Tag Archives: প্রধানমন্ত্রী

আবার ক্ষমতায় এলে দেশে কোনো কাঁচা রাস্তা থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী

আবার ক্ষমতায় এলে দেশে কোনো কাঁচা রাস্তা থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় এলে দেশে কোনো কাঁচা রাস্তা থাকবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি জানান, ‘আমি জানি এখনো অনেক গ্রামে কাঁচা রাস্তা আছে। সেগুলো আল্লাহর রহমতে থাকবে না। আবার যদি জনগণের সেবা করার সুযোগ পাই, নিশ্চয় আমরা সেগুলো করে দেব।

কারণ শহরের মতো করে প্রত্যেকটা গ্রাম গড়ে উঠবে।’
বৃহস্পতিবার গণভবনে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস ২০২৩ উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘৯৬ সালে ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ছিল। আমরা চার হাজার ৩০০ করে যাই।

পরে বিএনপির আমলে কমে গেছে সেটা। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর এখন ২৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করি। শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পায়। শিক্ষার্থীদের বই, বৃত্তি, উপবৃত্তি দিচ্ছি।
ডিজিটাল সেন্টার করে দিচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী জানায়, ‘১৮ জন কৃষককে গুলি করে হত্যা করেছে খালেদা জিয়া। আজ কৃষকের ঘরে সার পৌঁছে যায়। তাদের কৃষি উপকরণ কার্ড দিয়েছি। এটা দিয়ে কৃষি উপকরণ কিনতে পারে।

১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে। এর মাধ্যমে ভর্তুকির টাকা সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছে যায়। জেলেদের ৪০ কেজি করে চাল দিই।’

তিনি জানান, ‘আজকের বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ। ৭৩ শতাংশ লোক ইন্টারনেট ব্যবহার করে। ঘরে ঘরে মোবাইল ফোন। সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করি। কোনো মানুষ দরিদ্র থাকবে না। নানাভাবে তাদের এগিয়ে নেওয়ার কাজ করছি। প্রতিবন্ধী, বয়স্ক, স্বামী পরিত্যক্তাদের ভাতা দিচ্ছি। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের স্বীকৃতি ও তাদের ভাতাও দিচ্ছি। পাঁচ কোটি মানুষের পারিবারিক কার্ড করে দিয়েছি। এটা দিয়ে তারা স্বল্পমূল্যে প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারে।’

তৃণমূল নেতাকর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা জানায়, ‘আপনারা তৃণমূলের জনগণের ভোটে নির্বাচিত সেবক। আপনারা যথাযথ দায়িত্ব পালন করে মানুষের আস্থা অর্জন করে এগিয়ে যাবেন। মানুষ যেন আবার ভোট দেয়, সে পরিবেশ তৈরি করবেন। আমরাও এটা চাই, আজকে যে দীর্ঘদিনের উন্নয়নের ফসল, এটা যেন অব্যাহত থাকে। কেউ যেন পিছিয়ে দিতে না পারে। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আমরা আরো উজ্জ্বল করে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াব।’

তিনি জানান, ‘তৃণমূলের জন্য পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক এবং প্রবাসীদের জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক করে দিয়েছি। তারা তো এ ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে যেতে পারে। কিন্তু এখনো দালালের খপ্পরে পড়ে বিদেশে গিয়ে বিপদে পড়ে। এগুলো খেয়াল রাখবেন। পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে আপনাদের দাঁড়াতে হবে। কেউ যাতে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের না জড়ায়, সেটা আপনাদের দেখতে হবে।’

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, রাজশাহীর মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, নারায়ণগঞ্জের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী, খুলনার মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, সিলেটের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীসহ বিভিন্ন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা। স্বাগত বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোহাম্মদ ইবরাহীম।

বাংলাদেশ ২০তম জিডিপির দেশ হিসেবে আবির্ভূত হবে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ ২০তম জিডিপির দেশ হিসেবে আবির্ভূত হবে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন বিশ্বের বর্ধনশীল পাঁচটি অর্থনীতির একটি। জিডিপিতে আমরা বিশ্বের ৩৫তম এবং ২০৩৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ২০তম জিডিপির দেশ হিসেবে আবির্ভূত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রিন ইনভেস্টমেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াতের পাঁচ বছর এবং সামরিক সরকারের পরবর্তী বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনীতি সম্পূর্ণ মন্দার কবলে পড়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ‘৯৬ সালে সরকার গঠন করে। সুচিন্তিত এবং পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকি। বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসার পর সব উন্নয়নের কাজ থমকে যায়।

সরকারপ্রধান বলেন, ২০০৯ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর আমরা দেশকে সুপরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নিয়ে যাই। আমরা স্বল্প, মধ্যম এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে দেশ গঠনের কাজে মনোনিবেশ করি। গণতান্ত্রিক পরিবেশ, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সরকারের ধারাবাহিকতা এবং পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচি দ্রুত বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছে।

২ দিনের সফরে ঢাকায় ফরাসি প্রেসিডেন্ট, বিমানবন্দরে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা

২ দিনের সফরে ঢাকায় ফরাসি প্রেসিডেন্ট, বিমানবন্দরে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

দিল্লির জি-২০ সম্মেলন শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে দুই দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ৩৩ বছর পরে ফ্রান্সের কোনো প্রেসিডেন্টের এটিই প্রথম ঢাকা সফর।

রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাতে হোটেলে প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশভোজে অংশ নেবেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ। পরে ‘জলের গান’ ব্যান্ডের শিল্পী রাহুল আনন্দের স্টুডিও পরিদর্শন করবেন ম্যাক্রোঁ।

সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে বিকালে ঢাকা ছাড়বেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট।

উল্লেখ্য ম্যাক্রোঁর এ সফরে ফ্রান্স ও বাংলাদেশের মধ্যে দুটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হবে। বাংলাদেশ ও ফ্রান্স জলবায়ু পরিবর্তন এবং নিয়ন্ত্রিত অভিবাসনের মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা ছাড়াও দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করবে।

নয়া দিল্লিতে সৌদি যুবরাজের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

নয়া দিল্লিতে সৌদি যুবরাজের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নয়া দিল্লিতে জি-২০ নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে রোববার সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানান, বৈঠকে যুবরাজ সালমান সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন অর্জনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অনুপ্রেরণামূলক নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।

তিনি জানান, বাংলাদেশ ও সৌদি আরব সম্ভাব্য সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে একসঙ্গে কাজ করবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তার পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দেন।

যুবরাজ সালমান পতেঙ্গা টার্মিনাল, পায়রা বন্দর এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে সৌদি বিনিয়োগকারীদের চলমান বিনিয়োগের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উল্লেখ করেন, প্রায় ২৮ লাখ বাংলাদেশি তাদের কঠোর পরিশ্রম এবং যথাযথ পরিশ্রম দিয়ে তার দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। যুবরাজ সালমান ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে সৌদি আরবকে সমর্থন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরবে বেশ কয়েকটি সামাজিক সংস্কার শুরু করা এবং অর্জন করা এবং সাম্প্রতিক সময়ে অসংখ্য কূটনৈতিক সাফল্য অর্জনের জন্য সৌদি যুবরাজকে অভিনন্দন জানান। তিনি তাকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণও জানান। যুবরাজ সালমান তার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশ সফরে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

জি-টোয়েন্টি সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লিতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

জি-টোয়েন্টি সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় দুপুর ১২.৪০ মিনিটে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এর আগে বেলা ১১টায় ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যায়।

বাসসের প্রতিবেদনে এসব জানানো হয়েছে।

আজই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা।

৭ সেপ্টেম্বর কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা এক প্রতিবেদনে লিখেছিল— হায়দ্রাবাদ হাউস অথবা সাউথ ব্লকে নয়, বঙ্গবন্ধু কন্যার সঙ্গে মোদি আলাপচারিতা করবেন নিজের বাসভবন, ৭ লোককল্যাণ মার্গে।

আন্তরিকতার বার্তা দিতেই এই গৃহঅভ্যর্থনার আয়োজন বলেও লেখা হয়েছিল প্রতিবেদনে।

শনিবার সকাল থেকে শুরু হবে জি২০ দেশগুলোর শীর্ষ সম্মেলন। বাংলাদেশ ওই গোষ্ঠীর সদস্য নয়। কিন্তু ভারত জি২০ গোষ্ঠীর সভাপতিত্ব পাওয়ার পরই মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অতিথি হিসাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশকেই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত, যা দুই দেশের সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছানোর দৃষ্টান্ত বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘দুই প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে তিনটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

তিনটি সমঝোতা স্মারক হলো— কৃষি গবেষণায় সহযোগিতা, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে আর্থিক লেনদেনের সহজীকরণ।

জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হওয়ার পর, ৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন অধিবেশনে যোগ দেবেন এবং শীর্ষ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘এক পৃথিবী, এক পরিবার, এক ভবিষ্যত’-এর অধীনে দুটি ভাষণ দেবেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী গতকাল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সরকারের মেয়াদে বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভাবনীয় সাফল্যের অভিজ্ঞতা অংশগ্রহণকারী বিশ্ব নেতাদের কাছে তুলে ধরবেন।

প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো অ্যাঞ্জেল ফার্নান্দেজ, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়ল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

১০ সেপ্টেম্বর, জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের দ্বিতীয় এবং শেষ দিনে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য দেশের নেতাদের সাথে রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

এরপর সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে যোগ দেবেন তিনি। সম্মেলনের শেষ দিনে ‘জি- ২০ নয়া দিল্লি নেতাদের ঘোষণা’ গৃহীত হবে।

১০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরবেন।

ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, নৌকা সারাজীবন উজান ঠেলে ঠেলে এগিয়ে গেছে: শেখ হাসিনা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

বিএনপিসহ বিরোধী দলের চলমান আন্দোলন এবং বাংলাদেশ ইস্যুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ অবস্থানের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘এই সমস্ত ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। নৌকা সারা জীবন উজান ঠেলে ঠেলে এগিয়ে গেছে।’

আজ শনিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্প (কাওলা-ফার্মগেট) অংশের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাঝে মাঝে আন্দোলন-সংগ্রাম দেখে অনেকে একটু ঘাবড়ে যায়। তারপর নিষেধাজ্ঞা আসে। ভিসা নিষেধাজ্ঞা, ইত্যাদি ইত্যাদি। আমার স্পষ্ট কথা। এই মাটি আমাদের। কাজেই ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ নেই। ভয়কে জয় করে বাংলাদেশের জনগণ তার উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা দেশ স্বাধীন করেছি জাতির পিতার নেতৃত্বে। বাংলাদেশের মানুষ জানে অধিকার আদায় করতে। তবে বাংলাদেশ তো ছয় ঋতুর দেশ। এ জন্য আমরা দেখি কখনো বর্ষা, কখনো ঝড়, কখনো জলোচ্ছ্বাস, কখনো রৌদ্রোজ্জ্বল। আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্নটা দেখে আমাদের অভিজ্ঞতা আছে।’

উপস্থিত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আপনাদের বলতে চাই—আমি কবির ভাষায় বলব, মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়/আড়ালে তার সূর্য হাসে/হারা শশীর হারা হাসি/অন্ধকারেই ফিরে আসে। মেঘের ঘনঘটা আমরা দেখি। তারপর ওই তো সূর্য ওঠে। কাজেই ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ নেই। ভয়কে জয় করে বাংলাদেশের জনগণ তার উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাবে।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, নৌকা সারা জীবন উজান ঠেলে ঠেলে এগিয়ে গেছে। ঝড়ঝঞ্ঝা পাড়ি দিয়েই নৌকা আজকে তীরে ঠেকে জনগণের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। নৌকা মার্কা স্বাধীনতা দিয়েছে। নৌকা মার্কা অর্থনৈতিক উন্নতি দিয়েছে। নৌকা মার্কা ডিজিটাল বাংলাদেশ দিয়েছে। নৌকা মার্কাই স্মার্ট বাংলাদেশ আমাদের দেবে।’

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘অনেকেই নাকি গণতন্ত্র চোখে দেখে না। আর গণতন্ত্র উদ্ধার করবেন। যাদের জন্মই হচ্ছে অগণতান্ত্রিকভাবে, সংবিধান লঙ্ঘন করে, উচ্চ আদালত যাদের ক্ষমতা দখল অবৈধ ঘোষণা করেছে—তাদের হাতে গড়া দল কী গণতন্ত্র দেবে? তারা তো গণতন্ত্র দিতে জানে না। তারপরও তারা আন্দোলনের নামে অনেক সময় অনেক কথা বলে।’

সুধী সমাবেশে উপস্থিত সবার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবাইকে বলব আত্মবিশ্বাস রেখে জনগণের জন্য কাজ করলে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করা সম্ভব। আমরা তা প্রমাণ করেছি। তার জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দরকার। অগ্নি-সন্ত্রাস, খুন, হত্যা অনেক কিছু আমরা দেখেছি। কিন্তু সেইগুলি উত্তরণ ঘটিয়ে বাংলাদেশ ইনশাআল্লাহ এগিয়ে যাবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জানি সরকারি চাকরিজীবীরা পেনশন পায়, সাধারণ মানুষ অবসর ভাতা পায় না। তারা যখন বয়স্ক হয়ে যাবে, কর্মক্ষমহীন হয়ে যাবে, তখন তারা যাতে পেনশন পায় সেই জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করেছি। ১৮ বছরের পর থেকে এ স্কিমে যোগ দিতে পারে, ৪০ বছর পরে থেকে সেই টাকা তুলতে পারবেন। ভবিষ্যৎ আর অন্ধকারে থাকবে না। শুধু বর্তমানের উন্নয়ন না, ভবিষ্যৎ যাতে আলোক উজ্জ্বল হয় তার জন্য পেনশন স্কিম চালু করে দিয়েছি। যা আমাদের নির্বাচনী ওয়াদা ছিল। সেই ওয়াদা রক্ষা করতে পেরেছি।’

গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতায় দেশের এই উন্নয়ন উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশের উন্নয়ন কেন হয়েছে। একটাই কারণ, ২০০৯ সাল থেকে গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার আমরা নিশ্চিত করে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এসে একটি গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতার পরিবেশ রাখতে পেরেছি। তার কারণেই আজকে বাংলাদেশের উন্নয়ন।’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান প্রমুখ।

তারা চায় এমন একটা সরকার আসুক যারা তাদের পদলেহন করবে: প্রধানমন্ত্রী

তারা চায় এমন একটা সরকার আসুক যারা তাদের পদলেহন করবে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

কয়েকটি দেশ বন্ধু হলে শত্রু লাগে না, মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তারা চায়, বাংলাদেশে এমন সরকার আসুক, যারা তাদের পদলেহন করবে।

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বুধবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে কেউ কেউ চায়, এখানে এমন একটা সরকার আসুক যারা তাদের পদলেহন করবে।

তিনি আরো জানায়, বড় দেশ মোড়লিপনা সব জায়গায় করে থাকে। এরা যাদের বন্ধু হয়, তাদের তো আর শত্রু লাগে না। ইউক্রেন বন্ধু হয়েছিল, আজ ইউক্রেনের অবস্থাটা কী দাঁড়িয়েছে?’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানকার (ইউক্রেন) মেয়েরা, বাচ্চারা আজকে কষ্ট পাচ্ছে। এমনই বন্ধুত্ব, সেই বন্ধুত্বের কারণে তাদের দেশও শেষ এবং সেখানে নারী-শিশু, তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে।

নাম উল্লেখ না করে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে তৎপর দেশগুলোকে ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী কিছু আছে, কয়েকটি দেশ, তারা নাকি খালি গণতন্ত্র খুঁজে বেড়ায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ আমাদের শুনতে হয়, তারা গণতন্ত্রের খোঁজ করে, ভোটের অধিকার খোঁজ করে। এই ভোটের যে অবস্থা ছিল, সেটা তো তারা দেখেনি। এরা দেখতেও পারে, জানতেও পারে।

তিনি জানান, মানবাধিকার, গুম-খুনের কথা বলে। আমার বাবা-মায়ের হত্যাকারী সেই খুনি রাশেদ এখনও আমেরিকায়। বার বার অনুরোধ করি যে তাকে ফেরত দেন, কারণ আমার দেশের বিচার ব্যবস্থায় সে সাজাপ্রাপ্ত। সেখানে তাদের হাত দেওয়ার কী অধিকার আছে? এই খুনিকে তারা লালনপালন করে কেন? আরেকজন নূর, সেই নূর তো এখন কানাডায়। তাদের তারা ফেরত দেয় না।

বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে আওয়ামী লীগের অবদানের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগেরই উদ্যোগে আমরা মহাজোট করি। আমাদেরই প্রস্তাব ছিল ছবিসহ ভোটার তালিকা, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, নির্বাচন স্বচ্ছ করা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইন করে নির্বাচন কমিশন আমরা করেছি। নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করে দেওয়া হয়েছে অর্থনৈতিকভাবে।

নির্বাচন ও গণতন্ত্র বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও জানান, নির্বাচনকে স্বচ্ছ করা, জনগণের ভোটের অধিকার, ভাতের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেছে আওয়ামী লীগ। রক্ত দিয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। রক্ত দিয়েই এই অধিকার আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি।

চাঁদপুরে সমাবেশে যাওয়ার পথে যুবলীগ কর্মীকে গুলি করে হত্যা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে আসার পথে প্রতিপক্ষের গুলিতে মোবারক হোসেন বাবু (৪৮) নামে এক যুবলীগকর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত পাঁচজন।

শনিবার (১৭ জুন) বিকেল ৩টায় উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মুসা নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দীন হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত মোবারক হোসেন বাবু বাহাদুরপুর গ্রামের আবুল ব্যাপারীর ছেলে। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ ইমরান ব্যাপারী, জহির ও ইমনকে ঢাকা পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আহত জহির (৩২) ও বিলকিছকে (৩৫) মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ‍্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের ভাই আমির হোসেন কালু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার প্রতিবাদ সমাবেশে অংশগ্রহণের জন্য আমরা বাহাদুরপুর থেকে রওয়ানা হই। এসময় মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মিজানের কর্মী-সমর্থকরা আমাদের ওপর বর্ষণ শুরু করে। এতে আমার ভাই বাবুসহ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়।

বিয়ে করলেন দুবাইয়ের রাজকুমারী

 

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

সম্প্রতি বিয়ের পিড়িতে বসেছেন শাইখা মাহরা বিনতে মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসকের মেয়ে। বর ওই রাজবংশেরই সদস্য শেখ মানা বিন মোহাম্মদ বিন রশিদ বিন মানা আল মাকতুম। এক প্রতিবেদনে এমনটি জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম খালিজ টাইমস।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের কন্যা শেখা মাহরা বিনতে মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম ও শেখ মানা বিন মোহাম্মদ বিন রশিদ বিন মানা আল মাকতুমের মধ্যে বাগদান সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে। এ বাগদান ঘোষণা করা হয়েছিল ২০২৩ সালের ২২ মার্চ।

তাদের বাগদান অনুষ্ঠানটি বড় পরিসরে আয়োজন করা হয়নি। খুব জমকালো অনুষ্ঠান করতে দেখা যায়নি। পরিবার-পরিজন এবং আশেপাশের বন্ধুবান্ধব, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ নিয়েই ছোট পরিসরে বাগদান সম্পন্ন করা হয়েছে।

শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ বিন মানা আল মাকতুমের পুত্র শেখ মানা একজন ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তা। দুবাইতে রিয়েল এস্টেট এবং প্রযুক্তি খাতের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা তিনি।

এদিকে কনে শেখা মাহরা সম্প্রতি লন্ডনের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ডিগ্রি নিয়ে স্নাতক হয়েছেন এবং তিনি তার স্নাতক দিবসের ছবি তার ১ লাখ ৩৯ হাজার অনুসারীদের সাথে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন৷ তাকে নানা প্রদর্শনী এবং লঞ্চ এর অনুষ্ঠানসহ সংযুক্ত আরব আমিরাতের জনপ্রিয় ইভেন্ট এ যোগদান করতে দেখা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ভন্ডদের আখড়া: সজীব ওয়াজেদ জয়

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরকে ‘ভন্ডদের আখড়া’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। টেনেসিতে দুজন কৃষ্ণাঙ্গ নেতাকে রাজ্যের আইনসভা থেকে বহিষ্কারের ঘটনার একটি রিপোর্ট দেখিয়ে ফেইসবুক পোস্টে এই মন্তব্য করেন জয়।

সজীব ওয়াজেদ বিষয়টি প্রসঙ্গে বিবিসির একটি সংবাদ তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার দিয়ে স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্যের আইনসভার সদস্যরা (একই অভিযোগে) ভোট দিয়ে দুই সংখ্যালঘু আইনপ্রণেতাকে বহিষ্কার করেছে আর একজন শ্বেতাঙ্গকে রেখে দিয়েছে। এই হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের অবস্থা। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট ভণ্ডদের আখড়া ছাড়া আর কিছুই নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের সর্বশেষ মানবাধিকার প্রতিবেদনেও বাংলাদেশে নির্বাচন ব্যবস্থা, গণতন্ত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছিল।

দুই বছর আগে র‌্যাবের উপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র সরকার। র‌্যাবের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে ডয়চে ভেলের সাম্প্রতিক ভিডিও প্রতিবেদন নিয়েও প্রতিক্রিয়া জানায় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।