এখনো স্থায়ী ঠিকানার সন্ধানে “বীরকণ্যা আফিয়া খাতুনের পরিবার”
মোঃ বেলাল হোসাইন ঃ
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নিজের ইজ্জতের বিনিময়ে যিনি বাঁচিয়েছেন শত শত যুবতী মেয়ের ইজ্জত, যার ইজ্জতের দামে রক্ষা পেয়েছে উপজেলার শত শত মানুষ, সেই আফিয়া খাতুনের পরিবার এখনো পায়নি নিরাপদ আশ্রয়ের ঠিকানা কিংবা আশ্বাস। অত্যন্ত কষ্টে কাটছে বীরকন্যা খঞ্জনীর জীবন।
স্বাধীনতার ৪৬ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। দেশ স্বাধীন হলেও কুমিল্লার বীরাঙ্গণা আফিয়া খাতুন ওরফে খঞ্জনী বেগম মুক্তিযোদ্ধা খেতাব পেয়েছেন চলতি বছর। দীর্ঘ ৪৬ বছর ধরে দুঃখ-লাঞ্চনায় মানষিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন বীরকণ্যা আফিয়া খাতুন খঞ্জনী। এখন নিজেই নিজেই কথা বলেন। কারো কথার কোন উত্তর তিনি দিতে পারেন না। শুধু ফেল ফেল করে তাকিয়ে থাকেন। আর্থিক অনটনে উন্নত চিকিৎসাও পাচ্ছেন না এই বীরকন্যা । কুমিল্লা জেলা প্রশাসন থেকে পাওয়া খাস জমি এখনোও স্থানীয় প্রভাবশালীদের দখলে। সব মিলিয়ে স্বাধীন এই বাংলাদেশে নাজুক জীবন যাপন করছেন বীরকণ্যা খঞ্জনী। ফলে এ বীরকন্যার এ পরিবারটি এখনো স্থায়ী ঠিকানার সন্ধানে রয়েছে।
বীরাঙ্গণা আফিয়া খাতুন খঞ্জনী নিজের সম্ভ্রমের বিনিময়ে চৌদ্দগ্রাম এলাকার সোনাপুর গ্রামের নারীদের রক্ষা করেছিলেন। দেশ স্বাধীনতা পেলেও তিনি ফিরে পান নি নিজের ঘর ও সন্তান। দীর্ঘ সময় পর খঞ্জনীকে মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার।
বীরকণ্যা আফিয়া খাতুন ওরফে খঞ্জনী বেগম ১৯৩৯ সালে ফেনী জেলার বরইয়া চৌধুরী বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম হাসমত আলী চৌধুরী ও মা মছুদা খাতুন। ১৯৬৩ সালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের রুহুল আমিন মানিক প্রকাশ হেকমত আলীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে ১৯৬৪ সালে রোকসানা ও ১৯৬৫ সালে আবদুল মতিন নামে এই দুই ছেলেমেয়ে জন্মগ্রহণ ক