All posts by jitu

আগামী ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশের ঘোষণা বিএনপির

আগামী ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশের ঘোষণা বিএনপির

ডেস্ক রিপোর্ট:

সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আগামী ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশ ঘোষণা করেছে বিএনপি। বুধবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে অনুষ্ঠিত সমাবেশ থেকে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

ঘোষিত কর্মসূচিকে আংশিক কর্মসূচি উল্লেখ করে তিনি বলেন, মহাসমাবেশ থেকে আমাদের মহাযাত্রা শুরু হবে।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসা ও মুক্তি এবং সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি যৌথভাবে এ সমাবেশের আয়োজন করে।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক এবং দক্ষিণের সদস্য সচিব লিটন মাহমুদের সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম।

মুরাদনগরে সবজি বাগান থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

মুরাদনগর সংবাদদাতা:
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় নিজ দোকানের পেছনের সবজি বাগান থেকে সাদির মিয়া(৫৫) নামের এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে মুরাদনগর থানা পুলিশ। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।

মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) রাত ১১টায় উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের নেয়ামতকান্দি বাজারে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বাজারের পাহাড়াদার কবির ব্যবসায়ী সাদির মিয়ার দোকানের পিছনে থাকা সবজি বাগানে তার লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের মাধ্যমে মুরাদনগর থানায় খবর দেয়।

নিহতের ছেলে সালাউদ্দিন জানান, তার পিতা নেয়ামতকান্দি বাজারে প্রায় ৪০ বছর যাবৎ মুদিমালের ব্যবসা করে আসছেন। প্রতিদিনের মতো গতকালও সুস্থ স্বাভাবিক অবস্থায় তিনি দোকানে গিয়েছিলেন। সবসময় এশার নামাজের আগে দোকান বন্ধ করে তার বাবা বাড়ী চলে আসলেও মঙ্গলবার আর ফিরে আসেনি। বাজারে অনেক খোজাখুজির পর রাত এগারোটার কিছু আগে তারা দোকানের পিছনে তার বাবার লাশ পাওয়ার খবরটি জানতে পারেন। সাদির মিয়ার শরীরে আঘাতের কোন চিহ্ন না থাকলেও মৃত্যুর কারন উদঘাটনের জন্য প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠ তদন্তের দাবী তার ছেলে সালাউদ্দিনের।

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল বারী ইবনে জলিল জানান, ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরন করা হয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর কারন জানা যাবে।

ভোটের পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত পুলিশ রাখার চিন্তা ইসির

ভোটের পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত পুলিশ রাখার চিন্তা ইসির

ডেস্ক রিপোর্ট:

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রয়োজন হলে ভোটের পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। তবে এখন এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিভিন্ন সংগঠনের নিরাপত্তা শঙ্কায় এবং সংলাপে এ বিষয়টি উঠে আসার কারণেই বিষয়টি কমিশনে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।

অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে কমিশনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী ভোটের ১৫ দিন পর্যন্ত নিরাপত্তা রাখতে পারে ইসি। যেহেতু সুধীজনদের সঙ্গে সংলাপে ভোট পরবর্তী সহিংসতার বিষয়টি উঠে এসেছে এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতারাও এ বিষয়ে চিঠি দিয়ে কমিশনকে অবহিত করছে, সেহেতু প্রয়োজন হলে কমিশন এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।

ভোটের মাঠে নিরাপত্তা নিশ্চিতে মূলত পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার বাহিনী নিয়োজিত থাকে। এছাড়া নির্বাচনের সময় ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে কাজ করে সশস্ত্র বাহিনী। পুলিশ ভোটের আগে দুই দিন ও পরে দুইদিন পর্যন্ত মোট চারদিন দায়িত্ব পালন করে। আনসার সদস্যরা ভোটের আগেপরে মিলিয়ে দায়িত্ব পালন করেন মোট পাঁচদিন। অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরাও তিন থেকে চারদিন নির্বাচনী দায়িত্বে থাকেন।

আগামী ডিসেম্বরের শেষে বা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সংসদের ৩০০ আসনে ভোটকেন্দ্র হবে ৪২ হাজারের কিছু বেশি। গত নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বিভিন্ন বাহিনীর ছয় লাখের বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে ছিল সশস্ত্রবাহিনী। আগামী নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গত নির্বাচনের চেয়েও অনেক বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানা গেছে। কারণ, গত নির্বাচনের চেয়ে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা আগামী নির্বাচনে বেশি থাকবে।

সরকার দুর্বল বলে দমনের নীতি গ্রহণ করেছে : রুহুল কবির রিজভী

সরকার দুর্বল বলে দমনের নীতি গ্রহণ করেছে : রুহুল কবির রিজভী

ডেস্ক রিপোর্ট:

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার দুর্বল হয়ে গেছে। তাই তারা দমনের নীতি গ্রহণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার কবরে শ্রদ্ধা জানাতে বিএনপির সিনিয়র নেতারা।

রুহুল কবির রিজভী জানান, গতকাল মঙ্গলবার থেকে আজ সমাবেশ উপলক্ষ্যে বেশ কিছু নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা এর ধিক্কার জানাই। গণতান্ত্রিক সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম দমন করা যায় না। সত্য ও ন্যায়ের সংগ্রাম সব সময় বিজয়ী হয়, হয়ত কিছু দিন কষ্ট হয়।

বিএনপির নীতি ও আদর্শ গণতন্ত্র ফেরানো, মানুষের অধিকার ফেরানো মন্তব্য করে তিনি বলেন, সেজন্য আমরা লড়াই করছি। আমাদের লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন খালেদা জিয়া। এ কারণে তার ওপর এত নিপীড়ন-নির্যাতন। কিন্তু খালেদা জিয়া তার লক্ষ্য থাকে বিচ্যুত হননি, তিনি আপোসহীন। এটাই আমাদের প্রেরণার উৎস।

চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ বলে উল্লেখ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব জানায়, এই আন্দোলনে বিএনপি জয়লাভ করবে, দেশের মানুষ জয়লাভ করবে।

আজকের জনসমাবেশ উপলক্ষ্যে এ পর্যন্ত ৬০-৭০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রিজভী। বলেন, গ্রেপ্তার করে কি কোনো কর্মসূচি দুর্বল করা যায়? বরং নেতাকর্মীরা আরও বেশি প্রতিবাদী হয়ে ওঠে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, সহ প্রচার সম্পাদক শামিমুর রহমান শামীম, বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সহ সম্পাদক ড. মোরশেদ হাসান খান প্রমুখ।

সূত্র: ঢাকাপোস্ট

এই যুদ্ধ-অস্ত্রের প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন: বিশ্বনেতাদের প্রধানমন্ত্রী

এই যুদ্ধ-অস্ত্রের প্রতিযোগিতা বন্ধ করুন: বিশ্বনেতাদের প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

যুদ্ধ ও অস্ত্রের প্রতিযোগিতা বন্ধ করে অস্ত্র বানানোর টাকা বিশ্বের উন্নয়নে ব্যয় করার জন্য বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘শেখ রাসেল ও স্মার্ট বাংলাদেশ পদক প্রদান এবং শেখ রাসেল দিবস ২০২৩’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ বিশ্বে একের পর এক যুদ্ধ। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এখন আবার প্যালেস্টাইনের ওপর আক্রমণ করছে ইসরাইল। দুই পক্ষেরই শিশু নিহত হয়েছে। গতকাল দেখলাম হাসপাতালে আক্রমণ হয়েছে। সেখানেও শিশু মারা গেছে। আমি বিশ্বনেতাদের বলবো, এই যুদ্ধ বন্ধ করুন। অস্ত্রের প্রতিযোগিতা বন্ধ করেন। যুদ্ধ মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনে না। এই যুদ্ধের ফলে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নারী ও শিশু। আমরা সেটা জানি। যুদ্ধের ফলে শিশু হারায় বাবা-মা, বাবা-মা হারায় সন্তানদের। ১৯৭১ ও ১৯৭৫ এ আমরা এই ভয়াবহতা দেখেছি। আজকে আমাদের এখানে তাপস আছে, তার শিশু বয়সেই বাবা-মা হারিয়েছে।

তিনি বলেন, অস্ত্র বানানোর টাকা বিশ্বের উন্নয়নের ব্যয় হোক, আমরা চাই। যুদ্ধ চাই না, কারণ যুদ্ধ ধ্বংস করে। আমরা শান্তি চাই।

শেখ হাসিনা জানান, আমার ছোট্ট রাসেলের মতো আর যেন কাউকে জীবন না দিতে হয়, এটাই আমি চাই। এসময় কবি সুকান্তের কবিতাও আবৃত্তি করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি জানায়, শিশুদের স্বাধীন দেশের উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিশু-কিশোরদের নিয়ে এই সংগঠন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ সব মানুষকে মানুষের দৃষ্টিতে দেখা এবং অটিস্টিক বা পিছিয়েপড়াদের আরও এগিয়ে নিতে হবে, এটাই এই সংগঠনের লক্ষ্য।

৭১ সালের বন্দিজীবনের স্মৃতিচারণ করে সরকারপ্রধান বলেন, ১৯৭১ সালে আমরা যখন বন্দি ছিলাম, একবার চেষ্টা করেছে ভেতরে এসে আমাদের ওপর হামলা করতে। একটা ছোট্ট তার আমাদের বাঁচিয়ে দেয়। একটা কাপড় ঝোলানো তারের সঙ্গে লেগে সে অফিসার পড়ে যায়, পরে সে ফিরে যায়। পরে কর্নেল অশোক আসে। সেদিনটি ছিল ১৮ তারিখ।

তিনি বলেন, ছোট্ট শিশুরা দ্রুত শিখে ফেলে। আমাদের বুড়োদের হয়তো দেরি হয়। এসময় প্রধানমন্ত্রী নিজের নাতির স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমাদের এই শিশুরাই আগামী স্মার্ট বাংলাদেশের দক্ষ সৈনিক হবে।

শিশুদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা জানান, আজ তোমরা যারা শিশু এখানে আছো, বাবা-মার কথা শুনবে। ঠিকমতো লেখাপড়া করবে। লেখাপড়া ছাড়া মানুষ বড় হতে পারে না। আমাদের ছেলেদেয়েদের মধ্যে এই আকাঙ্ক্ষা থাকবে, আমরা লেখাপড়া করে মানুষের মতো মানুষ হবো। বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবো।

তিনি বলেন, আমরা শান্তি চাই। দেশের উন্নয়ন চাই। এজন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছি। আগামীতে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ আমাদের টার্গেট।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার গঠন করার পর থেকে আমার প্রচেষ্টা ছিল বাংলাদেশকে আর্থসামাজিকভাবে উন্নত করবো। ছোট্ট শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত স্কুল করে দেওয়া, বই দেওয়া, খেলাধুলার ব্যবস্থা করা, এসবের মধ্যদিয়ে শিশুদের গড়ে তুলতে সহযোগিতা করেছি। ছোটবেলা থেকে যেন খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চার অভ্যাস হয়, সে ব্যবস্থা করেছি।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের বন্দিখানার পাশে রাসেল প্যারেড দেখেছে। গ্রামের বাড়ি গিয়ে বাচ্চাদের নিয়ে সে প্যারেড করতো। বাচ্চাদের পুরস্কারও দিতো। তার জীবনের বড় স্বপ্ন ছিল- সে বড় হয়ে আর্মি অফিসার হবে। কিন্তু তার সে স্বপ্ন তো পূরণ হতে দিলো না।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমদ পলকের সভাপতিত্বে ও ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর হোসেন রনির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি সচিব সামসুল আরেফিন, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ শরাফাত, সাংগঠনিক সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ‘স্মরণের আবরণে শেখ রাসেল’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও অনুষ্ঠানে রাসেলের স্মৃতি নিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কর্নেল (অব.) অশোক কুমার তারা’র ভিডিও বার্তা প্রদর্শন করা হয়।

জাতির পিতার কনিষ্ঠ সন্তান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোটভাই শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ধানমন্ডিতে জন্মগ্রহণ করেন। শেখ রাসেল ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের ছাত্র ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের নির্মম বুলেট থেকে রক্ষা পাননি শিশু শেখ রাসেল। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাকেও নির্মমভাবে তাকেও হত্যা করা হয়।

শিশু রাসেলের জীবন সম্পর্কে শিশু-কিশোরদের কাছে তুলে ধরতে তার জন্মদিনকে ‘শেখ রাসেল দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে তৃতীয়বারের মতো পালিত হচ্ছে ‘শেখ রাসেল দিবস’। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘শেখ রাসেল দীপ্তিময়, নির্ভীক নির্মল দুর্জয়’।

মুরাদনগরে অটোরিক্সার ধাক্কায় মাদ্রাসা ছাত্রীর মৃত্যু

মুরাদনগরে অটোরিক্সার ধাক্কায় মাদ্রাসা ছাত্রীর মৃত্যু

উপজেলা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় অটোরিক্সার ধাক্কায় সামিয়া আক্তার (৮) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্রী মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় উপজেলার মুরাদনগর-হোমনা সড়কের সাবেক এমপি কায়কোবাদের বাড়ির সামনে এই দূর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত সামিয়া আক্তার ফরিদপুরের ইলিয়াছ হোসেনেরে মেয়ে। সে ছোট কাল থেকে মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল নানার বাড়ী ও মুরাদনগর সদরের হাসেম মিয়ার ছেলে খালু ফারুক মিয়ার বাড়ীতে থেকে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় লেখা-পড়া করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে প্রতি দিনের মতো বিশুদ্ধ পানি আনতে মুরাদনগর উপজেলার সদরের সাবেক এমপি কায়কোবাদের বাড়িতে যায় সামিয়া। পানি নিয়ে বাসায় ফিরার সময় মুরাদনগর-হোমনা সড়ক হয়ে ধনীরামপুর থেকে ছেড়ে আশা মুরাদনগরগামী একটি অটোরিক্সা সামিয়াকে ধাক্কা দিলে আহত করে এবং অটোরিক্সটি পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত্যু ঘোষনা করেন।

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল বারী ইবনে জলিল বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে লাস উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। সামিয়ার পরিবারের লোকজন চট্রগ্রামে থাকেন। আসলে পরবর্তি প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আগামী ২৪ অক্টোবর থেকে শুরু বেসরকারি স্কুলে ভর্তির আবেদন

আগামী ২৪ অক্টোবর থেকে শুরু বেসরকারি স্কুলে ভর্তির আবেদন

ডেস্ক রিপোর্ট:

বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি আবেদন শুরু হবে আগামী ২৪ অক্টোবর। চলবে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত।

মঙ্গলবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ বেলাল হোসাইনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে বিদ্যালয় থেকে কোনো ভর্তি ফরম বিতরণ করা হবে না। ভর্তির আবেদন শুধুমাত্র অনলাইনে https://gsa.teletalk.com.bd ঠিকানায় পাওয়া যাবে। অনলাইনে আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া চলবে ২৪ অক্টোবর থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত।

প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। ভর্তির আবেদন ফি ১১০ টাকা। শুধুমাত্র টেলিটক সিম ব্যবহার করে এ টাকা পরিশোধ করা যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, শিক্ষার্থীরা আবেদনের সময় স্কুল নির্বাচনের ক্ষেত্রে মহানগর পর্যায়ের জন্য বিভাগীয় সদরের মেট্রোপলিটন এলাকা এবং জেলা সদর ও উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা পাবে।

এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা প্রাপ্যতার ভিত্তিতে প্রতিটি আবেদনে সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় পছন্দের ক্রমানুসারে নির্বাচন করতে পারবে।

ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে ক্লিক করুন

চাঁদপুরে মিথ্যা মামলা- হামলা ও লুটপাটের প্রতিবাদে মানববন্ধন

চাঁদপুরে মিথ্যা মামলা- হামলা ও লুটপাটের প্রতিবাদে মানববন্ধন

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫নং রামপুর ইউনিয়নের ছোটসুন্দর গ্রামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, অন্তঃসত্ত্বা পান্না বেগমসহ বাড়ির নিরীহ মানুষের উপর হামলা, ঘরবাড়ি ভাংচুর ও লুটের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ছোটসুন্দর এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) সকালে ইউনিয়নের ছোটসুন্দর এ. আলী উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন পশ্চিম পাশে আলগী রাজারহাট বাজার সড়কের পাশে নারী পুরুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের বিচারের দাবি জানিয়ে প্রশাসনের নিকট অনুরোধ জানান এলাকাবাসী।

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে প্রতিবাদকারীরা বলেন, আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে নিহত দুদু গাজীর পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলছে। গত শনিবার সকালে বিদ্যুতের লোকজন আমাদের বসতঘরে মিটার সংযোগ দিতে আসলে নিহত দুদু গাজীর ছেলে মনির গাজী বাঁধা দিলে দুই পক্ষের মাঝে বাকবিতন্ডা তৈরি হয়। এর মাঝেই হঠাৎ করে প্রায় ১২০ ফুট দূরত্বে রাস্তার পাশে দুদু গাজী জোরে কথা বলার সময় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উঠিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি দোকানে নিয়ে বিছানায় রাখে। পরে অবস্থার অবনতি দেখে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পরদিন বিকেলে নিহত দুদু গাজীকে মাটি দেয়ার পর তারা আমাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। ঐদিন রাতে এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও আমাদের জান মালের নিরাপত্তার কথা ভেবে আমাদের অনুরোধে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ২জন গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

গত সোমবার সকাল ৬টায় তারা চলে যাবার পর কবর জিয়ারতের কথা বলে বাড়ির ভিতরে ঢুকে মনির, রুবেল, মোহাব্বত, জুয়েল, হারুন, ভুলু, নানু, জাকির সহ প্রায় ৩০/৪০জন লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ঘরবাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করে আমাদের উপর হামলা চালান। আমরা তখন ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলাম। তাদের হামলার আওয়াজ শুনে যে যেভাবে পারছি ঘর থেকে বের হয়েছি।

এ সময় মনির ও মতব্বত ৭ মাসের অন্তঃসত্বা পান্না বেগমকে চুল ধরে টেনে হিছড়ে লাথি কিল ঘুষি মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। তাকে আমরা মাটিতে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করি। এ সময় চিৎকার শুনে পাশবর্তী লোকজন এসে তাঁকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। গর্ভবতী পান্না বেগম হাসপাতালে মূমুর্ষ অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। ডাক্তারের সাথে কথা বলে জানা যায়, পেটে থাকা বাচ্ছার অবস্থা আশংকা জনক। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছি।

এর আগে উক্ত ঘটনায় গত রবিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াসির আরাফাত, চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শেখ মুহসীন আলম, রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আল মামুন পাটওয়ারী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এক-দুইটা দল অংশ না নিলেও নির্বাচন বন্ধ হবে না: ওবায়দুল কাদের

এক-দুইটা দল অংশ না নিলেও নির্বাচন বন্ধ হবে না: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী, স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে। সংবিধানের সব নিয়ম মেনে যে নির্বাচন চলছে সে নির্বাচনে কেউ যদি অংশ না নেয় সেটার জন্য সে নির্বাচন বন্ধ হবে না। বহুদল আছে যারা নির্বাচনে অংশ নেবে। দু-একটা দল অংশ না নিলে সে নির্বাচন কেন গ্রহণযোগ্য হবে না? নির্বাচনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক অধিকার। কেউ যদি নিজের অধিকার প্রয়োগ না করে সেটা তাদের ব্যাপার।

বুধবার সকালে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিন উপলক্ষে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ভাঙচুর, অগ্নিসন্ত্রাস, অস্ত্র ও খুনের মামলায় আগে থেকে যারা জড়িত সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের গ্রেফতার করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নতুন করে গ্রেফতারের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

তিনি বলেন, ৭৫ এ খন্দকার মোশতাক ও মেজর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে যে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করেছিলেন, ৩ নভেম্বর জেল হত্যা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা-এ সমুদয় হত্যাকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য বঙ্গবন্ধু পরিবারকে ও আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করা। যে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল সে ঘৃণ্য রাজনীতি থেকে তাদের উত্তরসূরিরা এখনো সরে দাঁড়ায়নি। সে ধারাবাহিকতা এখনো বহন করে চলছে জিয়াউর রহমানের দল বিএনপি।

এ হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি বাংলাদেশের মাটি থেকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্মূল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, যতদিন শেখ রাসেলের মতো অবুঝ শিশুর জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য করে না তুলতে পারবো ততদিন পর্যন্ত আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে।

এর আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দলীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ শেখ রাসেলের সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে বনানী কবরস্থ মসজিদে শেখ রাসেলসহ পঁচাত্তরে ১৫ আগস্টে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এতে অংশ নেন দলীয় নেতাকর্মীসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুস সবুর, শিক্ষা সম্পাদক সামছুন্নাহার চাঁপা, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম প্রমুখ।

সরকার পরিবর্তন করতে হলে নির্বাচনে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সরকার পরিবর্তন করতে হলে নির্বাচনে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

সরকার পরিবর্তন করতে হলে বিএনপিকে নির্বাচনে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি জানান, ‘বিএনপি একের পর এক সমাবেশ, একের পর এক কর্মসূচি দিয়ে যাচ্ছে। তারা বলছে, এভাবে তারা লাগাতার কর্মসূচি দিয়ে যাবেন। তারা যেটা চাচ্ছেন যে সরকার পতন। এই ধরনের আচরণ কিংবা ষড়যন্ত্র করে কোনোদিন সরকার পরিবর্তন হবে না। আমরা সবসময় বলে আসছি সরকার পরিবর্তন করতে হলে নির্বাচনে আসতে হবে।’

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ- আইডিইবিতে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। শেখ রাসেলের জন্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘দেশের মানুষ যদি আপনাদের ভোট দেয়, আপনারা অবশ্যই জয়যুক্ত হলে সেখানে (সরকারে) যাবেন। এ ধরনের আন্দোলন, ঘেরাও, অবস্থান, জ্বালাও-পোড়াও ২০১৪-১৫ সালে আপনারা দেখেছেন। তাদের আন্দোলনের মাত্রা ছিল কতখানি। ৯০ দিন ধরে তারা অগ্নিসংযোগ করেছে, মানুষ পুড়িয়েছে, মানুষ হত্যা করেছে। সে কারণে আমাদের আওয়ামী লীগের নেতারা হয়তো মনে করছেন- বিএনপি আবার সেই অবস্থায় যেতে পারে। আমরা মনে করি তারা একবার ভুল করেছেন, আর একবার ভুল করলে এ দেশের জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না।’

বিএনপির ১০ লাখ নেতাকর্মী ঢাকায় অবস্থান করবেন- এই ধরনের কোনো গোয়েন্দা তথ্য আছে কি না এমন এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শুনেছি, আমাদের কাছে বিএনপি নেতাকর্মীরা বা তাদের নেতাকর্মীরা যেভাবে বলছেন সেগুলোর ওপর ভিত্তি করে এগুলো উচ্চারিত হচ্ছে এবং আমাদের কাছে আসছে।’

তিনি জানায়, ‘এদেশের জনগণ কোনো অন্যায়, কোনো অত্যাচার মেনে নেয়নি। কাজেই জনগণই এর জবাব দেবে।’