,

ঈদুল আযহার গুরুত্ব পূর্ণ নির্দেশনায় অগ্রিম “ঈদ মোবারক”

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
August 12, 2018
news-image

 

নজরুল ইসলাম তোফা:

ঈদ আরবি শব্দ। আসলে এর অর্থটাই হচ্ছে ফিরে আসা। এমন এই দিনকে ঈদ বলা হয়, এই জন্য যে মানুষ বারবার একত্রিত হয় এবং সাধ্যমতো যার যা উপার্জন তা নিয়েই আনন্দ উৎসব করে। বলা যায়, একে অপরের প্রতি হিংসা বিদ্বেষ ভুলে। তাই ঈদকে দ্বারাই মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাকে নিয়ামাত কিংবা অনুগ্রহে ধন্য করে থাকে। বারংবারই তাঁর ইহসানের নৈতিক শিক্ষা প্রদান করে।

এক কথায় বলা যায় যে, মহান আল্লাহ পাক মুসলিম উম্মাদের প্রতি নিয়ামাত হিসেবেই ঈদ দান করেছে। হাদিসে বর্ণিত রয়েছে যে ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনায় যখন আগমন করে ছিল তখন মদিনা বাসীদের ২টি দিবস ছিল, সে দিবসে তারা শুধুই খেলাধুলা করত।’ আনাস রাদি আল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গুরুত্বের সঙ্গে প্রশ্ন করে ছিল এমন দু’দিনের তাৎপর্য কী? মদিনাবাসীগণ উত্তর দিলেন : আমরা জাহেলী যুগে এই দুই দিনে খেলাধুলা করে কাটাতাম। তখন তিনি বলেছিলেন : ‘আল্লাহ রাববুল আলামিন এমন এই দু’দিনের পরিবর্তেই তোমাদেরকে এর চেয়েও শ্রেষ্ঠ দু’টো দিন দিয়েছেন। তাহচ্ছে মুসলিম উম্মার ঈদুল আজহা ও ঈদুল ফিতর।’ সুতরাং শুধু খেলাধুলা ও আমোদ-ফুর্তির জন্য যেদু’টি দিন ছিল মহান আল্লাহ তায়ালা তাকে পরিবর্তন করেই এমন এ দু’টি ঈদের দিন দান করলেন। যেন ঈদের দিনে মহান আল্লাহর শুকরিয়া, জিকির এবং তাঁর কাছেই ক্ষমা প্রার্থনার সঙ্গে সঙ্গেই শালীনতায় আমোদ-ফুর্তি, নিজস্ব সাজ-সজ্জা কিংবা খাওয়া-দাওয়ার ব্যপারে সবাই সংযম অবলম্বন করে। বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ পুস্তকে তা ইবনে জারীর রাদি আল্লাহু আনহুর অনেক বর্ণনায় উঠে এসেছে। দ্বিতীয় হিজরিতে প্রথম ঈদ করেছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

ইসলাম ধর্মাবলম্বির জনসাধারণের বড় দুইটি ধর্মীয় উৎসবের মধ্যেই একটি ঈদ হলো ঈদুল আযহà