যে কান্না আজও আমাকে হাসায়
মোঃ আব্দুর রহিমঃ
একটা কথা প্রচলিত আছে যে-
আনন্দে মন নাচে
আনন্দে মন বাঁচে।
আনন্দের সাথে যা শিখা হয় তার ফল হয় সুদূরপ্রসারী। রসহীন শিক্ষা শিক্ষার্থীর মনে স্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে না। শিক্ষাকে শিক্ষার্থীর কাছে আকর্ষনীয় করে তোলার জন্য আনন্দঘণ পরিবেশ সৃষ্টি অপরিহার্য। রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন,“আনন্দহীন শিক্ষা, শিক্ষা নয় , যে শিক্ষায় আনন্দ নেই, সে শিক্ষা প্রকৃত শিক্ষা হতে পারে না।”
একজন বিষয় শিক্ষক কোন পাঠ উপস্থাপনের সময় বিভিন্নভাবে, বিভিন্ন কৌশলে এ আনন্দ সৃষ্টি করতে পারেন। তবে শ্রেণি কার্যক্রমের বাইরে কিছুকিছু কর্মসূচি আছে যা শিক্ষার্থীদের শুধু আনন্দই দান করে না, তাদের আবেগিক পরিবর্তনেও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখে।
একজন শিক্ষার্থী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গন্ডি পেরিয়ে যখন মাধ্যমিক বিদ্যালয় নামক বৃহত্তর অঙ্গনে প্রবেশ করে তখন ধীরে ধীরে সে কিছু বিষয়ের সাথে একাত্ম হওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকে। শ্রেণি পাঠের বাইরে যে বিষয়গুলো তাকে হাতছানি দিয়ে ডাকে এই বিষয়গুলো হলো ৬ষ্ঠ শ্রেণির নবীনবরণ, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, নববর্ষ উদ্যাপন, বিভিন্নন জাতীয় দিবস উদ্যাপন, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পিকনিক বা শিক্ষা সফর। এগুলোর মধ্যে পিকনিকের আনন্দটা হয় আকাশছোঁয়া। একজন শিক্ষার্থী ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার পর থেকে স্কুল পিকনিকে অংশগ্রহণ করার বাসনা মনের মধ্যে তীব্রভাবে লালন করতে থাকে। আমাদের দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো সাধারণতদশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটা পিকনিকের আয়োজন করে থাকে। দুঃখের বিষয় হলো যে, অনেক বিদ্যালয়ই শিক্ষার্থীদের পাঁচ বছরের এ লালিত স্বপ্নের বাস্তব রূপ দিতে পারে না। চরম হতাশা নিয়েই এ সমস্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক শিক্ষার পাঠ চুকাতে হয়। তবে যারা ভাগ্যক্রমে স্কুল পিকনিক বা শিক্ষা সফরে যাওয়ার সুযোগ পায়, তাদের কাছে ঐদিনটা জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় দিন হয়ে থাকে। আজকে আমি পিকনিক বা শিক্ষা সফরের আয়োজন, প্রয়োজন এবং এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের চরম আবেগের বিষয়টি আলোকপাত করতে চাই। বই পড়ে বা অন্যের কাছ থেকে শুনে কোন দর্শনীয় বা ঐতিহাসিক স্থান সম্পর্কে একটা ধারণা লাভ করা à