All posts by jitu

শাহরাস্তিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল আলম ফিরোজের পথসভা

ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকন, শাহরাস্তি:

শাহরাস্তি প্রতিনিধি : শাহরাস্তিতে (ট্রাক) প্রতিকের( স্বতন্ত্র) প্রার্থী আলহাজ্ব মো: শফিকুল আলম ফিরোজ ব্যাপক গণসংযোগ ও বিশাল পথসভায় মিলিত হয়েছেন ।

মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় আওয়ামীলীগের দলীয় নেতাকর্মীদের বিশাল বহর নিয়ে তিনি টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের উয়ারুক রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গণসংযোগ ও বিশাল পথসভায় মিলিত হন।

পথসভাস্থলটি যেন সমাবেশে রুপ নেয়, এ সময় শত শত লোক সভাস্থলে এসে হাজির হন। পথসভায় কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

টামটা দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ সাবেক সভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম সভাপতিত্বে ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক সফিউল আজম স্বপন এর সঞ্চালনায় পথসভায় উপস্থিত ছিলেন, শাহরাস্তি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ কামরুজ্জামান মিন্টু, সাবেক পৌর আওয়ামিলীগ আহবায়ক মোঃ রেজাউল করিম মিন্টু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ এম এ আউয়াল মজুমদার, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা মো: খিজির হায়দার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোকন সরকার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আদেল, চৌধুরী মোস্তফা কামাল, শাহরাস্তি পৌর আওয়ামিলীগ সভাপতি আহসান মঞ্জরুল ইসলাম জুয়েল, টামটা দক্ষিণ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল আলম ভুঁইয়া, টামটা উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ নেতা আলমগীর কবির পলাশ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক শাহাদাত হোসেন সাধু, সাবেক ছাএনেতা হুমায়ুন কবির হিরো, মহসিন পাটোয়ারী, এফ কাদের বাবু, কেন্দ্রীয় ছাএলীগের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ হোসাইন মীর, এমরান হোসেন, মনিরুজ্জামান শান্ত, সুমন বর্ধন, সাবেক ছাএনেতা রফিকুল ইসলাম রকি, পিযুশ দাস, ইকবাল হোসেন, আলমগীর হায়দার, ফরিদ পাটোয়ারী, যুবলীগ নেতা শাহাদাত হোসেন প্রমুখ। সভায় টামটা দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ, যুবলীগ, ছাএলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ক্যাপশন: শাহরাস্তির উয়ারুক রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পথসভায় বক্তব্য রাখেন (ট্রাক) প্রতিকের (স্বতন্ত্র) প্রার্থী মো: শফিকুল আলম ফিরোজ।

গাজায় শান্তির জন্য নেতানিয়াহু যে তিন পূর্বশর্ত দিলেন

ডেস্ক রিপোর্ট:

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় শান্তি স্থাপনের জন্য ৩টি পূর্বশর্ত দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। এই পূর্বশর্তগুলো হলো, ‘হামাসকে ধ্বংস করা’, ‘গাজাকে নিরস্ত্রীকরণ করা’ এবং ‘ফিলিস্তিনের সমাজ থেকে ইহুদিদের প্রতি বিদ্বেষ ও ঘৃণামূলক মনোভাব দূর করা’।

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রথমসারির দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে সাম্প্রতিক ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ সম্পর্কে একটি কলাম লিখেছেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সেখানেই এই পূর্বশর্ত হিসেবে এসব পয়েন্ট এনেছেন তিনি। কলামে এসব শর্তের বিস্তারিত ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী।

কলামে নেতানিয়াহু মন্তব্য করেছেন, ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের পর পশ্চিমতীরে ক্ষমতাসীন ফিলিস্তিনি কতৃপক্ষ (পিএ) গাজা শাসন করতে পারবে বলে মনে করেন না তিনি। কারণ পিএ’র সেই সক্ষমতা নেই।

প্রথম পূর্বশর্ত, অর্থাৎ ‘হামাসকে ধ্বংস করা’ সম্পর্কিত ব্যাখ্যায় নেতানিয়াহু বলেন, ‘গাজায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর চলমান অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হামাসকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি এবং অন্য অনেক দেশ উদ্দেশ্যকে সমর্থন করেছে। তারাও চায়, এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠী শেষ হোক। গাজায় হামাসের শাসন অবসান এবং তাদের সামরিক সক্ষমতা সর্ম্পূর্ণ নষ্ট করার মাধ্যমেই এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।’

‘আর এই লক্ষ্য অর্জন ব্যতীত আমাদের সামনে আর কোনো উপায়ও নেই। কারণ হামাসের নেতারা ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, গত ৭ অক্টোবর যে হামলা হয়েছে— ভবিষ্যতে বার বার তার পুনরাবৃত্তি ঘটবে। সারাক্ষণ এই ঝুঁকির মধ্যে থাকা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।’

তবে হামাসের কব্জায় এখনও ইসরায়েল এবং অন্যান্য দেশের যে ১২৯ জন নাগরিক জিম্মি অবস্থায় রয়েছেন, কীভাবে তাদের মুক্ত করা হবে— সে সম্পর্কিত কোনো তথ্য নেতানিয়াহুর কলামে পাওয়া যায়নি। তেমনি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের

দ্বিতীয় শর্ত ‘গাজাকে নিরস্ত্রিকরণ করা’র ব্যাখ্যায় নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘আমরা চাই না যে গাজা উপত্যকা হামলাকারীদের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হোক। এ কারণে উপত্যকার পরিসীমা বা সীমান্তে একটি সাময়িক নিরাপত্তা জোন স্থাপন করা প্রয়োজন। সেই সঙ্গে গাজা ও মিসরের মধ্যে যে সীমান্তপথ রয়েছে, সেই রাফাহ ক্রসিংয়ে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো জরুরি। কারণ গাজায় অস্ত্রের চালান ঢোকে মূলত এই সীমান্ত দিয়েই।

‘আমরা যদি প্রত্যাশা করি যে (যুদ্ধ অবসানের পর) পিএ গাজায় এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করবে, তাহলে সেটি হবে দিবাস্বপ্ন। কারণ পিএ’র সেই সক্ষমতা কিংবা ইচ্ছে— কোনোটাই নেই।’

কলামে উল্লিখিত তৃতীয় পূর্বশর্তের ব্যাখ্যায় নেতানিয়াহু বলেন, ‘ফিলিস্তিনের স্কুলগুলোতে বাচ্চাদের অবশ্যই এটা শেখাতে হবে যে মৃত্যুর চেয়ে বেঁচে থাকা অনেক মূল্যবান এবং জীবনের যত্ন নেওয়া জরুরি। ফিলিস্তিনের ইমামরা সবসময় তাদের ধর্মীয় বক্তব্যে ইহুদিদের হত্যার পক্ষে উসকানি দেন— এটা বন্ধ করতে হবে। সেই সঙ্গে ফিলিস্তিনের সাধারণ জনগণ যেন সন্ত্রাসবাদে অর্থের যোগান দেওয়ার পরিবর্তে সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইকে সমর্থন করে— সেজন্যও ফিলিস্তিনের সুশীল সমাজকে কাজ করতে হবে।’

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় ইরেজ সীমান্তে অতর্কিত হামলা চালায় হামাস যোদ্ধারা। তারপর ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। পরে ২৮ অক্টোবর থেকে অভিযানে যোগ দেয় স্থল বাহিনীও।

ইসরায়েলি বাহিনীর টানা দেড় মাসের অভিযানে কার্যত ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে গাজা উপত্যকা, নিহত হয়েছেন ২০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। এই নিহতদের ৭০ শতাংশই নারী, শিশু,অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর-কিশোরী এবং বয়স্ক লোকজন।

সেই সঙ্গে আহত হয়েছেন আরও ৫২ হাজার ৫৮৬ জন এবং এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ৬ হাজার ৭০০ জন।। এছাড়া হাজার হাজার পরিবার বাড়িঘর-সহায় সম্বল হারিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন বিভিন্ন স্কুল, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণে।

অন্যদিকে, হামাসের গত ৭ অক্টোবরের হামলায় ইসরায়েলে নিহত হয়েছিলেন ১ হাজার ২০০ জন ইসরায়েলি ও অন্যান্য দেশের নাগরিক। পাশাপাশি, ইসরায়েলের ভূখণ্ড থেকে ২৪২ জন ইসরায়েলি ও অন্যান্য দেশের নাগরিকদের সেদিন জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে গিয়েছিল হামাস যোদ্ধারা।

এই জিম্মিদের মধ্যে ইসরায়েলিদের সংখ্যা ১০৪ জন। বাকি ১৩৬ জনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, থাইল্যান্ড, জার্মানি, ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা, রাশিয়া ও ইউক্রেনের নাগরিকরা রয়েছেন; এবং রয়েছেন শিশু, নারী, তরুণ-তরুণী এবং বৃদ্ধ-বৃদ্ধা— সব বয়সী মানুষ।

টানা দেড় মাস ভয়াবহ যুদ্ধ শেষে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে নতিস্বীকার করে গত ২৫ নভেম্বর অস্থায়ী বিরতি ঘোষণা করে হামাস-ইসরায়েলি বাহিনী। পরে ১ ডিসেম্বর দু’পক্ষের পারস্পরিক হামলার শুরুর মধ্যে দিয়ে শেষ হয় সেই বিরতি।

৭ দিনের অস্থায়ী বিরতির সময় নিজের কব্জায় আটক জিম্মিদের মধ্যে থেকে ১১৮ জনকে মুক্তি দিয়েছে হামাস; বিপরীতে এই সময়সীমায় ইসরায়েলের বিভিন্ন কারাগার থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ১৫০ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এখনও হামাসের কব্জায় রয়েছেন অন্তত ১২৯ জন জিম্মি। তাদের কীভাবে মুক্ত করা হবে, সে সম্পর্কে নেতানিয়াহুর কলামে কোনো নির্দেশনা বা ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

সেই সঙ্গে ‘দ্বিরাষ্ট্র সমাধান’ বা আল-আকসা ভূখণ্ডে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন নামে দু’টি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে যে আলোচনা চলছে— কলামে তাও এড়িয়ে গেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। নেতানিয়াহু অবশ্য বরাবরই ‘দ্বিরাষ্ট্র সমাধান’ তত্ত্বের ঘোর বিরোধী।

সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল

তৃপ্তি ডিমরির প্রশংসায় পঞ্চমুখ সবাই, অখুশি প্রযোজক

ডেস্ক রিপোর্ট:

অ্যানিম্যাল সিনেমায় মুখ্য চরিত্রে রণবীর ও রাশমিকা থাকলেও নজর কেড়েছেন ববি দেওল ও তৃপ্তি ডিমরিও। খল চরিত্রে জোরালো অভিনয় করে নিজের অভিনয় জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছেন ববি।

আর পর্দায় খুব একটা সময় না পেলেও বিশেষ চরিত্রে ছাপ রেখেছেন তৃপ্তি। এর আগে ‘লয়লা মজনু’, ‘বুলবুল’, ‘কলা’-র মতো সিনেমায় কাজ করেছেন তৃপ্তি। দর্শকের কাছে পরিচিত মুখ তিনি। তবে নিজের চেনা ছক থেকে বেরিয়ে ‘অ্যানিম্যাল’-এর মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন তৃপ্তি। তাতে সফলও হয়েছেন। তৃপ্তির প্রশংসায় পঞ্চমুখ দর্শক। তারপরেও তাকে নিয়ে অখুশি প্রযোজক বঙ্গা। কেন?

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রযোজক প্রণয় রেড্ডি বঙ্গা জানান, তৃপ্তিকে নিয়ে যে মাতামাতি চলছে সমাজমাধ্যমে, তা নাকি মোটেই কাম্য নয়। তার দাবি, এর থেকে অনেক বেশি প্রশস্তি নাকি রাশমিকার প্রাপ্য।

প্রণয়ের কথায়, গীতাঞ্জলি অত্যন্ত বলিষ্ঠ একটা চরিত্র। সমালোচকেরা বিশেষত নারীবাদীদের যদিও ওই চরিত্র নিয়ে অনেক সমস্যা আছে। রাশমিকা ওই চরিত্রে খুব ভালো কাজ করেছেন। রণবীর এখন দেশের সেরা তিন অভিনেতার একজন। তার মতো অভিনেতার পাশে দাঁড়িয়ে পাল্লা দিয়ে কাজ করেছেন রাশমিকা। কিন্তু মুম্বাইয়ে কেউ তাকে নিয়ে কথা বলছেন না। সবাই তৃপ্তিকে নিয়ে ব্যস্ত। হয়তো প্রচারণামূলক সংস্থাগুলোর কাজই এটা। তৃপ্তি ভালো কাজ করেছেন। তবে রাশমিকার এর চেয়ে অনেক বেশি প্রশংসা প্রাপ্য।

নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের কারণ জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে মাঠে নামছে সেনাবাহিনী। ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৮ দিন দায়িত্ব পালন করবে তারা। সেনাবাহিনী মাঠে থাকা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জানিয়েছেন, ‘এটার (সেনাবাহিনী) মাঠে নামার সাথে রাজনৈতিক কোনো উদ্দেশ্য নেই।’

মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, একটি দল নির্বাচন বানচালের ঘোষণা দিয়েছে। সে কারণে হয়তো ইসি মনে করেছে সশস্ত্র বাহিনী ভোটের নিরাপত্তায় থাকবে। প্রশাসন, পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী সমন্বয় করে আইনমতো ইসির নির্দেশ মেনে ভোটে দায়িত্ব পালন করবে। ভোটে আর্মি থাকবে।

এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে ১০ হাজার তিনশ ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ভোটে ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের তালিকা নির্বাচন কমিশন আর নিরাপত্তা বাহিনী মিলেই করে। এটা স্বাভাবিক ঘটনা। ইসি চেয়েছে সেটা সংশ্লিষ্টরা তৈরি করে দেবেন।

ভোটে সহিংসতার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ভোটের প্রচারে বিচ্ছিন্ন দুয়েকটি ঘটনা যা ঘটছে। নিরাপত্তা বাহিনী তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছে। নির্বাচনের প্রচারের পরিবেশ ভালো আছে।’

নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত ভালো আছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা আগামীকাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ইসিতে যাবে। সংখ্যা এখনো ঠিক হয়নি, তবে সংখ্যা অনেক।

এবারের নির্বাচনে এক হাজার আটশর বেশি প্রার্থী ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী প্রচারে সহিংসতার ঘটনায় এরই মধ্যে অন্তত দুজন নিহত হয়েছে। এবার সারা দেশে ভোটকেন্দ্র ৪২ হাজার ১৪৯টি।

শ্রমিকদের বেতন বাড়াতে জাপানি কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জাপানের প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক রিপোর্ট:

চলতি ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে দেশের শ্রমিকদের বেতন বেশি পরিমাণে বাড়াতে জাপানি কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা। সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) জাপানের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যবসায়িক লবি প্রতিষ্ঠান কেইদানরেন আয়োজিত এক সভায় এই আহ্বান জানান তিনি। খবর নিক্কেই এশিয়ার।

কিশিদা বলেন, এই বছরের তুলনায় শ্রমিকদের বেতন আরও বাড়াতে আমি আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি। তবে বেতন কী পরিমাণ বাড়াতে হবে তা নিয়ে নির্দিষ্ট করে কোনো কিছু বলেননি তিনি।

জাপানি জনগণকে বিভিন্ন কর ও সামাজিক নিরাপত্তা ফি বাবদ সরকারকে মোটা অঙ্কের অর্থ দিতে হয়। তবে গতকালের সভায় জনগণের নিষ্পত্তিযোগ্য আয়ের ওপর জোর দেন কিশিদা। একই সঙ্গে আগামী বছর থেকে জনগণকে নির্দিষ্ট হারে কর অব্যাহতি সুবিধা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

জাপানে ২০২৪ সালের শুরুতে মজুরি বৃদ্ধি নিয়ে মালিক পক্ষ ও শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর মধ্যে বার্ষিক আলোচনা সভা হওয়ার কথা রয়েছে। জাপানি ভাষায় মালিক পক্ষ ও শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর মধ্যকার বার্ষিক এই আলোচনা সভাকে ‘শুন্টো’ বলা হয়ে থাকে। এই আলোচনার আগে দেশের শ্রমিকদের পক্ষে কথা বললেন জাপানি প্রধানমন্ত্রী।

ইসরায়েলে ৬ দেশ থেকে হামলা হচ্ছে

ডেস্ক রিপোর্ট:

চলমান গাজা যুদ্ধের মধ্যেই ছয় দেশ থেকে ইসরায়েলে হামলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইওভ গ্যালান্ট। তবে এসব হামলার পাল্টা জবাব দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

নেসেটের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা কমিটির এক বৈঠকে গ্যালান্ট বলেন, কয়েকটি ফ্রন্টে আমরা যুদ্ধ করছি। সাত স্থান থেকে ইসরায়েলে হামলা চালানো হচ্ছে। সেগুলো হলো, গাজা, লেবানন, সিরিয়া, পশ্চিম তীর, ইরাক, ইয়েমেন ও ইরান।

তিনি বলেন, এসব হামলার পাল্টা জবাব দেওয়া হচ্ছে, যারা আমাদের লক্ষ্য করে হামলা চালাবে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে না।

গ্যালান্ট বলেন, গাজায় যুদ্ধ হবে দীর্ঘমেয়াদী ও কঠিন।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের সংকল্প, সহনশীলতা, শক্তি এবং লক্ষ্যগুলো সঙ্গে জাতীয় ঐক্য দরকার। এটি এমন একটি যুদ্ধ যেখানে যিনি বেঁচে থাকেন তিনি জাতীয় স্তরে, মূল্যবোধে ও ঐক্যে শক্তিশালী। এটি জাতীয় সংকল্পের যুদ্ধ, যার মাধ্যমে আমরা হামাসকে পরাজিত করবো।

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার পশ্চিমাঞ্চলীয় খান ইউনিস শহরে দ্য প্যালেস্টিনিয়ান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সদরদপ্তরে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ওই এলাকা ফিলিস্তিনিদের জন্য নিরাপদ মনে করা হলেও ইসরায়েলি হামলার লক্ষ্য থেকে বাদ পড়েনি।

রেড ক্রিসেন্টের মূল ভবনের উপরের ফ্লোরে হামলা চালানো হয়। এতে পুরো ভবন এবং এর আশেপাশে স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হাজার হাজার বাস্তূচ্যুত ফিলিস্তিনি ওই ভবনকে নিরাপদ ভেবে সেখানে আশ্রয় নিয়েছিল। এছাড়া সংঘাত শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন স্থান থেকে পালিয়ে আসা লোকজনও ওই ভবনে অবস্থান করছিলেন।

নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত ভালো: সিইসি

ডেস্ক রিপোর্ট:

চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল
এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ ভালো আছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

তিনি বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা ভোটগ্রহণের বিষয়ে নিজেদের সন্দেহের কথা বলেছেন। আমরা বলেছি প্রত্যেকটি কেন্দ্রে ভোট শুরুর আগে পোলিং এজেন্টরা দাঁড়িয়ে দেখে নেবেন ব্যালট বাক্সগুলো খালি আছে কি না। ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোট গণনা এবং ঘোষণা পর্যন্ত তারা ওখানে উপস্থিত থেকে দেখবেন গণনা সঠিক হয়েছে কি না। যদি সব কেন্দ্রে গণনা সঠিকভাবে হয়ে গেছে দেখা যায়, তাহলে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠ এবং নিরপেক্ষ হয়ে যাবে।’

মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (পিটিআই) অডিটোরিয়ামে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময় করে ইসি। পরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

এর আগে সকাল ১০টায় নগরীর ষোলশহর এলজিইডি মিলনায়তনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সিইসি। পরে দুপুর ১২টায় পিটিআই অডিটোরিয়ামে বিভাগের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলাম সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এসব মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। সভা দুটিতে বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাচন কমিশনের সচিব জাহাংগীর আলম। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নুরে আলম মিনা, জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান, জেলা পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘ভোটের মাঝে যদি কোনো পেশিশক্তির উদ্ভব ঘটে তাহলে আমাদের অবহিত করা হলে সেসব ভোটকেন্দ্রের ভোট আমরা বন্ধ করে দেবো। আমরা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছি, অনেকে আশ্বস্ত হয়েছেন, কেউ কেউ আশ্বস্ত নাও হতে পারেন। নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে আমরা বলতে চাই, এই ধরনের ঘটনা আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবে না।’

সিইসি বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে যদি পেশিশক্তির কোনো উদ্ভব ঘটে, সেজন্য প্রশাসনকে বলে দিয়েছি, রিটার্নিং অফিসাররা যদি অবগত হন এবং প্রিজাইডিং অফিসারকে যদি বলা হয়, তিনি তাৎক্ষণিক ভোট বন্ধ করে দেবেন। উনি যদি বন্ধ না করেন, রিটার্নিং অফিসার যদি অবগত হন, তিনি বন্ধ করে দেবেন। তিনিও যদি না করেন, তাহলে আমরা যদি অবগত হই, ঢাকা থেকে আমরাও নির্বাচন বন্ধ করে দিতে পারবো। এজন্য বলেছি, আমাদের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে যে অনাস্থা সৃষ্টি হয়েছে, সে অনাস্থা অবিশ্বাসটুকু যাতে দূর হয়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা মাঠপর্যায়ে ওসি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ডেপুটি কমিশনার, পুলিশ সুপার সবার বক্তব্য শুনেছি। তাদের বক্তব্য থেকে উঠে এসেছে, এখনো পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ ভালো। তবে আমরা স্পষ্ট বার্তা দিয়েছি- শেষ দিন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশটা ধরে রাখতে হবে। আরেকটি বার্তা দিয়েছি- ভোট গ্রহণের দিন, সেদিনের বিষয়টি কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে থাকবে। ভোট অবাধ হলো, সেখানে কারচুরি হয়েছে কি না, সেটা নিশ্চিত হওয়ার জন্য যারা ভোটগ্রহণ করবেন, প্রিজাইডিং অফিসারসহ তার নিচের লোকজন। ভোটকেন্দ্রে কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি কোনোভাবেই যাতে প্রবেশ করতে না পারে, সেটা শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে।’

কাজী হাবিবুল আউয়াল আরও বলুন, ‘কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি যদি কোনো ভোটকেন্দ্রে যদি কোনোভাবেই প্রবেশ করে, তাহলে বুঝতে হবে তার কুমতলব রয়েছে। ফলে কোনো কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাবে। আমরা কঠোর বার্তা দিয়েছি, কোনোভাবে তা বরদাশত করা যাবে না। আমাদের নির্বাচনী সংস্কৃতির মধ্যে কালোটাকার বিনিময়ে পেশাদার গুন্ডাদের ভাড়া করেন। তাদেরকে বলা হয় পেশিশক্তি, মাসলপাওয়ার। মাসলপাওয়ার যাতে ভোটকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে না পরে, সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হবে।’

ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে গণমাধ্যমকে প্রিজাইডিং অফিসারের অনুমতি লাগবে না জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেকোনো মূল্যে আস্থাভাজনভাবে অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্যভাবে তুলে আনতে হবে। ভোটের স্বচ্ছতা উঠে আসবে মিডিয়ার মাধ্যমে। মিডিয়ার কর্মীরা ভোটকেন্দ্রের ভেতরে গিয়েও ছবি তুলতে পারবেন। প্রিজাইডিং অফিসারের অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করতে হবে না। সরাসরি প্রবেশ করবেন। মিডিয়াকর্মী এবং পর্যবেক্ষকরা অবাধে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন। সত্য-মিথ্যা তাৎক্ষণিকভাবে তারা মিডিয়ার মাধ্যমে জনগণকে জানিয়ে দিতে পারবেন।’

বিশেষায়িত অ্যাপের মাধ্যমে ভোটের দিনের পরিস্থিতি জনগণ অবগত হতে পারবেন জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘আমরা একটি অ্যাপ তৈরি করেছি। এ অ্যাপে দুই ঘণ্টা অন্তর অন্তর ভোটের তথ্য ইনপুট দেওয়া হবে। কতটুকু ভোট সংগ্রহ হয়েছে, তার তথ্য। সাধারণ মানুষ ওই অ্যাপ মোবাইল ফোনে ডাউনলোড এবং ইনস্টল করে নির্বাচনের তথ্য জানতে পারবেন।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সহিংসতা এড়িয়ে যেতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে অনেক অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত প্রার্থিতা বাতিলের মতো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা হুট করে প্রার্থিতা বাতিল করতে পারি না। আমরা এরই মধ্যে কয়েকজনকে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ দিয়েছি। আমরা নিশ্চিত হয়ে প্রয়োজন হলে প্রার্থিতা বাতিল করবো।’

‘আমার বন্ধু রাশেদ’ সিনেমার সেই কিশোর বিয়ে করেছেন

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিয়ে করেছেন মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমা ‘আমার বন্ধু রাশেদ’-এর নাম ভূমিকায় অভিনয় করা কিশোর চৌধুরী জাওয়াতা আফনান।

দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর প্রিয় মানুষের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি। আফনানের স্ত্রীর নাম ফারিয়ান নুসরাত মুমু। গত ২৩ ডিসেম্বর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন এই জুটি।

বিয়ের খবর নিশ্চিত করে জাওয়াতা আফনান বলেন, ‘আমাদের প্রেমের বয়স ১০ বছর। ২০১৩ সালে কলেজে পড়াকালীন মুমুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারই সফল পরিণতি আমাদের বিয়ে। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

‘আমার বন্ধু রাশেদ’ সিনেমায় অভিনয়ের কারণে একাধিক পুরস্কারও জিতেছেন এই অভিনেতা। ২০১২ সালে ‘কিক অফ’ শিরোনামে একটি টেলিফিল্মে অভিনয় করেন আফনান। এটি নির্মাণ করেন রেদওয়ান রনি। ২০১৪ সালে সর্বশেষ ‘ইউ টার্ন’-এ অভিনয় করেন। তারপর আর অভিনয়ে দেখা যায়নি তাকে।

পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে একটি প্রোডাকশন হাউস নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন চৌধুরী জাওয়াতা আফনান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার একটি প্রোডাকশন হাউস আছে, সেখান থেকে আমরা বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার তথ্যচিত্র, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্যচিত্র, বিজ্ঞাপন, অডিও ভিজ্যুয়াল নিয়ে কাজ করি।’

বৈদেশিক কোনো চাপ নেই, চাপ আছে আমাদের বিবেকের : ইসি

ডেস্ক রিপোর্ট:

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আহসান হাবিব খান বলেছেন, আমাদের বৈদেশিক কোনো চাপ নেই, চাপ আছে আমাদের বিবেকের, আমাদের ঈমানের। বর্তমান কমিশন অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে নির্বাচন কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আহসান হাবিব খান বলেন, প্রতিপক্ষ দলগুলোর মাঝে হানাহানি, সংঘর্ষ, ভোট প্রদানে ভয়ভীতি ও ভোট জালিয়াতির মতো খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় ভোটারদের মাঝে ভোট প্রদানে অনীহা লক্ষ্য করা যায়। ভোটারদেরকে নির্বিঘ্নে নিরাপদে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোট প্রদানের সুষ্ঠু পরিবেশ আমাদের সকলকে মিলেই তৈরি করতে হবে। ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসার বিষয়ে আগ্রহ বাড়াতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ভোটার উপস্থিত করানোর দায়িত্ব প্রার্থীর। তবে কেউ ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দিলে তার তিন থেকে সাত বছর কারাদণ্ডের বিধান আছে। আর আমরা সেভাবেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছি।

আহসান হাবিব খান বলেন, নির্বাচনের প্রাক্কালে অহেতুক পুলিশি গ্রেপ্তার বা হয়রানিমূলক মামলা করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে কেউ যদি প্রকৃতই অপরাধী হয়ে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। নির্বাচনে প্রতিযোগিতা এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে কিন্তু প্রতিরোধ ও প্রতিহিংসা থেকে বিরত থাকতে হবে। এছাড়া আগুন সন্ত্রাসী, প্রচারণায় বাধা, ভোটের পরিবেশকে অস্থিতিশীল করা ও কেন্দ্রে যাওয়ায় বাধা ইত্যাদি থেকে বিরত থাকতে হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাংবাদিক হচ্ছে আমাদের চোখ এবং কান। সাংবাদিকগণ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে সংবাদ গণমাধ্যমে পরিবেশন করেন। আমরা চোখ দিয়ে তা দেখি এবং কান দিয়ে তা শুনি এবং তা পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি। গণমাধ্যম কর্মী আমাদের বন্ধু, শত্রু নয়। তারা তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারবেন। তাদের বাধা দেওয়া হলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।

এর আগে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. শওকত আলীর সভাপতিত্বে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ব্রাহ্মণপাড়ায় ভারতীয় বাজি ও কসমেটিকস জব্দ

উপজেলা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার শশীদল রেলস্টেশন এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণে ভারতীয় বাজি ও কসমেটিকস জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে এ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এমদাদ হোসেন ভূঁইয়া। এ সময় ৬০ বিজিবি সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন শশীদল বিওপির বিজিবি সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স ম আজহারুল ইসলাম জানান, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে বিশেষ তদারকির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও চোরাচালানবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গতকাল (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার শশীদল রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিপুল পরিমাণে ভারতীয় বাজি ও কসমেটিকস উদ্ধার করা হয়।