কুমিল্লায় দুই শতাধিক অবৈধ রেল ক্রসিংয়ে, বাড়ছে দুর্ঘটনা ঝরছে প্রাণ
অনলাইন ডেস্ক :
কুমিল্লা অঞ্চলের দুই শতাধিক অবৈধ রেল ক্রসিংয়ের কারণে দুর্ঘটনা ও মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে। অবৈধ রেল ক্রসিংগুলোকে বৈধ করার দাবি স্থানীয়দের। এদিকে যত্রতত্র অবৈধ রেল ক্রসিং না করার আহ্বান রেল বিভাগের। রেল বিভাগের দাবি-এতে ট্রেনের গতি কমে, দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে।
রেল সূত্র জানায়, কুমিল্লার লাকসাম থেকে আখাউড়া রুটে অবৈধ রেল ক্রসিং ৪৭টি, আগের বৈধ আছে ১২টি। লাকসাম থেকে নোয়াখালী রুটে ৩৮টি অবৈধ রেল ক্রসিং, আগের বৈধ সাতটি। লাকসাম থেকে চাঁদপুর রুটে অবৈধ রেল ক্রসিং ৩৭টি, আগের বৈধ আটটি।
লাকসাম থেকে গুণবতী পর্যন্ত অবৈধ রেল ক্রসিং ১৫টি। আগের বৈধ পাঁচটি। এদিকে রেল বিভাগের হিসাবে কুমিল্লা অঞ্চলে ১৪৫টি অবৈধ রেল ক্রসিংয়ের তথ্য দেওয়া হলেও তা দুই শতাধিক ছাড়িয়ে যাবে। বেশি অবৈধ রেল ক্রসিং লাকসাম- আখাউড়া ও লাকসাম-নোয়াখালী রুটে। লাকসাম-নোয়াখালী রুটের কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার চন্দনা বাজারের দক্ষিণ পাশে অরক্ষিত রেল গেইটে প্রায় দুর্ঘটনা ঘটে। তপইয়া রেল ক্রসিংও ঝুঁকিপূর্ণ। খিলা রেল স্টেশনের পাশে খিলা বাজার। সেখানে স্টেশনের দুই পাশে অরক্ষিত দুইটি রেল ক্রসিং রয়েছে। মনপাল ফুলকলি বিদ্যানিকেতনের সভাপতি লতিফুর রহমান খোকন বলেন, লাকসাম উপজেলার চন্দনা বাজারের দক্ষিণ পাশের রেল লাইনের উপর দিয়ে চন্দনা-আতাকরা সড়ক। এইখানে গত তিন বছরে ট্রেনে কাটা পড়ে পাঁচজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। লাকসাম-আখাউড়া রুটের কুমিল্লার বিজয়পুর এলাকার জেলখানা বাড়ি রেল ক্রসিং মরণফাঁদ হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বিজয়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম খোকা বলেন, গত পাঁচ বছরে এখানে ২০ জন মানুষ ট্রেনে কাটা পড়েছে। ২০১৮ সালের প্রথম দিকে এক্সিম ব্যাংকের গাড়ি ট্রেনের ধাক্কায়