,

মুরাদনগরে আদালতের নির্দেশে দাফনের ৪০ দিন পর ব্যবসায়ি রনির লাশ উত্তোলন

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
September 27, 2017
news-image

মাহবুব আলম আরিফ, মুরাদনগর ঃ

আদালতের নির্দেশে দাফনের ৪০ দিন পর কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানা এলাকায় ব্যবসায়ি সৈকত হোসেন রনির(৩১) মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

নিহত সৈকত হোসেন রনি মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার বাঙ্গরা পূর্ব ইউনিয়নের খামারগাঁউ গ্রামের মৃত. আবুল হাসেম সরকারের ছেলে।

বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও মুরাদনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদা আক্তারের উপস্থিতিতে কবর থেকে লাশ উত্তোলনের কাজ শেষ করে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, চলতি বছরের ১৭ আগষ্ট ব্যবসায়ি সৈকত হোসেন রনিকে হত্যা করা হয়। হত্যার ২৪ দিন পর গত ১১ সেপ্টেম্বর রনির মা আয়শা খাতুন লাশ উত্তোলনপূর্বক ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লার ৮নং আমলি আদালতে আবেদন করে। ১৩ সেপ্টেম্বর লাশ উত্তোলন পূর্বক ময়না তদন্তের নির্দেশ প্রদান করে আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্টেট বিপ্লব দেবনাথ। আদালতের নির্দেশে দাফনের ৪০ দিন কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়।

মা আয়শা খাতুনের দাবি, রনি বাঙ্গরা বাজারে রড-সিমেন্ট ও হার্ডওয়ারের ব্যবসা করতো। এক পর্যায়ে একই গ্রামের শহীদ মিয়ার ছেলে সিঙ্গাপুর প্রবাসী সোহেল মিয়ার সাথে রনির বন্ধুত্ব হয়। এর ফলে রনির স্ত্রী সাজিয়া আক্তারের সাথে সোহেল মিয়ার পরকিয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে সোহেল মিয়াকে বাড়িতে আসতে নিষেধ করে রনি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৭ আগষ্ট রাতে স্ত্রী সাজিয়া আক্তারের (২০) পরামর্শে রনিকে সোহেল মিয়ার বাড়িতে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।

লাশ উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মনোয়ার হোসেন চৌধুরী, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাজমুল হুদাসহ নিহত রনির পরিবারের লোকজন ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মনোয়ার হোসেন চৌধুরী লাশ উত্তোলনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।