বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ইস্টার্ন প্লাজা!
নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর প্রথম আধুনিক শপিং মল । ১৯৯২ সালের জানুয়ারি মাসে যাত্রা শুরুর সময় থেকে ঢাকার অভিজাত শ্রেণির ক্রেতাদের প্রথম পছন্দ ছিল এ মার্কেট। ক্রেতায় গমগম করতো। কেনাবেচা ছিল রমরমা। ইস্টার্ন প্লাজায় কেনাকাটা আর ঘুরে বেড়ানো ছিল অনেকের শখ। কিন্তু মার্কেটটির সেই সোনালী দিন এখন আর নেই। ক্রেতা ক্রমাগত কমে যাওয়ায় ধুঁকছেন ব্যবাসায়ীরা। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একের পর এক দোকান। বদল হচ্ছে মালিকানা। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন,
ঢাকায় একাধিক বিলাসবহুল মার্কেট চালু হওয়ায় কদর কমেছে এ মার্কেটের। সঙ্গে যোগ হয়েছে পারিপার্শ্বিক অবস্থা। তারা জানিয়েছেন, মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় রাস্তায় দিনভর যানজট, সার্ক ফোয়ারা থেকে সোজা দক্ষিণের সড়ক বন্ধ করে দেয়ার কারণে ক্রেতা কমেছে এ মার্কেটের। ইস্টার্ন প্লাজা দোকান মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি মীর মো. আবদুল্লাহ মানবজমনিকে বলেন, এখানে সবার লক্ষ্য ব্যবসা করা। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে বেচা-কেনায় চরম মন্দা দেখা দিয়েছে। ক্রেতারা আসতে পারে না। ফলে আগের মতো আর জমজমাট হয়ে উঠে না এই শপিং মলটি। এর কারণ এই মার্কেটে আসার রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ফলে একদিকে যেমন ক্রেতা সাধারণ আসতে পারেন না, অন্যদিকে তেমনি জনসাধারণও ভোগান্তিতে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে তানজিলা কসমেটিকসের স্বত্বাধিকারী আবু সৈয়দ দোকানের টুলে বসে ছিলেন। তিনি এই শপিং মল চালু হওয়ার পর থেকেই ব্যবসা করছেন। কেমন চলছে ব্যবসা? রাখঢাক না করেই এই ব্যবসায়ী বললেন, এই মার্কেট যখন চালু হয় তখন দৈনিক বিক্রি হতো ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা। কিন্তু এখন সেখানে ১০ হাজার টাকাও বিক্রি হয় না। তাছাড়া ঢাকার বাইরের পাইকারি ক্রেতারা আর আসেন না। চাহিদা কমে গেছে। মার্কেটের দ্বিতীয় তলার ফ্যাশন কর্নারের মালিক আবদুল করিম। তিনি এই মার্কেট চালু হওয়ার পর প্রথমে কর্মচারী হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরে তিনি নিজেই পোশাকের ব্যবসা শুরু করেন। তিনি জানান, শুরুর দিকে ভালোই বেচা-বিক্রি হতো। লাভ হতো। কিন্তু এখন কোন কোন মাসে ক্ষতির হিসাব গুনতে হয় তাকে। তবে ক্ষতি হলেও ব্যবসা ছাড়তে পারছেন ভবিষ্যৎ ভেবে। মার্কেটের পঞ্চম তলায় অবস্থিত মোবাইল মার্কেট। এখানে অন্য ফ্লোরের চেয়ে বেচা-বিক্রি ভালো বলে জানিয়েছেন একাধিক ব্যবসায়ী। তবে আগেà¦