যে কারণে মনোনয়ন বঞ্চিত হলেন সাজ্জাদ-সেলিমা খসরু-সালামরা
ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু:
কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং- বি পাড়া) আসনের সাংসদ এড. আব্দুল মতিন খসরুর মৃত্যুর পর শুণ্য হওয়া এই আসনের উপ-নির্বাচনে নৌকার টিকিট পেতে মাঠে ছিলেন প্রায় অর্ধ শতাধিক রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ি। মনোনয়নপত্রও কিনেছিলেন ৩৫ জন। বেশ আলোচনায় ছিলেন সাজ্জাদ হোসেন, সেলিমা সোবহান, সালাম বেগ, এহতেশামুল হাসান ভূইয়া রুমিরা। কিন্তু সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান করে নৌকার মাঝি হলেন বুড়িচং উপজেলা আ’লীগের সভাপতি এড. আবুল হাশেম খান । ফলে হতাশ হতে হলো সাজ্জাদ হোসেন, সেলিমা সোবহান খসরু, সালাম বেগ, রুমিদের মত হেভিওয়েট প্রার্থীদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বিভিন্ন স্থানীয় সূত্র থেকে পাওয়া তত্ত্বের ভিত্তিতে হাশেম খানের নৌকার টিকেট পাওয়া এবং অন্যান্য প্রার্থীদের মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার কারণগুলো বিশ্লেষণ করা হল।
যে কারণে নৌকার মাঝি হলেন অ্যাড. আবুল হাশেম খান:
সক্রিয় রাজনীতিবিদ এড. আবুল হাশেম খান বুড়িচং উপজেলার আ’লীগের সভাপতি। জেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতিও ছিলেন। ১৯৬৯ সাল থেকে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছেন। প্রয়াত সাংসদ আব্দুল মতিন খসরুর অন্যতম সহচর ছিলেন। সাংগাঠনিক দক্ষতাও প্রখর। দলের সাথে কখনো বিদ্রোহ করেন নি। বুড়িচং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতিক পেয়েও দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। কিন্তু দলের প্রতি আত্মত্যাগ ও আস্থা রাখার পুরস্কারস্বরূপ নৌকার টিেিকট পেয়েছেন হাশেম খান। এমনই ধারণা তৃণমূল রাজনীতিবিদদের।
যে কারণে মনোনয়ন পেলেন না হেভিওয়েটরা:
হেভিওয়েট প্রার্থী সেলিনা সোবহান খ