কুমিল্লার বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে ফরমালিনযুক্ত ফল
ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু ঃ
কুমিল্লা জেলাজুড়ে মধু মাসের মধু ফলগুলো বিষ ফলে পরিণত হয়েছে। জানা গেছে, ফল পাকানো হচ্ছে বিষাক্ত কেমিক্যাল দিয়ে। এ কারণে ফলের আসল স্বাদ যেমন পাওয়া যায় না তেমন উপকারের বদলে দেখা দেয় মারাত্মক রোগব্যাধি।
কুমিল্লার বিভিন্ন বাজারে বিশেষ করে রাজগঞ্জ, টমছমব্রীজ,শাসনগাছা,ক্যান্টনমেন্ট বাজারগুলোতে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে ফরমালিন, ক্যালসিয়াম কার্বাইড, ইথাইলিন, ইথরিল ¯েপ্র দিয়ে পাকানো ফল। তরমুজ, আপেল, আঙ্গুর, কলা, আম, নাশপাতি, কমলা লেবুসহ দেশের বাইরে থেকে আসা বেশির ভাগ ফলই ঘরে রাখলে সহজে নষ্ট বা পঁচন ধরে না। এর কারণ উদঘাটন করতে গিয়ে জানা যায় আঙ্গুর, আপেল, নাশপাতি, কমলালেবুসহ দেশের বাইরে থেকে আসা বেশির ভাগ ফলে মেশানো হচ্ছে ফরমালিন। আর দেশে উৎপাদিত অপরিপক্ক ফল পাকানো জন্য কার্বাইড কিংবা দেয়া হয় আগুনের তাপ।
ব্যবসায়ী রহমত মিয়া বলেন, বিদেশ থেকে অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র, চীন, আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, ব্রাজিল, পাকিস্তান, ভারত ও মিশর থেকে আসে বেশিরভাগ ফল। দেশের বাইরে থেকে কন্টেইনারে নিয়ে আসা হয় যার মধ্যে আলো বাতাস প্রবেশ করতে পারে না। যে কারণে ওই সময়ে এতে ফরমালিন দেয়ার প্রয়োজন হয় না। তিনি আরো জানান, কন্টেইনার থেকে বের করে খোলা অবস্থায় রাখলে এসব ফল ২ থেকে ৩ দিনের বেশি থাকে না। যে কারণে অনেক সময় ফরমালিন মিশ্রিত পানির মধ্যে চুবিয়ে কাটুন করে তা বাজারজাত করতে হয়। এক গ্রাম ফরমালিন মিশ্রিত পানির মধ্যে ১০ থেকে ১২ কেজি আঙ্গুর বা নাশপাতি ভিজানো হয় আর আপেল ও কমলা লেবুতে দেয়া হয় ছিটিয়ে। যে কারনে ৩/৪ সপ্তাহ রাখলেও পঁেচ না বা এতে মাছি বসে না। তবে ফরমালিনের ক্রিয়া নষ্ট হয়ে গেলে ওই ফল তাড়াতাড়ি পঁেচ যায়।
রাজগঞ্জের এক ফল ব্যবসায়ী জানান, আঙ্গুর ও নাশপাতি খোলা রাখলে তা ২ থেকে ৩ দিন ভালো থাকে। আর আপà§