ ভুইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

হোমনায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৩ জনকে গ্রেফতার

হোমনায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৩ জনকে গ্রেফতার

হোমনায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৩ জনকে গ্রেফতার 

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় স্বামীর কাছ থেকে এক গৃহবধূকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় স্থানীয়দের সহযোগিতায় ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার দুপুরে তাদেরকে কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আটকরা হলেন- মৃত রশিদ মিয়ার ছেলে মো. সিয়াম (২১), মো. রিফাত (২২), নজরুল মিয়ার ছেলে শরীফ মিয়া (২০)। তারা সকলেই উপজেলার ওপারচর গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৫ এপ্রিল রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টা থেকে ১০ টার দিকে ভুক্তভোগী নারী তার স্বামীর সঙ্গে অটোরিকশাযোগে বাবার বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ সময় তাদের রিকশা থামিয়ে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। পরে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ৩ জনকে গ্রেফতার করে।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া জানান, এ ঘটনায় ৩ জনকে আটক করে কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত ও বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

কুমিল্লায় আইসক্রিমে নেশাদ্রব্য মিশিয়ে সিএনজি ছিনতাই, গ্রেফতার ৩

কুমিল্লায় আইসক্রিমে নেশাদ্রব্য মিশিয়ে সিএনজি ছিনতাই, গ্রেফতার ৩

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় আইসক্রিমে নেশাদ্রব্য মিশিয়ে সিএনজি চালিত অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনায় আন্তঃজেলা চোরচক্রের ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার বিকেলে তথ্যটি নিশ্চিত করেন চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ত্রিনাথ সাহা।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, কুমিল্লার কোতয়ালী থানার অশোকতলা গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে আমির হোসেন প্রকাশ ইমন, নোয়াপাড়া গ্রামের রিয়াজ মিয়ার ছেলে রাব্বি ও আড়াইওড়া উত্তর পাড়ার হাবিব মিয়ার ছেলে ফারুক।

থানা সূত্রে আরও জানা যায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা শহরে যাওয়ার কথা বলে ঘোলপাশা ইউনিয়নের সালুকিয়া গ্রামের দুলাল মিয়ার সিএনজি চালিত অটোরিকশা ভাড়া নেয় পৌর এলাকার কমলপুর গ্রামের এরশাদ মিয়ার ছেলে মোঃ কাউছার ও সদর দক্ষিণের পিপুলিয়ার সেলিম মিয়ার ছেলে আশিকসহ সংঘবদ্ধ চক্র। তাদেরকে নিয়ে অটোরিকশাটি কুমিল্লা শহরে পৌঁছলে আইসক্রিমের মধ্যে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে সংঘবদ্ধ চক্র অটোরিকশাটি ছিনতাই করে। এ ঘটনায় দুলাল মিয়ার লিখিত অভিযোগটি থানায় গত ১৩ সেপ্টেম্বর মামলায় রজু হয়। পুলিশ মামলার তদন্ত করে কমলপুর গ্রামের কাউছার ও পিপুলিয়ার আশিককে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করে।

তাদের দেয়া তথ্যমতে রোববার রাতে নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি এলাকা থেকে চোরাইকৃত সিএনজি চালিত অটোরিকশাটি বিক্রি করার সময় আমির হোসেন প্রকাশ ইমন, রাব্বি ও ফারুককে আটক করা হয়। এসময় চোরাইকৃত অটোরিকশাটি উদ্ধার করে পুলিশ।

চৌদ্দগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক আলী আশরাফ জুয়েল বলেন, সিএনজি চালিত অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার দুই আসামীকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদ ও তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে চোরচক্রের আরও ৩ সদস্যকে গ্রেফতার ও অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান।

ছাত্রলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ৩

ছাত্রলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ৩

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ছাত্রলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যুবলীগ নেতা মো.রাসেল ওরফে শিশু রাসেলসহ ৩ আসামিকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, বেগমগঞ্জের মাহবুল্লাপুর গ্রামের জাফর আহম্মদ ছেলে জাহাঙ্গীর আলম ওরফে কালা বাবু (২৬), একই উপজেলার দেবকালা গ্রামের মৃত আবুল খায়েরের ছেলে ফিরোজ আহম্মদ ওরফে রাকিব (২০) ও চাঁদকাশিমপুর গ্রামের মো.দেলোয়ারের ছেলে মো.রাসেল ওরফে শিশু রাসেল (২৭) ।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতের দিকে দুই আসামিকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-১১। এর আগে, গতকাল সোমবার সন্ধ্যার দিকে যুবলীগ নেতা শিশু রাসেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

নিহত আব্দুল লতিফ মিন্টু (৪৫) উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের মাহবুল্লাপুর গ্রামের খান বাড়ির মৃত আবু তাহেরের ছেলে এবং সে গোপালপুর ইউনিয়ন যুবদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল।

জানা যায়, মঙ্গলবার সকালের দিকে নিহতের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, গতকাল সোমবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের কোটরামহব্বতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুত্বর আহত যুবদল নেতা মিন্টুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে একই দিন রাত পৌনে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব-১১ (সিপিসি-৩) নোয়াখালী কার্যালয়ের কোম্পানী কমান্ডার মাহমুদুল হাসান জানায়,প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় গতকাল সোমবার দুপুরের দিকে মিন্টু নামে এক যুবককে সন্ত্রাসীরা হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুত্বর জখম করে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের কোটরামহব্বতপুর গ্রামের রাস্তার উপর ফেলে চলে যায়। স্থানীয় লোকজন ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে ভিকটিম মারা যায়। তাৎক্ষণিক র‌্যাব-১১, সিপিসি-৩ এর আভিযানিক দল হত্যাকারীদের গ্রেফতারে তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩ এর বিশেষ আভিযানিক দল ভোর রাতের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুই আসামিকে গ্রেফতার করে। পরে তাদের বেগমগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপালপুর ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২০২২ সালের ৭ জুলাই উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য মো.হাসিবুল বাশার হাসিবকে (২২) কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। ওই হত্যা মামলার ৫নম্বর আসামি ছিল নিহত যুবদল নেতা মিন্টু। কিছু দিন আগে নতুন করে যুবলীগ নেতা শিশু রাসেলের সাথে বিরোধ বেধে যায় নিহত মিন্টুর। পূর্ব শক্রতা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সোমবার দুপুরের দিকে যুবলীগ নেতা রাসেলসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জন মিন্টুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে উপজেলার কোটরামহব্বতপুর গ্রামে পেলে যায়। পরে স্থানীয় চৌকিদার বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করে। পরে পুলিশ স্থানীয়দের সহযোগিতায় ভিকটিমকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে। সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ এলাকাবাসীর সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে একজনকে আটক করেছে। এলাকায় প্রভাব বিস্তার থাকায় কেউ মুখ খোলেনা। যার নাম পেয়েছি, সে স্বশরীরে ছিল, তাই তাকে আটক করা হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, নিহত মিন্টু ছাত্রলীগ নেতা হাসিব হত্যা মামলার জামিনপ্রাপ্ত ৫নম্বর আসামি। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নোয়াখালীতে মন্দিরে চুরি, গ্রেফতার ৩

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সেনবগা উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নের শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মন্দিরে চুরির ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় গ্রেফতারকৃত আসামিদের থেকে চোরাই মালামাল ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলো, উপজেলার শ্যামেরগাঁও গ্রামের হাছান আলী বাড়ির মৃত আব্দুর রবের ছেলে এমদাদুল হক মানিক (৩০) মধ্যম বীজবাগ গ্রামের চৌকিদার বাড়ির আবুল কাশেমের ছেলে আজহারুল ইসলাম মোহন (২৪) একই গ্রামের নুরুন নবীর ছেলে মো. নুরুজ্জামান মানিক (৩৩)।

সোমবার (১৭ জুলাই) দুপুরের দিকে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে, গতকাল রোববার রাতে উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়ন থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, উপজেলার বীজবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ চোরাই মালামাল ও নগদ টাকা সহ তিনি আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় দুটি পিতলের থালা, দুটি পিতলের গ্লাস, দুটি পিতলের ঘট, ১টি পিতলের প্রদীপ, ১টি পিতলের আগরদানী, ১টি পিতলের হাতলযুক্ত পাঁজাল/ধূপদানী, দুটি তামার কুশ বা চামুচ, চোরাইকৃত নগদ ১৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

 

 

 

কুমিল্লায় বেড়াতে এসে বন্ধুদের হাতে অপহরণ, গ্রেফতার ৩

 

স্টাফ রিপোর্টার:

নারায়ণগঞ্জ থেকে কুমিল্লায় বেড়াতে গিয়ে বন্ধুদের হাতে অপহরণের শিকার হন রমজান হোসেন (৩৫) নামের এক যুবক। চারদিন পর অপহৃত রমজানকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব। এ ঘটনায় অপহণরকারী চক্রের তিন সদস্যকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে র‍্যাব-১১ এর কুমিল্লার কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতাররা হলেন- কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার গাজীপুর গ্রামের মো. আমিনুল ইসলামের ছেলে মো. মোতাহার হোসেন (৩০), একই উপজেলার রাজমঙ্গলপুর গ্রামের মৃত আমির হোসেনের ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন (৪১) এবং গাজীপুর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে মো. সায়মুন (১৯)।

মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন বলেন, গ্রেফতারদের বাড়িতে রমজান হোসেন বেড়াতে আসেন। সে সুবাদে তারা তাকে নিয়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা বিবির বাজারে ঘুরতে যায়। সেখানে তারা ইফতার করে। ইফতার শেষে রমজান হোসেন চলে আসতে চাইলে মাদক ব্যবসায়ী শাহিন ওরফে স্টার শাহিন ও তার দলের সদস্যরা তাকে বাধা দেয়। বলে, এভাবে যাওয়া যাবে না এখান থেকে মুক্তি পেতে হলে তোমাকে মুক্তিপণ দিতে হবে। এ বলে রমজানের হাত পা বেঁধে মারধর শুরু করে তারা। নির্যাতনের দৃশ্য ভিডিও কলে তার স্ত্রীকে দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ চায়। মুক্তিপণ না পেলে তাকে হত্যার হুমকি দেয়।

এ র‌্যাব কর্মকর্তা আরও বলেন, রমজান হোসেনের স্ত্রীর করা অভিযোগ তদন্ত করে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে ১৫ এপ্রিল সকালে কুমিল্লা সদর উপজেলার বিবির বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অপহরণ চক্রের তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের গাজীপুর এলাকায় থেকে রমজান হোসেনকে উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারী চক্রের মুল হোতা মাদক ব্যবসায়ী মো. শাহিন ওরফে স্টার শাহিন পালিয়ে যায়।